২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের ৬টি সবচেয়ে উত্তপ্ত দেশের মধ্যে থাকবে বাংলাদেশও
, ০৯ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ৩১ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ১৫ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পাঁচ মিশালী
ক্রমাগত বাড়ছে পৃথিবীর তাপমাত্রা। এর ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে চরম তাপমাত্রার দেশ হবে ৬টি। তার মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, এই চরম তাপমাত্রার প্রভাব হবে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। প্রাকৃতিক জীবন, অর্থনীতি এবং জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর তাপপ্রবাহের প্রভাব নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে এই গবেষণা।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নেতৃত্বে এই গবেষণা করা হয়েছে। তা ২৬ জানুয়ারি ‘নেচার সাসটেইন্যাবলিটি’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, যদি বর্তমান জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার অব্যাহত থাকে, তাহলে আগামী ২৫ বছরে চরম তাপে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। গবেষণায় ধারণা করা হয়েছে, যদি বিশ্ব উষ্ণায়ন শিল্প পূর্ববর্তী স্তরের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তাহলে এই শতাব্দীর মাঝামাঝি বিশ্বের প্রায় ৪১ ভাগ মানুষ, অর্থাৎ প্রায় ৩.৭৯ বিলিয়ন মানুষ চরম তাপের মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই সংখ্যা ছিলো ২৩ ভাগ বা প্রায় ১.৫৪ বিলিয়ন।
গবেষকরা ‘কুলিং ডিগ্রি ডেজ’ (সিডিডি) সূচক ব্যবহার করে উচ্চ রেজ্যুলুশন পানিবায়ু ও জনসংখ্যা মডেলের মাধ্যমে তাপপ্রবাহের ঝুঁকি নিরূপণ করেছেন। যেসব এলাকার সূচক বার্ষিক ৩,০০০ সিডিডি-এর বেশিতে পড়েছে, সেই অঞ্চলগুলোকে ‘চরম তাপপ্রবণ’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এই সূচক নির্দেশ করে, নিরাপদ অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বজায় রাখতে কতটা কুলিং বা শীতলীকরণের প্রয়োজন। এই সূচক অনুযায়ী, চরম তাপে সবচেয়ে বেশি মানুষের বসবাস থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- ভারত, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ফিলিপাইন।
অক্সফোর্ডের প্রধান গবেষক ড. লিজানা বলে, জাতীয় গড় তাপমাত্রা অনেক সময় প্রকৃত ঝুঁকি ঢেকে রাখে। বাংলাদেশে বাস্তবে অধিকাংশ মানুষ এমন এলাকায় বসবাস করেন যেখানে বার্ষিক কুলিং চাহিদা ৩,০০০ সিডিডি-এর বেশি। এর অর্থ দীর্ঘস্থায়ী ও বিপজ্জনক তাপের সংস্পর্শে থাকা, যা মানুষের জীবন, উৎপাদনশীলতা ও স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই বিশ্বের সবচেয়ে পানিবায়ু-সংবেদনশীল দেশের মধ্যে একটি। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা হলেও চরম তাপ একটি অদৃশ্য কিন্তু সমান মারাত্মক হুমকি হিসেবে সামনে আসছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাহারা মরুভূমিতে তুষারপাত!
০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কলম্বাস আবিষ্কার মুসলমানদের অবদান
০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে বাদাম
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আধুনিক শিক্ষায় মুসলিমদের অবদান অনেক
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুসলিমদের অজানা ইতিহাস:
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আপেলের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি উপকারি যে ফল!
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আইবিএস এর সমস্যায় ভুগছেন? জেনে নিন লক্ষণ ও প্রতিকার
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পিরামিড নির্মাণের রহস্য উন্মোচন করলেন বিজ্ঞানীরা
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
গুইসাপের অভয়ারণ্য তীরচর
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসলামী শিলালিপিতে বাংলার ইতিহাসের বৈচিত্র্যময় অধ্যায়
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলিম সিসিলির উত্থান-পতনের ইতিহাস
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
কিডনির পাথর গলে যাবে যে পাতার রসে
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












