রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, যিকরানে ক্বিবলায়ে জামীয়ে আহলিল ইসলাম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি ব বাকি অংশ পড়ুন...
এক খ্রিষ্টান পাদরি:
অন্তর প্রশান্তকারী এই ঘটনার খবর গিয়ে পৌঁছলো খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিকট। শুনে তিনি এতটাই আনন্দিত হলেন যে, কখনও এতটা আনন্দিত হননি কোনো অভিযানে বিজয় বা গনিমত অর্জনের পর! তিনি আনন্দের বহিঃপ্রকাশ করতে গিয়ে বললেন, ‘এখন ইসলাম সম্মানিত হলো।’ ইসলামের স্বকীয়তা বজায় রইলো! কতগুলো ছোট্ট শিশু তাদের মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীকর কথা শুনলো, অতঃপর রেগে উঠলো এবং বিজয় লাভ করলো। এরপর সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কাগজ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আধুনিক সভ্যতার বিকাশে যার ভূমিকা অপরিসীম। আর মুসলমানদের হাতেই সূচনা হয় আধুনিক কাগজশিল্পের।
ইতিহাসমতে, বাগদাদে কাগজ উৎপাদন শুরু হলে তা সর্বসাধারণের নাগালে আসে এবং কাগজের বহুল ব্যবহার শুরু হয়। মুসলমানরাই আফ্রিকা ও ইউরোপ মহাদেশের মানুষকে কাগজের ব্যবহার শিখিয়েছে।
আব্বাসীয় শাসক আল-মানসুর সর্বপ্রথম সালতানাতের সব কাজে কাগজ ব্যবহারের নির্দেশ দেন। বাদশাহ হারুনুর রশিদের সময় ৭৯৪ সালে বাগদাদে মতান্তরে সমরকান্দে মুসলমান বিশ্বের প্রথম কাগজের কল প্রতিষ্ঠিত হয়। হারুনুর রশিদ তার প্ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান রুশ ফেডারেশনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ‘তাতারস্তান’-এর পূর্ব নাম বুলগার বা ভলগা বুলগেরিয়া। খ্রিস্টাব্দ সপ্তম শতকে ভলগা ও কামা নদীর অববাহিকা বুলগার রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। তবে রাষ্ট্রটি গঠন হওয়ার পরই ইহুদী কাজারদের সঙ্গে অবিরাম সংঘাতসহ দীর্ঘ সংকট ও যুদ্ধের ভেতর দিয়ে যায় রাষ্ট্রটি। অবশেষে খ্রিস্টাব্দ ৯২২ সালে আব্বাসীয় শাসক মুকতাদিরের সাহায্যে দেশটির অবস্থা স্থিতিশীল হয় এবং এ সময় দেশটির জনসাধারণও দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন। বুলগাররা মূলত তুর্কি বংশোদ্ভূত। তবে তারা নিজেদের বুলগার বলতেই পছন্দ করে।
ভলগাপারে সম্মানিত দ্বী বাকি অংশ পড়ুন...
নিরাপত্তা বিভাগ ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
মুসলমান সালতানাতগুলোতে নিরাপত্তা প্রধানের নানাবিধ দায়িত্ব ছিলো। বিজিত সকল অঞ্চলগুলোতে শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা; সামাজিক বিধিনিষেধ রক্ষা করার জন্য উনারা নানা কৌশল ও পদ্ধতি অবলম্বন করতে বাকি অংশ পড়ুন...
ইউরোপের বুকে সম্মানিত ইসলামের পদচিহ্নের কথা বললেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে স্পেনের আন্দালুস কিংবা উসমানীয় সাম্রাজ্যের বলকান বিজয়ের ছবি। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় প্রায়ই অনালোচিত থেকে যায় ভূমধ্যসাগরের তীরে ইতালির দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত সিসিলি দ্বীপের কথা।
দীর্ঘ ২০০ বছরের বেশি সময় এই দ্বীপ মুসলিম শাসনের অধীন ছিলো, যা কেবল সামরিক বিজয় নয়, বরং জ্ঞানবিজ্ঞান ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিলো।
সিসিলি বিজয়ের সূচনা:
সিসিলি বিজয়ের ইতিহাস শুরু হয় উত্তর আফ্রিকার আঘলাবি রাজবংশের হাত ধরে। আব্বাসীয় খলীফা হারুনুর রশিদের সময় ইব্র বাকি অংশ পড়ুন...
নিরাপত্তা বিভাগ ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
.........................
উমাইয়া এবং আব্বাসীয় শাসনামলে নিরাপত্তা প্রধানের দায়িত্ব ও ক্ষমতা সম্প্রসারিত হয়। এদিকে ইঙ্গিত করেই ইবনে খালদুন বলেছেন, বাগদাদের আব্বাসীয় শাসনামলে, আল আন্দালুসে উমাইয়া শাসনামলে এবং মিশর ও মরক্কোয় মুসলমান শাসনের সময় অপরাধ তদন্ত করা এবং দ- প্রয় বাকি অংশ পড়ুন...
পুলিশ প্রশাসন ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। পুলিশ প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে খিলাফত বা সালতানাতের আইন বিভাগের বিচারিক নির্দেশগুলো যথাযথভাবে কার্যকর করবেন। মানুষের জান-মাল, ইজ্জত-আবরুর হেফাজত করবেন।
আধুনিক বিশ্বে যে পুলিশ ব্যবস্থার বিন্যাস এবং কাঠামো অনুসরণ করা হয় তা মূলত সম্মানিত দ্বীন ইসলাম থেকেই বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘তোমরা জ্ঞান লাভ করো, যদি তা চীন দেশেও থেকে থাকে।’ সাধারণত, এখানে চীন অর্থ দূরবর্তী স্থানকে বোঝানো হয়েছে। যেহেতু আরব দেশ থেকে পূর্ব দিগন্তে বহুদূরে অবস্থিত চীন দেশ, তাই জ্ঞানলাভের জন্য চীনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
চীনে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম প্রচারের ইতিহাস অত্যন্ত সুপ্রাচীন। চীনা ভাষায় সে দেশে দ্বীন ইসলাম উনার আগমন সম্পর্কিত যেসব তথ্যসূত্র পাওয়া যায় তা থেকে জানা যায়, ৬২২ সালের কাছাকাছি কোনো একটা সময়ে (হিজরী ৩য় সনে) চীন উপকূলে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উন বাকি অংশ পড়ুন...
জীবন এবং কৃষিকাজের জন্য অপরিহার্য একটি উপাদান হলো পানি। যে অঞ্চলে এর ব্যবস্থপনা যত উন্নত হবে, সেখানকার কৃষি ও জীবনযাত্রায়ও এর সুফল পরিলক্ষিত হবে। তাই মুসলমান আবিষ্কারকরা এই অঙ্গনেও ব্যাপক গবেষণা চালিয়েছেন।
মুসলমানরা সেচব্যবস্থা প্রযুক্তির ক্রমোন্নতিতে অনেক কাজ করেছে। একাদশ শতাব্দীর পারস্য গণিতবিদ এবং প্রকৌশলী মুহম্মদ আল-কারাজি ‘গুপ্ত পানির উৎস’ খোঁজা নিয়েও কথা বলেছিলেন। তিনি এ সময় পানির উৎস খোঁজার কৌশল, পানি আহরণের কৌশল এবং এসব কাজে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্র আবিষ্কার করেছিলেন। পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে উবে যাওয়া র বাকি অংশ পড়ুন...
নাম মুবারক ও বংশ পরিচয়:
ইসলামি জাহানের এক অভিনব জ্ঞানসমুদ্রের নাম-আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি। মূল নাম- আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ। উপনাম- আবুল ফদ্বল এবং উপাধি- জালালুদ্দীন। তিনি হিজরী দশম শতাব্দীর মহান মুজাদ্দিদ। তিনি ছিলেন হাফিজুল হাদীছ। তিনি আরব-অনারবে শাইখুল ইসলাম বলেও সমাধিত মূল্যায়িত।
উনার বংশীয় ধারা- আবদুর রহমান ইবনু আবু বকর কামাল উদ্দিন ইবনু নাসির উদ্দিন মুহাম্মদ ইবনু আবু বকর সাবেকুদ্দিন ইবনু ফখর ইবনু উসমান ইবনু নাযিররুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনু সাইফুদ্দিন খাদ্বর ইবনু নজমুদ্দিন আবুস সালাহ আইয়ুব ইবনু বাকি অংশ পড়ুন...












