SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%খুন!%' OR titleBn LIKE '%খুন!%' OR descriptionEn LIKE '%খুন!%' OR descriptionBn LIKE '%খুন!%' OR slug LIKE '%খুন!%' OR metaTag LIKE '%খুন!%' OR metaDescription LIKE '%খুন!%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
কুমিল্লা সংবাদদাতা:
মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়া ১৩ বছরের কিশোর অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিখোঁজের একদিন পর গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে মরদেহ উদ্ধার হলেও তার কাছে থাকা আইফোনটি পাওয়া যায়নি।
অপ্রতিম বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইসমে জাত বা নাম মুবারক উনাকে সম্মান করার গুরুত্ব ও ফযীলত:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
وَمَنْ كَانَ لَه اِبْنٌ فَسَمَّاهُ مُحَمَّدًا فَـلْيُكْرِمْهُ وَلَا يَضْرِبْهُ اَمَّا يَسْتَحْى اَحَدُكُمْ اَنْ يَّـقُوْلَ يَا مُحَمَّدُ ثُـمَّ يَضْرِبُه (نَجَا)
অর্থ: কোনো ব্যক্তির একজন ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করলো। সে তার নাম রাখলো মুহম্মদ। তাহলে তার দায়িত্ব হচ্ছে, ঐ সন্তানকে সম্মান করা, প্রহার না করা। জেনে রাখুন! কোনো ব্যক্তি যদি ঐ সন্তানকে ইয়া মুহম্মদ বলে সম্বোধন করতে এবং তাকে প্রহার করতে লজ্জা বোধ করে তাহলে সে অবশ্যই নাজাত লাভ করবে। সুবহানা বাকি অংশ পড়ুন...
এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যে মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন, সেখানে কিন্তু কখনোই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নাম মুবারক ধরে সম্বোধন করেননি। উনারা এভাবে বর্ণনা করেছেন-
(১)قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
(২)قَالَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
(৩)سَـمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَـقُوْلُ
(৪)سَـمِعْتُ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَـقُوْلُ
উনারা কিন্তু বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কখনোই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حضرت جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ رضى الله تعالى عنه قَالَ قَالَ حضرت عُمَرُ عليه السلام لحضرت أَبِي بَكْرٍ عليه السلام يَا خَيْرَ النَّاسِ بَعْدَ رَسُولِ اللهِ فَقَالَ حضرت أَبُو بَكْرٍ عليه السلام أَمَا إِنَّكَ إِنْ قُلْتَ ذَاكَ فَلَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ مَا طَلَعَتِ الشَّمْسُ عَلَى رَجُلٍ خَيْرٍ مِنْ حضرت عُمَرَ عليه السلام
অর্থ: “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একবার) সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানের নীতি নির্ধারণী পরিষদের সদস্য সন্ত্রাসী ড্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘আমরা আপনাকে ‘মাঠে’ পরাজিত করেছি; তাই কখনো ভাববেন না যে আপনি কূটনীতিতে বিজয়ী হবেন।’
পার্সটুডে জানিয়েছে, ইরানের নীতি নির্ধারণী পরিষদের সদস্য আলী আকবর বেলায়েতি এক বার্তায় লিখেছেন, ড্রাম্প বলেছে ‘ইরান আর হাসবে না এবং যুদ্ধবিরতিতে তারা খুশি’।
কিন্তু ড্রাম্প, ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি, মার্কিন সৈন্যদের ব্যাপক হতাহতের সংখ্যা গোপন করার বিষয়ে পেন্টাগনের মিথ্যাচারেও বিশ্বাস করেছে।
বেলায়েতি জোর দিয়ে বলেন- “কখনো বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৭৩)
أن طاعة الله وطاعة رسوله واجبة قطعا، وعندنا أن طاعة أهل الإجماع واجبة قطعا، وأما طاعة الأمراء والسلاطين فغير واجبة قطعا، بل الأكثر أنها تكون محرمة لأنهم لا يأمرون إلا بالظلم.
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আনুগত্য করা ওয়াজিব অর্থাৎ ফরযে আইন। আমাদের মতে ইজমাকারীগণ উনাদেরকে অনুসরণ করা ওয়াজিব। কিন্তু আমির ও সুলতানদেরকে অনুসরণ করা ওয়াজিব নয়। বরং অধিকাংশগণের মতে, তাদেরকে অনুসরণ করা হারাম, কেননা তারা সাধারণত: যুলুমেরই হুকুম দিয়ে থাকে।
(৩৭৪)
المسألة الرابعة: اعلم أن قوله: فَإِنْ تَنازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللهِ وَالرَّسُولِ يدل عندنا على أن বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৬৭)
المسألة الثانية: اعلم أن هذه الآية آية شريفة مشتملة على أكثر علم أصول الفقه، وذلك لأن الفقهاء زعموا أن أصول الشريعة أربع: الكتاب والسنة والإجماع والقياس، وهذه الآية مشتملة على تقرير هذه الأصول الأربعة بهذا الترتيب.
অর্থ: দ্বিতীয় মাসয়ালা: জেনে রাখুন! নিশ্চয়ই অত্র মহাপবিত্র আয়াত শরীফ খানা উছূলুল্ ফিক্হ ইল্মের সংশ্লিষ্ট উৎস। যেহেতু সকল ফুকাহা কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা মনে করেন নিশ্চয়ই মহাসম্মানিত শরীয়ত উনার উছূল হলো চারখানা। কিতাবুল্লাহ তথা মহাপবিত্র কুরআন মাজীদ, মহাপবিত্র সুন্নাহ তথা হাদীছ শরীফ, মহাপবিত্র ইজমাউল উম্মাহ ও মহাপবিত্র ছহীহ কিয়াস। অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৩১)
"وَإِذا قِيلَ لَهُمْ" يعنى الـمنافقين فى قول مقاتل وغيره."امِنُوا كَما آمَنَ النَّاسُ" اى صدقوا بمحمد صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وشرعه كما صدق الـمهاجرون والمحققون من اهل يثرب.
অর্থ: (যখন তাদেরকে বলা হয়) হযরত মুক্বাতিল রহমতুল্লাহি আলাইহি ও অপরাপর অনেকের মতে, যখন মুনাফিকদেরকে বলা হয় (তোমরা পবিত্র ঈমান আনো, যেরকম অন্যান্য ব্যক্তিত্ব পবিত্র ঈমান এনেছেন) অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ও উনার আনিত সম্মানিত শরীয়ত উনার প্রতি তারা যেন বিশ্বাস স্থাপন করে যেরকম পবিত্র ঈমান পবিত্র মক্কা শরীফ-পবিত্র মদীনা শরীফবাসী হযরত মুহাজির বাকি অংশ পড়ুন...
(৩২৫)
{صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمْتَ عَلَيْهِمْ} همُ الأنبياءُ وأهلُ طاعةِ الله تعالى. (تفسير القرآن العظيم المنسوب للإمام الطبراني سورة الفاتحة رقم الاية المجيد ۶ المؤلف: العلامة المفسر المحدث أبو القاسم سليمان بن أحمد بن أيوب بن مطير اللخمي الشامي الطبراني رحمة الله عليه)
অর্থ: (এমন পথ যে পথের পথিক উনাদেরকে আপনি নিয়ামত দিয়েছেন) উনারা হলেন হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম এবং মহান আল্লাহ তায়ালা উনার অনুগত ব্যক্তিত্ব অর্থাৎ ইমাম, মুজতাহিদ, ওলীআল্লাহ ও নেককার-পরহেযগার রহমতুল্লাহি আলাইহিম। (তাফসীরুল কুরআনিল আযীম আল মানছূব লিল ইমাম ত্ববারানী, সূরা ফাতিহা শরীফ: আয়াত শরীফ: ৬, লেখক আল্লামা মুফাসসির, মুহাদ্দিছ আবুল কাসি বাকি অংশ পড়ুন...












