আপনাদের মতামত:
সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ও অপপ্রচারের নিকৃষ্ট কার্যক্রম: মুশরিকদের আস্ফালন কি চলতেই থাকবে?
, ০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) আপনাদের মতামত
অভিযোগ উঠেছে, ঝিনাইদহে এক নারীকে নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদী পোস্টের নিচে মুশরিক দূর্জয় অত্যন্ত ধৃষ্টতার সাথে দাবি করেছে যে, মুসলিম নারীর এই লাঞ্ছনা নাকি হিন্দুদের জন্য ‘বিশাল বিজয়’ এবং মুসলমানদের ‘চূড়ান্ত পরাজয়’। একটি জঘন্য অপরাধকে কেন্দ্র করে এমন পৈশাচিক বিজয়োল্লাস কেবল উগ্র মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং এটি পরিকল্পিতভাবে দ্বীন-বিরোধী দাঙ্গা উস্কে দেওয়ার একটি অপচেষ্টা।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই মুশরিক চট্টগ্রামের সীতাকু-ের বারবাকু- এলাকায় ‘অ্যালবিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড’ -এ ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত এবং বাকলিয়া এলাকার মাস্টার পোল বউবাজারে ওষুধ ব্যবসার সাথে জড়িত। তার ফেসবুক প্রোফাইল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি কেবল একটি বিচ্ছিন্ন মন্তব্য নয়; বরং সে নিয়মিতভাবে পবিত্র কুরআন শরীফ, ইসলাম উনার বিধান এবং পর্দার মতো স্পর্শকাতর দ্বীনি বিষয়ে অবমাননাকর পোস্ট দিয়ে আসছিল। ইসলামের বিধান নিয়েও সে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে, যা সরাসরি এদেশের ৯৮% মুসলমান উনাদের দ্বীনি বিশ্বাসে আঘাত হেনেছে।
প্রশ্ন হলো, একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে এবং জনসেবামূলক ওষুধ ব্যবসার সাথে জড়িত থেকে একজন ব্যক্তি কীভাবে এতোটা উগ্র ও সাম্প্রদায়িক হতে পারে? এ ধরণের উগ্রবাদী যখন জনস্বাস্থ্যের সাথে জড়িত কোনো ল্যাবরেটরিতে কাজ করে, তখন সেটি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্যও এক বড় প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়ায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাক-স্বাধীনতার অর্থ এই নয় যে, যে কেউ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মানহানী করবে কিংবা কোনো নারীর লাঞ্ছনায় বুনো উল্লাস করবে। যারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে প্রকাশ্য মানহানীতে লিপ্ত হয়, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।
আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ধরণের বিষবাষ্প ছড়ানো ব্যক্তিদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনা হোক। একইসাথে সংশ্লিষ্ট কর্মস্থল ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর উচিত তাদের অভ্যন্তরীণ তদন্তের মাধ্যমে এই ধরণের উচ্ছৃঙ্খল মানসিকতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া। আমরা এমন এক বাংলাদেশ চাই যেখানে পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও কোনো নারীর মর্যাদা নিয়ে কেউ যেন কটূক্তি করার সাহস না পায়।
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মানহানী ও সাম্প্রদায়িক উস্কানি বন্ধ করতে হবে, ইনসাফ কায়েম করতে হবে।
-মুহম্মদ কুররাতুল আইন হায়দার।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
জিএমও-কাফিরদের নীরব বিষ, মুসলিম উম্মাহর জন্য সতর্কতা অবলম্বন করা ফরজ
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রসঙ্গ: কুড়িগ্রামে গরু জবাই:
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
গৃহসম্পদ ও গৃহসম্পদের বৈশিষ্ট
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ঈমানি চেতনা ও জাতীয় ঐতিহ্যের ওপর বিভৎস আঘাত
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নারিকেল গাছই ‘শেষ ভরসা’ বিলুপ্তপ্রায় বাবুই পাখির
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশের বুকে বিদেশি গোয়েন্দার ছায়া আর নয় শৈথিল্য, এখনই চাই কঠোর পদক্ষেপ
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সত্যের কণ্ঠরোধ ও নিম আহমেদ: হঠকারী অভিযানের পরিনাম শুভ হতে পারে না
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুসলিম তরুণীদের জীবন নিয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদী ‘লাভ ট্র্যাপ’: ঘাতক চক্রের বিষদাঁত এখনই উপড়ে ফেলতে হবে
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। এর মাধ্যমে পাহাড়কে উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, ‘একদেশে দুই আইন’ ও পাহাড়ে রাজা-প্রজা প্রথা বহাল, বাঙ্গালী ও রাষ্ট্রের ভূমি অধিকার হরণ এবং সেনা প্রত্যাহার সহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্নের গভীর ষড়যন্ত্র চলমান। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (১)
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
একাত্তর-পরবর্তী লুণ্ঠন: বন্ধুত্বের আড়ালে ইতিহাসের এক ট্র্যাজিক অধ্যায়
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ে দ্বীনি অধিকারে হস্তক্ষেপ: অর্ধেক বেলা মসজিদ বন্ধ রাখা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাগেরহাটে নওমুসলিম সোহাগের শাহাদাত এবং আমাদের বিবেকহীন নীরবতা
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












