SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ওয়ারফেয়ার%' OR titleBn LIKE '%ওয়ারফেয়ার%' OR descriptionEn LIKE '%ওয়ারফেয়ার%' OR descriptionBn LIKE '%ওয়ারফেয়ার%' OR slug LIKE '%ওয়ারফেয়ার%' OR metaTag LIKE '%ওয়ারফেয়ার%' OR metaDescription LIKE '%ওয়ারফেয়ার%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
একবিংশ শতাব্দীর রণকৌশলে প্রথাগত বা কনভেনশনাল সমরাস্ত্রের চেয়ে ইলেকট্রনিক লজিস্টিকস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (অও) এবং ড্রোন প্রযুক্তির গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যেকোনো দেশের ভূ-রাজনৈতিক অখ-তা রক্ষা এবং বিশাল সামরিক বাহিনীর কার্যকারিতা ধরে রাখতে এই প্রযুক্তিগুলোর কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশের বিশাল ভূখ-, সীমান্ত এবং সমুদ্রসীমার সুরক্ষায় নিয়োজিত সম্ভাব্য ৫০ লক্ষাধিক বৃহৎ সমন্বিত প্রতিরক্ষা বহরের জন্য লয়টারিং মিউনিশন মোবাইল বাডার, জ্যামিং সিস্টেম এবং অ্যান্টি-ড্রোন লেজার গানের প্রয়োজনীয়তা এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং সময়ের দা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে নৌবাহিনীতে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল ও সাবমেরিন সংযোজন এবং বিমান বাহিনীতে চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ), অ্যাটাক হেলিকপ্টার, মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার।
পাশাপাশি ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে দেশীয় প্রতিরক্ষা শি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সাইবার যুদ্ধ, তথ্যযুদ্ধ উপেক্ষা করার সুযোগ নেই এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টেরসহ (পিজিআর) প্রতিটি বাহিনীকেই আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা জরুরি। একটি বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে সাহস, দক্ষতা, কৌশল এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে পিজিআর’র পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) ঢাকা সেনানিবাসে পিজিআর’র ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকি অংশ পড়ুন...
৫০ লক্ষাধিক বিশাল সমন্বিত সামরিক বহরের জন্য যে আধুনিক, এআই-চালিত এবং ত্রিমাত্রিক ‘সার্ভে ও নজরদারি’ নেটওয়ার্কের প্রয়োজন, তা রাতারাতি শূন্য থেকে গড়ে তোলা কোনো একক রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান, হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সফটওয়্যার আর্কিটেকচার প্রয়োজন। এই বিশাল কারিগরি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ এশিয়ার তিনটি উদীয়মান ও পরীক্ষিত সামরিক-প্রযুক্তি পরাশক্তি-তুরস্ক, ইরান এবং পাকিস্তান-এর কাছ থেকে কৌশলগত কারিগরি সহযোগিতা গ্রহণ করতে পার বাকি অংশ পড়ুন...
সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্রসমূহ বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমা এবং ভূখ-গত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এক অত্যন্ত সংবেদনশীল ও আশঙ্কাজনক বাস্তবতাকে উন্মোচিত করেছে। সিলেট সীমান্ত থেকে মাত্র ১৩০ কিলোমিটার দূরে ভারতের ডিগারু ব্রাহ্মস মিসাইল ফ্যাসিলিটির সাম্প্রতিক আমূল পরিবর্তন এবং সিলেট সীমান্তের ১৫০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ‘মোবাইল অটোনোমাস লঞ্চার’ -এর মোতায়েন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বিগত ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে শুরু করে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ১৫-১৬ মাসে এই স্থাপনার গ্রাউন্ড মডিফিকেশন, নতুন অ্যামু বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক রণকৌশল ও ভূ-রাজনীতিতে সামরিক শক্তির শ্রেষ্ঠত্ব কেবল সৈন্যসংখ্যার ওপর নির্ভর করে না, বরং তা নির্ধারিত হয় প্রযুক্তির উৎকর্ষ এবং অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের নিখুঁত প্রয়োগের মাধ্যমে। যেকোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অখ-তা রক্ষা এবং যেকোনো রূপ বাহ্যিক বা পরোক্ষ চক্রান্ত নস্যাৎ করতে একটি শক্তিশালী, আধুনিক এবং প্রযুক্তিগতভাবে স্বাবলম্বী সশস্ত্র বাহিনী থাকা অপরিহার্য।
বর্তমান বিশ^ সামরিক প্রেক্ষাপট এবং দেশের চারপাশের কৌশলগত নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করে আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে সম্পূর্ণ নতুন স্তরে বাকি অংশ পড়ুন...
২. কাউন্টার-ফোর্স স্ট্রাইক সক্ষমতা ও ডিস্ট্রিবিউটেড লেথালিটি:
শত্রুপক্ষ যেন মনস্তাত্ত্বিক বা সামরিক কোনো সুবিধাই না পায়, সেজন্য বাংলাদেশের নিজস্ব ডিটারেন্স বা প্রতিরোধ ক্ষমতা দৃশ্যমান করতে হবে।
গাইডেড রকেট ও ক্রুজ মিসাইল ইউনিটের বিস্তার:
ডিগারু পানাগড়ের সুনির্দিষ্ট কো-অর্ডিনেট সমূহকে টার্গেট করে বাংলাদেশের নিজস্ব দূরপাল্লার মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম এবং ক্রুজ মিসাইল (যেমন হাতফ বা বাবর শ্রেণীর সমকক্ষ প্রযুক্তি) ইউনিটগুলোকে ফরোয়ার্ড পজিশনে বিন্যস্ত করতে হবে। শত্রুকে এই বার্তা দিতে হবে যে, যেকোনো আগ্রাসনের প্রথম মি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান।
সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরে পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজ পিএনএস তৈমুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশটির নৌবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা কমোডর ওমর ফারুক এই কৌশলগত পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করেন।
কলম্বো-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য মর্নিং’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের নৌবাহিনীর জন্য ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’ নামের একটি সাবমেরিন তৈরি করেছে চীন। সাবমেরিন গত এপ্রিলে চীনে কমিশনিং হয়ে গত সপ্তাহে করাচিতে পৌঁছেছে। সাবমেরিনট বাকি অংশ পড়ুন...
* প্রতিরক্ষার ডিজিটাল বর্ম: ৫০ লক্ষ বাহিনীর একক কমান্ড ও সামরিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের অপরিহার্য রোডম্যাপ :
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয়ের প্রধান শর্ত কেবল সৈন্যসংখ্যা বা ভারী যুদ্ধাস্ত্র নয়; বরং যুদ্ধক্ষেত্রের আসল নিয়ন্ত্রণ লুকিয়ে থাকে তথ্যপ্রযুক্তির শ্রেষ্ঠত্ব এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর। নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক ওয়ারফেয়ার বা তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধকৌশলের এই যুগে যেকোনো বাহিনীর জন্য ‘লজিস্টিকস ও কমিউনিকেশন’ হলো মূল ¯œায়ুকেন্দ্র। বিশেষ করে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি বিশাল বাহিনীকে একক বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কেবল স্থল, আকাশ বা সমুদ্রসীমার শক্তিমত্তা দিয়ে জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা অসম্ভব। আধুনিক সামরিক পরিভাষায় একে বলা হয় ‘নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক ওয়ারফেয়ার’ (Network-Centric Warfare), যেখানে মহাকাশ বা স্যাটেলাইট প্রযুক্তি হলো যেকোনো বৃহৎ সামরিক বাহিনীর মূল ¯œায়ুকেন্দ্র। বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিশেষ করে রিজার্ভ, আধাসামরিক (যেমন বিজিবি, আনসার) এবং মূল বাহিনী মিলিয়ে যদি একটি বিশাল বহরের সমন্বিত প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে হয়, তবে তার জন্য প্রয়োজন একটি সুনির্দিষ্ট, স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং স্ট্র্যা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের জনসংখ্যার সূচক ৫১ কোটি ছুঁয়েছে, এমতাবস্থায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার সমীকরণটি আমূল বদলে যেতে বাধ্য। এমন এক অতি-ঘনবসতিপূর্ণ ভূখ-ে সীমানা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা অক্ষুণ্ণ রাখতে কমপক্ষে ৫০ লক্ষ সদস্যের এক সুবিশাল সামরিক বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য হয়ে উঠেছে। তবে একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে দাঁড়িয়ে এই বিশাল বাহিনীকে কেবল লোহা, বারুদ আর সাঁজোয়া যানের প্রাচীন কাঠামোতে বন্দি রাখলে তা হবে এক ঐতিহাসিক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। আজকের যুদ্ধক্ষেত্র আর কেবল সীমান্তরেখায় সীমাবদ্ধ নেই; তা ছড়িয়ে পড়েছে অদৃশ্য, স্পর্শহী বাকি অংশ পড়ুন...
ভূমিকা : ভূরাজনীতি এবং সমরবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নিয়ম হলো, একটি রাষ্ট্রের জনসংখ্যা, ভৌগোলিক গুরুত্ব এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যত বাড়বে তার বাহ্যিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বলয়কেও এত বেশি শক্তিশালী করতে হবে। বর্তমান বৈশি^ক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ যখন তার ভূ-কৌশলগত অবস্থানকে কেন্দ্র করে পরাশক্তিগুলোর আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে তখন জনসংখ্যার সমীকরণ মাথায় রেখে সুদূরপ্রসারী প্রতিরক্ষা নীতি ঢেলে গাজানো আবশাক। ৫১ কোটি জনসংখ্যার জন্য এই ভূখ- এবং অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বঙ্গোপসাগরের একচেটিয়া নৌসীমা সুরক্ষায় নূন্যতম ৫ বাকি অংশ পড়ুন...












