SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%প্রচলন%' OR titleBn LIKE '%প্রচলন%' OR descriptionEn LIKE '%প্রচলন%' OR descriptionBn LIKE '%প্রচলন%' OR slug LIKE '%প্রচলন%' OR metaTag LIKE '%প্রচলন%' OR metaDescription LIKE '%প্রচলন%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
বিশেষ বিশেষ দিন পালন করা মহান আল্লাহ পাক উনার সুন্নত। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত।
কিন্তু দিলে বক্রতা ও গালিজ থাকার কারণে ওহাবী, খা বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধের পর জন্ম হয় স্বাধীন বাংলাদেশের। তার ঠিক ৩ মাস পর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব ১ ও ১০০ টাকার ব্যাংক নোটের প্রচলন হয়। এটিই ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ব্যাংক নোট।
স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রার নাম রাখা হয় টাকা। বিশ্বের কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম একই ধরনের। তবে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকা নামটি স্বতন্ত্র। ৪ মার্চ ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দুটি ব্যাংক নোট ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ছাপানো হয়।
১ টাকার নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও গণ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেসকল প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদী, আসবাবপত্রসহ যাবতীয় সরঞ্জামাদী ব্যবহার করেছেন বা ব্যবহার করার জন্য মহাসম্মানিত আদেশ মুবারক করেছেন; সেসকল দ্রব্যাদী ও আসবাবপত্রকে মহাসম্মানিত সুন্নতী আসবাবপত্র বলা হয়।
মূলত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম বাকি অংশ পড়ুন...
নাস্তিক ইসলামবিদ্বেষীরা মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কটূক্তি করে বলে থাকে, মাদরাসায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা হয়না। সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান শেখানো হয়! এ অপপ্রচারে মাদরাসা নিয়ে অভিভাবক মহলে হীনমন্যতার প্রবেশ করে।
ইতিহাস সাক্ষী অতীতের সকল মুসলিম বিজ্ঞানী, জ্ঞানী-গুনী সবাই মক্তব-মাদরাসায় পড়াশোনা করেই জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছেন। বেনিয়া বৃটিশ শাসনের পুর্বে মুসলিম শাসনামলে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাই ছিলো মূল। যেখানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখা সম্পর্কে পড়ানো হত।
মুসলিম শাসনামলের অবদান:
মুসলিম শাসনামলের শুরু বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন। আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন।
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন। আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন।
স বাকি অংশ পড়ুন...
হীলাহ্ বিবাহের প্রকারভেদ:
সমাজে দুই ধরনের হীলাহ্ বিবাহের প্রচলন রয়েছে-
১.শর্তযুক্ত হীলাহ্। যা শরীয়ত বহির্ভূত,হারাম-নাজায়েয ও লা’নতের কারণ।
২. শর্তবিহীন হীলাহ্। যা জায়েয, শরীয়ত সম্মত ও ফযীলতের কারণ।
১. শর্তযুক্ত হীলাহ্। যা শরীয়ত বহির্ভূত, হারাম- নাজায়েয ও লা’নতের কারণ। তালাক প্রাপ্তা আহলিয়াকে (স্ত্রী) হালাল করার লক্ষে শরীয়ত বহির্ভূত, মনগড়া পদ্ধতি অবলম্বন করা। অর্থাৎ কারো নিকট এই শর্তে বিবাহ দেয়া যে, তুমি তার সাথে নির্জনবাস করবেনা। বরং বিবাহের এক ঘন্টা বা দুই ঘন্টা পর তালাক দিবে। এরূপ বিবাহ দৃশ্যত বিবাহ, কিন্তু হাক্বীক্বতে (প্ বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়াহুদীরা পৃথিবীর সবচেয়ে ধূর্ত ও অভিশপ্ত জাতি। তাদের এই ন্যাক্কারজনক অবস্থার মূল ভিত্তি হলো, তাদের ধর্মীয় আক্বীদা-বিশ্বাস। ইহুদীরা যেই কিতাব এর দোহাই দিয়ে চলে তার নাম হলো তালমুদ। তালমুদের বর্তমান কপিগুলোতে কিছু জঘন্য আক্বীদা-বিশ্বাসের কথা পাওয়া যায়। যথা-
(১) ইয়াহুদীরা আল্লাহ তায়ালা উনার কাছে সমস্ত ফেরেশতা অপেক্ষা প্রিয়। আল্লাহ তায়ালা উনার সাথে তাদের সম্পর্ক, পিতা-পুত্রের সম্পর্ক। নাঊযুবিল্লাহ!
(২) যদি দুনিয়াতে ইয়াহুদীদের অস্তিত্ব না হতো তবে সূর্যের উদয় হতো না এবং পৃথিবীতে বৃষ্টি বর্ষণ হতো না। নাঊযুবিল্লাহ!
(৩) আল্লাহ তায়া বাকি অংশ পড়ুন...
ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং নাইজেরিয়ায় গরুর চামড়া প্রাণীজ আমিষের উৎস হিসেবে ব্যাপক উৎসাহের সাথে গরুর চামড়া খাওয়া হয়।
বিশ^জুড়ে গরুর চামড়া ট্যানিংয়ের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করা হয় যা পরবর্তীতে ফ্যাশন এবং আসবাব উৎপাদন শিল্পে বিভিন্ন জিনিসের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, গাভীর ত্বকে প্রোটিন, যা কোলাজেন/জেলিটিন নামে পরিচিত, ওষুধ, খাদ্য এবং প্রসাধনী শিল্পগুলিতে ব্যবহার করা হয়।বহু বছর আগ থেকেই বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গরুর মাথার চামড়া রান্না করে খাওয়ার প্রচলন ছিলো। বিশেষ করে গরুর পায়া (পা)র সাথে মাথার চামড়াও রান্না করা হয়। মাথার চা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
চামড়া শিল্প রপ্তানিতে একটি সম্ভাবনাময় খাত ছিলো এবং এখনোও আছে। কিন্তু হাজারীবাগ থেকে যে উপায়ে সাভারে চামড়া শিল্পকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং পরে যেভাবে এই শিল্পকে অবহেলা করা হয়েছে এবং সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াতে যে বাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন-
لَـتَجِدَنَّ اَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّـلَّذِيۡنَ اٰمَنُوا الۡيَهُوۡدَ وَالَّذِيۡنَ اَشۡرَكُوۡا
“(ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি মুসলমানদের জন্য স বাকি অংশ পড়ুন...
إِنَّ الَّذِينَ يُحِبُّونَ أَنْ تَشِيعَ الْفَاحِشَةُ فِي الَّذِينَ آمَنُوا لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَاللهُ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
নিশ্চয়ই যারা ঈমানদারদের মধ্যে ফাহেশা প্রচলন করতে চায়। অর্থাৎ খাছ করে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে চূ-চেরা, কীল-কাল করতে চায়, উনাদের বিরুদ্ধে এসব অপবাদ প্রচার করতে চায়, মুরজিফুন যারা। এদের কঠিন শাস্তি ইহকাল ও পরকালে। সেটা মানুষ, জিন-ইনসান জানে না। একমাত্র যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি জানেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! বাকি অংশ পড়ুন...












