SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ওয়ারফেয়ার%' OR titleBn LIKE '%ওয়ারফেয়ার%' OR descriptionEn LIKE '%ওয়ারফেয়ার%' OR descriptionBn LIKE '%ওয়ারফেয়ার%' OR slug LIKE '%ওয়ারফেয়ার%' OR metaTag LIKE '%ওয়ারফেয়ার%' OR metaDescription LIKE '%ওয়ারফেয়ার%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সীমান্তে ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার শুধু নজরদারির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি আগামীতে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের ভিত্তি গড়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, আমরা এগুলো নিজেরাও এখানে অ্যাসেম্বল করছি, বানাচ্ছি এবং ভবিষ্যতে সেটা আমাদের জন্য একটা ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সিলেটে ‘সীমান্ত স্কুল অফ সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’ উদ্বোধন করে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, দুর্গম এবং জনবল দিয়ে সরা বাকি অংশ পড়ুন...
একটি আধুনিক ও বিশাল সামরিক বহরের যুদ্ধের ময়দানে মূল চালিকাশক্তি হলো তার দ্রুত, নিরাপদ এবং নিরবচ্ছিন্ন আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা (ওহঃবৎড়ঢ়বৎধনরষরঃু ্ ঞধপঃরপধষ ঈড়সসঁহরপধঃরড়হ)। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ৫০ লক্ষাধিক সেনাসদস্য, রিজার্ভ ফোর্স এবং কমান্ড সেন্টারের মধ্যে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করতে তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইরানের অত্যাধুনিক ও নিজস্ব প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে পারে। পশ্চিমা প্রযুক্তি-নির্ভরতা কমিয়ে এই তিন দেশের সামরিক প্রযুক্তির সঠিক সমন্বয় কীভাবে আমাদের সি৪আইএসআর ও ডিজিট বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়া ইউক্রেন সংঘাত, কারাবাও যুদ্ধ এবং মধ্যাংচাচোর সাম্প্রতিক সামরিক বাস্তবতা প্রমাণপ করেছে যে একবিংশ শতাব্দীর যুদ্ধক্ষেত্রে প্রয়াগ পদাতিক ও আর্মার্ড ডভিশনের পাশাপাশি আনম্যানড এরিয়াল সিস্টেমস (টঅঝ) বা ড্রোন প্রযুক্তি যুদ্ধ জয়ের অন্যতম প্রধান নিয়ামক। একটি ৫০ লক্ষাধিক সদস্যের সুবিশাল প্রতিরক্ষা কাঠামোর প্রেক্ষিতে প্রথাগত আর্টিলারি বা পদাতিক বাহিনীর মতো ড্রোন যুদ্ধ পরিচালনার জন্য একাধিক বিশেষায়িত এবং স্বতন্ত্র ড্রোন রেজিমেন্ট (উবফরপধঃবফ খঅঠ উৎড়হব জবমরসবহঃ) গড়ে তোলা কেবল সময়োপযোগী নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে অ বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর ভূ-রাজনীতি এবং যুদ্ধকৌশলের দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে যেকোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পুনর্বিন্যাস করা একটি যুগের দাবি। বাংলাদেশের মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানে অবস্থিত একটি দেশের জন্য প্রথাগত সমরাস্ত্রের পাশাপাশি জনবলের সর্বোচ্চ শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই প্রেক্ষাপটে, দেশের সার্বিক প্রতিরক্ষা প্রাচীরকে সুদৃঢ় করতে একটি বিশাল জনসংখ্যাকে- ৫০ লক্ষাধিক সেনাবাহিনীকে সর্বাগ্রে-সংগঠিত করে একটি দক্ষ স্ট্র্যাটেজিক বাহিনী হিসেবে গড়ে বাকি অংশ পড়ুন...
৩. অ্যান্টি-ড্রোন লেজার গান:
শত্রু যখন ঝাঁকে ঝাঁকে সস্তা ড্রোন দিয়ে আক্রমণ করবে তখন দামি এয়ার ডিফেন্স মিসাইল (যেমন পেট্রিয়ট বা এস-৪০০) বাবহার করে প্রতিটি ড্রোন ধ্বংস করা অর্থনৈতিকভাবে আত্মঘাতী।
প্রয়োজনীয়তা: কম খরচে শত্রুর ড্রোন বা লয়টারিং মিউনিশন আকাশেই পুড়িয়ে বা অচল করে দেয়ার জন্য ডাইরেক্টেড-এনার্জি বা লেজার গানের কোনো বিকল্প নেই। এতে প্রতি শটে খরচ হয় নামমাত্র, যা ৫০ লক্ষ বাহিনীর সুরক্ষায় বাজেট সাশ্রয়ী সমাধান দেবে।
উৎস (তুরস্ক) : তুরস্ক ইতোমধ্যে তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে ‘আলকা’ নামক ডাইরেক্টেড-এনার্জি বা লেজার অস্ত্র তৈরি ক বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর রণকৌশলে প্রথাগত বা কনভেনশনাল সমরাস্ত্রের চেয়ে ইলেকট্রনিক লজিস্টিকস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (অও) এবং ড্রোন প্রযুক্তির গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যেকোনো দেশের ভূ-রাজনৈতিক অখ-তা রক্ষা এবং বিশাল সামরিক বাহিনীর কার্যকারিতা ধরে রাখতে এই প্রযুক্তিগুলোর কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশের বিশাল ভূখ-, সীমান্ত এবং সমুদ্রসীমার সুরক্ষায় নিয়োজিত সম্ভাব্য ৫০ লক্ষাধিক বৃহৎ সমন্বিত প্রতিরক্ষা বহরের জন্য লয়টারিং মিউনিশন মোবাইল বাডার, জ্যামিং সিস্টেম এবং অ্যান্টি-ড্রোন লেজার গানের প্রয়োজনীয়তা এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং সময়ের দা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে নৌবাহিনীতে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল ও সাবমেরিন সংযোজন এবং বিমান বাহিনীতে চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ), অ্যাটাক হেলিকপ্টার, মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার।
পাশাপাশি ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে দেশীয় প্রতিরক্ষা শি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সাইবার যুদ্ধ, তথ্যযুদ্ধ উপেক্ষা করার সুযোগ নেই এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টেরসহ (পিজিআর) প্রতিটি বাহিনীকেই আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা জরুরি। একটি বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে সাহস, দক্ষতা, কৌশল এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে পিজিআর’র পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) ঢাকা সেনানিবাসে পিজিআর’র ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকি অংশ পড়ুন...
৫০ লক্ষাধিক বিশাল সমন্বিত সামরিক বহরের জন্য যে আধুনিক, এআই-চালিত এবং ত্রিমাত্রিক ‘সার্ভে ও নজরদারি’ নেটওয়ার্কের প্রয়োজন, তা রাতারাতি শূন্য থেকে গড়ে তোলা কোনো একক রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান, হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সফটওয়্যার আর্কিটেকচার প্রয়োজন। এই বিশাল কারিগরি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ এশিয়ার তিনটি উদীয়মান ও পরীক্ষিত সামরিক-প্রযুক্তি পরাশক্তি-তুরস্ক, ইরান এবং পাকিস্তান-এর কাছ থেকে কৌশলগত কারিগরি সহযোগিতা গ্রহণ করতে পার বাকি অংশ পড়ুন...
সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্রসমূহ বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমা এবং ভূখ-গত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এক অত্যন্ত সংবেদনশীল ও আশঙ্কাজনক বাস্তবতাকে উন্মোচিত করেছে। সিলেট সীমান্ত থেকে মাত্র ১৩০ কিলোমিটার দূরে ভারতের ডিগারু ব্রাহ্মস মিসাইল ফ্যাসিলিটির সাম্প্রতিক আমূল পরিবর্তন এবং সিলেট সীমান্তের ১৫০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ‘মোবাইল অটোনোমাস লঞ্চার’ -এর মোতায়েন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বিগত ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে শুরু করে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ১৫-১৬ মাসে এই স্থাপনার গ্রাউন্ড মডিফিকেশন, নতুন অ্যামু বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক রণকৌশল ও ভূ-রাজনীতিতে সামরিক শক্তির শ্রেষ্ঠত্ব কেবল সৈন্যসংখ্যার ওপর নির্ভর করে না, বরং তা নির্ধারিত হয় প্রযুক্তির উৎকর্ষ এবং অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের নিখুঁত প্রয়োগের মাধ্যমে। যেকোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অখ-তা রক্ষা এবং যেকোনো রূপ বাহ্যিক বা পরোক্ষ চক্রান্ত নস্যাৎ করতে একটি শক্তিশালী, আধুনিক এবং প্রযুক্তিগতভাবে স্বাবলম্বী সশস্ত্র বাহিনী থাকা অপরিহার্য।
বর্তমান বিশ^ সামরিক প্রেক্ষাপট এবং দেশের চারপাশের কৌশলগত নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করে আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে সম্পূর্ণ নতুন স্তরে বাকি অংশ পড়ুন...
২. কাউন্টার-ফোর্স স্ট্রাইক সক্ষমতা ও ডিস্ট্রিবিউটেড লেথালিটি:
শত্রুপক্ষ যেন মনস্তাত্ত্বিক বা সামরিক কোনো সুবিধাই না পায়, সেজন্য বাংলাদেশের নিজস্ব ডিটারেন্স বা প্রতিরোধ ক্ষমতা দৃশ্যমান করতে হবে।
গাইডেড রকেট ও ক্রুজ মিসাইল ইউনিটের বিস্তার:
ডিগারু পানাগড়ের সুনির্দিষ্ট কো-অর্ডিনেট সমূহকে টার্গেট করে বাংলাদেশের নিজস্ব দূরপাল্লার মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম এবং ক্রুজ মিসাইল (যেমন হাতফ বা বাবর শ্রেণীর সমকক্ষ প্রযুক্তি) ইউনিটগুলোকে ফরোয়ার্ড পজিশনে বিন্যস্ত করতে হবে। শত্রুকে এই বার্তা দিতে হবে যে, যেকোনো আগ্রাসনের প্রথম মি বাকি অংশ পড়ুন...












