আলজেরিয়ায় মুসলিম বিদ্বেষী ফ্রান্সের মুসলিম গণহত্যার ইতিহাস:
মুসলিম যোদ্ধাদের মস্তক ছিন্ন করে বাক্স বন্দী করে “যুদ্ধের ট্রফি” হিসেবে নিয়ে যেতো প্যারিসে (২)
, ২৩ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১০ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৯ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ২৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
ফ্রান্স ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট এর গেরিলাদের থেকে সাধারণ জনগণকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য বিশাল গ্রামীণ জনসংখ্যাকে তাদের পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে ফরাসী দস্যু বাহিনী। প্রায় ২০ লক্ষ আলজেরীয় মুসলিমদের জোরপূর্বক কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সামরিক কারাগারে স্থানান্তর করে। এই কারাগারগুলোতে খাবার, চিকিৎসা এবং স্যানিটেশনের খুবই সীমিত করে দেয়, যার ফলে ক্ষুধা ও মহামারীতে হাজার হাজার মুসলিম মারা যায়।
দৈহিক নির্যাতনের পাশাপাশি আলজেরীয় নাগরিকদের থেকে উর্বর জমিগুলো কেড়ে নেয় ফ্রান্স। ফলে হাজার হাজার পরিবার ভূমিহীন ও নিঃস্ব হয়ে পড়ে। সামাজিক কাঠামো ভেঙে যায়। সেখানকার প্রশাসন, শিক্ষা ও ব্যবসাতে ফ্রান্সের আধিপত্য বাড়তে থাকে এবং এক সময় ফ্রান্স আলজেরিয়াকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করা শুরু করে।
ফরাসি দস্যুদের এই দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে আলজেরীয়রা যখন প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করতো তখন তাদের উপর নেমে আসতো ভয়াবহ নির্যাতন। গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি শত শত আলজেরীয়কে গুহার ভেতরে বন্দী করে ধোঁয়ায় শ^াসরোধ করে হত্যা করতো।
আলজেরিয়া দখল করার পর থেকে দেশটির মুসলিম পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা করে ফ্রান্স। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মসজিদ থেকে শুরু করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে তারা ধ্বংস করে দেয়। সেই সময় আলজেরিয়ানরা এই দ্বীনি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করতো। দখলদার মুসলিম বিদ্বেষী সরকার এসব প্রতিষ্ঠানে অর্থ বরাদ্দ বন্ধ করে দেয়। যার ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়ে যায়।
এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার ফলে আলজেরিয়ার সিংহভাগ জনগণ নিরক্ষর হয়ে পড়ে। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টিকেছিল সেসব থেকে আরবি ভাষা নিষিদ্ধ করে এবং ফ্রেঞ্চ ভাষায় শিক্ষাব্যবস্থা চালু করে।
১৯৪৫ সালে ৮ মে যখন দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধ সমাপ্ত হয়, তখন অনেক আলজেরীয় ভেবেছিলেন এবার হয়তো তারাও মুক্ত। দেশটির সেতিফ শহরে স্বাধীনতার দাবিতে হাজার হাজার মানুষ বিজয় মিছিল নিয়ে রাস্তায় নামে এবং নিজেদের পতাকা উত্তোলন করে। কিন্তু সেসব মিছিলে দখলদার ফ্রান্সের দস্যু বাহিনী নির্মমভাবে সেই গুলি চালিয়ে একদিনে ৪৫ হাজার মুসলিমকে শহীদ করে।
এরপর ১৯৫৪ সালে শুরু হয় আলজেরিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রাম। আট বছরব্যাপী চলা সেই যুদ্ধে ১৫ লক্ষ মানুষকে শহীদ করে ফ্রান্স। শুধু সেখানেই থেমে থাকেনি, আলজেরিয়ার স্বাধীনতার আগে পরে মিলিয়ে ১৯৬০-এর দশকে ফ্রান্স আলজেরিয়ার সাহারা মরুভূমির রেগান অঞ্চলে অন্তত ১৭টি পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়। এই পারমাণবিক বোমার তেজস্ক্রিয়তার কারণে আলজেরিয়ার বিশাল এলাকার পরিবেশ ধ্বংস হয় এবং আলজেরীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে আজও ক্যান্সার ও জন্মগত বিকলাঙ্গতার হার অত্যন্ত বেশি।
-মুহম্মদ জুলফিকার হায়দার।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
‘আমি নিজেও একজন শ্রমিক’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও শ্রমিকদের ক্ষুব্ধ করা হচ্ছে কেন? ‘জাতীয় স্বার্থ সবার আগে’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও জাতীয় স্বার্থে আন্দোলনকারীদের উপর নির্যাতনের ষ্টীম রোলার কেন? সাবেক সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী নিজেও বন্দর দেয়ার বিপক্ষে বক্তব্য দিয়ে জনগণকে খুশি করেছিলেন।
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে- আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে। পতিত ইসলাম বিরোধী সরকার কর্তৃক তুলে দেয়া নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদ-
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে।
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে।
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যদি গোবর-গোচনা থেকে বিরত থাকতে চান, তাহলে বিধর্মীদের হোটেলে খাওয়া-দাওয়া থেকে বিরত থাকুন মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মুশরিকরা (পূজারী) নাপাক”।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দেশের বিভিন্ন মহানগর ও জেলায় ২২৭টি এবং রাজধানীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৫৯টি দুর্ধর্ষ গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
রাজধানীসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা ও সম্ভ্রহরণ এবং খুনসহ বড় অপরাধ বেড়েই চলেছে। গুরুতর অপরাধে হাতেনাতে গ্রেফতারের পরও কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এসব কিশোর দুর্বৃত্তদের আবার এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। কিশোর আইনের নমনীয়তার কারণে অনেক অভিযুক্ত দ্রুত জামিনে বের হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়াচ্ছে। জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদে শিশু হিসেবে ১৮ বছরের কম বয়সী সকলকে গণ্য করা হয়েছে।
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুসলমানদের সাথে রাশিয়ার মুনাফেকী নূতনভাবে প্রকাশ পাচ্ছে।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পরমাণু শক্তির বেসামরিক ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ এবং বাংলাদেশের জন্য- সময়সাপেক্ষ ব্যায়বহুল ও জটিল
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সারের দাম হচ্ছে আরো বেশী। সব মিলিয়ে বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় কৃষকের কঠিন দুরাবস্থায় আরো বাড়বে মূল্যস্ফীতি জন দুর্ভোগ থেকে এখন দুর্ভিক্ষের দিকে যাচ্ছে দেশ
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাস কেনো আশাহীন বিষয়ে পরিণত হলো?
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত মহাসম্মানিত ১২ই রবীউছ ছানী শরীফ আজ।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












