সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (১৮)
, ১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
ফানা ও বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
لَا تَجِدُ قَوْمًا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ يُوَادُّونَ مَنْ حَادَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَلَوْ كَانُوا آبَاءَهُمْ أَوْ أَبْنَاءَهُمْ أَوْ إِخْوَانَهُمْ أَوْ عَشِيرَتَهُمْ أُولَئِكَ كَتَبَ فِي قُلُوبِهِمُ الْإِيمَانَ وَأَيَّدَهُمْ بِرُوحٍ مِنْهُ
অর্থ: “(আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি ওই ক্বওমকে যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের প্রতি ঈমান এনেছেন এবং পরকালের প্রতি ঈমান এনেছেন অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে আপনি কখনোই পাবেন না ঐ সকল লোকদের প্রতি মুহব্বত স্থাপন করতে। যারা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, শত্রুতা পোষণ করে। যদিও তারা উনাদের পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি, ভাই-বোন, জ্ঞাতি-গোষ্ঠী, পাড়া-প্রতিবেশী কিংবা যতই নিকটাত্মীয়-স্বজন হোক না কেন। উনারা হচ্ছেন ঐ ক্বওম যাঁদের অন্তর মুবারক-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি ঈমানকে লিপিবদ্ধ করে দিয়েছেন, মোহরাঙ্কিত করে দিয়েছেন।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা মুজাদালাহ্ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ২২)
আর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يُؤْمِنُ اَحَدُكُمْ حَتّٰـى اَكُوْنَ اَحَبَّ اِلَيْهِ مِنْ وَّالِدِهٖ وَوَلَدِهٖ وَالنَّاسِ اَجْمَعِيْنَ وَفِىْ رِوَايَةٍ اُخْرٰى مِنْ مَّالِهٖ وَنَفْسِهٖ
অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি এবং সমস্ত মানুষ থেকে আমাকে সবচেয়ে বেশি মুহব্বত মুবারক না করবে। সুবহানাল্লাহ! অপর বর্ণনায় রয়েছেন, নিজের ধন-সম্পদ এবং নিজের জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত মুবারক না করবে। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মুসনাদে আহমদ, মিশকাত শরীফ ইত্যাদি)
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মূলত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের পরিপূর্ণ মিছদাক্ব। উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উনাদের বাবা-মা, আহাল-ইয়াল, ছেলে-মেয়ে, সন্তান-সন্ততি, পাড়া-প্রতিবেশী, ধন-সম্পদ, আত্মীয়-স্বজন অর্থাৎ সমস্ত মানুষ থেকে সমস্ত কিছু থেকে এমনকি নিজের জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত মুবারক করতেন। প্রকৃতপক্ষে উনারাই হাক্বীক্বীভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বুলন্দী শান মুবারক উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। যার কারণে উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে হাক্বীক্বীভাবে ফানা-বাক্বা হয়ে উনার জন্য উনাদের ধন-সম্পদ ও সময় সমস্ত কিছু তো বিসর্জন দিয়েছেনই; এমনকি শেষ পর্যন্ত উনাদের জানটুকুও কুরবান করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! যেমন-
হযরত সুমাইয়্যাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
أَوَّلُ شَهِيدٍ كَانَ فِي الْإِسْلَامِ سيدتنا حضرت أُمُّ عَمَّارٍ سُمَيَّةُ رضى الله تعالى عنها طَعَنَهَا أَبُو جَهْلٍ بِحَرْبَةٍ
অর্থ: “সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম শহীদ হচ্ছেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু আম্মার সুমাইয়্যাহ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি। উনাকে কাট্টা কাফির আবূ জাহিল বর্শা দ্বারা আঘাত করে শহীদ করে।” না‘ঊযুবিল্লাহ! (দালাইলুন নুবুওওয়াহ্ লিল বাইহাক্বী ১৩১ নং পৃষ্ঠা)
কাজেই, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার রাস্তায় অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের জন্য সর্বপ্রথম যিনি সম্মানিত শাহাদাত মুবারক গ্রহণ করেন, তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত সুমাইয়্যাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি। উনার সম্মানিত আহাল হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি। উনার আওলাদ হচ্ছেন বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আম্মার রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি। উনার নাম মুবারক অনুযায়ী সাইয়্যিদাতুনা হযরত সুমাইয়্যাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি ‘সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু আম্মার রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা’ এই কুনিয়াত মুবারক গ্রহণ করেন। অন্য বর্ণনায় রয়েছেন, উনার আরেকজন আওলাদ ছিলেন- হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত সুমাইয়্যাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি যখন বার্ধক্যে উপনিত হন, তখন সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রকাশ ঘটেন। সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রকাশের শুরুর দিকেই তিনি, উনার সম্মানিত আহাল সাইয়্যিদুনা হযরত ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি এবং উনাদের আওলাদ হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি অর্থাৎ উনারা একসাথে গোপনে সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম ক্ববূল করেন এবং পরে উনারা প্রকাশ্যে সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। সুবহানাল্লাহ! কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে সর্বপ্রথম যে সকল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা প্রকাশ্যে সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন, উনাদের মধ্যে উনারা অন্যতম। সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত মুবারক-এ উনারা এমনই ফানা ও বাক্বা ছিলেন যে, উনারা মৃত্যুকে বিন্দুমাত্র পরোয়া করেননি। সুবহানাল্লাহ! উত্তপ্ত বালুকারাশির উপর শোয়ানো থেকে শুরু করে সর্বপ্রকার যুলুম-নির্যাতন উনাদের উপর করা হতো; কিন্তু উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত মুবারক-এ সবকিছু হাসি মুখে সহ্য করে নিতেন। সুবহানাল্লাহ!
মুশরিকগুলো উনাদেরকে প্রখর রৌদ্রে মরুভূমির উত্তপ্ত বালুকারাশির ওপর কখনো দাঁড় করিয়ে, কখনো শুইয়ে নির্মম নির্যাতন করত। প্রখর সূর্যতাপ এবং জ্বলন্ত বালুর দহনে উনাদের শরীর মুবারক ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যেতেন। আবার কখনো উনাদেরকে খালি গায়ে লোহার ভারী বর্ম পরিয়ে মরুভূমির প্রখর রোদের মধ্যে ফেলে রাখত। সূর্যের তাপে সেই লৌহবর্ম আগুনের ন্যায় উত্তপ্ত হয়ে যেতো। আর সেই উত্তপ্ত লৌহবর্মের স্পর্শে উনাদের শরীর মুবারক জ্বলে যেতেন। শুধু তাই নয়; কাট্টা কাফির আবূ জেহেল এবং বনু মাখযূম গোত্রের অন্যান্য কাফিররা মিলে উনাদেরকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম ত্যাগ করিয়ে পুনরায় শিরকের মধ্যে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে অবিরাম প্রহার করত, চাবুকাঘাত করত এবং নানাভাবে শারীরিক নির্যাতন চালাত।
কিন্তু এত সব নির্যাতন ও নিপীড়নের পরেও উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত মুবারক-এ গরক্ব থাকতেন। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عن حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ بِحَضْرَتْ عَمَّارٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَأَهْلِهِ وَهُمْ يُعَذَّبُونَ فَقَالَ أَبْشِرُوا آلَ عَمَّارٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَآلَ يَاسِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ فَإِنَّ مَوْعِدَكُمُ الْجَنَّةُ
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জা’ফর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন,) নিশ্চয়ই সাইয়্যিদুনা হযরত ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে, সাইয়্যিদুনা হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু আম্মার রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে যখন কষ্ট দেয়া হচ্ছিলো, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদের নিকট দিয়ে অতিক্রম মুবারক করার সময় ইরশাদ মুবারক করেন- ‘হে হযরত আম্মার রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার পরিবারগণ! হে হযরত ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার পরিবারগণ! আপনারা সুসংবাদ মুবারক গ্রহণ করুন। নিশ্চয়ই আপনাদের স্থায়ী ঠিকানা হচ্ছেন সম্মানিত জান্নাত মুবারক। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা আপনাদের প্রতি সন্তুষ্টি মুবারক প্রকাশ করছেন’।” সুবহানাল্লাহ! (মুস্তাদরকে হাকিম ৩/৩৮৮, কানযুল উম্মাল ১৩/৫২৯, তারীখে দিমাশক্ব লি ইবনে আসাকির ৪৩/৩৭১, তারীখুল ইসলাম লিয যাহাবী ১/২১৮ ইত্যাদি)
(অপেক্ষায় থাকুন)
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রসঙ্গ: খাতামুন নাবিয়্যীন শান মুবারক নিয়ে দেওবন্দীদের মনগড়া বক্তব্য ও লেখনীর দলীলভিত্তিক জবাব
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ইসমে যাত বা নাম মুবারক বারবার বলা ও লেখা সম্পূর্ণ আদবের খিলাফ (২য় পর্ব)
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (২৩)
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, আল হাদ্বির ওয়ান নাযির, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র জীবনী মুবারক
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চার খানা বিশেষ খুছূছিয়ত মুবারক (২)
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (২১)
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (২০)
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (১৭)
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (১৯)
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র জীবনী মুবারক আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৬)
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












