বঙ্গ, বাংলা, বাঙ্গালী শব্দের উৎপত্তি মুসলমানদের মাধ্যম দিয়েই (৪)
(গত ৫ই রবীউল আউওয়াল শরীফের পর)
, ০৪ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৮ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ০১ আশ্বিন, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) ইতিহাস
বঙ্গ বা বাংলা, বাঙ্গালী বা বাংগালী শব্দের উৎপত্তি মুসলমানদের মাধ্যম দিয়েই এবং বাঙালি তাহযীব তামাদ্দুন (সংস্কৃতি) মানেই মুসলমানদের তাহযীব তামাদ্দুন (সংস্কৃতি):
আর হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম উনার দ্বিতীয় আওলাদ উনার নাম ছিলো হযরত ‘বঙ্গ’ আলাইহিস সালাম। হযরত ‘বঙ্গ’ আলাইহিস সালাম উনার আওলাদগণই বাঙালি বলে পরিচিতি লাভ করেন। বাঙালির আদি পুরুষ হচ্ছেন হযরত ‘বঙ্গ’ আলাইহিস সালাম।
---------শাসক আকবরের সভাসদ আবুল ফজল কর্তৃক রচিত ‘আইন-ই-আকবরী’ গ্রন্থে বলা আছে ‘বঙ্গ’ শব্দের সাথে আল যুক্ত হয়ে বং+আল= বঙ্গাল শব্দের জন্ম হয়েছে, পরে বঙ্গাল> বাঙ্গাল, বাঙ্গাল> বাঙ্গালা, বাঙ্গালা> বাঙলা, বাঙলা> বাংলা শব্দ এসেছে।
আবুল ফজল বঙ্গ শব্দের সাথে যে আল শব্দ ব্যবহার করেছে তারও একটি ব্যাখ্যা রয়েছে। সে বলেছে, বাংলাদেশের তখন জমিতে প্রচুর আল (আইল) ছিলো, যা দিয়ে পানি আটকানো থাকতো, আবার জমিতে জমিতে বিভক্তিটানা রশি হিসেবেও আল কাজ করতো। সম্ভবত এই জন্যেই বঙ্গ এর সংগে আল শব্দ যুক্ত হয়েছিলো।
৪. বাইবেলে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, আপন আপন বংশ ও জাতি অনুসারে সাইয়্যিদুনা হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার আওলাদগণের গোষ্ঠী; এবং মহাপ্লাবনের পরে উনাদের হতে উৎপন্ন নানা জাতি পৃথিবীতে বিভক্ত হলো। (সূত্র: পবিত্র বাইবেল: পুরাতন ও নতুন নিয়ম, বাংলাদেশ বাইবেল সোসাইটি, ঢাকা- ১৯৮১, ১২-১৩ পৃষ্ঠা)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বংশধর উনারাই দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে বসতি স্থাপন করেন। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওহী মুবারক উনার ধারক-বাহক উনারাই পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকার আদিবাসী। বর্তমান পৃথিবীতে যত মানুষ আছে সবারই পূর্বসূরী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাই।
গোলাম হুসাইন সলীম জইদপুরীর বর্ণিত এই ইতিহাসকে আরো অনেক গবেষক সমর্থন করেছেন এবং নিজ নিজ গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন ড. কাজী দীন মুহম্মদ, মুহম্মদ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
সে হিসেবে সাইয়্যিদুনা হযরত নূহ আলাইহিস সালাম ও উনার বংশধর উনাদের সাথে বাংলাদেশের আদি ইতিহাস সংশ্লিষ্ট। অর্থাৎ হযরত বঙ্গ আলাইহিস সালাম উনার নাম মুবারক অনুসারেই বাঙ্গালী শব্দের উৎপত্তি।
বর্তমানেও দেখা যাবে অনেক মুসলিমই নামের আগে বা পরে বাঙাল বা বাঙালি শব্দ ব্যবহার করেন। কিন্তু কোনো অমুসলিমকে এসব পরিভাষা ব্যবহার করতে দেখা যায় না। এর কারণ সাইয়্যিদুনা হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার নাতি হযরত বঙ্গ আলাইহিস সালাম ছিলেন মুসলিম এবং মহান আল্লাহ পাক উনার একত্ববাদে বিশ্বাসী। মূলত: তিনি ছিলেন নবুওওয়াতী খান্দান উনার সম্মানিত আওলাদ। সুবহানাল্লাহ!
অন্যদিকে অমুসলিমরা সচেতনভাবেই এসব শব্দ এড়িয়ে চলেছে। তাছাড়া আর্য হিন্দুদের আগমনের পূর্বে ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থান, কাল ও বস্তুর সুন্দর নাম ছিলো। কিন্তু আর্য হিন্দুরা এদেশ দখল করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে নাম বদলিয়ে দেয়। নাঊযুবিল্লাহ!
ইতিহাসবিদ মুহম্মদ আব্দুল জাব্বারের ভাষায়, আর্য হিন্দুরা সকল ক্রিয়াকর্ম ও ব্যবহারিক জীবনে তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে লাগলো। তারা গ্রাম, নদী, বৃক্ষলতা ও কুলের পূর্বতন নাম পরিবর্তন করে তাদের ভাষায় নতুন নামকরণ করতে আরম্ভ করলো। (সূত্র: মুহম্মদ আব্দুল জাব্বার: বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীন যুগ), ঢাকা- ১৯৭৭, ৩০ পৃষ্ঠা; উদ্ধৃতি: অধ্যাপক ড. সৈয়দ মাহমুদুল হাসান, বাংলার ইতিহাস (প্রাচীনকাল থেকে ১৭৬৫ সাল পর্যন্ত), অধুনা প্রকাশন, ৩২/২-ক, বাংলাবাজার ঢাকা-১১০০, ২য় সংস্করণ, জানুয়ারি ২০০৬, ৩৩ পৃষ্ঠা)
অতএব সুনিশ্চিতভাবে বলা যায়- হযরত বঙ্গ আলাইহিস সালাম হলেন বাঙালি জাতির আদিম পুরুষ। বঙ্গ /বঙ/ বং শব্দ মুবারক থেকেই বাঙালি জাতির পয়দা বা উৎপত্তি। বঙ্গোপসাগরের নামকরণও এই বঙ্গ শব্দ মুবারক থেকে। হযরত বঙ্গ আলাইহিস সালাম বাংলা ও বাংলাদেশের গোড়াপত্তন ঘটান। তাই হযরত বঙ্গ আলাইহিস সালাম তিনি-ই বাঙালি জাতির স্থপতি, প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণপুরুষ। বর্তমান বাঙালি ও বাংলাদেশীরা উনারই উত্তরসূরী।
-ডাঃ আব্দুল আলী।
আর হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম উনার দ্বিতীয় আওলাদ উনার নাম ছিলো হযরত ‘বঙ্গ’ আলাইহিস সালাম। হযরত ‘বঙ্গ’ আলাইহিস সালাম উনার আওলাদগণই বাঙালি বলে পরিচিতি লাভ করেন। বাঙালির আদি পুরুষ হচ্ছেন হযরত ‘বঙ্গ’ আলাইহিস সালাম।
---------শাসক আকবরের সভাসদ আবুল ফজল কর্তৃক রচিত ‘আইন-ই-আকবরী’ গ্রন্থে বলা আছে ‘বঙ্গ’ শব্দের সাথে আল যুক্ত হয়ে বং+আল= বঙ্গাল শব্দের জন্ম হয়েছে, পরে বঙ্গাল> বাঙ্গাল, বাঙ্গাল> বাঙ্গালা, বাঙ্গালা> বাঙলা, বাঙলা> বাংলা শব্দ এসেছে।
আবুল ফজল বঙ্গ শব্দের সাথে যে আল শব্দ ব্যবহার করেছে তারও একটি ব্যাখ্যা রয়েছে। সে বলেছে, বাংলাদেশের তখন জমিতে প্রচুর আল (আইল) ছিলো, যা দিয়ে পানি আটকানো থাকতো, আবার জমিতে জমিতে বিভক্তিটানা রশি হিসেবেও আল কাজ করতো। সম্ভবত এই জন্যেই বঙ্গ এর সংগে আল শব্দ যুক্ত হয়েছিলো।
৪. বাইবেলে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, আপন আপন বংশ ও জাতি অনুসারে সাইয়্যিদুনা হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার আওলাদগণের গোষ্ঠী; এবং মহাপ্লাবনের পরে উনাদের হতে উৎপন্ন নানা জাতি পৃথিবীতে বিভক্ত হলো। (সূত্র: পবিত্র বাইবেল: পুরাতন ও নতুন নিয়ম, বাংলাদেশ বাইবেল সোসাইটি, ঢাকা- ১৯৮১, ১২-১৩ পৃষ্ঠা)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বংশধর উনারাই দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে বসতি স্থাপন করেন। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওহী মুবারক উনার ধারক-বাহক উনারাই পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকার আদিবাসী। বর্তমান পৃথিবীতে যত মানুষ আছে সবারই পূর্বসূরী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাই।
গোলাম হুসাইন সলীম জইদপুরীর বর্ণিত এই ইতিহাসকে আরো অনেক গবেষক সমর্থন করেছেন এবং নিজ নিজ গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন ড. কাজী দীন মুহম্মদ, মুহম্মদ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
সে হিসেবে সাইয়্যিদুনা হযরত নূহ আলাইহিস সালাম ও উনার বংশধর উনাদের সাথে বাংলাদেশের আদি ইতিহাস সংশ্লিষ্ট। অর্থাৎ হযরত বঙ্গ আলাইহিস সালাম উনার নাম মুবারক অনুসারেই বাঙ্গালী শব্দের উৎপত্তি।
বর্তমানেও দেখা যাবে অনেক মুসলিমই নামের আগে বা পরে বাঙাল বা বাঙালি শব্দ ব্যবহার করেন। কিন্তু কোনো অমুসলিমকে এসব পরিভাষা ব্যবহার করতে দেখা যায় না। এর কারণ সাইয়্যিদুনা হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার নাতি হযরত বঙ্গ আলাইহিস সালাম ছিলেন মুসলিম এবং মহান আল্লাহ পাক উনার একত্ববাদে বিশ্বাসী। মূলত: তিনি ছিলেন নবুওওয়াতী খান্দান উনার সম্মানিত আওলাদ। সুবহানাল্লাহ!
অন্যদিকে অমুসলিমরা সচেতনভাবেই এসব শব্দ এড়িয়ে চলেছে। তাছাড়া আর্য হিন্দুদের আগমনের পূর্বে ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থান, কাল ও বস্তুর সুন্দর নাম ছিলো। কিন্তু আর্য হিন্দুরা এদেশ দখল করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে নাম বদলিয়ে দেয়। নাঊযুবিল্লাহ!
ইতিহাসবিদ মুহম্মদ আব্দুল জাব্বারের ভাষায়, আর্য হিন্দুরা সকল ক্রিয়াকর্ম ও ব্যবহারিক জীবনে তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে লাগলো। তারা গ্রাম, নদী, বৃক্ষলতা ও কুলের পূর্বতন নাম পরিবর্তন করে তাদের ভাষায় নতুন নামকরণ করতে আরম্ভ করলো। (সূত্র: মুহম্মদ আব্দুল জাব্বার: বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীন যুগ), ঢাকা- ১৯৭৭, ৩০ পৃষ্ঠা; উদ্ধৃতি: অধ্যাপক ড. সৈয়দ মাহমুদুল হাসান, বাংলার ইতিহাস (প্রাচীনকাল থেকে ১৭৬৫ সাল পর্যন্ত), অধুনা প্রকাশন, ৩২/২-ক, বাংলাবাজার ঢাকা-১১০০, ২য় সংস্করণ, জানুয়ারি ২০০৬, ৩৩ পৃষ্ঠা)
অতএব সুনিশ্চিতভাবে বলা যায়- হযরত বঙ্গ আলাইহিস সালাম হলেন বাঙালি জাতির আদিম পুরুষ। বঙ্গ /বঙ/ বং শব্দ মুবারক থেকেই বাঙালি জাতির পয়দা বা উৎপত্তি। বঙ্গোপসাগরের নামকরণও এই বঙ্গ শব্দ মুবারক থেকে। হযরত বঙ্গ আলাইহিস সালাম বাংলা ও বাংলাদেশের গোড়াপত্তন ঘটান। তাই হযরত বঙ্গ আলাইহিস সালাম তিনি-ই বাঙালি জাতির স্থপতি, প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণপুরুষ। বর্তমান বাঙালি ও বাংলাদেশীরা উনারই উত্তরসূরী।
-ডাঃ আব্দুল আলী।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙ্গুলের ছাপ শরীয়তসম্মত, নিখুঁত, ব্যবহারে সহজ এবং রহমত, বরকত, সাকীনা লাভের কারণ (৭)
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আফগানিস্তানেও উগ্রতাবাদী ওহাবী-সালাফীদের অনুপ্রবেশের অপচেষ্টা
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে মুহব্বত করা পবিত্র ঈমানের অন্তর্ভুক্ত
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুসলমানদের বিচার ব্যবস্থা চুরি করেই গড়ে উঠেছে ব্রিটিশ, গ্রীক ও রোমানদের আইন ব্যবস্থা
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজকের নির্যাতিত-নিপীড়িত নিষ্পেষিত মুসলিম জনপদের দখল যেভাবে নিলো কুখ্যাত ইহুদী গোষ্ঠী
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার খলীফা মনোনীত হওয়ার সঠিক ইতিহাস
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
উসমানীয় সুলতানের কাছে ফিলিস্তিনে ইহুদী রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক একটি ঘটনা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ধূর্ত রোমান শাসককে আব্বাসীয় সালতানাতের দাতভাঙ্গা জবাব
০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ দিন ও রাত্রই হচ্ছেন সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে মহান, সবচেয়ে বড় ঈদের দিন
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ কুল-কায়িনাতের সকল রাত ও দিনের চেয়েও লক্ষ-কোটিগুণ বেশি মর্যাদাসম্পন্ন ও ফযীলতপূর্ণ রাত ও দিন মুবারক
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ: মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ তারিখ বিষয়ে অকাট্য দলীল-প্রমাণসমূহ (২)
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












