প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও ত্রিমাত্রিক সার্বভৌমত্ব:
৫০ লক্ষাধিক বাহিনীর জন্য ড্রোন, কাউন্টার-ড্রোন এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের কৌশলগত রোডম্যাপ (পর্ব-১২ : ১ম অংশ)
, ২৬ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৩ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ১২ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ২৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
একবিংশ শতাব্দীর রণকৌশলে প্রথাগত বা কনভেনশনাল সমরাস্ত্রের চেয়ে ইলেকট্রনিক লজিস্টিকস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (অও) এবং ড্রোন প্রযুক্তির গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যেকোনো দেশের ভূ-রাজনৈতিক অখ-তা রক্ষা এবং বিশাল সামরিক বাহিনীর কার্যকারিতা ধরে রাখতে এই প্রযুক্তিগুলোর কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশের বিশাল ভূখ-, সীমান্ত এবং সমুদ্রসীমার সুরক্ষায় নিয়োজিত সম্ভাব্য ৫০ লক্ষাধিক বৃহৎ সমন্বিত প্রতিরক্ষা বহরের জন্য লয়টারিং মিউনিশন মোবাইল বাডার, জ্যামিং সিস্টেম এবং অ্যান্টি-ড্রোন লেজার গানের প্রয়োজনীয়তা এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং সময়ের দাবি।
নিচে এই প্রযুক্তিগত লজিস্টিকসের সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা এবং কেন এই ক্ষেত্রে পশ্চিমা বা অন্যান্য ব্লকের ওপর নির্ভর না করে কেবল তুরস্ক, ইরান এবং পাকিস্তান থেকে এগুলো আমদানি ও কারিগরি সহযোগিতা নেওয়া উচিত, তার একটি বস্তুনিষ্ঠ ও কৌশলগত বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো:
১. লয়টারিং মিউনিশন ও সুইসাইড ড্রোন:
৫০ লক্ষাধিক বিশাল বাহিনীর জন্য প্রথাগত দূরপাল্লার মিসাইল বা ভারী আর্টিলারি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং লজিস্টিক্যালি পরিচালনা করা জটিল।
প্রয়োজনীয়তা: আধুনিক ছায়াযুদ্ধ এবং সীমান্ত সংঘাত মোকাবিলায় প্রয়োজন হাজার হাজার 'লো-কস্ট হাই-ভলিউম' ড্রোন। ঝাঁকে ঝাঁকে চালিত ড্রোন শত্রুর শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্সকে নিমেষেই বিভ্রান্ত ও অচল করে দিতে পারে।
উৎস (তুরস্ক ও ইরান): ড্রোন
প্রযুক্তিতে তুরস্কের বায়রাক্তার (টিবি২, আকিঞ্জি) এবং ইরানের শাহেদ সিরিজ (শাহেদ-১৩৬) বিশে^ নিজেদের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে। তুরস্কের এভিয়েশন আর্কিটেকচার এবং ইরানের সাশ্রয়ী অথচ নিখুঁত সুইসাইড ড্রোনের উৎপাদন কৌশল আমদানি করার মাধ্যমে বাংলাদেশ তার বিশাল বাহিনীর প্রতিটি ইউনিটকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ড্রোন সাপোর্ট দিতে সক্ষম হবে।
২. মোবাইল রাডার ও জ্যামিং সিস্টেম:
শত্রুপক্ষের স্যাটেলাইট গাইডেন্স, কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক এবং আধুনিক ফাইটার জেট বা ড্রোনকে আকাশেই অন্ধ করে দেওয়ার জন্য শক্তিশালী সিগন্যাল জ্যামিং অত্যন্ত জরুরি। ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারে যে এগিয়ে থাকবে, যুদ্ধক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ তারই হাতে থাকবে।
প্রয়োজনীয়তা: বাংলাদেশের কৌশলগত বর্ডার বেল্ট এবং কোস্টাল এরিযা সুরক্ষায় এমন মোবাইল রাডার প্রয়োজন যা শত্রুর জিপিএস সিগন্যালকে ডাইভার্ট করতে পারে এবং নিজস্ব যোগাযোগ অক্ষকে জ্যাম-প্রুফ রাখতে পারে।
উৎস (তুরস্ক, ইরান ও পাকিস্তান):
তুরস্কের জায়ান্ট সামরিক আসেলসান সফটওয়্যার (কোরাল ইলেকট্রনিক ওয়াফেয়ার সিস্টেম) এবং সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্সে ইবানের উন্নত ট্র্যাক রেকর্ড (যেমন মার্কিন ড্রোন হ্যাক করার সক্ষমতা) এক্ষেত্রে প্রধান ভরসা হতে পারে। পাশাপাশি, পাকিস্তানের সামরিক উৎপাদন খাত (যেমন ডেপো ও এনআরটিসি)-এর রাডার ও এনক্রিপ্টেড ফাইবার কমিউনিকেশন প্রযুক্তি আমদানি করলে বাহ্যিক কোনো স্যাটেলাইট ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাহিনীর অবস্থান চিহ্নিত করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
-মুহম্মদ শামসিত তাবরিজ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
তবে কি সাবেক সরকারের অসমাপ্ত ষড়যন্ত্রের সমাপনীর পথেই হাঁটতে চাইছে বর্তমান সরকার?
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলিম দেশগুলোর উচিৎ মক্কা চুক্তিকে আরো বিশুদ্ধ ও বিস্তৃত করা যাতে ভারতের গোস্বা এত বাড়ে যে তাদের গোস্বার অনলেই তারা জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












