ডায়াবেটিস থাকলে ইফতার ও সাহরির মাঝে কি খাবেন?
, ২০ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১০ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ১০ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পাঁচ মিশালী
রোযা রেখে ইফতার এবং সাহরির মাঝের সময়টি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় কি খাওয়া হচ্ছে, কতটুকু খাওয়া হচ্ছে- এসবের ওপরই নির্ভর করে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকবে কিনা। তাই পরিকল্পনা করে খাবার খেলে রোযা রেখে সুস্থ থাকা সম্ভব।
চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের ইফতার ও সাহরির মাঝের সময়টিতে এমন খাবার বেছে নেওয়া উচিত যা শক্তি দেয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় না।
অনেকেই ইফতারের সময় অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা মিষ্টি খান। এতে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তবে অবশ্যই ইফতার শুরু করা উচিত সুন্নতী খাবার খেজুর ও দুধ দিয়ে। দুধ না থাকলে নাবীয শরবত অথবা পানি দিয়ে।
এরপর খাবারের তালিকায় রাখা যেতে পারে স্বাস্থ্যসম্মত হালিম, গমের রুটি, লাল আটার রুটি, সবজি স্যুপ, সালাদ, গ্রিল বা সেদ্ধ মাছ-গোশত, ডাল ও শাকসবজি। উপরোক্ত সবই খাছ সুন্নতী খাবার। সুন্নতী খাবার গ্রহণেই সর্বপ্রকার রোগ-শোক, অসুখ-বিসুখ থেকে শিফা লাভ সম্ভব।
আর এসবই পাওয়া যায় আমাদের আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দ্র, সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ গেট, ৫ আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা- ১২১৭-এ।
অনেকেই হয়তো বাজারের বিভিন্ন ভেজালে সয়লাব ও অস্বাস্থ্যকর উপাদান নিয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন। বিপরীতে ডেকে আনছেন দস্তা দস্তা ওষুধ-পথ্য। কিন্তু আমাদের আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দ্রে স্বাস্থ্যসম্মত নির্ভেজাল ইফতার আইটেম রাখা হয়। যা সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে ও সুন্নতি তর্জ-তরীকায় তৈরী। এই সুন্নতি খাবার গ্রহণে আপনার ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য জটিল রোগ কমে আসবে। আমাদের আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দ্রে সেই প্রচেষ্টাই করা হয়, যেন মানুষ সহজে সুন্নতী আমল করতে পারে ও সুস্থ থেকে রোযা পালন করতে পারে।
ইফতার ও সাহরির মাঝের সময় কি খাবেন?
এটি সাধারণভাবে রাতের খাবারের সময়। কিন্তু রমাদ্বান শরীফে হিসাবটা একটু আলাদা। এই সময়টিতে একসঙ্গে বেশি না খেয়ে ছোট ছোট ভাগে খাবার খাওয়া ভালো। এতে রক্তে শর্করার ওঠানামা কম হয়।
খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন ফল (আপেল, পেয়ারা, কমলা), চিনি ছাড়া দই, বাদাম বা কাঠবাদাম অল্প পরিমাণে, চিয়া সিড বা ওটস, ডাবের পানি বা পর্যাপ্ত স্বাভাবিক পানি। এসব খাবার শরীরে শক্তি জোগায় এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
সাহরির আগে কি খেয়াল রাখবেন?
ইফতার ও সাহরির মাঝখানে পর্যাপ্ত পানি পান করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পানিশূন্যতা রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। অবশ্যই রাতের এই সময়টিতে অতিরিক্ত মিষ্টি, সফট ড্রিংকস বা প্রসেসড খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।
রোযার সময় নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করা দরকার। মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, ঘাম বা কাঁপুনি হলে তা হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রাতের মধ্যেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। যাতে রোযা রাখতে অসুবিধা না হয়।
ডায়াবেটিস থাকলেও সচেতন খাদ্যাভ্যাস ও পরিকল্পনার মাধ্যমে রোযা রাখা সম্ভব। ইফতার ও সাহরির মাঝের সময়টি সঠিকভাবে কাজে লাগালে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। তাই তাড়াহুড়া বা অতিরিক্ত খাবার নয়, পরিমিত, স্বাস্থ্যকর ও সুন্নতি খাবারই হতে পারে সুস্থ রোযার চাবিকাঠি।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আধুনিক স্থাপত্যের দৃষ্টিনন্দন মসজিদ আল মুস্তফা
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
রোযায় জরায়ু ও স্তন ক্যানসার রোগীদের করণীয়
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ভিটামিন সি কেন প্রয়োজন?
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিড়াল কেন এক পাশে ঘুমায়?
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
দুই শতাব্দীর সাক্ষী রূপসা জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পাকিস্তানে ঐতিহাসিক ১২০ বছরের ‘বাবা জি’ মসজিদ
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইফতারে যেসব পানীয় পানে দূর হবে ক্লান্তি
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কদম মুবারকে কদম রসূল
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সৌদি আরব কেন লাখ লাখ উটকে পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে?
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যে কারণে ইফতার-সাহরিতে খেজুর খাবেন
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নারীদের জন্য লালশাক খাওয়া যে কারণে জরুরি
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশে জনপ্রিয় হচ্ছে বক চয়, জানুন উপকারিতা
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












