মন্তব্য কলাম
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের সংস্কৃতি যে অমুসলিমের উপলব্ধির কাছে নিরাপদ নয় তারই প্রমাণ দিলো বর্তমান সংস্কৃতি মন্ত্রী। অমঙ্গল যাত্রাসহ বিভিন্ন কাট্টা হারাম সংস্কৃতি চালুর উৎসাহে যে বিভোর। ইসলামী পর্যবেক্ষকমহল ও সংবাদ মাধ্যম তাকে আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক এজেন্ডার ধারাবাহিকতা পালনকারী হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
তার এ বক্তব্য এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকা- দেখে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীর কাছে তার প্রতীয়মান হচ্ছে, তার চিন্তাধারা আওয়ামী এবং ভারতীয় চেতনা দ্বারা বিশেষভাবে প্রভাবিত।
মুসলিম জনতা তার অপসারন চায়।
অমুসলিম সংস্কৃতিমন্ত্রীর ইসলাম বিরোধী পদক্ষেপ খুব অল্পদিনেই অনেক বেশী জাহির হয়ে গেলো। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গান বাজনার শিক্ষক, চারুকলার শিক্ষক নিয়োগে ৪র্থ শ্রেণী থেকে খেলাধুলা বাধ্য করার ঘোষণা। এদেশে ভারতীয় শিল্পীদের মত শিল্পী গড়ে তোলার ইচ্ছা প্রকাশ।
সংস্কৃতিমন্ত্রীর ভাষায় প্রগতিশীল ও জীবনমুখী সংস্কৃতি বিকাশে বাউল গান, লোকসংগীত, যাত্রা ও নাটকের মতো কুফরী কাজ যা ইসলামে কাট্টা হারাম তা পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিবে সে।
গত ৩১শে মার্চ এ বছর, বিগত বছরে বিদায়কৃত অমঙ্গল যাত্রার পূণঃবহাল করার বার্তা দিয়েছে সে।
ইসলামী পর্যবেক্ষকমহল ও সংবাদ মাধ্যম তাকে আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক এজেন্ডার ধারাবাহিকতা পালনকারী হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই পেশায় আইনজীবী হলেও ৯৮ শতাংশ জনগোষ্ঠী মুসলমানের দেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছে। তার উপরোক্ত বক্তব্য এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকা- দেখে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীর কাছে তার প্রতীয়মান হচ্ছে, তার চিন্তাধারা আওয়ামী এবং ভারতীয় চেতনা দ্বারা বিশেষভাবে প্রভাবিত।
দৈনিক আল ইহসান শরীফের অনুসন্ধানে জানা গেছে, সংস্কৃতিমন্ত্রীর এ ‘অমঙ্গল যাত্রা’প্রেমী অবস্থান কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়। গত ৯ মার্চ সচিবালয়ে ভারতের হাইকমিশনার ভার্মার সঙ্গে মন্ত্রী নিতাই এবং প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের ‘সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ ও ‘গভীর সম্পর্কের’ দোহাই দিয়ে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আরো সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হয়। নিতাই ভারতের আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের সাংস্কৃতিক মিলের কথা উল্লেখ করে যৌথ উদ্যোগের ব্যাপক প্রসারের প্রতিশ্রুতি দেয়।
পহেলা বৈশাখ উদযাপন, লালন শাহের সংগীতধারা এবং থিয়েটার ও প্রতœতাত্ত্বিক গবেষণায় ভারতের সঙ্গে নিবিড় সহযোগিতার যে নীলনকশা সেখানে আঁকা হয়েছে, বর্তমানের ‘অমঙ্গল যাত্রা’র বিতর্ক এবং ভারতীয় গায়িকা আনার ঘোষণা তারই বাস্তব রূপায়ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
আশ্চর্যের বিষয়, বাংলাদেশ সরকার ভারতের সঙ্গে সাংস্কৃতিক মিল খুঁজে বেড়ানোর জন্য বেশি আগ্রহ দেখালেও ভারতের তরফ থেকে মুসলমানের সংস্কৃতিকে কখনো বাঙালি সংস্কৃতির অংশ হিসেবে স্বীকার করা হয় না। বরং আসামে বাংলা ভাষাভাষী মুসলমান জনগোষ্ঠীর ওপর অকথ্য নিপীড়ন চালানো হচ্ছে। আসন্ন বিশেষ নির্বাচন ঘিরে পশ্চিমবঙ্গেও মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা ব্যাপকভাবে বাড়ছে।
পহেলা বৈশাখের নামে চারুকলাকেন্দ্রিক যে যাত্রার আয়োজন করা হয়, তা মূলত হিন্দুত্ববাদী মুসলমানের কাছে সাংস্কৃতিক আধিপত্যবাদের ফসল। ১৯৯৬ সালে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে এর নাম পরিবর্তন করে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ রাখা হয়, যা সরাসরি একটি বিশেষ ধর্মের আচার ও বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ইউনেস্কোর স্বীকৃতির দোহাই দিয়ে পৌত্তলিক সংস্কৃতিকে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা একটি গভীর ষড়যন্ত্র। বর্তমান সংস্কৃতিমন্ত্রীর মঙ্গল যাত্রায় ফেরার ঘোষণা প্রমাণ করে, রাষ্ট্রব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের দাবি উঠলেও সংস্কৃতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে এখনো ভারতপন্থি সন্ত্রাসী হিন্দুত্ববাদ চেতনার লালন চলছে। নানারকম বিজাতীয় প্রতীকের মাধ্যমে জাতীয় ঐতিহ্যকে কলুষিত করার এ প্রক্রিয়া মূলত বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
কথিত ইসলামী বুদ্ধিজীবি, ডানপন্থী সংবাদ মাধ্যম এবং নামধারী ইসলামিক দলগুলো আম প্রতিবাদ করেছে বটে।
তারা মন্তব্য করেছে, “সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্যই ‘আনন্দ যাত্রা’-কে ‘মঙ্গল যাত্রা’ হিসেবে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশে মূর্তি সাজিয়ে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামে করতে হবে কেন? এটা ভারতীয় বয়ান। মঙ্গল যাত্রায় মূর্তি নিয়ে অংশ নেওয়া স্পষ্ট শিরক। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশে এটা কেন চাপাবে?”
কথিত ইসলামী রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন এবং ইনকিলাবী মিডিয়ার চাওয়া পাওয়া- এটাই যে-
বর্ষবরণ হোক, পহেলা বৈশাখ পালন হোক এবং খুব ভালোভাবে হোক তবে মঙ্গল যাত্রা আর মূর্তি না থাকুক।
শুধু তাই নয়- পহেলা বৈশাখকে তারা ইসলামী অনুষঙ্গ এবং আকবরের মুসলমানী কৃতিত্ব বলে মনে করে।
অথচ বৎসরের প্রথম দিন বা পহেলা বৈশাখ পালনই যে সম্পূর্ণ হারাম এবং আকবর যে ইসলাম বিরোধী দ্বীন-ই-ইলাহীর আলোকে পহেলা বৈশাখ চালু করেছে, সে ইতিহাস এবং শরয়ী ফায়সালা তাদের কিছুই জানা নেই।
মূলত: হিজরী সন বাদ দিতেই আকবর পহেলা বৈশাখ তথা ফসলী সন চালু করেছিলো।
১৩১৮ ফসলি সনে প্রকাশিত ‘বারভূঁইয়া’ গ্রন্থে লেখা হয়েছে- ‘আকবর বাদশাহর রাজত্বকালে মুশরিক-বিধর্মী সম্প্রদায় বাদশাহর কাছে জ্ঞাপন করে, আমাদের ধর্মকর্ম সম্পর্কীয় অনুষ্ঠানে হিজরী সন ব্যবহার করতে ইচ্ছা করি না। আপনি আমাদের জন্য পৃথক সন নির্দিষ্ট করে দিন। আকবর মুশরিক-বিধর্মী প্রজার মনোরঞ্জনার্থে হিজরী সন থেকে দশ-এগারো বছর কমিয়ে এলাহি সন নামে একটি সনের প্রচলন করে। যা আমাদের বঙ্গদেশের সন বলে চলে আসছে।
তার ফরমানে সর্বপ্রথম ‘নওরোজের কয়েকদিন’ জাতীয় ছুটি ঘোষিত হয় এবং ভোজ, আনন্দ-উৎসব করার নির্দেশ দেওয়া হয়।” (ইসলামী বিশ্বকোষ, খ- ১৩, পৃষ্ঠা ৬০৯)
হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন- “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মদীনা শরীফে যখন মহাসম্মানিত তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করলেন, তখন তাদের দু’টি দিন ছিল, যেখানে তারা খেলা-ধুলা করত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, এ দু’টি দিন কি? তারা বলল: আমরা এতে জাহিলি যুগে খেলা-ধুলা করতাম। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি তার (এ দুইটি দিনের) পরিবর্তে তার চেয়ে উত্তম দু’টি দিন দিয়েছেন: পবিত্র ঈদুল আদ্বহা ও পবিত্র ঈদুল ফিতর”। (আবূ দাউদ শরীফ ১১৩৪, আহমদ শরীফ: ১৩২১০, হাকিম শরীফ: ১১২৪)
ঐ দু’টি দিন ছিল ‘নওরোজ’ বা নববর্ষ। অর্থাৎ সৌরবর্ষের প্রথম দিন এবং ‘মেহেরজান’ বছরে এইদিন রাত্রি-দিন সমান হয়।
হযরত ইমাম আবূ হাফস কবীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “কোনো ব্যক্তি যদি ৫০ বছর মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত-বন্দেগী করে, তারপর সে নওরোজকে তা’যীম করে সেদিন কোনো মুশরিক বা অন্য কাউকে একটি ডিমও দান করে, তাহলে অবশ্যই সে কুফরী করবে এবং তার জিন্দেগীর সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে যাবে।” (ফতওয়ায়ে শামী ২৯/৩৩৮, তাবঈনুল হাক্বাইক্ব ৬/২৮৮, আল বাহ্রুর রায়েক্ব ২৫/৫ ইত্যাদি)
“কোনো ব্যক্তি নওরোজ বা বছরের প্রথম দিন এমন কিছু খরিদ করলো যা সে পূর্বে খরিদ করতো না, এর মাধ্যমে সে যদি ঐ দিনকে সম্মান করতে চায়, যেমন মুশরিকরা সম্মান করে, তাহলে সে কাফির হয়ে যাবে। ” নাউযুবিল্লাহ! (ফতওয়ায়ে শামী ২৯/৩৩৮, তাবঈনুল হাক্বাইক্ব ৬/২৮৮, আল বাহ্রুর রায়েক্ব ২৫/৫ ইত্যাদি)
পহেলা বৈশাখঃ হিন্দু-বৌদ্ধ-উপজাতীয় পূজার মিশ্রণ, পহেলা বৈশাখে কোন “বাঙালিয়ানা” নেই, বরং এদিন রয়েছে হিন্দু, বৈদ্ধ, চাকমাদের প্রায় অর্ধশত বিভিন্ন পূজার অনুষ্ঠান।
এই সবকিছু মিলিয়েই পহেলা বৈশাখ মূলত একটি বহু শিরক, কুফরি ও বিজাতীয়তা আচারে ভরা একটি দিবস যা কোনোভাবেই ইসলামী সংস্কৃতি বা উম্মতের ঐতিহ্য হতে পারে না। মহান আল্লাহ তা’য়ালা বলেন- অধিকাংশ মানুষ মহান আল্লাহ তায়ালা উনার উপর ঈমান আনা স্বতেও (শিরক) করে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। (পবিত্র সূরা ইউসুফ শরীফ)
প্রখ্যাত ছাহাবী আব্দুল্লাহ বিন আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেছেন, “যে ব্যক্তি (অগ্নিপূজক) পারসিকদের দেশে গমন করে, অতঃপর তাদের নওরোজ (নববর্ষ) ও মেহেরজান (উৎসবের দিবস) পালন করে, আর তাদের সাদৃশ্য অবলম্বন করে এবং এ অবস্থাতেই মারা যায়, তাহলে কেয়ামতের দিন তার হাশর তাদের সাথেই হবে।” [বাইহাক্বী]
এতএব মুসলমানদের জন্য ১লা বৈশাখসহ কোন বৎসর বা সনে ১লা তারিখ পালন করা কাট্টা কুফরী। কাজেই এ কাজ থেকে মুসলমানদের অবশ্যই বিরত থাকতে হবে এবং থাকা ফরয।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সস্তা জনপ্রিয়তার বিপরীতে সস্তা জনরোষের পথেই কী হাটতে চায় সরকার? মাত্র ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার জন্য ওয়াদা খেলাফ করে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আগুনে আরো ঘি ঢালছে সরকার। জনভোগান্তির জুলুম থেকে সরে আসতে হবে সরকারকে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৮)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
১৯৯০ সালে কাঁচা চামড়া রফতানীর নিষিদ্ধ করণের প্রেক্ষাপট বর্তমানে নেই। এ মুহুর্তে কাঁচা চামড়া রফতানীর অনুমোদন বর্তমান সংকটকে অনেকটাই কমাতে পারে।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কুরবানী আসে-যায় মৌসুমী কসাইরা অরক্ষা আর অবহেলাতেই থেকে যায়। তাদের অনেকে আহত হয়, পঙ্গু হয়, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়- মৌসুমী কসাইদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি ঈদুল আদ্বহায় বিশেষ স্বাস্থসেবা চালু করা দরকার।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ ও নমরুদী মশার প্রতিশোধের এক চরম ইহুদী-নাসারায়ী নীলনকশা!
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিদ্যুতের বিল বার বার বাড়ানো শোষক জমিদারি কায়দায় চক্র বৃদ্ধি হারে খাজনার চাবুক মারা অথচ বিদ্যুতে শুধু চুরি নয়, সব দিক থেকে সাগর চুরি হচ্ছে। সে চুরির ক্ষত পোষাতে জনগণের উপর খাজনা বৃদ্ধি করে চোরদের উৎসাহ ও প্রনোদনা এবং নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সে যুগেও হুসাইন আহমদকে ইহুদীদের দালাল, হিন্দুদের কংগ্রেসের পা চাটা- গোলাম প্রচারণা করা হলেও থানভী গংরা তা বুঝতে পারলো কৈ? আজকে পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার মসজিদ ভাঙ্গা ও লাখ লাখ মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ধ্বংস, হিন্দুত্ববাদ গ্রহণে বাধ্য করার মত মহা জুলুমের মূলে হোসেন আহমদের সর্ব ভারতীয় জাতীয়বাদ।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আকাশের অতন্দ্র প্রহরী: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও আবহাওয়া রাডার অবকাঠামোর মহাপরিকল্পনা কেন জরুরি? (১ম পর্ব)
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর ২০২৫) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কিন্তু গতকাল গুগল, ফেইসবুকে অসংখ্য আইডি থেকে প্রচারিত- ‘তারেক রমমান নারিকেল দ্বীপ (সেন্টমার্টিন দ্বীপ) আমেরিকাকে দিয়ে দিয়েছেন নারিকেল দ্বীপ এখন মার্কিন ঘাটি হবে’- ইত্যকার প্রচারণা দেশবাসীকে হতভম্ব করছে। সর্বপোরি সরকারের দলীয় বা প্রশাসনের তরফ থেকে এটাকে গুজব না বলায়- হতাশা চরম আকার ধারণ করেছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বর্বর আম্রিকা আর সন্ত্রাসী ইসরাইলের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কিন্তু মুসলিম দেশ ইয়েমেন থেকে শুরু করে সোমালিয়া-লিবিয়া হতে সুদানে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ চালিয়ে রাখছে আরব-আমিরাত ভয়াবহ মানবেতর সংকটে সুদান, সহিংসতা-রোগ-দুর্ভিক্ষে দিশাহারা মানুষ সুদানের রক্তপাত বন্ধে মুসলিম বিশ্বকে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে এক্ষুনি
২১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে এক শতাংশ ছাড়! এ কেমন কালোচুক্তি? প্রকৃতপক্ষে গোলামীর চুক্তি
২০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












