মন্তব্য কলাম
সাগরের বুকে তৈরি হচ্ছে নতুন বাংলাদেশ অনেক বেড়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের আয়তন খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললে বাংলাদেশ এত বড় হতে পারে যে বর্তমান ৪০ থেকে ৫০ কোটি জনসংখ্যার পরও বাংলাদেশেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কাজের জন্য লোক আসবে ইনশাআল্লাহ!
, ১৯ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১১ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৫ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
দেশের ৪০ থেকে ৫০ কোটি জনসংখ্যা। বোঝা নয় বরং নেয়ামত। বদলে যাচ্ছে দেশের মানচিত্র। এভাবে বাড়তে বাড়তে একদিন অনেক বড় হবে বাংলাদেশ। খাদ্য রপ্তানী হবে। কারণ জমি বাড়ছে, খাদ্য উৎপাদনও বাড়বে বহুগুণ। সততার ভিত্তিতে চললে দেশ হবে সোনায় সোহাগা। বাংলাদেশে কাজের জন্য বিদেশ থেকে লোক আনতে হবে ইনশাআল্লাহ।
বিজ্ঞানীদের মতে, বঙ্গোপসাগরের নীল পানিরাশির তলদেশ হবে ‘প্রমিজড ট্রেজার অব দ্য ফিউচার’ বা ‘প্রতিশ্রুত ভবিষ্যৎ সম্পদভা-ার’। বিজ্ঞানীদের এ ধারণার সত্যতা মিলছে।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বিভিন্ন নদীর মোহনায় যে চর পড়েছে তা সুপরিকল্পিতভাবে সুরক্ষা ও উদ্ধার করা হলে অন্তত ১ লাখ বর্গকিলোমিটার ভূমি উদ্ধার করা সম্ভব হবে। যেসব এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে চর জেগে উঠছে সে এলাকায় ক্রসবাঁধ দিয়ে ভূমি উদ্ধার ও বনায়নের মাধ্যমে তা স্থায়ীকরণ সম্ভব হবে। নেদারল্যান্ডস এ পদ্ধতিতে বিপুল পরিমাণ জমি সাগরপ্রান্ত থেকে উদ্ধার করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা মতে, কক্সবাজার থেকে ৩০ কিলোমিটার সাগরের মধ্যে জেগে উঠেছে শুধু চর আর চর। সেসব চরে বেড়ে উঠছে সুন্দরবনের আদলে নতুন বন। বেড়ে উঠছে নতুন পর্যটন এলাকা। সাগরে কিছু অংশ ভেঙে যাচ্ছে, আবার কিছু জমি জেগে উঠছে। ভাঙা-গড়ার মধ্যে দিয়েই গড়ে উঠছে এ ‘প্যারাবন’। সুন্দরবনের মতোই এ বনের ভেতরে রয়েছে ছোট ছোট নদী। নদীর দুই পাশে জঙ্গল।
চর ডেভলপমেন্ট সংশ্লিষ্ট ও এনজিও কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, এসব বন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ছাড়াও ভবিষ্যতে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এসব বন হতে পারে দেশের বনজ সম্পদের অন্যতম উৎস। সুন্দরবন থেকে যেসব কাঠ শিল্পে জোগান দেয়া হয়, সেসব কাঠ এখান থেকে ভবিষ্যতে সংগ্রহ করা যাবে। সুন্দরবন যেমন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে রক্ষা করছে, তেমনই এ বনও দেশের পূর্বাঞ্চলকে ভবিষ্যতে রক্ষা করবে। হতে পারে পুষ্টি উৎপাদক, পানি শুদ্ধকারক, পলি সঞ্চয়কারী, ঝড় প্রতিরোধক, উপকূল স্থিতিকারী ও সম্পদের আধার। এমনকি হতে পারে নতুন পর্যটন কেন্দ্রও।
বন বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, ১৯৬৫ সালের দিকে বন করার লক্ষ্যে এ অঞ্চলে প্রথম গাছ লাগানো হয়। শুরু হয়েছিল কেওড়া দিয়ে। সমুদ্রের পানিতে লবণ বেড়ে যাওয়ায় এখন কেওড়া গাছ আর বাড়ছে না। বেশি হচ্ছে বাইন। বন বিভাগ কিছু এলাকায় লাগিয়েছে গোলপাতা। গোলপাতা ভালোই বাড়ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া আছে ছইলা ও ঝাউ। রয়েছে কেয়াকাটা গাছ। মাত্র ৫০ বছরে একেবার নতুন বনাঞ্চল তৈরি হয়েছে এখানে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০০-২০০১ মেয়াদে এখানে বনের পরিমাণ ছিল ১৩ হাজার একর। বন বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, বেশ কয়েক বছর আগে একটি ছোট চরের আড়াই একর জমিতে ৪ হাজার ৪৪৪টি গাছ লাগানো হয়েছিল। সেই চরের গাছের বীজ থেকে প্রাকৃতিকভাবে এখন হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার গাছ। এখানে আরও দুইশ একর জমিতে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করছে সরকারের বন বিভাগের।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তিন দশক আগেও বঙ্গোপসাগরের নীল পানিরাশির অংশ ছিল নোয়াখালীর চরনাঙ্গুলিয়া। সেটি এখন সমৃদ্ধ একটি গ্রাম। ১০০ বছর ধরে পদ্মা, মেঘনা আর ব্রহ্মপুত্রের বয়ে আনা কোটি কোটি টন পলি যোগ হচ্ছে এই ভূখ-ে। ২০১৬ সাল থেকে প্রতিবছর গড়ে বাংলাদেশে যুক্ত হচ্ছিল ১৬ বর্গকিলোমিটার ভূমি। ২০২৪ সালে এসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০০ বর্গকিলোমিটারে।
নোয়াখালীতেও বইছে উন্নয়নের জোয়ার। ক্রস ড্যাম প্রকল্পের মাধ্যমে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হবে ১০ হাজার হেক্টর ভূমি। এতে ব্যয় হচ্ছে ৫৮৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সহজ হবে যোগাযোগ ব্যবস্থা। ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পাবে কৃষিজমি, বাড়বে ফসলের উৎপাদন। স্থানীয় পর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। বাড়বে কর্মসংস্থান। সোজা কথায় গ্রামীণ অর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে।
জানা গেছে, নোয়াখালী জেলার মূল ভূখ-ের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে উড়িরচর। এই উদ্যোগ সফল করতে সমুদ্র থেকে প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর ভূমি পুনরুদ্ধারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই ভূমি পুনরুদ্ধারের জন্য উড়িরচর-নোয়াখালীতে নির্মাণ করা হবে ক্রস ড্যাম। নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ ও সুবর্ণচর উপজেলায় সাত কিলোমিটারেরও বেশি লম্বা ক্রস ড্যাম ও টাই বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে উড়িরচরের সঙ্গে নোয়াখালীর মূল ভূখ-ের স্থায়ী যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে। এ জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সমুদ্র হবে বাংলাদেশের সম্পদ। সমুদ্রের বুকে জেগে উঠছে লাখ লাখ একর জমি। এগুলোই হবে আগামী বাংলাদেশের সম্পদ।
‘দেশের মানুষ বাড়ছে কিন্তু জমি বাড়ছে না’- এ প্রচারণা দীর্ঘদিনের এবং অদূর ভবিষ্যতে ভয়ঙ্কর পরিণতির পরিণাম ব্যক্ত করে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়া বিভ্রান্তিমূলক জনসংখ্যা সঙ্কোচন নীতি প্রণয়ন করে। ‘ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট’- এই ভুল ও কুফরীমুলক তত্ত্ব প্রচার করে। পরবর্তী সরকারগুলো সে ধারাবাহিকতা বজায় রাখে। এমনকি এরশাদ এ নীতিতে অগ্রগামী হওয়ায় জাতিসংঘ পুরস্কারও লাভ করে। হালে এ প্রচারণার পালে আরো বাতাস লেগেছে। তারা সেøাগান দিচ্ছে- ‘দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়’। আর এসব প্রপাগান্ডার একটাই ভিত্তি- ‘দেশের মানুষ বাড়ছে কিন্তু জমি বাড়ছে না এক ছটাকও। সেইসাথে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের পানিবায়ু হুমকির মুখে। যার কারণে বাংলাদেশের একটি বিশাল ভূখন্ড সাগরে তলিয়ে যেতে পারে। কিন্তু আন্তর্জাতিক এই প্রতিবেদনটি যে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটি অপকৌশল তা প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। কারণ, ডুবে না গিয়ে উল্টো বাংলাদেশের পাশেই জেগে উঠছে বাংলাদেশের চেয়ে আরো অনেক বড় বা বিশাল ভূখন্ড।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যতক্ষণ তোমরা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদেরকে আঁকড়ে থাকবে ততক্ষণ উন্নতির শীর্ষে থাকবে। আর যখনই তা থেকে বিচ্যুত হবে তখনই লাঞ্ছিত ও পদদলিত হবে।”
উল্লেখ্য বর্তমানে দেশবাসীর মধ্যে ইসলামী আমল-আক্বীদার প্রবনতা কম। তাতেই এত রহমত। এত প্রাচুর্য। এত চুরি এত পাচার তারপরেও ভারত-আমেরিকার চেয়ে ভাল অবস্থান। সেক্ষেত্রে দেশবাসী যদি তওবা করেন, খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র জজবা ধারণ করেন।
তাহলে বাংলাদেশ এত বড় হতে পারে যে বর্তমান ৪০ থেকে ৫০ কোটি জনসংখ্যার পরও বাংলাদেশে এত সমৃদ্ধ হবে এবং বাংলাদেশীদের এত কাজের লোকের প্রয়োজন হবে যে বাংলাদেশেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কাজের জন্য লোক আসবে ইনশাআল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
“সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস” ব্যক্ত করার সরকারকে অবিলম্বে কুরআন শরীফে হারাম ঘোষিত শুকরের গোশত আমদানীর বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশি আম বাজারে আসার আগেই শুরু হয়েছে কথিত কেমিক্যাল অপপ্রচার : দেশীয় ফলের বিরুদ্ধে বিদেশী দালাল চক্রের এই অপপ্রচার রুখতে হবে।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ইউনিসেফ’ এর ভয়ংকর তৎপরতা। বাংলাদেশের শিশু ও শিক্ষার্থীদের পশ্চিমা দাস বানানোর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইউনিসেফ। (১)
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (৩)
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
৭১ এ তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধীতার নামে। তবে তারা ২০২৬- এ আমেরিকার আধিপত্যবাদী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় নামছে না কেন?
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মৃত আইন- “পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০”: অখ-তার পথে এক ঔপনিবেশিক কাঁটা
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে স্থলে, নদীতে, পাহাড়ে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে, বঙ্গোপসাগরে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না। হিন্দুস্থান টাইমস ও কুখ্যাত প্রথম আলো তথা ভারত আমেরিকার কুচক্রীরা একযোগে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে জনসচেতন হতে হবে ইনশাআল্লাহ। (৩য় পর্ব)
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রধানমন্ত্রীকে সাবধান থাকতে হবে- তার মন্ত্রী বা উপদেষ্টাদের দ্বারা যেনো দেশের ভাবমর্যাদা নষ্ট না হয়! বি.এন.পি ক্ষমতায় আসলেই দেশ, সন্ত্রাসবাদের ঝুকিতে পড়ে এই ধরণের প্রচারণার জন্য তথ্য উপদেষ্টার, ‘দেশে সন্ত্রাসবাদ আছে’- এই মিথ্যা উক্তিই কী যথেষ্ট নয়?
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আত্মঘাতী ঋণের কঠিন শর্তের বেড়াজালে আটকে যাচ্ছে সরকার। দেশবাসী কেনো নির্বিকার?
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পূর্ব তিমুর কেনো মুসলমানদের হারানো ভূমি? পূর্ব তিমুরের ঘটনা কী শিক্ষা দেয়। উপজাতিরা কেনো খ্রীস্টান হয়? উপজাতিরা কেনো মুসলমান হয় না? কেনো কঠিন হয়রানির মুখোমুখি হয়। স্বাধীন জুমল্যান্ড তথা খ্রীস্টান রাজ্য বানানোর বিপরীতে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানকে গর্জে উঠতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইউনুসের দেশদ্রোহীতার বয়ান : এক সাংবাদিকের জবানবন্দি (৩)
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে স্থলে, নদীতে, পাহাড়ে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে, বঙ্গোপসাগরে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না।
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












