আমরা মুসলমান। আমাদের সর্বক্ষেত্রে অনুসরণীয় হচ্ছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, মহাসম্মানি মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা। কেননা, উনারাই হলেন সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। আহার করার ক্ষেত্রেও উনাদেরকেই অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ মহাসম্মানিত সুন্নতী তরীক্বাহ মুবারকেই আহার করতে হবে।
দস্তরখানায় খাবার পড়ে গেলে তা উঠিয়ে খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে গত পরশু টেলিফোনালাপ করেছেন।
তিনি বলেছেন, তার দেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের আগ্রাসনের সময় মুসলিম দেশগুলোর বাকি অংশ পড়ুন...
মদ ও জুয়া সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
یَسْـَٔلُوْنَكَ عَنِ الْخَمْرِ وَالْمَیْسِرِ قُلْ فِیْهِمَاۤ اِثْمٌ كَبِیْـرٌ وَّمَنَافِعُ لِلنَّاسِ وَاِثْمُهُمَاۤ اَكْبَـرُ مِنْ نَّـفْعِهِمَا كَذٰلِكَ یُـبَـیِّنُ اللّٰهُ لَكُمُ الْاٰیٰتِ لَعَلَّكُمْ تَـتَـفَكَّرُوْنَ
“(ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) লোকেরা আপনাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্জেস করে। আপনি বলে দিন, ‘দু’টোর মধ্যেই আছে মহাপাপ বা মহাক্ষতি এবং মানুষের জন্য (সামান্য) উপকার; আর এ দু’টোর পাপ বা ক্ষতি উপকারের চাইতে অনেক বড় ও বেশী। এভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ তোমাদের জন্য সুস্পষ্টভা বাকি অংশ পড়ুন...
সন্ধিচুক্তি এবং সন্ধির শর্তসমূহ:
(হযরত সুহাইল বিন ‘আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তখনও পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেননি, পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের পর উনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন।)
উনাকে প্রেরণের সময় কুরাইশরা এ পরামর্শ দিলো যে, সন্ধিচুক্তিতে অবশ্যই এ চুক্তিটি উল্লেখিত হবে যে, এ বছর পবিত্র ওমরাহ পালন না করেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সঙ্গী সাথীদের নিয়ে পবিত্র মদীনা শরীফে প্রত্যাবর্তন করবেন, যাতে পবিত্র মক্কা শরীফ উনার লোকেরা এমন চিন্তার অবকাশ না পায় যে, নূরে মুজাসস বাকি অংশ পড়ুন...
৫ম হিজরী শরীফের শেষ অর্থাৎ ৬ষ্ঠ হিজরী শরীফের পবিত্র মুর্হরমুল হারাম শরীফে এই ইফক্বের ঘটনাটা ঘটে। মানুষ অর্থাৎ মুনাফিক্বরা এটা প্রচার করে। নাউযুবিল্লাহ! এক মাসেরও বেশি সময় এই কাফির মুশরিকরা চূ-চেরা, কীল-কাল করে, এরপরেই পবিত্র সূরা নূর শরীফ উনার ১১ থেকে ২০, পরে ২১ থেকে ২৬, ১০ এবং ৬ মোট ১৬ খানা পবিত্র আয়াত শরীফ যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নাযিল করে সমষ্টিগতভাবে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের আর ব্যক্তিগতভাবে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাহাস সালাম উনাদ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গোলামী মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার জন্য আরশ, কুর্সী, লৌহ, ক্বলম সারা কায়িনাত সৃষ্টি করা হয়েছে। উনার শান-মান প্রকাশের জন্য আরশে আযীম সৃষ্টি করা হয়েছে। তাহলে তিনি আগে থেকেই তো সৃষ্টির ঊর্ধ্বে। উনার তরফ থেকে আরশে আযীমে নিয়ামত মুবারক যাহির হচ্ছে। আর সেখান থেকে সারা কায়িনাতে ছড়িয়ে পড়ছে। সুবহানাল্লাহ!
আরশ, কুর্সী, লৌহ, ক্বলম উনার সম্মানার্থে সৃষ্টি। তাহলে উনি এগুলোর অধীন হবেন কেন?
সমস্ত সৃষ্টির ঊর্ধ্বে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আল বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্)
(পূর্বপ্রকাশিতের পর)
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৫ হিজরী শরীফ উনার মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতুল জুমু‘আহ্ শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “ইদানিংকালে দেখা গেছে অতীতের অনেক আওলিয়ায়ে কিরাম, চিনা-অচিনা, জানা-অজানা উনারা অনেকে আসেন, ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
কয়েকদিন আগে হযরত আব্দুল হক্ব মুহাদ্দিছ দেহলব বাকি অংশ পড়ুন...
৭০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুছাফা মুবারক نُوْرُ التَّبَارُكِ مُبَارَكٌ নূরুত্ তাবারুক মুবারক
৭১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুয়ানাকা মুবারক نُوْرُ النَّظَافَةِ مُبَارَكٌ নূরুন নাযাফাত মুবারক
৭২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র স্পর্শ মুবারক نُوْرُ التَّبَرُّكِ مُبَارَكٌ নূরুত তার্বারুক মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا كَانَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ وَمَنْ حَوْلَهُمْ مِّنَ الْأَعْرَابِ أَنْ يَّتَخَلَّفُوا عَنْ رَّسُولِ اللهِ وَلَا يَرْغَبُوا بِأَنْفُسِهِمْ عَنْ نَّفْسِهٖ
অর্থ : আরব, আজম কারো জন্য জায়েয হবে না শাহিদুন নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পিছিয়ে থাকা এবং উনার থেকে নিজেকে বেশী প্রধান্য দেয়া। (পবিত্র সূরা তওবা : আয়াত শরীফ ১২০)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নিজের পিতা- বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ইলমে তাছাউফ উনার মূল বিষয় হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার মত মুবারক অনুযায়ী হওয়া, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথ মুবারক অনুযায়ী হওয়া।
যেহেতু মহান আল্লাহ পাক উনাকে সরাসরি পাওয়া যাবে না, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেও সরাসরি পাওয়া যাবে না। সেহেতু যিনি নায়িবে নবী, ওয়ারিছে নবী-উলিল আমর উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে এবং উনার আদেশ-নিষেধ মুবারক পালন করে রিদ্বায়ে মাওলা, রিদ্বায়ে রসূল, রিদ্বায়ে মুর্শিদ কিবলা উনাদের হাছিল করতে হবে।
এক্ষেত্রে বাকি অংশ পড়ুন...












