মন্তব্য কলাম
হাড়কাঁপানো শীতে যশোরে একদিনে ১০ জনের মৃত্যু প্রচ- শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে রংপুরে ১০৩ জনের মৃত্যু! হাসপাতালে ভর্তি ১৪০০ জন! নোয়াখালীতে তীব্র শীত, এক মাসে ১৮ শিশুর মৃত্যু দেশজুড়ে তীব্র শীতে কষ্টে মানুষ, বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগ। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার বরাবরের মতোই নির্বিকার।
, ২০ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১২ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৬ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মন্তব্য কলাম
অসম্ভব দ্রুততার সমুদ্রবন্দর বিদেশীদের হাতে তুলে দিলেও,
পরিবেশ রক্ষায় নারিকেল দ্বীপ বন্ধে প্রচন্ডরকমের তোরজোর দেখালেও
কনকনে ঠান্ডায় দেশব্যাপী কতজন মারা গেছে সে তথ্যটুকুও নেই তাদের কাছে।
তার স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে পছন্দের উপদেষ্টার দফতরে।
শীতার্ত দরিদ্র জনসাধারণের কষ্ট দূরীকরনেও নেই কোনো পদক্ষেপ, কোনো প্রক্রিয়া।
যেনো বিদেশীদের হাতে গোপনে সব কিছু তুলে দেয়ার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার
আর জনগণের দুর্দশা লাঘবে সবকিছুর জন্য অপেক্ষায় থাকবে নির্বাচিত সরকার।
হাড়কাঁপানো শীত ও শৈত্যপ্রবাহে যশোরে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তীব্র ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন জটিলতায় গত ২৪ ঘণ্টায় যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বয়স ৫৫ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. জোবায়ের আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তীব্র শীত এবং ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপে গত ৩ দিনে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৪২১ জন রোগী। এই বিপর্যয় উত্তরাঞ্চলের জনজীবনকে স্থবির করে দিয়েছে, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে। হাসপাতালের মেডিসিন এবং শিশু ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।
নোয়াখালীতে তীব্র শীতে হাসপাতালগুলোতে শিশুরোগীর সংখ্যা বেড়েছে। ডিসেম্বরে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে শীতজনিতসহ বিভিন্ন রোগে এক হাজার ৮৭ শিশু ভর্তি হয়েছে। এরমধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
দেশের চারটি বিভাগ ও ১২ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এতে জনজীবন অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, পৌষের শেষ এসে জেঁকে বসা শীতে বুধবার নওগাঁর বদলগাছিতে মৌসুমের সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
পৌষের শুরু থেকেই সারা দেশে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। আর শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঠা-াজনিত রোগ। আবহাওয়া ও পানিবায়ুর পরিবর্তনের ফলে দেহে বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া চলতে থাকে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এ সময়ে অনেকেই সহজে নিজেকে ওই পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে না। তাই এ সময়ে বেশকিছু বাড়তি রোগব্যাধি দেখা যায়। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য এ সময়টা বেশ জটিলতা তৈরি করে। রাজধানীসহ সারা দেশে বেড়েছে শ্বাসতন্ত্র রোগের প্রাদুর্ভাব। ঠা-াজনিত রোগে কাবু হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। শীতকালীন রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় দেশের সব হাসপাতালের জন্য সাত দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর প্রাদুর্ভাব এড়াতে হাসপাতালগুলোয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা জরুরি।
দেশের বহু জেলা ও উপজেলা হাসপাতালের ভবন পুরনো, অনেক জায়গায় ভাঙা জানালা-দরজা, স্যাঁতসেঁতে দেয়াল ও পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব রয়েছে। শীতকালে এসব ফাঁকফোকর দিয়ে ঠা-া বাতাস ঢুকে রোগীদের অসুস্থতা বাড়িয়ে দেয়। হাসপাতালগুলোয় ওয়ার্ড ও বেডের সংকট প্রকট। রোগীর তুলনায় বেড সংখ্যা কম হওয়ায় অনেক হাসপাতালে মেঝেতে বা বারান্দায় রোগী রাখতে হয়। এতে শীত, সংক্রমণ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ঝুঁকি বেড়ে যায়। হাসপাতালে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অভাব রয়েছে। উন্নত বিশ্বে যেখানে হাসপাতালগুলোয় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ থাকে, সেখানে আমাদের বেশির ভাগ সরকারি হাসপাতালে শীত নিবারণের জন্য কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই। কম্বল বা গরম পানির সরবরাহও নেই বললেই চলে। সরকারি হাসপাতালগুলোয় পরিচ্ছন্নতা ও স্যানিটেশনের অভাব রয়েছে। অপর্যাপ্ত ও নোংরা টয়লেট, অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ায়। অনেক হাসপাতাল ভবন নির্মাণের পর নিয়মিত সংস্কার বা মেরামত করা হয় না। ফলে ছোট সমস্যাগুলো সময়ের সঙ্গে বড় আকার ধারণ করে। সব মিলিয়ে বলা যায়, দেশের হাসপাতালগুলোর অবকাঠামোগত দুর্বলতা শুধু শীতকালীন রোগ নয়, সারা বছরই স্বাস্থ্যসেবার মানকে প্রভাবিত করছে।
রাজধানীর মুগদা হাসপাতাল, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শীতজনিত কারণে নতুন রোগীর চাপ বেড়েছে। নিয়মিত যেসব রোগী থাকে-শীতের প্রকোপে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় দ্বিগুণে। আর যেসব রোগী আসছে, তাদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধ এবং বক্ষব্যাধিজনিত রোগীর উপস্থিতি বেশি। চিকিৎসকরা বলছেন, এ সময় প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। হঠাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারায় তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ছে। জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং অ্যালার্জিজনিত জটিলতা এখন শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শীতে শিশুদের ডায়রিয়া, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টসহ নানা ধরনের রোগ দেখা দেয়। চলতি বছরে তীব্র শীতে দুই থেকে তিন গুণ বেড়েছে ঠা-াজনিত রোগ। বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা বেশির ভাগই শিশু। শিশুরা শ্বাসতন্ত্রের নানা ধরনের সংক্রমণ ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। শিশুদের হাঁপানিতে আক্রান্ত হওয়ার হারও বেড়েছে।
এদিকে, তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ। যাদের বেশির ভাগকেই খোলা আকাশের নিচে কাজ করতে হয়। যশোর শহরের বিভিন্ন শ্রমবাজারে প্রতিদিন যেখানে ৩০০-৪০০ মানুষ কাজের আশায় জড়ো হন, কাজকর্ম কম থাকায় সেখানে এখন সেই সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে। অনেকেই সকাল থেকে অপেক্ষা করে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।
রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক ও দিনমজুররা জানান, বেশি শীতের কারণে লোকজন ঘর থেকে কম বের হচ্ছে। নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজ তেমন হাতে নেওয়া হচ্ছে না। এতে তাদের কাজ কমে গেছে। কিন্তু আয় কমলেও সংসারের ব্যয় তো কমছে না। একই চিত্র বিভিন্ন জেলায়।
দেশজুড়ে শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতকালীন নানা রোগের প্রকোপও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও শারীরিকভাবে দুর্বল জনগোষ্ঠী এ সময় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ বাস্তবতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দেশের সব হাসপাতালের জন্য সাত দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনাগুলোয় হাসপাতালের ভাঙা দরজা-জানালা মেরামত, রোগীদের জন্য কম্বল ও প্রয়োজনীয় সুরক্ষাসামগ্রী সরবরাহ, শীতকালীন রোগের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধ ও অক্সিজেনের মজুদ নিশ্চিত করার মতো বাস্তবসম্মত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডে বাধ্যতামূলক বৈকালিক রাউন্ড এবং রোগীর স্বজনদের স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদানের নির্দেশনা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে এ নির্দেশনা কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হবে সে বিষয়ে সন্দেহের যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, অনেক ক্ষেত্রেই ভালো নির্দেশনা থাকলেও বাস্তব প্রয়োগ ঘটে না। জনবল সংকট, তদারকির অভাব ও প্রশাসনিক শৈথিল্য বাস্তবায়নের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এ কারণে হাসপাতাল প্রধানদের ওপর বিশেষ নজরদারির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নজরদারি যে বাস্তবে হবে না তা দেশে তীব্র শীতে মানুষের মৃত্যুর ঘটনা প্রতি বৎসর ঘটিলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে। সে তথ্য না থাকার অস্বাভাবিকতাই বড় প্রমাণ।
বলার অপেক্ষা রাখে না, এ তথ্য সংরক্ষণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদাসীনতা অগ্রহণযোগ্য।
আমরা জানি, মৃত্যুর তথ্য শুধু পরিসংখ্যানই জানা না; বরং ইহার মাধ্যমে রোগের প্রবণতা বোঝা যায় এবং তদনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ সহজ হয়। এতদ্ব্যতীত নূতন কোনো রোগের বিস্তার ঘটিলে উহারও ত্বরিত চিকিৎসা প্রদান সম্ভব হয়। সঠিক তথ্য না থাকিলে একদিকে যেমন বাস্তবতা অস্বীকার করা হয়, অন্যদিকে সাধারণ ব্যবস্থাপনাগত সংকটে অধিক মানুষের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। শীত মৌসুম শুরু হইলে প্রতি বৎসরই শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়া বৃদ্ধি পায়। এই বৎসরও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে উল্লেখযোগ্য শিশু হাসপাতালে প্রাণ হারিয়েছে।
এই সকল তথ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএসে থাকা জরুরি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তরফ হতে স্থানীয় হাসপাতালগুলির তথ্য সংগ্রহে সমন্বয়হীনতার কারণে মৃত্যুর তথ্যে মিল না থাকার যে অজুহাত দেখানো হয়েছে।
তা নিতান্তই বালখিল্যতা নয় বরং গুরুতর অপরাধও বটে।
এই অপরাধ প্রধান উপদেষ্টার।
অন্তর্বর্তী সরকারের।
শীতার্ত দরিদ্র জনসাধারণের কষ্ট দূরীকরনে তাদের নেই কোনো পদক্ষেপ, কোনো প্রক্রিয়া।
যেনো বিদেশীদের হাতে গোপনে সব কিছু তুলে দেয়ার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার
আর জনগণের দুর্দশা লাঘবে সবকিছুর জন্য থাকবে নির্বাচিত সরকার। এজন্য বি.এন.পি. মহাসচিব এ সরকারকে প্রতারক সরকার বলেও সমালোচনা করেছে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১১)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বর্তমান জ্বালানী সংকটে অনেক দেশই এখন কয়লার দিকে ঝুকছে। কয়লার উপর নির্ভরতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। দেশে বিপুল পরিমাণ কয়লার মজুদ থাকার পরও রহস্যজনকভাবে তা উত্তোলনে আগ্রহ নেই সরকারের। ৭ হাজার ৮০০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুদের দেশে কয়লার ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ কেন?
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা: ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১০)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৯)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, পুষ্টিগুণেও ভরপুর
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (১ম পর্ব)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শুধু একটি মৃত্যুর খবর, নাকি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সস্তা জনপ্রিয়তার বিপরীতে সস্তা জনরোষের পথেই কী হাটতে চায় সরকার? মাত্র ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার জন্য ওয়াদা খেলাফ করে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আগুনে আরো ঘি ঢালছে সরকার। জনভোগান্তির জুলুম থেকে সরে আসতে হবে সরকারকে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৮)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
১৯৯০ সালে কাঁচা চামড়া রফতানীর নিষিদ্ধ করণের প্রেক্ষাপট বর্তমানে নেই। এ মুহুর্তে কাঁচা চামড়া রফতানীর অনুমোদন বর্তমান সংকটকে অনেকটাই কমাতে পারে।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কুরবানী আসে-যায় মৌসুমী কসাইরা অরক্ষা আর অবহেলাতেই থেকে যায়। তাদের অনেকে আহত হয়, পঙ্গু হয়, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়- মৌসুমী কসাইদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি ঈদুল আদ্বহায় বিশেষ স্বাস্থসেবা চালু করা দরকার।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












