SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মরক্কো%' OR titleBn LIKE '%মরক্কো%' OR descriptionEn LIKE '%মরক্কো%' OR descriptionBn LIKE '%মরক্কো%' OR slug LIKE '%মরক্কো%' OR metaTag LIKE '%মরক্কো%' OR metaDescription LIKE '%মরক্কো%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
বর্তমানে ইউরোপজুড়ে মুসলিমবিদ্বেষ চরম আকার ধারণ করেছে। ইউরোপের অমুসলিম দেশগুলোতে মুসলমানদের উপর চলছে অবর্ননীয় নির্যাতন-নিপীড়ন। অথচ এই ইউরোপকেই সমৃদ্ধ করেছেন মুসলমানরা। বিশেষ করে আফ্রিকান মুর মুসলিমরা।
শুধু আধুনিক কালেই আফ্রিকার মুসলিমরা ইউরোপকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করেননি, বরং প্রাচীনকালেও ইউরোপে সভ্যতার আলো দান করেছিলেন তারা।
পশ্চিমা বিশ্বের ইতিহাস পড়ানোর সময় মধ্যযুগকে সাধারণভাবে অন্ধকার যুগ বলা হয়। অথচ, এর পেছনে রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র ও বিদ্বেষ। কারন এই মধ্যযুগে জ্ঞান বিজ্ঞানে উন্নতির চরম শিখর স্পর্শ করেছিলেন মু বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় মোট ২০টি প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। গ্যাসের চাহিদা মেটাতে সিঙ্গাপুরের আরামকো এবং গানভোর ট্রেডিং থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, যাতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৫৫ কোটি ৮২ লাখ টাকারও বেশি।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় মোট ২৭টি প্রস্তাব অনুমোদন হয়।
এতে কৃষি উৎপাদনে মরক্কো থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি এবং দেশের কাফকো থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সারসহ মোট ৬ বাকি অংশ পড়ুন...
সময় কি আছে বর্তমান মুসলিম দেশের শাসকদের জন্য, তারা চিন্তা করবে কি তাদের অতীত ইতিহাস-ঐতিহ্য কেমন ছিল, তারা শিক্ষা নেবে কি কেমন বীরত্বপূর্ণ ছিল মুসলমানদের অতীত শৌর্য, কি ন্যায়নিষ্ঠ ছিলেন মুসলিম জাতির পূর্বপুরুষ উনারা? আমরা যদি একবার চোখ বুলাই তাহলে দেখতে পাবো অপরাজেয় সামরিক শক্তি, ইনসাফপূর্ণ হুকুমতব্যবস্থা, সর্বোচ্চ ইসলামী আদর্শ, ৬টি মৌলিক অধিকারের অপরিমেয় একচ্ছত্র ভিত্তিস্থাপন ইত্যাদি। তেমনি একজন মহান শাসক ছিলেন খলীফায়ে ছালিছ, আমিরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!
আমিরুল মু’মিনী বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নতুন এক আঞ্চলিক জরিপে জানা গেছে, আরব বিশ্বের প্রায় সর্বস্তরের মানুষ সন্ত্রাসী ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কঠোর বিরোধী।
দোহায় অবস্থিত আরব রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি স্টাডিজ সেন্টারের পরিচালনায় আয়োজিত ‘আরব অপিনিয়ন ইনডেক্স ২০২৫’ জরিপে দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া ৮৭% মানুষ তাদের দেশের সন্ত্রাসী ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিরোধিতা করেছে।
সন্ত্রাসী ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দেওয়ার বিরোধিতার হার সবচেয়ে বেশি লিবিয়া ও জর্ডানে যথাক্রমে ৯৬% এবং ৯৫%। এর পর কুয়েত ৯৪%, অধিকৃত ফিলিস্তিন অঞ্চল ৯ বাকি অংশ পড়ুন...
অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ কথাটা শুনলেই আমাদের মানসপটে ভেসে আসে আফ্রিকা মহাদেশের (উত্তর আফ্রিকা বাদে) কথা। অথচ আফ্রিকা কখনোই অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ ছিলো না। তাকে অন্ধকারে আবৃত করেছে ফরাসি, বেলজিয়াম, পর্তুগিজ সহ ইউরোপীয় সভ্য (!) দেশগুলো।
মধ্যযুগে আফ্রিকার (বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিম আফ্রিকার) এক সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য ছিলো। উত্তর আফ্রিকা মোটামুটি তা ধরে রাখতে পারলেও পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলো এখন দারিদ্রতার অতল গহীনে পর্যবসিত। অথচ এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিটি পশ্চিম আফ্রিকার অধিবাসী।
আসুন দেখে নিই মধ্যযুগে পশ্চিম আফ্র বাকি অংশ পড়ুন...
আফ্রিকার পশ্চিম প্রান্তের একটি দেশ সেনেগাল। দেশটির রাজধানীর নাম ডাকার। এর পশ্চিমে রয়েছে আটলান্টিক মহাসাগর, উত্তরে মৌরিতানিয়া, পূর্বে মালি এবং দক্ষিণে গিনি ও গিনি-বিসাও। এছাড়াও গাম্বিয়া রাষ্ট্রের উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ সীমানা সেনেগাল দ্বারা বেষ্টিত।
সেনেগালের আয়তন ১ লক্ষ ৯৬ হাজার ৭২২ বর্গ কিলোমিটার। আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে ৮৬তম দেশ এটি। তবে শাষণ ব্যবস্থার সুবিধার্থে বর্তমানে দেশটি ১৪টি অঞ্চলে বিভক্ত। সেনেগালের অফিশিয়াল ভাষা ফ্রেন্স হলেও স্থানীয় অনেক গুলো ভাষা রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ভাষা হচ্ছে ওলফ। বাকি অংশ পড়ুন...
নাইজারে দ্বীন ইসলামের ইতিহাস সুপ্রাচীন। কোনো কোনো ঐতিহাসিকের মতে, বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত উকবা বিন আমের রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাধ্যমে নাইজারে দ্বীন ইসলাম উনার আলো ছড়িয়ে পড়েছিল।
অন্যদের মতে, হযরত উকবা বিন নাফে রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাধ্যমে ৬৬৬ খ্রিস্টাব্দে নাইজারের মানুষ দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে জানতে পেরেছিল। তিনি মরু অঞ্চলে বিজয়াভিযান শুরু করেন। ‘কাওয়ার’ শহর বিজয়ের আগ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে। নাইজারের কাওয়ার শহরটি লিবিয়া সীমান্তে অবস্থিত। এর দ্বারা প্রমাণিত হয় নাইজারে হিজরী প্রথম শতকেই ইসলামের আলো পৌঁছ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রমাদ্বান শরীফে মুসলমানদের জন্য খেজুর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক অনুষঙ্গ। তবে শুধু মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়, বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পুষ্টিগুণ ও অনন্য স্বাদের কারণে এ ফলের কদর অনেক। ফলটির বৈশ্বিক চাহিদার সিংহভাগই পূরণ করে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার হাতে গোনা কয়েকটি দেশ।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে বছরে প্রায় ৯৫ লাখ টনের বেশি খেজুর উৎপাদিত হয়। মিশর বর্তমানে সবচেয়ে বেশি খেজুর উৎপাদন করে। এরপর ইরান ও সৌদি আরব।
ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাসের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সবচেয়ে বেশি খেজুর উৎপাদনকারী ১ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মুসলিম বিশ্বের প্রতীক্ষিত মাস পবিত্র রমজান। দেশ ও সংস্কৃতি ভেদে রমজান পালনের ধরনে ভিন্নতা রয়েছে। নামাজ, রোযা, যাকাত ও অন্যান্য নফল ইবাদত ছাড়াও বিভিন্ন দেশের নিজস্ব ঐতিহ্য ও সামাজিক রীতি রমজান মাসে নিয়ে আসে ভিন্ন মাত্রা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রচলিত রমজানের সাতটি ব্যতিক্রমী রীতি তুলে ধরা হলো-
১. কামানের গোলায় ইফতারের সময় জানানো:
রমজানের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্য ইফতারের সময় কামানের গোলার শব্দে ইফতারের সময় জানানো। মিশরে এই রীতির উৎপত্তি বলে মনে করা হয়। সূর্যাস্তের সময়, মাগরিবের আযানের সঙ্গে সঙ্গে একটি কামানের গ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মরক্কোয় কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারী বৃষ্টির পর বন্যায় ডুবে যাওয়ার হুমকির মুখে থাকা উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কাসার এল-কেবির থেকে ৫০ হাজারেরও বেশি বাসিন্দাকে সরিয়ে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ সংখ্যা শহরটির মোট বাসিন্দার প্রায় অর্ধেক বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের বরাতে জানিয়েছে রয়টার্স।
শহরটির বাসিন্দা হিশাম আজতু রয়টার্সকে বলেন, “নগরীটি ভুতুড়ে শহরে পরিণত হয়েছে। শহরের সব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ। অধিকাংশ বাসিন্দা নিজেরাই চলে গেছে অথবা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।”
শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া লুক্কোস নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বেশ কয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
সু-প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার এই ভূখন্ড অভাবনীয় সমৃদ্ধশীল একটি অঞ্চল ছিলো। যার কারণে বিশে^র বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এই অঞ্চলে আগমন করতো। বিশেষ করে তৎকালীন সময়ে যে সকল পর্যটক বাংলার এই অঞ্চলে আগমন করেছেন তাদের সবাই এ অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি, মানুষ, মুসলিম শাসন, সমাজ ও সাংস্কৃতিক অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলো ইতিহাসবিখ্যাত মুসলিম পর্যটক ইবনে বতুতার ‘আল রিহলা’ গ্রন্থে বাংলা নিয়ে বর্ণিত বর্ণনাগুলো।
ইবনে বতুতার প্রকৃত নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ। ইবনে বতুতার আগমন ১৩৪৬ খ্রি:। তিনি সিংহল (বর্তমান শ্ বাকি অংশ পড়ুন...












