ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ তথা পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয (৫)
, ১৮ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৩ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ০২ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ১৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
يَوْمَ الْأَضْحَى وَيَوْمَ الْفِطْرِ
একটা হচ্ছে কুরবানীর দিন আরেকটা হচ্ছে ফিতরের দিন বা ইফতারির দিন। সেখানে কিন্তু ঈদ বলা হয়নি। এই দু’দিন তোমাদের জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়া হলো। এখন এই দু’দিন নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। কে নির্দিষ্ট করে দিলেন? আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এখন এটা হিজরতের পরে রোযার ঈদ এবং কুরবানীর ঈদ সাব্যস্ত হয়েছে, নির্দিষ্ট হয়েছে। এবং এ হাদীছ শরীফের দ্বারাই মূল বিষয়টা সাব্যস্ত হয়েছে। কিন্তু এর পক্ষে কুরআন শরীফের আয়াত শরীফও দলীল দেয়া হয়ে থাকে, ইমাম-মুজতাহিদ যারা অতীত হয়েছেন, উনারাও দলীল পেশ করেছেন। যেমন, রোযার ঈদের দলীল উনারা পেশ করেছেন, “সূরা আ’লা শরীফ উনার আয়াত শরীফে-
قَدْ أَفْلَحَ مَنْ تَزَكَّىٰ وَذَكَرَ اسْمَ رَبِّهِ فَصَلَّىٰ
মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
قَدْ أَفْلَحَ مَنْ تَزَكَّىٰ
“ঐ ব্যক্তি কামীয়াবি হাছিল করেছে, যে নিজেকে ইছলাহ করেছে।”
وَذَكَرَ اسْمَ رَبِّهِ فَصَلَّىٰ
“এবং মহান আল্লাহ পাক উনার যে যিকির করেছে বা স্মরণ করেছে, অতঃপর নামায পড়েছে।”
এ আয়াত শরীফ দলীল দেয়া হয়ে থাকে يَوْمَ الْفِطْرِ রোযার ঈদের ও রোযার ঈদের নামাযের দলীল হচ্ছে এই আয়াত শরীফ।
অথচ এ আয়াত শরীফখানা নাযিল হয়েছে কবে? মক্কা শরীফে। তবে তারতীবের দিক থেকে অর্থাৎ নুযূলের তারতীবের দিক থেকে ‘সূরা আ’লা’ হচ্ছে অষ্টম। আট নম্বর যে সূরা শরীফ নাযিল হয়েছে মক্কা শরীফে সেটা হচ্ছে সূরা আ’লা শরীফ। এই সূরা শরীফের মধ্যে বলা হয়েছে, মক্কা শরীফেই, “ঐ ব্যক্তি কামীয়াবি হাছিল করেছে যে নিজেকে ইছলাহ করেছে। আর মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেছে এবং নামায আদায় করেছে।”
এটা নাযিল হয়েছে মক্কা শরীফে, কিন্তু হুকুমটা জারি করা হলো মদীনা শরীফে। কে জারি করলেন? আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। ঠিক একইভাবে আমরা দেখতে পাই, কুরবানীর ঈদ এটাতো শুরু হয়েছে মদীনা শরীফ থেকে। কিন্তু এর দলীল দেয়া হচ্ছে, ইমাম-মুজতাহিদ যারা দলীল দিয়েছেন, “সূরা কাওছার শরীফ উনার আয়াত শরীফে فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ “নামায পড়–ন এবং রব তায়ালা উনার জন্য কুরবানী করুন।”
এখন সূরা কাওছার শরীফ। এই সূরা কাওছার শরীফও মক্কা শরীফেই নাযিল হয়েছে। নুযূলের তারতীবের দিক থেকে এটা হচ্ছে পনের নম্বর। এটা হচ্ছে পনের নম্বর নুযূলের তারতীবের দিক থেকে। এটাও মক্কা শরীফে নাযিল হয়েছে, কিন্তু হুকুম জারি হয়নি। মদীনা শরীফে যাওয়ার পর হুকুমটা জারি করা হলো।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
দেশে দেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসমূহের পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী কার্যক্রমের ইতিহাস (১৪তম পর্ব)
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পাঁচ তরীক্বার শাজরা শরীফ (১)
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পর্দা পালন করা নারী-পুরুষ সকলের জন্যই শান্তি ও পবিত্রতা হাছিলের কারণ
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র “মাক্বামে মাহমূদ” উনার বেমেছাল তাফসীর বিষয়ে খারেজী জাহমিয়া ফিরকার মুখোশ উম্মোচন (৬)
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা জায়েয নেই
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (১০)
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা কবীরা গুনাহ ও অসন্তুষ্টির কারণ
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সত্যের মাপকাঠি
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্রতা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল (২)
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
যে নিজে পর্দা করে না ও অধীনস্থদের পর্দা করায় না সে দাইয়ূছ
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












