ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ তথা পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয (৮)
, ২১ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৬ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৫ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ২১ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
কাজেই, রোযার ঈদের এক তারতীব রয়েছে, কুরবানীর ঈদের আরেক তারতীব। তাহলে দেখা যাচ্ছে, সব ঈদের তারতীব এক রকম নয়। একেক ঈদের তারতীব একেক রকম হয়েছে। এখন রোযার ঈদ, কুরবানীর ঈদ মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ঘোষণা করলেন, খুশীর দিন হিসেবে। এটা উম্মতে মুহম্মদীর জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়া হলো, সেই দু’দিনের পরিবর্তে।
এখন যারা বলে থাকে যে, “শরীয়তে বা ইসলামে দু’টা ঈদ রয়েছে, তৃতীয় কোন ঈদ নেই- তাদের এই কথাটা মারাত্মক আপত্তিজনক এবং কুফরীমূলক। এই জন্য কুফরীমূলক যে, যারা বলে থাকে, “শরীয়তে দু’ঈদ ব্যতীত কোন ঈদ নেই- এটা কুরআন শরীফ এবং হাদীছ শরীফের খিলাফ হয়ে যাচ্ছে। কুরআন শরীফের এবং হাদীছ শরীফের খিলাফ বলার অর্থ হচ্ছে কুফরী করা। মহান আল্লাহ পাক উনাকে অস্বীকার করা। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অস্বীকার করা। যদি কেউ সেটা করে সে কস্মিনকালেও ঈমানদার থাকতে পারবে না। কাট্টা কাফির, চির জাহান্নামী সে হয়ে যাবে।
এখন আমরা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফের দিকে যদি লক্ষ্য করি, তাহলে জানবো ও বুঝবো- শরীয়তে বা ইসলামে অর্থাৎ কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসে দু’ঈদ ব্যতীত আরো কোন ঈদের কথা কি বলা হয়েছে? তাহলে সেটা তাহক্বীক্ব করতে হবে। বিনা তাহক্বীক্বে তো কোন কথা বলা যাবে না। কেননা হাদীছ শরীফে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন-
مَنْ سُئِلَ عَنْ عِلْمٍ عَلِمَهُ ثُمَّ كَتَمَهُ أُلْجِمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِلِجَامٍ مِّنْ نَّارٍ.
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ سُئِلَ عَنْ عِلْمٍ عَلِمَهُ ثُمَّ كَتَمَهُ
“যদি কেউ আলিম হন, যার ইলিম রয়েছে, জানা রয়েছে, তাঁকে যদি কোন প্রশ্ন করা হয়, জানা থাকা সত্বেও যদি তিনি চুপিয়ে রাখেন, সঠিক ফতওয়া তিনি না দেন, সঠিক মাসয়ালাটা না বলেন”তাহলে কি হবে?
أُلْجِمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِلِجَامٍ مِّنْ نَّارٍ
“ক্বিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ পাক তিনি তার গলায় আগুনের বেড়ি পরিয়ে দিবেন।”
অন্য হাদীছ শরীফে রয়েছে, “তার জিব মহান আল্লাহ পাক তিনি কেটে দিবেন।” নাউযুবিল্লাহ!
এটা হচ্ছে, কারো জানা থাকার পরেও সে যদি বিশুদ্ধ ফতওয়াটা চুপিয়ে রাখে তাহলে তার এ কঠিন অবস্থা হবে।
আর যদি কারো জানা না থাকে, তারপরেও সে যদি ফতওয়া দেয় তাহলে তো সে মারাত্মক ধোঁকা দিলো ও মিথ্যার আশ্রয় নিলো। প্রকৃতপক্ষে ফতওয়া দেয়ার সে উপযুক্তই নয়।
কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
“তোমরা যারা জানোনা যারা আহলে যিকির রয়েছেন, তাদেরকে জিজ্ঞাসা করো।”
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বেপর্দা হওয়া লা’নত ও হালাকীর কারণ
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বেপর্দা হওয়া লা’নত ও হালাকীর কারণ
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আরব দেশ থেকে ইহুদী-নাছারা তথা সমস্ত কাফির-মুশরিকদেরকে বের করে দেয়ার ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারী
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য সমস্ত প্রকার অশ্লীলতাই হারাম
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশে দেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসমূহের পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী কার্যক্রমের ইতিহাস (১৫তম পর্ব)
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মুহব্বত ঈমান, আর উনাদের সমালোচনা করা লা’নতগ্রস্ত হওয়ার কারণ
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দায়িমীভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












