SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মুরীদ%' OR titleBn LIKE '%মুরীদ%' OR descriptionEn LIKE '%মুরীদ%' OR descriptionBn LIKE '%মুরীদ%' OR slug LIKE '%মুরীদ%' OR metaTag LIKE '%মুরীদ%' OR metaDescription LIKE '%মুরীদ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
দু’জন থেকে খিলাফত লাভ:
এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে বড় হুযূর কিবলা অর্থাৎ ফুরফুরা শরীফের তৎকালীন গদীনশীন পীর, কাইয়ূমে যামান, হযরত মাওলানা আবদুল হাই ছিদ্দিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও সম্মানিত খিলাফত মুবারক দিয়েছিলেন। তবে উনার প্রধান মুর্শিদ কিবলা ছিলেন হযরত ন’হুযূর কিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। সেজন্যই পবিত্র শাজরা শরীফে উনার মুর্শিদ কিবলা দু’জন দেখানো হয়েছে। হযরত বড় হুযূর কিবলা তিনিও উনাকে অত্যন্ত মুহব্বত করতেন।
হযরত বড় হুযূর কিবলা তিনি ঢাকা মিরপু বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত-মারিফাত অর্থাৎ সম্মানিত ইলমে তাসাউফে পূর্ণতা অর্জন করে দ্বীন ইসলাম উনার খিদমতে অনেক সিপাহসালার বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। এমনকি সূদুর আফ্রিকার সেনেগালেও এরকম বড় ওলীআল্লাহ উনাদের ইতিহাস জানা যায়।
তিনি হলেন আফ্রিকার বিখ্যাত সুফী বুযূর্গ শায়েখ সাইয়্যিদ আহমদ বাম্বা এমবাকে রহমতুল্লাহি আলাইহি। সেনেগালে ফরাসি সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য তিনি বিখ্যাত। তিনি সম্মানিত কাদিরিয়া তরীকা উনার অনুসা বাকি অংশ পড়ুন...
স্বীয় মুর্শিদ কিবলা উনার ছানা ছিফত:
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুজাদ্দিদে যামান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বড় বড় খলীফাদের উপস্থিতিতে একবার বললেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে যে নিয়ামত মুবারক দিয়েছিলেন, তা থেকে আমি মাত্র চার আনা দিয়ে যেতে পারলাম, বাকী বারো আনা নিয়ে বোধ হয় আমাকে কবরে যেতে হবে। কারণ উপযুক্ত লোক পেলাম না এসব নিয়ামত মুবারক দেয়ার মত। সে মজলিসে হযরত ন’হুযূর কিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও ছিলেন। তিনি তখন অল্প বয়স্ক। শুনে তিনি খুব দুঃখিত হলেন। তিনি মনে মনে আক্ষেপ করে বলল বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কারশী মজ্জুব ছিলেন এক মহান বুযুর্গ। তিনি সর্বদা ইবাদত-বন্দেগী ও যিকির-ফিকিরে নিমগ্ন থাকতেন এবং সংসারের প্রতি উনার কিছুমাত্র আগ্রহ ছিল না। বিবাহের প্রচ- আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও কেবল এই কারণে তিনি বিবাহ করেননি যে, “আমার দ্বারা হয়ত অপরের কষ্ট হবে।” কিন্তু জীবনের শেষভাগে এসে তিনি সকলের অনুরোধে বিবাহ করতে সম্মত হন। অতঃপর নিজের মুরীদগণকে বললেন, তোমরা আমার জন্য পাত্রী দেখ। তবে পাত্রীকে পূর্বাহ্নেই আমার বিস্তারিত অবস্থা জ্ঞাত করানোর পর উনার মতামত চাইবে। আমার জীবনের অবস্থা জানার পর যদি কেউ আমার নেকাহে আসতে সম্মত হয়, তবে তো ভাল; অন্ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি প্রশ্নের জাওয়াব দিয়েছেন সেগুলো হলো-
সম্মান কাকে বলে?
জবাব মুবারক: বিপদের সময় ধৈর্য ধারণ করা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠাকরণের সময় ন্যায়ের পক্ষে ইস্তিকামত থাকা।
কুতুবুল আলম, আমীরুশ শরীয়ত, মাহতাবে তরীকত, মাহিউল বিদয়াহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, মুজাদ্দিদুয যামান, হুজ্জাতুল ইসলাম, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা, তাজুল মুফাসসিরীন, সুলতানুল আরিফীন,
হযরত মাওলানা শাহ ছুফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক (২য় পর্ব)
তা’ বাকি অংশ পড়ুন...
ইমাম-মুজতাহিদ উনারা বলেন, হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইলমে লাদুন্নী হাদিয়া করে থাকেন। হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বদ আক্বীদা পোষণকারী, বদ মানসিকতাসম্পন্ন এবং বদ আমলকারী কোনো মানুষের প্রতি অসন্তুষ্ট হলে তার যে বিনাশসাধন হবে, এটিইতো সঙ্গত ও স্বাভাবিক। সূক্ষ্মদর্শী মাহবূব ওলীআল্লাহ উনাদের সম্পর্কে বদ আক্বীদা পোষণ এবং উনাদের বিরুদ্ধাচরণের কারণে উনাদের কোপানলগ্রস্ত হওয়ার কঠিন পরিণামফল সম্পর্কে কিতাবে বহু ঘটনা বর্ণিত রয়েছে।
যেমন: হযরত ফুযাইল বিন আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের মিডিয়া, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সকল কওমী ওহাবী ও বিদাতীদের সবসময়ই চিন্তা, কোন্ গোপন শক্তির কারণে-
রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার এতো উত্থান?
গোপন শক্তি ওদেরকে কেমনে বুঝাবো তা আমি নিজেও জানিনা, তবে বুঝার জন্য আজকেও একটি জলজ্যান্ত ঘটনা শেয়ার করি!
১৯৯২ সালের ঘটনা। রাজশাহীর সারদায় মাহফিল হবে। সব আয়োজন সম্পন্ন। ওহাবী কওমী বিদাতীরা বহুমুখী মেহনত করলো মাহফিল বন্ধ করার জন্য। বাদ মাগরিব মাহফিল শুরু হবে, হাঙ্গামা ঠেকাতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ দিয়ে ভরা।
মাহফিল শুরু হবার ঠিক আগে পার্শ্ববর্তী সেফটিক ট্যাংক বিস্ফোরিত হলো। গোটা এলাকা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোযার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে। (পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্)
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি প্রতি বছর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের তরফ থেকে হাজার হাজার পশু অর্থাৎ গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া সম্মানিত কুরবানী মুবারক করে যাচ্ছেন। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لاَ تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِيْ مَنْصُورِيْنَ عَلَى الْـحَقِّ لَا يَضُرُّهُمْ مَنْ خَذَلَـهُمْ
অর্থ: সর্বদাই আমার উম্মতের মধ্যে একটি সাহায্যপ্রাপ্ত বিজয়ী দল হক্বের উপর থাকবে। বাতিলপন্থিরা উনাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। (তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, মিশকাত শরীফ)
মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত দ্বীন উনাকে জীবন্ত রাখার জন্য যুগে যুগে নিযুক্ত করেছেন নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম, ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া এবং উনাদের ওয়ারিছ ওলীআল্লাহ ও মুজাদ্দিদ উনাদেরকে এবং উনাদের স বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
হাক্বীক্বী ইছলাহ অর্জন করতে হলে কি ফয়েজ তাওয়াজ্জুহ হাছিল করা জরুরী?
জাওয়াব:
ইছলাহ হাছিল করতে হলে এবং হক্বের উপর ইস্তিকামত থাকতে হলে অবশ্যই ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করতে হবে। ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ছাড়া ইছলাহ হাছিল যেমন সম্ভব নয়, তেমনি হক্বের উপর ইস্তিক্বামত থাকাও সম্ভব নয়। মূলত একজন কামিল শায়েখ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহন করে সবক্ব নিয়ে যিকির-আযকার করার সাথে সাথে পবিত্র ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে এবং উনার আদেশ-নিষেধসমূহ যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে উনার ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক হাছিল করতে হবে। তাহলে ইছলাহ হাছিল করা সহজ সম্ভব হবে।
‘ফাই বাকি অংশ পড়ুন...












