SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আলাইহিস-সালাম%' OR titleBn LIKE '%আলাইহিস-সালাম%' OR descriptionEn LIKE '%আলাইহিস-সালাম%' OR descriptionBn LIKE '%আলাইহিস-সালাম%' OR slug LIKE '%আলাইহিস-সালাম%' OR metaTag LIKE '%আলাইহিস-সালাম%' OR metaDescription LIKE '%আলাইহিস-সালাম%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
মুক্তিযোদ্ধারা প্রায়ই আক্ষেপ করে বলেন, “এমন দেশ কী আমরা চেয়েছিলাম?” তাদের এই আহাজারিতে, দেশের দুর্নীতি, মানবাধিকার হরণ, বিধ্বংসী অর্থনীতি, এসব বিষয় প্রতিফলিত। কিন্তু রাষ্ট্রের শাসক, নীতিনির্ধারক, রাষ্ট্রযন্ত্র বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِيْ لَهْوَ الْحَدِيْثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَّيَتَّخِذَهَا هُزُوًا ۚ أُولٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُّهِيْنٌ.
অর্থ: “লোকদের মধ্যে কিছু এরূপ আছে যে, “লাহওয়াল হাদীছ” বা সঙ্গীত বা গান-বাজনা করে, এ কারণে যে, (লোকদেরকে) বিনা ইলিমে মহান আল্লাহ পাক উনার পথ হতে সরিয়ে দেয় এবং তা হাসি-ঠাট্টারূপে ব্যবহার করে। তাদের জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।” (পবিত্র সূরা লুক্বমান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৬)
অনুসরণীয় হযরত মুফাসসিরীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় “গান-বা বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে মুরীদ বা সালিকের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু আদব বর্ণনা করা হলো। বাকী আরো অনেক কিছু রয়েছে যা শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারক উনার মাঝে এসে শিখে নিতে হবে।
১১। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট কখনোই কারামত দেখতে চাইবে না।
১২। মুরীদের মনে কোনো সন্দেহের উদ্রেক হলে শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট আরয করবে। তিনি বুঝিয়ে দিলে যদি মন না বুঝে, তবে নিজেরই ত্রুটি মনে করবে। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রতি কোনো সন্দেহ পোষণ করবে না।
১৩। কোনো ঘটনা বা স্বপ্ন প্রকাশ বাকি অংশ পড়ুন...
يَوْمَ الْأَضْحَى وَيَوْمَ الْفِطْرِ
একটা হচ্ছে কুরবানীর দিন আরেকটা হচ্ছে ফিতরের দিন বা ইফতারির দিন। সেখানে কিন্তু ঈদ বলা হয়নি। এই দু’দিন তোমাদের জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়া হলো। এখন এই দু’দিন নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। কে নির্দিষ্ট করে দিলেন? আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এখন এটা হিজরতের পরে রোযার ঈদ এবং কুরবানীর ঈদ সাব্যস্ত হয়েছে, নির্দিষ্ট হয়েছে। এবং এ হাদীছ শরীফের দ্বারাই মূল বিষয়টা সাব্যস্ত হয়েছে। কিন্তু এর পক্ষে কুরআন শরীফের আয়াত শরীফও দলীল দেয়া হয়ে থাকে, ইমাম-মুজতাহিদ যারা অতীত হয়েছেন, উনারাও দলী বাকি অংশ পড়ুন...
কিন্তু উনার অজুদ মুবারক বা যেটা মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অস্তিত্ব মুবারক, সেটা উপলক্ষে যে মজলিস করা হয়ে থাকে, মাহফিল করা হয়ে থাকে সেটা হচ্ছে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন উপলক্ষে খুশি মুবারক প্রকাশ করে যে মাহফিলের ব্যবস্থা করা হয় সেটাই ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সেটা সীরাতুন্ নবী বা অন্য কোন নাম দেয়া কখনও শুদ্ধ হবে না। কারণ সেটা দিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূ বাকি অংশ পড়ুন...












