SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%প্রকার%' OR titleBn LIKE '%প্রকার%' OR descriptionEn LIKE '%প্রকার%' OR descriptionBn LIKE '%প্রকার%' OR slug LIKE '%প্রকার%' OR metaTag LIKE '%প্রকার%' OR metaDescription LIKE '%প্রকার%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের মাঝে তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেছেন। তোমাদের জন্য কষ্টকর বিষয়গুলো উনার নিকট অসহনীয়। তিনি তোমাদের ভালাই চান। বিশেষ করে বাকি অংশ পড়ুন...
আপাতত নিয়ত করে সে এটা করুক যে আমি ইছলাহ হাছিল করতে চাই, আমি আল্লাহওয়ালা হতে চাই। আমি ওলীআল্লাহ হতে চাই। ছেলে হোক মেয়ে হোক, পুরুষ হোক মহিলা হোক কোশেশ করে সে নিয়ত করুক। যে আমার আক্বীদা শুদ্ধ হয়ে যাক, হুসনে যন পয়দা হোক, অন্তরটা বিশুদ্ধ হয়ে যাক এই নিয়ত করে তার কোশেশ করা উচিত। সময়তো কারো জন্য থাকে না। সময় তার গতিতে চলবে। একদিন চক্ষু বন্ধ হয়ে যাবে তখন কি করবে।
كُلُّ نَفْسٍ ذَآئِقَةُ الْمَوْتِ
প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। এটা মনে রাখতে হবে। কাজেই যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান পুরুষ-মহিলা, বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দুটির বেশি সন্তান হলে মাতৃত্বকালীন ছুটি ও মাতৃত্ব সুবিধা সীমিত বা অস্বীকার করার বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান এই রিট দায়ের করেন। রিটে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর সংশ্লিষ্ট বিধান, বাংলাদেশ সার্ভিস রুলসের (বিএসআর) প্রাসঙ্গিক বিধান চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, মাতৃত্বকালীন ছুটি কোনো বিশেষ সুবিধা বা সন্তান জন্মদানে উৎসাহ প্রদানের উপকরণ নয়; বরং এটি একজন মায়ের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা, প্রসব-পরবর বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তাদের কাছে যে কিতাব আছে তার সত্যায়ণকারী স্বরূপ আমি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি হিফাযতকারীরূপে। অতঃপর আপনি তাদের মাঝে মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব অনুসারে ফায়ছালা করুন। আপনার কাছ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার পরিভাষিক অর্থে বলা হয়-
مَا نُقِلَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ قَوْلٍ أَوْ فِعْلٍ أَوْ تَقْرِيْرٍ وَعَلَى مَا جَاءَ عَنِ الصَّحَابَةِ أَوْ الخُلَفَاءِ الرَّاشِدِيْنَ
অর্থ: ‘মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক হলো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত কথা মুবারক, মহাসম্মানিত কর্ম মুবারক ও মহাসম্মানিত মৌন সম্মতি মুবারক থেকে যা বর্ণিত হয়েছে এবং যা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম ও হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের পক্ষ থেকে এসেছে’।
কেউ কেউ বলেন-
السُّنَّةُ مَا وَرَ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দলীল অনুযায়ী হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালাম উনাদের স্বপ্ন মুবারকও যেখানে পবিত্র ওহী মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত সেখানে উনাদের জাগ্রত অবস্থার বিষয়গুলো কি পবিত্র ওহী মুবারক উনার বাইরে ছিল? কখনই নয়। যদি তাই হয় তাহলে পবিত্র ওহী মুবারক উনার ফায়সালাকৃত বিষয়ের জন্য উনাদেরকে দোষারোপ করা কি করে শুদ্ধ হতে পারে?
কাজেই, উনাদের সাথে যদি ভুল বা গুনাহর বিষয়টি সম্পৃক্ত করা হয় তাহলে একইসাথে এটাও সম্পৃক্ত হয়ে যায় যে, মহান আল্লাহ পাক তিনিই পবিত্র ওহী মুবারক নাযিলে ভুল করেছেন এবং তিনিই উনাদেরকে গুনাহ ক বাকি অংশ পড়ুন...
ইংরেজিতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত এবং মহাপবিত্র নাম মুবারক “সাইয়্যিদুনা মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” লিখলে প্রথমে ‘M’ অক্ষরটি আসে। সেই হিসেবে ইংরেজি বর্ণমালা অনুযায়ী ‘M’ অক্ষরটি ১৩ নম্বরে আসে। সে জন্য এই যবন, মেøচ্ছ, অস্পৃশ্য কাফির-মুশরিকগুলি তাদের কোন বিমান, রেল, লঞ্চ-এ তের নম্বর সিটটি রাখে না। কোন হোটেলে তের নম্বর কক্ষ-কামরা রাখে না। লেখা বাহুল্য, মুসলমানরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নাম মুবা বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার সূরা মারইয়াম শরীফ উনার ৩৬নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তিনি এমন একজন সম্মানিতা মহিলা উনার সমকক্ষ কোন পুরুষও নেই।” এই আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সুন্নত উনার অর্থ ও পরিচয় মুবারক: পবিত্র ‘সুন্নত’ শব্দটি আরবী, একবচন। বহুবচনে السنن (আস-সুনান)। আভিধানিক অর্থ হল, الطريقة والسيرة অর্থাৎ পথ, পন্থা, পদ্ধতি, নিয়ম ইত্যাদি; (লিসানুল আরব ১৩/২২৪-২২৫)
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে উক্ত অর্থে সুন্নত শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يُرِيْدُ اللهُ لِيُبَيِّنَ لَكُمْ وَيَهْدِيَكُمْ سُنَنَ الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَيَتُوْبَ عَلَيْكُمْ وَاللهُ عَلِيْمٌ حَكِيْمٌ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি ইচ্ছা করেন তোমাদের নিকট বিশদভাবে বিবৃত করতে, তোমাদের পূর্ববর্তীদের নিয়ম-কানুন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
লোকটি সিরিয়ার অধিবাসী। যুদ্ধের ময়দানে তার গর্জন ছিলো সিংহের মতো। এমনকি এক হাজার অশ্বারোহীর চেয়েও তার চিৎকার ছিলো ভয়ঙ্কর। তার জ্বালাময়ী ভাষণে সৈন্যরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তো। সে খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পক্ষে কাজ করতো, কিন্তু খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি কয়েকদিন উনাকে দেখতে না পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, অমুকের ছেলে অমুক কোথায়?
বলা হলো, হে আমীরুল মু’মিনীন! সে নেশা পানে ব্যস্ত আছে।
এ সংবাদ শুনে খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার পত্র লেখককে বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ.
আমার পরে মহিলা ফিতনা (পরীক্ষা) পুরুষদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। (বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)
মূলত, বেপর্দার কারণেই মহিলারা আজ মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নিত্য-নতুন ফিতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...












