SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মুরীদ%' OR titleBn LIKE '%মুরীদ%' OR descriptionEn LIKE '%মুরীদ%' OR descriptionBn LIKE '%মুরীদ%' OR slug LIKE '%মুরীদ%' OR metaTag LIKE '%মুরীদ%' OR metaDescription LIKE '%মুরীদ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
৩৭। শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার মজলিসে যেখানে জায়গা খালি পাবে সেখানেই বসে পড়বে। কেননা, আগতদের জন্য শুন্যস্থানই নির্দিষ্ট থাকে। (ফাওয়ায়েদুস্ সালেকীন)
উদ্ধৃত আয়াত শরীফ থেকে আরো একটি বিষয় পরিস্কার যে, কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার মজলিসে স্থান সংকুলান না হওয়া কিংবা অন্য কোন কারণে কামিল শায়েখ তিনি যদি কাউকে উঠে যেতে বলেন বা কারো উঠে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন অথবা কাউকে বসার জায়গা করে দিতে বলেন, তাতে কোন প্রকার চূ-চেরা না করে উঠে যাওয়া অথবা জায়গা করে দেয়া আবশ্যক। যা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ, আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছà বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
দিনের শুরুটা হয় সূর্যের আলো দ্বারা। রাতের শুরুটা হয় চাঁদ উঠার দ্বারা। চাঁদ ও সূর্য উভয়ের অবস্থানই আসমানে। আসমান থেকেই বৃষ্টি হয়। কি পার্থিব জীবনে? কী মানবীয় জীবনে আসমানের গুরুত্ব অত্যাধিক। আসমান ছাড়া জীবন অকল্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
৩৭। শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার মজলিসে যেখানে জায়গা খালি পাবে সেখানেই বসে পড়বে। কেননা, আগতদের জন্য শুন্যস্থানই নির্দিষ্ট থাকে। (ফাওয়ায়েদুস্ সালেকীন)
কোন ব্যক্তি যদি শয়তানের প্ররোচনা, নফসের ধোঁকা ইত্যাদি নানা প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে কামিল শায়েখ উনার দরবারে গমন করে উনার মজলিসে সামান্যতম ঠাঁই পায় সেটাই তার জন্য গণিমতস্বরূপ। তার জন্য শুকুর আদায় করা কর্তব্য।
উল্লেখ্য, এ ক্ষেত্রে মজলিসের শেষেও যদি কেউ স্থান পায় তবে সেখানেই বসা শুকুরগুজারির লক্ষণ। কিন্তু কেউ যদি তা ভঙ্গ করে সামনে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করে তবে তা হবে মজলিসের আদঠবাকি অংশ পড়ুন...
৩৬। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা কোন বিষয়ে তলব করলে তৎক্ষনাৎ উনার ডাকে সাড়া দিবে।
কেউ কেউ বলেন যে, আলোচ্য হাদীছ শরীফের হুকুম আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য খাছ। অর্থাৎ তিনি কোন বিষয়ে আহবান করলে নামায ভঙ্গ করে উনার ডাকে সাড়া দেয়া ফরজে আইন।
তবে বিশুদ্ধ মতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ডাকে সাড়া দেয়া তো অবশ্যই ফরজ; সাথে সাথে উনার নায়েব, হক্কানী-রব্বানী আলিম তথা হক্কানী শায়েখ উনাদের ডাকেও সাড়া দেয়া আবশ্ বাকি অংশ পড়ুন...
৩৬। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা কোন বিষয়ে তলব করলে তৎক্ষনাৎ উনার ডাকে সাড়া দিবে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَيِ اللهِ وَرَسُولِهِ
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা কোন ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার সম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অগ্রগামী হয়ো না।” (পবিত্র সূরা হুযূরাত শরীফ/১)
অর্থাৎ আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
ইতিহাস বিখ্যাত মুসলিম সিপাহসালার সুলতান মাহমুদ গজনভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তৎকালীন বিখ্যাত বুজুর্গ এবং ওলীআল্লাহ হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একজন মুরীদ ছিলেন। হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি উনি এমনই একজন ওলীআল্লাহ ছিলেন যে, উনার বিলাদত শরীফের ৫০ বছর পূর্বে হযরত বাইজিদ বোস্তামি রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একটি গ্রামের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বলেছিলেন, এই গ্রামে এক মহান বুজুর্গ ওলীআল্লাহ তিনি তাশরীফ নিবেন।
সেই মহান বুজুর্গ হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবারে ঘন ঘন ছোহবতে যেতেন বাকি অংশ পড়ুন...
৩৬। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা কোন বিষয়ে তলব করলে তৎক্ষনাৎ উনার ডাকে সাড়া দিবে।
“ফাওয়ায়েদুস্ সালেকীন” কিতাবে উল্লেখ আছে, “হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নফল নামায ত্যাগ করে মুর্শিদ কিবলা উনার ডাকে সাড়া দেয়া কল্যাণকর এবং তার ছওয়াব অনেক বেশী।
কেননা একবার আমি নফল নামাযে রত থাকাকালীন আমার মুর্শিদ কিবলা, সুলতানুল হিন্দ, হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আমাকে ডাকলেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে নামায ছেড়ে দিয়ে উনার ডাকে সাড়া দিলাম। তিনি বললেন, আসুন! আমি উনার খিদমতে হাযির হলাম। বাকি অংশ পড়ুন...
৩৫। কাছরাতুস্ সুওয়াল বা অধিক জানতে চাওয়া কিংবা অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকবে।
রঈসুল মুফাসসিরীন, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আরো বলেন, “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কেবল সেই সব সুওয়াল করতেন যা ছিলো উনাদের জন্য উপকারী।” অর্থাৎ একান্ত জরুরী এবং যা উপকারী সে সকল জরুরী মাসয়ালা-মাসায়েল জিজ্ঞাসা করা উচিত। তার দ্বারা যেমন নিজে উপকৃত হবে তদ্রুপ অন্যান্যরাও ফায়দা হাছিল করবে। আর এটা নিন্দনীয় নয় বরং প্রশংসনীয়।
কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ Ø বাকি অংশ পড়ুন...
৩৫। কাছরাতুস্ সুওয়াল বা অধিক জানতে চাওয়া কিংবা অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকবে।
হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব “আল ইনসাফ ফি বয়ানী আসবাবিল ইখতিলাফ” কিতাবে উল্লেখ করেছেন যে, “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের তরীকা ছিলো- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা আমল মুবারক করতেন, উনারা তা প্রত্যক্ষ করতেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আ বাকি অংশ পড়ুন...
৩৫। কাছরাতুস্ সুওয়াল বা অধিক জানতে চাওয়া কিংবা অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকবে।
কতক লোক এমন আছে যে, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার হুকুম-আহকাম সম্পর্কে অনাবশ্যক চূ-চেরা, ঘাঁটা-ঘাঁটি করতে আগ্রহী এবং যেসব বিষয়ে হুকুম দেয়া হয়নি সেগুলো নিয়ে বিনা প্রয়োজনে প্রশ্নের পর প্রশ্ন তুলতে থাকে। হযরত মূসা কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার মায়ের নাম কী ছিলো? ইত্যকার নানা রকমের প্রশ্ন বানিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দেয়। অথচ এসব প্রশ্ন মানুষের দ্বীনি কর্মকান্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। আর এরূপ প্রশ্নকারীরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে জরুরী ও গুরুত্বপূর্ণ দ্à বাকি অংশ পড়ুন...
৩৪। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার কোন কথা কাজ কিংবা অন্য কোন বিষয়ের আমানত নষ্ট করবেনা।
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আবু লুবাবা ইবনে মুনযির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বনূ কুরাইজা সম্প্রদায়ের কাছে পাঠালেন। উনাকে দেখামাত্র পুরুষরা উনাকে অভিবাদন জানাতে ছুটে আসলো, আর নারী ও শিশুরা উনার সামনে গিয়ে কেঁদে কেঁদে ফরিয়াদ জানালো। তাদের সে বুক ফাটা কান্না দেখে উনার অন্তর বিগলিত হলো। তারা বললো, “হে আবু লুবাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আপনি কী বলেন, আমরা কী নূরে মুজাà বাকি অংশ পড়ুন...












