SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বাক্বা%' OR titleBn LIKE '%বাক্বা%' OR descriptionEn LIKE '%বাক্বা%' OR descriptionBn LIKE '%বাক্বা%' OR slug LIKE '%বাক্বা%' OR metaTag LIKE '%বাক্বা%' OR metaDescription LIKE '%বাক্বা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সাইয়্যিদাতুনা হযরত নুসাইবাহ্ বিনতে কা’ব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত নুসাইবাহ্ বিনতে কা’ব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট আনছার মহিলা ছাহাবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা। উনার সম্মানিত কুনিয়াত মুবারক হচ্ছেন ‘হযরত উম্মু উমারাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা’। তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার ‘বনূ নাজ্জার গোত্রে’ বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন। তিনি আকাবার দ্বিতীয় বাইয়াতের সময় সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি উহুদ, হুদায়বিয়াহ্, খাইবার, উমারাতুল কা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللّٰهُ يَخْتَصُّ بِرَحْمَتِهٖ مَنْ يَشَاءُ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে চান উনাকে রহমত মুবারক দ্বারা খাছ করে নেন।” (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ: ১০৫)
এই মহাসম্মানিত আয়াত শরীফ উনার হাক্বীক্বী ও পরিপূর্ণ মিছদাক্ব হচ্ছেন সাইয়্যিদাতুন নিসা, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে আখাছ্ছুল খাছ মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম হিসেবে মনোনীত করেই সৃষ্ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
“মুসনাদে বাজ্জার” কিতাবের ১ম খ-ের ২১৮ পৃষ্টায় উল্লেখ আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ: نَزَلَتْ هٰذِهِ الَلآيةُ فِيْ أَهْلِ قُبَاءٍ فِيْهِ رِجَالٌ يُّحِّبُوْنَ أَنْ يَتَطَهَّرُوْا, وَاللهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِيْنَ. فسألهم رسول الله صلى الله عليه و سلم فقالوا: إنا نتبع الحجارة الماء.
অর্থ: হযরত ইবনে আববাস রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, “মসজিদে কুবা শরীফ উনার অধিবাসীগণ উনাদের সম্পর্কে
فِيْهِ رِجَالٌ يُّحِّبُوْنَ أَنْ يَّتَطَهَّرُوْا وَاللهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِيْنَ.
এই আয়াত শরীফ নাযিল হয়। অর্থাৎ সেখানে (মসজিদে কুবা শরীফে) এমন অনেক লোক আছ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়া’ মূর্তি ধ্বংস করার নির্দেশ মুবারক
১ম দলীল :
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আমর ইবনে আছ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে একদল সৈন্যসহ হুযায়েল গোত্রের (سُوَاع) সুওয়া’ নামক বড় মূর্তিটি ধ্বংস করার জন্য প্রেরণ করেন।
২য় দলীল :
এটা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে রিহাত্ব নামক অঞ্চলে ছিলো। হযরত আমর ইবনে আছ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি সেখানে পৌঁছলে মন্দির প্রহরী বললো, ‘আপনারা কি চান?’ হযরত আমর ইবনে আছ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন,
أمرني رسول ال বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ ذَا الَّذِي يُقْرِضُ اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا فَيُضَاعِفَهُ لَهُ أَضْعَافًا كَثِيرَةً وَاللَّهُ يَقْبِضُ وَيَبْسُطُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ
অর্থ: “তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে, যে মহান আল্লাহ পাক উনাকে উত্তম ঋণ দিবে। মহান আল্লাহ পাক উনার পথে দান ছদকা করবে। অতঃপর মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে তা বহু বহুগুণে বাড়িয়ে দিবেন। বস্তত: মহান আল্লাহ পাক তিনি কাউকে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল ও অস্বচ্ছল করেন এবং উনার দিকেই তোমাদেরকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৪৫)
বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আফরা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার এবং উনার দুই কিশোর আওলাদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমা উনাদের বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত আফরা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি ছিলেন বিশিষ্ট আনছার মহিলা ছাহাবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা। উনার ৭ জন ছেলে সন্তান ছিলেন। বদরের সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার সময় তিনি জানতে পারলেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যেই নিকৃষ্ট লোকটি সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে, সেই কাট্টা কাফির আবূ জাহিল মুশরিকদেরকে নেতৃত্ব দিয়ে নিয়ে আসতেছে। তখন তিনি উনার দু’জ বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা-বাক্বার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মুবারক:
৩ জন বিশেষ সেনাপতি উনাদের বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
৮ম হিজরী শরীফ-এ সম্মানিত মুতার জিহাদ সংঘটিত হন। এই সম্মানিত জিহাদ মুবারক-এ পরপর ৩ জন বিশেষ সেনাপতি উনারা সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক গ্রহণ করেন। প্রথমে সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক গ্রহণ করেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ঘোষিত প্রথম সেনাপতি হযরত যায়েদ ইবনে হারিছাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি। উনার পর সম্মানিত পতাকা মুবারক হাতে নেন সম্মানিত দ্বিতীয় সেনাপতি হযরত জা’ফর ইবনে আবী ত্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَدَّ كَثِيْـرٌ مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَـرُدُّوْنَكُم مِّن بَـعْدِ إِيْمَانِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًا مِّنْ عِنْدِ أَنْـفُسهِم مِّنْ بَـعْدِ مَا تَـبَـيَّنَ لَهُمُ الْحَقُّ
“আহলে কিতাবের (ইহুদি-খ্রিস্টানদের) অনেকেই অর্থাৎ সমস্ত কাফেরেরাই চায় যে, তোমরা ঈমান আনার পর আবার তোমাদেরকে কাফির বানিয়ে দিতে, নিজেদের অন্তরের হিংসার কারণে, তাদের কাছে সত্য স্পষ্ট হওয়ার পরেও।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা: আয়াত শরীফ ১০৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে মুরীদ বা সালিকের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু আদব বর্ণনা করা হলো। বাকী আরো অনেক কিছু রয়েছে যা শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারক উনার মাঝে এসে শিখে নিতে হবে।
২১। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সাথে সময় ও সুযোগ বুঝে বিনয়ের সাথে কথা বলবে। উনার জবাব খুব মনোযোগ ও ভক্তিভরে শুনবে।
২২। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র আওলাদ-ফরযন্দ ও আহলে বাইত শরীফ উনাদেরকে উনারই জাত মুবারক হিসেবে উনার তুল্য সম্মান করবে। উনার আত্মীয়-স্বজন উনাদেরকেও পরম শ্রদ্ধা করবে। অন্যদিকে উনার সাথে ঘনিষ্ঠতার বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা-বাক্বার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত খুবাইব ইবনে আদী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত মূসা ইবেন উক্ববাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘মাগাযী’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন যে,
أَنَّ حَضْرَتْ خُبَيْبًا رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَحَضْرَتْ زَيْدَ بْنَ الدَّثِنَةِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قُتِلَا فِي يَوْمٍ وَاحِدٍ وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُمِعَ يَوْمَ قُتِلَا وَهُوَ يَقُولُ وَعَلَيْكُمَا أَوْ عَلَيْكَ السَّلَامُ
অর্থ: “হযরত খুবাইব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে এবং হযরত যায়দ ইবনে দাছিনাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে অর্থাৎ উ বাকি অংশ পড়ুন...












