SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পালনেই%' OR titleBn LIKE '%পালনেই%' OR descriptionEn LIKE '%পালনেই%' OR descriptionBn LIKE '%পালনেই%' OR slug LIKE '%পালনেই%' OR metaTag LIKE '%পালনেই%' OR metaDescription LIKE '%পালনেই%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
খ) মহাখালী টার্মিনালের প্রথম বিকল্প:
আব্দুল্লাহপুর-তুরাগ সংলগ্ন এলাকা (উত্তরা থেকে দূরত্ব: ২-৩ কিমি)
উত্তরার শেষ মাথায়, আব্দুল্লাহপুর ব্রিজ পার হয়ে তুরাগ নদীর ওপাড়ে (ধউর বা কামারপাড়া সংলগ্ন কামাড়পাড়া রোড ধরে সামান্য এগোলে) বিশাল খালি জায়গা রয়েছে। সেক্টর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার।
সুবিধা: ময়মনসিংহের বাসগুলো আব্দুল্লাহপুর এসে ঢাকার ভেতরে না ঢ়ুকে তুরাগ বা কামারপাড়ার দিকে মোড় নিয়ে টার্মিনালে ঢ়ুকে যাবে। এর ফলে বিমানবন্দর সড়ক বা উত্তরার ভেতরের রাস্তায় কোনো জটলা হবে না।
দ্বিতীয় বিকল্প:
দিয়াবাড়ী/উত্তরা ১৫ নম্বর সে বাকি অংশ পড়ুন...
৪) আন্তঃজেলা বাস ও ট্রাক টার্মিনাল স্থানান্তর:
মহাখালী, সায়দাবাদ, গাবতলী বা তেজগাঁওয়ের মতো শহরের ভেতরের টার্মিনালগুলো ঐসব এলাকায় স্থায়ী যানজট তৈরি করে রেখেছে। টার্মিনালগুলোর ধারণক্ষমতার চেয়ে গাড়ীর সংখ্যা অনেক বেশি। ফলে প্রধান সড়কের ওপরই মাইলের পর মাইল দূরপাল্লার বাস লাইন ধরে পার্কিং করে রাখা হয়। ৩-৪ লেনের রাস্তা সংকুচিত হয়ে যখন ১ লেনে নেমে আসে, তখন পুরো এলাকার ট্রাফিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। তাই আন্তঃজেলা বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোকে ঢাকা শহরের বাইরে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। যাতে দূরপাল্লার যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি শহরের ভেতর ঢুকত বাকি অংশ পড়ুন...
২. খিলক্ষেত ও জোয়ার সাহারা (কুড়িল সংলগ্ন):
উত্তরা, গুলশান, বনানী ও বাড্ডা এলাকার ব্যবসায়ীদের জন্য এই এলাকাটি অত্যন্ত উপযোগী।
সম্ভাব্য জায়গা: কুড়িল ফ্লাইওভারের কাছাকাছি খিলক্ষেত বা জোয়ার সাহারার রেললাইনের পাশের খালি জায়গা। ৩শ ফিট (পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে) রাস্তার শুরুর অংশও এর জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
এখানে মাছ, গোশত, সবজি, ফলমূল, প্রসাধনী, গার্মেন্টস পণ্য এবং প্রয়োজনানুযায়ী অন্যান্য পণ্যের বাজারও করা যায়। এখান থেকে সহজেই এয়ারপোর্ট রোড এবং প্রগতি সরণি এবং ৩০০ ফুট ব্যবহার করে পণ্য সরবরাহ করা যাবে।
৩. রায়েরবাজার ও বসিলা মোহা বাকি অংশ পড়ুন...
৩) ঢাকার পাইকারি ও বৃহৎ বাণিজ্যিক বাজারের বহুকেন্দ্রীকরণ:
ঢাকার যানজটের অন্যতম আরেকটি কারণ হলো শহরের ভেতরে দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজারগুলোর এককেন্দ্রীক অবস্থান। ঢাকা শহরের জনসংখ্যার তুলনায় দুই সিটি কর্পোরেশনে পাইকারী বাজারের সংখ্যা খুবই সীমিত। যা রয়েছে তাও শহরের একদিকেই বেশীরভাগের অবস্থান। ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান পণ্য আনা-নেওয়া করায় এসব এলাকায় প্রচন্ড যানজটের সৃষ্টি হয়। যেমন-
ক) পুরান ঢাকা : সবচেয়ে বড় পাইকারী বাজার
পুরান ঢাকা হলো দেশের ব্যবসার মূল কেন্দ্র। এখানে প্রায় প্রতিটা মহল্লাই কোনো না ক বাকি অংশ পড়ুন...
২) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিকেন্দ্রীকরণ:
প্রতি বছর উচ্চশিক্ষার জন্য লাখ লাখ শিক্ষার্থীর ঢাকামুখী হওয়া ঢাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং তীব্র যানজটের অন্যতম বড় কারণ। যারা ফরয পরিমাণ দ্বীনি শিক্ষার পর অন্যান্য বিষয়ে পড়াশোনা করতে চায় তাদের জন্য ঢাকার বাইরে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে উচ্চ মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয়, কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে ঢাকামূখী ‘শিক্ষা অভিবাসন’ বন্ধ করা যেতে পারে।
এবং ঢাকার ওপর চাপ কমানোর জন্য ঢাকার বাইরে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি সহ নিচের পদক্ষেপগুলো বাকি অংশ পড়ুন...
সারাদেশ থেকে ঢাকায় আগত অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং ঢাকামূখী জনস্রোত ঢাকায় যানজট সহ বিবিধ সমস্যা তৈরী করেছে। মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, ওভারপাস ইত্যাদি নির্মাণের মাধ্যমে এসব সমস্যা নিরসন সম্ভব নয়। যতক্ষণ পর্যন্ত ঢাকায় আগত অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং ঢাকামূখী জনস্রোত বন্ধ করা না যাবে ততক্ষণ পর্যন্ত এর স্থায়ী সমাধান হবেনা। আর তা সম্ভব কেবল ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং সারাদেশে জেলা, থানা থেকে শুরু করে গ্রামীণ পর্যায়ে সুষম উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃস্টির মাধ্যমে।
এ বিষয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন না বাকি অংশ পড়ুন...
ঝালকাঠি সংবাদদাতা:
দেশি গরু পালনেই এখন বেশি লাভবান হচ্ছেন স্থানীয় খামারিরা। বিদেশের মোহ ত্যাগ করে কিংবা চাকরির পেছনে না ছুটে জেলার শত শত শিক্ষিত যুবক এখন নিজ মাটিতেই খুঁজে পেয়েছেন সমৃদ্ধির পথ। দেশীয় পদ্ধতিতে গরু হৃষ্টপুষ্ট করে তারা যেমন স্বাবলম্বী হচ্ছেন; তেমনই জেলার গোশতের চাহিদাও পূরণ করছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় এ বছর কুরবানির পশুর চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ হাজার ২৩৪টি। বিপরীতে জেলার খামারিদের কাছে কুরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত আছে ৩০ হাজার ৫৮৮টি। অর্থাৎ চাহিদার চেয়েও ৩৫৪টি পশু বেশি আছে।
পরিসংখ্য বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের প্রধান প্রধান অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু কারণ হলো-
৪) প্রাতিষ্ঠানিক ও বাণিজ্যিক বিকেন্দ্রীকরণের অভাব:
পুরো বাংলাদেশের প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা ঢাকা কেন্দ্রিক। মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে অধিকাংশ অধিদপ্তর, প্রধান প্রধান সরকারী বেসরকারী অফিস, আদালত, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বড় সব হাসপাতাল ও বিশ^বিদ্যালয় ইত্যাদি ঢাকায় অবস্থিত। বাংলাদেশের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস ঢাকাতেই অবস্থিত।
বাংলাদেশের ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ রয়েছে, যার প্রায় সবকটিই ঢাকার “বাংলাদেশ সচিবালয় বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের প্রধান প্রধান কিছু কারণ হলো-
২) গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারী পরিকল্পনা ও অর্থ বরাদ্দের অভাব:
জাতীয় বাজেটে গ্রামীণ জনজীবনে কর্মসংস্থানমুখী ও কর্মসংসংস্থান সৃষ্টিতে তেমন কোন উন্নয়ন প্রকল্প থাকে না। বরং অনুৎপাদনশীল ও সেবা খাতেই সব বরাদ্দ দেয়া হয়। ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হয়ে বরং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর একটা বড় অংশ সরকারের দেয়া বিভিন্ন ধরনের ভাতা, টিআর, কাবিটা, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। বাকী কর্মক্ষম জনশক্তি বেকারত্বের বোঝা টানছে।
উল্লেখ্য জাতীয় বাজেটের একটি বড় অংশ রাস্তা-ঘাট, ব বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের সাধারণ কিছু কারণ যেমন রয়েছে তদ্রুপ মূল বা প্রধান কিছু কারণও রয়েছে।
যানজটের কিছু সাধারণ কারণ:
২০) বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব:
ঢাকার যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায় ৫০টিরও বেশি সংস্থা কাজ করে। এই সংস্থাগুলোর মধ্যে কাজের কোনো সুনির্দিষ্ট ও একক নিয়ন্ত্রণ কাঠামো না থাকায় সমস্যাগুলো জটিলতর হয়।
অনেক সময় দেখা যায় একটি সংস্থা যেমন, সিটি কর্পোরেশন রাস্তা মেরামত বা কার্পেটিং শেষ করার পরপরই অন্য একটি সংস্থা যেমন: ওয়াসা, তিতাস বা ডিপিডিসি পাইপলাইন বা তার বসানোর জন্য রাস্তাটি আবার খনন করছে বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের প্রধান প্রধান অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু কারণ হলো,
১) ঢাকামূখী জনস্রোত:
অর্থনৈতিক, সামাজিক ও অবকাঠামোগত বৈষম্যের কারণে প্রতিদিন মানুষ ঢাকামুখী হতে বাধ্য হচ্ছে। থানা ও জেলা শহরের তুলনায় ঢাকাকে পুরোপুরি অর্থনীতিনির্ভর শহর করা হয়েছে। চাকুরী, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার আদালত, উন্নত নাগরিক সুবিধা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে দেশের প্রতিটি অঞ্চল থেকে প্রতিদিন লোকজন রাজধানীতে আসছে। তবে বেশীরভাগ মানুষ আসছে কাজের সন্ধানে। ঢাকামূখী এই জনস্রোত বন্ধে গ্রাম থেকে জেলা পর্যায়ে সরকারের তেমন কোন পরিকল্পনা নেই। ফলে দিন বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের সাধারণ কিছু কারণ যেমন রয়েছে তদ্রুপ মূল বা প্রধান কিছু কারণও রয়েছে।
যানজটের কিছু সাধারণ কারণ:
১৩) অপর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ:
বর্তমানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীনে ঢাকায় প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০টি নিয়মিত ট্রাফিক পয়েন্ট রয়েছে। এর নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগের প্রায় ৪,০০০ থেকে ৪,৫০০ জন মোট জনবল রয়েছে। ঢাকার রাস্তায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫-২০ লাখ যানবাহন চলাচল করে, যা সামলানোর জন্য এই সংখ্যাটি অত্যন্ত অপ্রতুল। এছাড়া ঢাকার অনেক এলাকা ও রাস্তা রয়েছে যেখানে নিয়মিত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু তা ট্রাফিক পয়েন্ট হিসেবে ঘ বাকি অংশ পড়ুন...












