SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%খ্রিষ্টান%' OR titleBn LIKE '%খ্রিষ্টান%' OR descriptionEn LIKE '%খ্রিষ্টান%' OR descriptionBn LIKE '%খ্রিষ্টান%' OR slug LIKE '%খ্রিষ্টান%' OR metaTag LIKE '%খ্রিষ্টান%' OR metaDescription LIKE '%খ্রিষ্টান%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মুহম্মদ ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু আবি আমের। ইতিহাসে যিনি পরিচিত হাজিব আল মানসুর নামে। একাধারে তিনি ছিলেন একজন শাসক, একজন যোদ্ধা এবং একজন সেনাপতি। জীবনে তিনি ৫৪টি জিহাদে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং কখনো পরাজিত হননি। উনার পতাকা কখনো মাটিতে পতিত হয়নি। জিহাদের ময়দানে উনার মুখে থাকতো পবিত্র দরুদ শরীফ এবং সাথে থাকতো পবিত্র কুরআন শরীফ। তিনি পেয়েছিলেন সম্মানিত শহীদ উনার মর্যাদা।
হাজিব আল মানসুর দক্ষিণ আন্দালুসের জাজিরাতুল খাদরায় জন্মগ্রহণ করেন। শিশুকাল থেকেই উনার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ বিষয়ে দক্ষ হয়ে ওঠেন। সাহিতà বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
আইন বিভাগ বিচার বিভাগ, প্রশাসন বা নির্বাহী বিভাগের পর রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হলো সংবাদপত্র। গতকাল বঙ্গভবনে সাংবাদিকদের সাথে সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি নিজেও বলেছে ‘গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মূলস্তম্ভ’। গণমাধ্যমের প্রতিক্রিয়ায়ই সদ্য অব্যাহতি দেয়া হলো বৈধ অস্ত্র প্রদর্শনকারী মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে। যদিও অবৈধ অস্ত্র কেলেঙ্কারীতে সাবেক উপদেষ্টা আসিফকে বাদ দেয়া হয়নি। নির্বাচিত সরকার হিসেবে বিএনপি গণমাধ্যমের প্রতি সংবেদনশীল হলে তা ইতিবাচক, আপাতভাবে বলা যায়। সেক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা এসে যায় পূজা নিয়à§ বাকি অংশ পড়ুন...
সময়টা তখন ১৪৯১ সাল। গ্রানাডার মুসলিম শাসনের সূর্য অস্তমিত প্রায়। দুর্বল এবং অযোগ্য মুসলিম শাসক থাকার সুযোগে তৃতীয়বারের মতো গ্রানাডা অবরোধ করেছে ক্যাস্টোলার শাসক পঞ্চম ফার্ডিন্যান্ড। এবার শেষবারের মতো অস্তিত্বরক্ষার লড়াইয়ে নামলেন গ্রানাডার মুসলিমরা। গ্রানাডার মুসিলম যুবকরা সিদ্ধান্ত নিলেন শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত তারা খ্রিষ্টানবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবেন।
এই যুবকদের নেতৃত্বে ছিলেন মুসা বিন আবী গাসসান নামক এক যুবক। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা দিলেন, খ্রিষ্টান শাসক জেনে রাখুক! আরবদের জন্মই হয়েছে বর্ষা নিক্ষেপ ও ঘোড়ায় আরো বাকি অংশ পড়ুন...
{মন্তব্য আল ইহসান শরীফ}
নুমান ইবনে বাশীর রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মুমিনদের একে অপরের প্রতি সম্প্রীতি, দয়া ও মায়া-মমতার উদাহরণ (একটি) দেহের মত। যখন দেহের কোন অঙ্গ পীড়িত হয়, তখন তার জন্য সারা দেহ অনিদ্রা ও জ্বরে আক্রান্ত হয়।’ [বুখারি ৬০১১, মুসলিম ২৫৮৬, আহমদ ১৭৮৯১, ১৭৯০৭, ১৯৯২৬, ১৭৯৪৯, ১৭৯৬৫]
পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রকৃত মুমিনদের কেমন হতে হয়, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ হাদীছে তঠবাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের সমৃদ্ধি আর ৯৮ ভাগ মুসলমান জনগোষ্ঠীর ইসলাম পালন ওদের গাত্রদাহের কারণ হয়ে উঠেছে।
মুসলমানদের জন্য বড় আতঙ্ক, বড় শত্রু আমেরিকা।
আমেরিকার লোলুপ দৃষ্টি এখন বাংলাদেশে।
বাংলাদেশের বিরল খনিজ লুট, নারিকেল দ্বীপ দখল, করিডোর, পার্বত্য চট্টগ্রাম নেওয়াতেই আমেরিকা ক্ষান্ত হবে না।
আমেরিকা চায় গৃহযুদ্ধের বাংলাদেশ।
টুকরা টুকরা বাংলাদেশ, ব্যর্থ বাংলাদেশ।
আমেরিকা চায় ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের সর্বনাশ
আমেরিকা চায় সমকামিতা আর পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রসার
এখনই সতর্ক না হলে ভবিষ্যত অন্ধকার। নাউযুবিল্লাহ।
আমেরিকার লক্ষ্য হল প্রà বাকি অংশ পড়ুন...
দেলিলার শব্দটি ফার্সী, যার অর্থ নির্ভীক, সাহসী, দুঃসাহসী, নিরাতঙ্ক, বীর। উনারা ছিলেন উসমানীয় বাহিনীর ঝটিকা আক্রমণকারী হালকা ঘোড়সাওয়ারী ইউনিট। উনাদের আবির্ভাব হয়েছিলো বলকান থেকে। তাদের কাজ ছিলো হঠাৎ করে ঝটিকা আক্রমণ করে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া। তারা ঝটিকা আক্রমণ করে শত্রুপক্ষের মধ্যে এমন ভয় ছড়াতো যে, শত্রুরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে মাঝে মাঝে উল্টো দৌড়ে পালাতো।
দেলিলারদের যুদ্ধকৌশল ছিলো গেরিলা পদ্ধতির। অর্থাৎ সামনে শক্তিশালী শত্রুকে এমন ক্ষিপ্রতার সাথে লুকিয়ে আক্রমন করা যাতে তারা টেরই না পায়। অনেক সময় তারা শত্রুপক্ষকে যুদ্ধà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “যার সাথে মহব্বত, পরকালে তার হাশর-নশর তার সাথেই হবে।” (সহীহ বুখারী, হাদীছ নং- ৬১৬৯)
পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বসে কোনো হারাম বা অন্যায় কাজ সমর্থন করার অর্থ হলো সেই পাপের অংশীদার হওয়া। ইসলামে কোনো অপরাধের প্রতি অন্তরের সন্তুষ্টি বা আসক্তিকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং- ৪৩৪৫)
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে খেলাধুলা হারাম। সুতরাং এখন হারাম বিশ্বকাপের যে উন্মাদনা (পাগলামি) চলছে এবং তার স্রোতে মুসলমান নামধারীরা ভেসে বেড়াচ্ছে, তা সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী কাট্টা হারাম ও কবীরা গুণাহ। যা বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে ইউরোপজুড়ে মুসলিমবিদ্বেষ চরম আকার ধারণ করেছে। ইউরোপের অমুসলিম দেশগুলোতে মুসলমানদের উপর চলছে অবর্ননীয় নির্যাতন-নিপীড়ন। অথচ এই ইউরোপকেই সমৃদ্ধ করেছেন মুসলমানরা। বিশেষ করে আফ্রিকান মুর মুসলিমরা।
শুধু আধুনিক কালেই আফ্রিকার মুসলিমরা ইউরোপকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করেননি, বরং প্রাচীনকালেও ইউরোপে সভ্যতার আলো দান করেছিলেন তারা।
পশ্চিমা বিশ্বের ইতিহাস পড়ানোর সময় মধ্যযুগকে সাধারণভাবে অন্ধকার যুগ বলা হয়। অথচ, এর পেছনে রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র ও বিদ্বেষ। কারন এই মধ্যযুগে জ্ঞান বিজ্ঞানে উন্নতির চরম শিখর স্পর্শ করেছিলেন মুà বাকি অংশ পড়ুন...
সময়টা তখন ১৪৯১ সাল। গ্রানাডার মুসলিম শাসনের সূর্য অস্তমিত প্রায়। দুর্বল এবং অযোগ্য মুসলিম শাসক থাকার সুযোগে তৃতীয়বারের মতো গ্রানাডা অবরোধ করেছে ক্যাস্টোলার শাসক পঞ্চম ফার্ডিন্যান্ড। এবার শেষবারের মতো অস্তিত্বরক্ষার লড়াইয়ে নামলো গ্রানাডার মুসলিমরা। গ্রানাডার মুসলিম যুবকরা সিদ্ধান্ত নিলো শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত তারা খ্রিষ্টানবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবে।
এই যুবকদের নেতৃত্বে ছিলেন মুসা বিন আবী গাসসান নামক এক যুবক। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা দিলেন, খ্রিষ্টান শাসক জেনে রাখুক! আরবদের জন্মই হয়েছে বর্ষা নিক্ষেপ ও ঘোড়ায় আরোহনে বাকি অংশ পড়ুন...
সৌর সন বা ক্যালেন্ডার হচ্ছে- যেখানে দিন, সপ্তাহ, মাসের সমন্বয়ে একটি বছরের সকল তারিখ উল্লেখ থাকে। কিন্তু বছর গণনা করা হয় সূর্যের সাপেক্ষে পৃথিবীর ঘূর্ণন অনুযায়ী।
মুসলমানগণ পূর্ব থেকেই হিজরী সন ব্যবহার করে আসছে। আর হিজরী সন গণনা করা হয় পৃথিবীর চারপাশে চাঁদের আবর্তনের সাপেক্ষে। হিজরী সন ব্যবহার করা (অর্থাৎ চন্দ্র মাস গণনা করা) খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু সৌর সন ব্যবহার করাও শরীয়তসম্মত। বর্তমানে মানুষ যেহেতু খ্রিষ্টাব্দ সনে অভ্যস্ত তাই মুসলমানদের জন্য, মুসলমান রচিত একটি সৌর সনের বিশেষ প্রয়োজন ছিল। কারণ মুসলমাঠবাকি অংশ পড়ুন...












