SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বাঙ্গালী%' OR titleBn LIKE '%বাঙ্গালী%' OR descriptionEn LIKE '%বাঙ্গালী%' OR descriptionBn LIKE '%বাঙ্গালী%' OR slug LIKE '%বাঙ্গালী%' OR metaTag LIKE '%বাঙ্গালী%' OR metaDescription LIKE '%বাঙ্গালী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
বঙ্গ বা বাংলা, বাঙ্গালী বা বাংগালী শব্দের উৎপত্তি মুসলমানদের মাধ্যম দিয়েই এবং বাঙালি তাহযীব তামাদ্দুন (সংস্কৃতি) মানেই মুসলমানদের তাহযীব তামাদ্দুন (সংস্কৃতি):
আমরা বাংলাদেশী। আমাদের ভাষা বাংলা। বাংলাদেশের অতি প্রাচীন ইতিহাস রয়েছে। হাজার হাজার বছরের প্রামাণ্য ইতিহাস রয়েছে বাংলাদেশের। প্রকৃতপক্ষে মুসলমানরাই প্রকৃত বাঙালি। মুসলমানরাই প্রকৃত আদিবাসী। মুসলমানরাই এই ভূমিতে প্রাচীনকালে আবাদ করেছেন। মুসলমানরাই এর রক্ষণাবেক্ষণকারী। বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি এসব সকলই মুসলমানদের অবদান। স্বাধীন বাংলা ও বাংলাদেশ মুসলমা বাকি অংশ পড়ুন...
"পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০" পুনর্বহাল হলে কি হবে?
আদালত রায়টি বলবৎ করলে এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রীয় সংকট তৈরী হবে।
১) পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০ পুণঃবহাল হলে এ অঞ্চলে সরকার ও বাঙালিদের ভূমি অধিকার খর্ব হবে।
২) পার্বত্য অঞ্চলের নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যক্রমের উপর প্রভাব ফেলবে। এছাড়াও উপজাতিরা সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের দাবি আরো জোড়ালো করবে।
৩) ১৯০০ সালের শাসনবিধির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব ধরনের ভূমির মালিক হবে উপজাতিরা। এই আইনের ক্ষমতাবলে হেডম্যান, কার্বারী ও সার্কেল চীফরা বাকি অংশ পড়ুন...
একই লক্ষ্যে তারা পশ্চিমা আর্থিক সহযোগিতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে স্টারলিংক সংযোগ চালু করার উদ্যোগ নেয়। এর বিরুদ্ধে আমি প্রবলভাবে লিখেছি। কিন্তু অন্যান্য অনেক ইস্যুগুলোর মত এখানে প্রকাশ্যে সমর্থন পাশে পাইনি। তারা কৌশলে ই লার্নিং এর নামে ইউএনডিপির অর্থে পার্বত্য চট্টগ্রামের ১০০ স্কুলে স্টারলিংক সংযোগ চালু করে দেয়।
আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, এই ১০০ স্কুলের একটিও পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্ধেক জনগোষ্ঠী বাঙ্গালী অধ্যুষিত এলাকায় অধিষ্ঠিত নয়। আমি বলছি না বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় চালু করলে এটা বৈধ হতো। মূলত এ দ্বারা তাদের উদ্দেশ্য বাকি অংশ পড়ুন...
"পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০”কি?
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল নিজেদের দখলে রাখতে ব্রিটিশ লুটেরারা ঐ অঞ্চলকে বিশেষ অঞ্চল নামে আখ্যা দিয়ে ১৯০০ সালে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০’ (চিটাগং হিল ট্র্যাক্ট ম্যানুয়েল ১৯০০) নামক আইন প্রণয়ন করে এবং ১৯০০ সালের ১ মে থেকে কার্যকর করে। এই আইনের মাধ্যমে উপজাতিদের ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামের শাসন ক্ষমতা নিজেরা কুক্ষিগত করে। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল এই সমৃদ্ধ অঞ্চলটি দূরে থেকে কিভাবে শাসন-শোষণ করা যায়। এলক্ষ্যে পার্বত্য উপজাতিদের তারা ব্যবহার করে।
পার্বত্ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সংবিধান বিরোধী এবং উচ্চ আদালতে মৃত ঘোষিত কুখ্যাত “পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০” পুণর্বহাল করতে আদালতের উপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিদেশী মদদপুস্ট দেশ বিরোধী কিছু উপজাতি কুচক্রী মহল। গত ২৩ এপ্রিল ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০’ সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রিভিউ পিটিশন শুনানির তারিখ ছিল। তবে আদালত শুনানিটি তিন সপ্তাহের জন্য মূলতবি করেছেন।
২০১৮ সালে বাতিল হওয়া এই মৃত আইনটি পুণর্বহাল করতে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা পাহাড়ে এবং উচ্চ আদালতে ব্যাপক তৎপর রয়েছে। দেশব বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
ভারতের ঐতিহ্যগত এবং পরীক্ষিত ফরমাবরদার আওয়ামী সরকার পতনের পর- ভারতীয় বিশ্লেষকদের আক্ষেপের ভাষ্য ছিলো- মোদী শুধু হাসিনাকে বশ করেই তুষ্ট থেকেছে। মোদীর উচিৎ র্ছিল বাংলাদেশের জনগণকেও ফাদে ফেলা। এ বোধোদয় থেকে এখন ভ বাকি অংশ পড়ুন...
দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে গত ৩ মার্চ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত সারাদেশে ৪ হাজার ৮২৪টি অভিযান চালিয়ে অবৈধ মজুতকৃত ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব।
জানা গেছে, দেশে বছরে ডিজেলের চাহিদা ৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। অকটেন এবং পেট্রোল মাসে দরকার হয় ৭০ হাজার মেট্রিক টন। পেট্রল এবং অকটেনের পর্যাপ্ত মজুত আছে। কোনো সংকট নেই। কোনো সংকট নেই ডিজেলের ক্ষেত্রেও। এপ্রিল মাস পুরোপুরি নিরাপদ ইনশাআল্লাহ।
মূলত, প্যানিক কেনো এখনো বন্ধ হয়নি, যার প্রভাব পড়ছে পেট্রল পাম্পে। মজুত বাকি অংশ পড়ুন...
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস ক্ষমতায় থাকাকালীন ১৮ মাস জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অকার্যকর করে রেখেছিল। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০০৯ রহিত করে উপদেষ্টা পরিষদে যখন দেশ ও জাতীয় স্বার্থ বিরোধী নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদন দেওয়া হলো তখন থেকে কমিশনের কার্যক্রম পুণরায় চালু করা হলো। সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক দলের সাথে আলাপ না করে তড়িগড়ি করে এনজিও কর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হলো। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে এনজিওরা সবসময় বাঙ্গালী ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিরোধী। যারা পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিতিশীলতার নেপথ্য কারিগর। পার্বত্য চট্টগ্রাম বি বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
আজ ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। আজকের এই দিনে পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্য ও জুলুম থেকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এই ভূখন্ডকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে সংগ্রামের সূচনা হয়। প্রতি বছর রাষ্ট্রীয়ভাবে এই স্বাধীনতা দিবস বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় সংবাদদাতা:
৯৯৯ জন বিশ^বিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, কলেজ, স্কুল ও মাদ্রাসারশিক্ষক ‘মূল্যবোধবিরোধী শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন করা যাবে না’ শিরোনামে বিবৃতি প্রদান করেছেন। গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) এ বিবৃতি দেন তারা।
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের জনগণ যখন নির্বাচনমুখী এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল দায়িত্ব একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া, ঠিক সেই সময়ে তড়িঘড়ি করে শিক্ষা আইন ২০২৬-এর খসড়া প্রকাশ ও তা দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগে আমরা দেশের সচেতন শিক্ষক সমাজ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আলোচ্য বাকি অংশ পড়ুন...
সংস্কারের জন্য জনতার এবং জনমতের প্রতি আপনাদের দৃষ্টি নেই কেনো?
জনতার ভাষা, আবেগ-অনুভুতি আশা-আকাঙ্খা, চাওয়া-পাওয়া, উপলব্ধি করতে আপনাদের এত অক্ষমতা কেনো?
মন খুলে সমালোচনা করলে কী হবে? গন্ডারের চেয়েও মোটা চামড়ায় কী সূরসূরি লাগে?
দেশের পনের লাখ মসজিদ, লাখ লাখ মাদরাসা, হেফজ খানা, মক্তব, কোটি কোটি নামাজী, রোযাদার, হাজী, পর্দানশীন নারী, তালিব-ইলম, হাফেজ, ক্বারী, মুফতি, মাওলানা, মুহাদ্দিস, খতীব ওয়ায়েজ তথা ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানই সংস্কারের অনিবার্য অনুষঙ্গ
তাই সব জারিজুরি বাদ দিয়ে পরিপূর্ণ ইসলাম বাস্তবায়নের সংস্কার করেই- ছাত্র জনতার সরকা বাকি অংশ পড়ুন...
১. যুদ্ধ শেষে প্রায় দুইশ’ ওয়াগন রেলগাড়ী ভর্তি করে ২৭০০ কোটি টাকার অস্ত্র-শস্ত্র লুটের অভিযোগ ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার। (সূত্র: দৈনিক অমৃতবাজার, ১২ মে,১৯৭৪)
২. শস্য লুট:
★ধান-চাল-গম (৭০-৮০ লাখ টন, গড়ে ১০০ টাকা ধরে): ২১৬০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।
★পাট (৫০ লাখ বেলের উপরে): ৪০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার।
★ত্রাণ-সামগ্রী পাচার: ১৫০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার।
★যুদ্ধাস্ত্র, ঔষধ, মাছ, গরু, বনজ সম্পদ: ১০০০ বাকি অংশ পড়ুন...












