SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%প্রস্রাব%' OR titleBn LIKE '%প্রস্রাব%' OR descriptionEn LIKE '%প্রস্রাব%' OR descriptionBn LIKE '%প্রস্রাব%' OR slug LIKE '%প্রস্রাব%' OR metaTag LIKE '%প্রস্রাব%' OR metaDescription LIKE '%প্রস্রাব%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
কিডনী আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে একটি। এটি রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে বের করে দেয়। যখন কিডনীর ছাঁকনী বা ফিল্টার গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন শরীর থেকে প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। শরীর থেকে প্রোটিন বের হওয়ায় এ অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় নেফ্রোটিক সিনড্রোম বলে।
নেফ্রোটিক সিনড্রোম আসলে কোন রোগ নয়, এটি কিডনীর সমস্যা লক্ষণ। কিডনীর মধ্যে গ্লোমেরুলাস নামক অতিক্ষুদ্র রক্তনালির গুচ্ছ থাকে, এর কাজ হলো রক্তকে পরিশোধন করা। সুস্থ অবস্থায় কিডনীর ছাঁকনিগুলো শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিনকে ধরে বাকি অংশ পড়ুন...
ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধোয়া উভয়টিই সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ:
বড় ইসতিন্জা এবং ছোট ইসতিন্জা করার পর ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার হওয়া উভয়টি সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। অর্থাৎ ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা যেমন সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্ তেমনিভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করাও সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। কেননা শরীরের মধ্যে একটা গরম ভাব আছে। বড় ইসতিন্জা বের হয়ে চামড়ার উপর লাগলে শরীরের গরমে ময়লার (পায়খানার) কিছুটা চামড়ায় শোষণ করে নেয়। ঢেলা-কুলুখে সেই শোষিত ময়লা (পায়খানা) দুর হয় না। তাই ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করার পর পানি দিয়à বাকি অংশ পড়ুন...
মাথা ব্যথার বিভিন্ন কারণের অন্যতম প্রধান একটি কারণ হচ্ছে মাইগ্রেন। মাইগ্রেনের সাথে বিভিন্ন খাবারের সম্পর্ক পাওয়া গেছে। বিভিন্ন খাবার কিন্তু মাইগ্রেনের প্রকোপ বাড়িয়ে দিতে পারে। আবার কিছু খাবার আছে যেসব খাবার বেশি গ্রহণ করলে মাইগ্রেনের অ্যাটাক বেশি হয় না।
তাই যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা তারা যেসব খাবার বেশি গ্রহণ করবেন।
গবেষণায় দেখা গেছে- ভিটামিন বি ২ বা রিবোফ্লেভিন বেশি গ্রহণ করলে মাইগ্রেনের ব্যথা কম হয়। তাই যেসব খাবারে বেশি রিবোফ্লেভিন আছে মাইগ্রেনের সমস্যা যাদের আছে তারা বেশি গ্রহণ করলে মাইগ্রেন এর প্রভাব কমবে। যেসব খাব বাকি অংশ পড়ুন...
বড় ইসতিন্জার ফরয:
বড় ইসতিন্জার মধ্যে একটি ফরয। বড় ইসতিন্জার মুকামে (মলদ্বারে)একদিরহামের বেশী পরিমান ময়লা (পায়খানা) লেগে থাকলে ঢেলা ব্যবহার করার পর পানি দিয়ে ধোয়া ফরয।
বড় ইসতিন্জার মধ্যে একটি ওয়াজিব। বড় ইসতিন্জার মুকামে (মলদ্বারে) একদিরহাম পরিমান ময়লা (পায়খানা) লেগে থাকলে ঢেলা ব্যবহার করার পর পানি দিয়ে ধোয়া ওয়াজিব।
বড় ইসতিন্জার মধ্যে একটি সুন্নত। বড় ইসতিন্জার মুকামে (মলদ্বারে) একদিরহামের কম ময়লা (পায়খানা) লেগে থাকলে ঢেলা ব্যবহার করার পর পানি দিয়ে ধোয়া সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ।
বড় ইসতিন্জার মধ্যে একটি মুস্তাহাব। বড় ইসতিন্জার মুঠবাকি অংশ পড়ুন...
রোযাদারের শৌচ করার নিয়ম:
রোযাদার হলে বড় ইসতিন্জার রাস্তা (পায়খানার রাস্তা) ঢিলা করে ফারাগাত মত শৌচ করবে না, চাপাভাবে বসে শৌচ করবে। ইহ্তিয়াত বা সতর্কভাবে পানি ব্যবহার করবে যেন মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) বড় ইসতিন্জার রাস্তা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ না করে। রোযাদার ব্যক্তি শৌচকালে জোরে জোরে শ্বাস-প্রশ্বাস নিবে না। কারণ এতে করে মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) ভিতরে প্রবেশ করার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। শৌচ করার পর পাক নেকড়া দিয়ে বড় ইসতিন্জার রাস্তা মুছে ফেলবে। নেকড়া না থাকলে টিসু দিয়ে, টিসু না থাকলে হাত দিয়ে ভালোভাবে মুছে ফেলবে যেন বিন্দুমাত বাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিবরা যেভাবে বা যে নিয়মে করতে হয় :
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করার সময় মানুষের সামনে উঠা বসা করা, হাঁটাচলা করা, উপুড় হওয়া, বিভিন্ন কসরত করা বিকৃতি, কদর্যতা, দৃষ্টিকটু অঙ্গভঙ্গি করার শামীল, যা নিষিদ্ধ।
যেমন “মাওয়াহেবে জালীল ফী শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ৪০৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
قَالَ فِي الْمَدْخَلِ: إذَا قَامَ يَسْتَبْرِئُ فَلَا يَخْرُجُ بَيْنَ النَّاسِ وَذَكَرُهُ فِي يَدِهِ وَإِنْ كَانَتْ تَحْتَ ثَوْبِهِ فَإِنَّ ذَلِكَ شَوْهَةٌ وَمُثْلَةٌ وَكَثِيرًا مَا يَفْعَلُ بَعْضُ النَّاسِ هَذَا وَقَدْ نَهَى عَنْهُ،
অর্থ : মাদখাল কিতাবে” উল্লেখ আছে, ছোট ইসতিন্জার (প্রস্রাবের) পর ইসতিবরা করার বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব:
উল্লেখ্য যে, ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব। আর খাছভাবে এই ইসতিবরা করা কারো জন্য ফরয, কারো জন্য ওয়াজিব এবং কারো জন্য সুন্নত মুয়াক্কাদাহ্্। যা অবশ্যই করতে হবে।
“শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ১৪৭ পৃষ্টায় উল্লেখ আছে-
إنَّمَا وَجَبَ الِاسْتِبْرَاءُ اتِّفَاقًا؛
অর্থ : সকল উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ঐক্যমতে ইসতিবরা করা ওয়াজিব।
“শরহে মুসলিম শরীফ” কিতাবে উল্লেখ আছে,
نجاسة البول ووجوب الاستبراء منه
অর্থ: ইমাম নববী রহমাতুল্লাহ্্ আলাইহি তিনি বলেন, ইসতিন্জা নাপাক (প্রস্রাব নাপাক) এবং ইসতিà বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ডোপ টেস্ট ‘পজিটিভ’ হওয়ায় পুলিশ সুপার (টিআর) আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি)-২০২৬ কোর্স চলাকালে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পর তার ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষায় তার প্রস্রাবের নমুনায় বেনজোডায়াজেপিন (বিজেডও) এবং অ্যামফিটামিন/মেথঅ্যামফিটামিন ‘পজিটিভ পাওয়া যায়।
গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, আ ফ ম নিজাম উদ্দিন পুলিশ অধিদপ্তঠবাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা এর উদ্দেশ্য:
ইসতিবরা এর উদ্দেশ্য হল ছোট ইস্্তিন্জার রাস্তা থেকে (প্রস্রাবের রাস্তা থেকে) অবশিষ্ট ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের করে পরিপূর্ণরূপে পবিত্রতা হাছিল করা। যা বের হয়ে কাপড়ে ও শরীরে লাগার কোনই আশঙ্কা নেই।
যেমন “মাওসূআতে আহকামুত্ ত্বাহারাত” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وَالْاِسْتِبْرَاءُ اِسْتِنْقَاءُ الذِّكْرِ عَنِ الْبَوْلِ
অর্থাৎ ইসতিবরা শব্দের আভিধানিকঅর্থ হলো ছোট ইস্্তিন্জা করার পর (প্রস্রাব করার পর) ছোট ইস্্তিন্জার রাস্তা থেকে (প্রস্রাবের রাস্তা থেকে) অবশিষ্ট ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) কোশেশ করে বের করে à বাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিন্জা থেকে পবিত্রতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ:
ইমাম নববী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, উক্ত হাদীছ শরীফখানা :- لَايَسْتَتِرُ لَايَسْتَنْزِهُ ও لَايَسْتَبْرِئُ তিনটি মুবারক লফযে বা মুবারক শব্দে বর্ণিত হয়েছে। এরপর তিনি বলেন,
وهذه الثالثة في البخاري وغيره، وكلها صحيحة.
لَايَسْتَبْرِئُ
ইসতিবরা করতো না অর্থাৎ স্বাভাবিক ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের হওয়ার পর অবশিষ্ট ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের করার কেশেশ করতো না। এ তৃতীয় মুবারক শব্দটি পবিত্র বুখারী শরীফে ও অন্যান্য পবিত্র হাদীছ শরীফের কিতাবে বর্ণিত হয়েছে। আর প্রত্যেকটি বর্ণনাই ছহীহ্্। (আইনী ১ম খ- ৮৩ পৃষ্ঠা)
আরো বাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিন্জা থেকে পবিত্রতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ:
ইসতিন্জার কারণে ক্ববরের আযাব:
বিশেষ করে ছোট ইসতিন্জা (প্রস্রাব) থেকে পবিত্রতার বিষয়ে হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে অত্যাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। যেমন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اِسْتَنْزِهُوْا عَنِ الْبَوْلِ فَإِنَّ عَامَّةَ عَذَابِ الْقَبْرِ مِنْهُ.
অর্থ: হযরত আবূ হুরাইরাহ্্ রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ্্ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লà বাকি অংশ পড়ুন...












