মন্তব্য কলাম
সৌদি জনগণের চরম বিরোধীতা এবং আতঙ্ক প্রকাশের পরও মার্কিন ঘাটি স্থাপন হয়। ৬০০ বিলিয়ন সামরিক চুক্তি এবং ১ ট্রিলিয়ন বিনিয়োগ চুক্তির পরও ড্রাম্প সৌদি যুবরাজকে অপমান করেছে। আর ভ্রাতৃপ্রতীম পাকিস্তান ঠিকই চুক্তি অনুযায়ী সৌদিকে সহায়তায় এগিয়ে আসছে।
সৌদি সরকারের উচিত অবিলম্বে মার্কিনীদের থেকে সরে এসে পাকিস্তানসহ সব মুসলিম দেশের সাথে সামরিক জোট করা।
, ২৯ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৮ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ০৫ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মন্তব্য কলাম
দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবে যুদ্ধবিমান ও সহযোগী বিমানসহ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পৌঁছেছে। ১১ই এপ্রিল শনিবার সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে তারা অবতরণ করে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানি বাহিনীকে কিং আবদুল আজিজ বিমানঘাঁটিতে মোতায়েন করা হয়েছে। ইরান যুদ্ধের সময় এই ঘাঁটিটি বারবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছিল।
এই মোতায়েনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এর লক্ষ্য হলো ‘যৌথ সামরিক সমন্বয় বৃদ্ধি করা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা’।
উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বর মাসে দুই দেশের মধ্যে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি (ঝগউঅ) হল সৌদি আরব এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের মধ্যে একটি নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা চুক্তি। এই চুক্তির অধীনে, উভয় দেশই একজনের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনকে উভয়ের বিরুদ্ধেই কাজ হিসেবে গণ্য করার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সৌদি আরব সফরের সময় স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত বছর (১৩ মে) সফরে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ক্রাউন প্রিন্স বিন সালমানের সঙ্গে প্রাথমিক বৈঠক সেরেছে ড্রাম। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে সৌদি আরব।
এছাড়া সৌদি যুবরাজ গত বছর (১৮ নভেম্বর) বলেছে, তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রে তাদের বিনিয়োগ ৬০০ বিলিয়ন ডলার থেকে প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করবে।
এরপরেও ড্রাম্প তার বক্তব্যে- সৌদি যুবরাজকে অপমান করেছে। এরপরও কী সৌদি সরকার বুঝবে না যে মার্কিন ঘাটি প্রত্যাহার করা দরকার?
১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক কুয়েত আক্রমণ করে এবং দুই দিনের মধ্যে ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি দখল করে নেয়। ইরাক কর্তৃক কুয়েত দখল সৌদি সরকারকে হতচকিত এবং আতঙ্কিত করে তোলে। বস্তুত সৌদি সরকার এতটাই হতবাক হয়ে পড়ে যে, সৌদি আরবের সরকার-নিয়ন্ত্রিত প্রচারমাধ্যমকে এই খবর প্রকাশ করতে নিষেধ করা হয়। ইরাকের কুয়েত আক্রমণের এক সপ্তাহ পর সৌদি গণমাধ্যম এই খবরটি সম্প্রচার করে।
ইরাকের কুয়েত আক্রমণের ফলে সৌদি আরব আন্তর্জাতিক পরিম-লে কতটা একাকী সেটা সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। কয়েক দশক ধরে তারা আরব রাষ্ট্রগুলোকে হাজার হাজার কোটি মার্কিন ডলার সমমূল্যের সহায়তা প্রদান করেছিল তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য। কিন্তু ইরাকের কুয়েত দখলের পর দেখা গেল যে, ইয়েমেন, লিবিয়া, তিউনিসিয়া, আলজেরিয়া, সুদান, জর্দান এবং ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা- এদের সকলেই ইরাককে সমর্থন করছে।
১৯৯০ সালে সৌদি ন্যাশনাল গার্ডের একদল সৈন্য। ইরাক কর্তৃক কুয়েত দখলের পর মাত্র এক ব্যাটালিয়ন ন্যাশনাল গার্ড সৌদি তেলক্ষেত্রগুলোর প্রহরায় নিয়োজিত ছিল;
কুয়েতে মোতায়েনকৃত ইরাকি বাহিনী এবং সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে অবস্থিত তেলক্ষেত্রগুলোর মধ্যে কয়েক মাইল বালি ছাড়া আর কোনো বাধা ছিল না। সৌদি ন্যাশনাল গার্ডের একটি ব্যাটালিয়ন, এক হাজারেরও কম সংখ্যক সৈন্য, তেলক্ষেত্রগুলো পাহারা দিচ্ছিল। এমতাবস্থায় ইরাকি ট্যাঙ্কবহর যদি সৌদি সীমান্ত অতিক্রম করে সৌদি তেলক্ষেত্রগুলোর দিকে ধাবিত হতো, সৌদি আরবের পক্ষে কিছুই করা সম্ভব হতো না।
সৌদি সশস্ত্রবাহিনী প্রচুর অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত ছিল, কিন্তু সেসময় তাদের সৈন্যসংখ্যা ছিল মাত্র ৫৮,০০০ এবং তারা ইরাকি সৈন্যদের মতো সুপ্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ ছিল না। এই শক্তি দিয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম সশস্ত্রবাহিনীকে মোকাবেলা করা ছিল এক অসম্ভব ব্যাপার।
ইরাকি-কুয়েতি দ্বন্দ্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ছিলো চরম মুনাফেকী ও সুযোগ সন্ধানীর মত। ইরাক কুয়েত দখল করে নেয়ার আগে মার্কিনীরা এই দ্বন্দ্বে নিরপেক্ষ থাকবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিল এবং তাদের এই অবস্থান ইরাককে কুয়েত আক্রমণ করতে উৎসাহিত করেছিল বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন। ইরাক কর্তৃক কুয়েত দখলের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কুয়েতি তেলভা-ারের ওপর ইরাকের নিয়ন্ত্রণকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করে এবং কুয়েত থেকে ইরাককে বিতাড়িত করার কথা প্রচার করে।
কূটনৈতিক চাপ ও অর্থনৈতিক অবরোধের মাধ্যমে ইরাককে কুয়েত থেকে সৈন্য প্রত্যাহারে বাধ্য করতে ব্যর্থ হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেয় এবং এজন্য সৌদি আরবে সৈন্য মোতায়েন করতে সৌদি সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে।
সৌদি পরিবার সৌদি আরবে মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের বিষয়টি নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ছিল। যুবরাজ ও ন্যাশনাল গার্ডের প্রধান প্রিন্স আব্দুল্লাহ সৌদি আরবের মাটিতে মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের ঘোর বিরোধী ছিলো, কারণ তার বিশ্বাস ছিল, একবার সেখানে ঘাঁটি স্থাপন করলে মার্কিনীরা আর কখনো সেখান থেকে সরবে না। অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স নাইফের মতে, মার্কিন সহযোগিতা ছাড়া সম্ভাব্য ইরাকি আক্রমণ থেকে সৌদি আরবের রক্ষা পাওয়া অসম্ভব।
ইতোমধ্যে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডিক চেনি এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিয়োজিত মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের নর্মান একদল উপদেষ্টাসহ জেদ্দায় আসে এবং সৌদি বাদশাহ ফাহাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সৌদি আরবে মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের ব্যাপারে বাদশাহকে রাজি করানো।
শোয়ার্জকফ সৌদি বাদশাহকে স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত কুয়েতে মোতায়েনকৃত ইরাকি বাহিনীর চিত্র দেখায়। তার মতে, কুয়েতে ৩টি ইরাকি আর্মার্ড ডিভিশন এবং অতিরিক্ত পদাতিক সৈন্য অবস্থান করছিল। সে যুক্তি দেখায় যে, কুয়েতের মতো ক্ষুদ্র রাষ্ট্র দখল করে রাখার জন্য এত সৈন্যসামন্তের প্রয়োজন নেই এবং ইরাক কুয়েতে এত সৈন্য মোতায়েন করেছে সৌদি আরবকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে।
সৌদি গোয়েন্দা সংস্থাও এসময় জানায় যে, ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ইরাকি গোয়েন্দা দল সৌদি আরবের সীমান্ত অঞ্চলে অনুপ্রবেশ করেছিল। এর ফলে ইরাক সৌদি আরব আক্রমণ করার জন্য তথ্য সংগ্রহ করছে, এই ধারণা সৌদি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দৃঢ় হয়।
মার্কিন সৈন্যরা কখনোই সৌদি আরব ছেড়ে যাবে না, সৌদিদের এরকম আশঙ্কা দূর করার জন্য ডিক মার্কিন রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দেয়, ইরাকি হুমকির অবসান ঘটার সঙ্গে সঙ্গে অথবা সৌদি বাদশাহ যখন চাইবে তখনই মার্কিন সৈন্যদের সৌদি আরব থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হবে। মার্কিনীদের এই প্রতিশ্রুতির পর অবশেষে সৌদি বাদশাহ ফাহাদ সৌদি আরবের মাটিতে মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের অনুমতি প্রদান করেন।
এসময় হাজার হাজার কুয়েতি শরণার্থী সৌদি আরবে এসে পৌঁছাচ্ছিল এবং তাদের কাছে থেকে সৌদি জনসাধারণ কুয়েতে ইরাকি সৈন্যদের দ্বারা সংঘটিত খুন, লুণ্ঠন, অপহরণ ও নারী নির্যাতন সম্পর্কে জানতে পারে। তা সত্ত্বেও সৌদি জনসাধারণের একটি অংশ তাদের রাষ্ট্রে মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের পক্ষপাতী ছিল না।
সৌদি আরবে দ্বীন ইসলাম সবচেয়ে পবিত্র দুটি স্থান- মক্কা শরীফ ও মদিনা শরীফ - অবস্থিত, এবং মুসলিমদের এই পবিত্র ভূমির সুরক্ষার জন্য অমুসলিমদের সহায়তা নিতে হবে, এই ধারণাটিই সৌদি জনগণকে আতঙ্কিত করে তোলে।
সৌদি সরকার জনসাধারণের অসন্তোষ প্রশমিত করার জন্য সৌদি ধর্মীয় নেতাদের সৌদি আরবে মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের পক্ষে ফতোয়া দেয়ার নির্দেশ দেয়। সেই অনুযায়ী সৌদি ধর্মীয় নেতারা ফতোয়া জারি করে যে, মার্কিন সৈন্যরা ‘ইসলামকে রক্ষা’ করার জন্য সৌদি আরবে আসছে। (নাউযুবিল্লাহ)
এভাবে শুরু হয় ‘অপারেশন ডেজার্ট শিল্ড’। ১৯৯০ সালের সেপ্টেম্বরে মার্কিন সৈন্যরা সৌদি আরবে আসতে শুরু করে এবং পাঁচ লক্ষাধিক মার্কিন সৈন্য সৌদি আরবে এসে পৌঁছে। প্রাথমিকভাবে সৌদি আরবকে রক্ষা করার জন্য নিয়োজিত হলেও ১৯৯১ সালে তাদেরকে কুয়েতকে ইরাকি দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করার দায়িত্ব প্রদান করা হয়। ‘অপারেশন ডেজার্ট শিল্ড’ পরিণত হয় ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’-এ।
১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট ইরাকি সামরিক বাহিনীকে কুয়েত থেকে ইরাকে ফেরত পাঠায়। কিন্তু সৌদি আরব থেকে মার্কিন সৈন্য আর কখনোই পুরোপুরিভাবে প্রত্যাহার করা হয়নি। প্রথমে ইরাকে ‘নো-ফ্লাই জোন’ কার্যকরী করার জন্য, পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী কথিত ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে’র অংশ হিসেবে এবং বর্তমানে ইরানের সঙ্গে উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোর দ্বন্দ্বের প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে মার্কিন সৈন্যদের উপস্থিতি বজায় রাখা হয়েছে।
সৌদি সরকারের উচিত অবিলম্বে মার্কিনীদের থেকে সরে এসে পাকিস্তানসহ সব মুসলিম দেশের সাথে সামরিক জোট করা।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সোনার দাম বাড়ে-কমে কেন, কীভাবে হয় দাম নির্ধারণ (২য় পর্ব)
০৪ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সোনার দাম বাড়ে-কমে কেন, কীভাবে হয় দাম নির্ধারণ (১ম পর্ব)
০৩ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিলুপ্ত ফুটি কার্পাস পুনরুদ্ধার, ১৭০ বছর পর বিশ্ববাজারে ফিরছে ঢাকাই মসলিন
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মানুষ প্রতিদিনের বাজার খরচ, যাতায়াত ব্যয় কিংবা পরিবারের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে।
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অবমাননাকারী, এদেশের মুসলমানদের হিন্দুত্ববাদে লীন হতে কু-প্ররোচনাকারী এবং ভারতে মুসলমানরা নিশ্চিন্তে তাদের দ্বীনি উৎসব পালন করছে-
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাড়ে তিনশো বছরেও লালবাগ কেল্লার নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ার নেপথ্য কারণ
২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বিশ্বে ৩০০ কোটিরও বেশী মুসলমান থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তা পরিষদে পঞ্চ শক্তিতে কোনো মুসলিম দেশ নেই ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া কিংবা সিরিয়ার মতো দেশগুলোতে মার্কিন হস্তক্ষেপ মানবিক বিপর্যয় ডেকে এনেছে, অথচ জাতিসংঘ সেই আগ্রাসন রুখতে ব্যর্থ হয়েছে মার্কিন ভেটোর ভয়ে। আর ফিলিস্তিনে ইসরাইলি বর্বরতায় যখন বিশ্ববিবেক থমকে দাঁড়ায়, তখন যুক্তরাষ্ট্র নির্লজ্জভাবে তা সমর্থন করে বা নীরব থেকে জাতিসংঘের অবস্থানকেও প্রভাবিত করে।
২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কোনো সমালোচনা আলোচনা অথবা আন্দোলনের প্রশয় না দিয়ে সরকারের উচিৎ জিয়ার নীতি অনুসরণ করে পাহাড়ে কমপক্ষে ১ হাজার সেনা ছাউনি তৈরী করা।
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুসলমানদের উপর নিপীড়ন, নির্যাতন, উচ্ছেদ, বৈষম্য আর মসজিদ-মাদ্রাসা ধ্বংসের উৎসব করে রাষ্ট্রয়ী সন্ত্রাস করে ব্যার্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। তাহলে তারা ‘আসাম’ বাংলাদেশের কাছে প্রত্যার্পন করুক। আর আসামের মুসলমান তো সব মরছেই। তাহলে তারা বিদায় হজ্জের ভাষণ অনুযায়ী তাদের জান-মাল রক্ষায় জিহাদে অবতীর্ন হোক।
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ। লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ। লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুধু ভারতেই আধিপত্যবাদী হিন্দুত্ববাদী নয়। বাংলাদেশে অবস্থানকারী ভারতীয় হাইকমিশনার সহ হিন্দুত্ববাদীরা সবাই আধিপত্যবাদী। এদেশের হিন্দুত্ববাদীরা তাদের আধিপত্য বৃদ্ধি জন্য সরকারকে গভীর চাপ তৈরী করছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র, ভারতে- মুসলমানদের উপর সহিংসতাও গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা অভিহিত করে তার বিপরীতে বাংলাদেশে হিন্দু স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত হতে বলেছে।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












