মন্তব্য কলাম
শীর্ষ বিশ্ব সন্ত্রাসী বর্বর ইসরাইল ফিলিস্তিনে জাতিগত নিধন প্রায় শেষ করে আবারো আন্তর্জাতিক আইন লংঘন করে এখন ইরানে সন্ত্রাসী হামলা করে যাচ্ছে জাতিসংঘ তথা ইহুদীসংঘ কাফিরদের মুখপাত্র হিসেবেই তাদের মুখ বন্ধ করে আছে
, ০২ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
সব কাফির রাষ্ট্র সন্ত্রাসী ইসরাইলকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে
অপরদিকে মুসলিম বিশ্ব নিস্ক্রিয় থেকে নিজেদের কলঙ্কিত করছে
এমন আত্মঘাতী পরিক্রমায় ইসরাইল ভারত আতাঁত পার্শ্ববর্তী মুসলিম দেশেও আক্রমণ করতে পারে
পক্ষান্তরে মুসলিম বিশ্ব এক হলে কাফির বিশ্ব কচুকাটা হবে ইনশাআল্লাহ।
সম্মানিত হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে সব কাফির এক। এই সভ্যতা প্রমাণ করে ইরান-ইসরায়েলের চলমান সংঘাত ইস্যুতে বিবৃতি দিয়েছে বিশ্বের খাছ কাছের সাত দেশের জোট জি-৭। কানাডায় চলমান জি-৭ সম্মেলনে জোটটির নেতারা কার্যত ইসরায়েলের পক্ষই নিল।
এই জোটটির সদস্য রাষ্ট্রগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা ও ইতালি।
এদিকে ফিলিস্তিনে ইসরাইলের লাগাতার হামলা যখন জাতিগত নিধনের আশঙ্কাকে স্পষ্ট করে তুলেছে, ঠিক সেই সময় নজিরবিহীন সামরিক হামলা চালিয়েছে ইসরাইল ইরানের ওপর। এককভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুললেও, ইরান এখন বিশ্বমঞ্চে প্রায় নিঃসঙ্গ। ধ্বংস হয়েছে বহু সামরিক স্থাপনা, প্রাণহানি হয়েছে বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে, তবুও মুসলিম বিশ্ব রয়েছে রহস্যজনক নীরবতায়।
কারণ, ফিলিস্তিনের পাশে আরব দেশগুলো যেমন সরাসরি দাঁড়ায়নি, তেমনি ইরানের দুঃসময়ে উপসাগরীয় মিত্ররাও কেবল দায়সারা বিবৃতি দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেছে। সৌদি আরব, কাতার, ওমান ও কুয়েত ইসরাইলি আগ্রাসনের নিন্দা করলেও কার্যত তারা ইসরাইল ও তার মিত্রদের নীরব সমর্থক হিসেবেই রয়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পুরনো মিত্র হিজবুল্লাহ, হুতি ও হামাসও এখন বেশ দুর্বল অবস্থানে। মার্কিন ও ইসরাইলি বিমান হামলায় হুতিদের সামরিক সক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে, হিজবুল্লাহর নেতৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়েছে, আর সিরিয়া থেকেও ইরান তার সেনা সরিয়ে নিয়েছে। ফলে কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছে না তেহরান।
২০২০ সালে ‘আব্রাহাম চুক্তি’-র মাধ্যমে ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কোসহ কয়েকটি আরব দেশ। সৌদি আরবও একই পথে হাঁটতে পারে বলে অনুমান অনেকের। এই প্রেক্ষাপটেই ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরাইলে হামলা চালায় বলে অনেকে মনে করেন।
বর্তমানে উপসাগরীয় দেশগুলো মার্কিন ও ইসরাইলি প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আগ্রহী হয়ে উঠেছে। ফলে তারা ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান না নিলেও নীরব দর্শকের ভূমিকায় থেকে যাচ্ছে।
ইরান এখন অস্তিত্ব রক্ষার এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলো যখন আগ্রাসনকে সমর্থন করছে, তখন মুসলিম বিশ্বের এই নীরবতা নিঃসন্দেহে ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে - যদি ফিলিস্তিনের পর ইরানও একই পরিণতির শিকার হয়।
ইরান প্রতিশোধ নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে এবং সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় শক্তির ঘাঁটিগুলোতেও হামলার হুমকি দিচ্ছে। বিষয়টি ইরানি নেতাদের জন্য এখন পর্যন্ত ‘বজ্র আঁটুনি, ফস্কা গেঁড়ো’। কারণ, তারা ইসরাইলে হামলা করলেও তাদের যে পরিমাণ ক্ষতি ইসরাইল করেছে তার তুলনামুলক কোনো স্থাপনায় হামলা করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে তাদের মধ্যে শুধু ক্ষোভই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতি শুধু ইসরাইল ও ইরানের ব্যাপার নয়- এটি গোটা মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি নৈতিক ও রাজনৈতিক পরীক্ষা। কিন্তু এই পরীক্ষায় মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব ব্যর্থ হচ্ছে।
যখন গাজার এক শিশু ধ্বংসস্তূপে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায়, তখন কিছু মুসলিম রাষ্ট্রের মুখ থেকে যৎসামান্য ‘দুঃখ প্রকাশ’ ছাড়া কিছু শোনা যায় না। আর যখন তেহরান, ইসফাহান বা কেরমানশাহে বিপুল পরিমাণ সাধারণ মানুষ নিহত হয়, তখনও একই নীরবতা। অথচ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সংহতি, কূটনৈতিক চাপ এবং সম্মিলিত অবস্থানই যুদ্ধ প্রতিহত করার প্রধান উপায়। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, তুরস্ক- মুসলিম বিশ্বের এই প্রধান শক্তিগুলো নিজেরা বিভক্ত, স্বার্থপর এবং পশ্চিমা ব্লকের কৌশলগত অংশীদার। কেউ কেউ হয়তো মৌখিকভাবে ইসরাইলের হামলার নিন্দা করেছে, কিন্তু তা রাজনৈতিক বলপ্রয়োগ বা কার্যকর কূটনৈতিক অবস্থানে রূপ নেয়নি।
সৌদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলে ইসরাইলি হামলার নিন্দা করেছেন- এ যেন নৈতিক দায় মেটানোর এক ধরনের ‘দায়িত্ব পালন’। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন আগেই ইসরাইলের সঙ্গে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। সুতরাং, তাদের পক্ষে ইরানের পক্ষে সরাসরি অবস্থান নেওয়া কল্পনাতীত।
এই পরিস্থিতি নতুন নয়। মুসলিম বিশ্বের এই অনৈক্য, বিভাজন এবং আত্মঘাতী কূটনীতি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলছে। ১৯১৬ সালের সাইকস-পিকো চুক্তি, ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন বিভাজন, ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন হামলা- প্রতিটি পর্বেই মুসলিম রাষ্ট্রগুলো নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে লিপ্ত থেকে বড় শত্রুকে প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফিলিস্তিনের ইস্যুতে আজও একটি অভিন্ন মুসলিম অবস্থান তৈরি হয়নি। কেউ হামাসকে সন্ত্রাসী বলে, কেউ গাজায় মানবিক সহায়তা পাঠায়; কিন্তু কেউই একটি সম্মিলিত রাজনীতিক চাপে ইসরাইলকে প্রতিহত করতে পারেনি।
ইরান যদি একটি পশ্চিমা মিত্র দেশ হতো, তাহলে ইসরাইলের এই হামলাকে জাতিসংঘে ‘যুদ্ধাপরাধ’ ঘোষণা করা হতো। কিন্তু বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের নীতিমালা শুধু শক্তিশালী রাষ্ট্রের জন্য প্রযোজ্য নয়। এখানেই মুসলিম বিশ্বের দুর্ভাগ্য- তারা নিজেদের জনসংখ্যা, অর্থনীতি ও ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এক বড় শক্তি হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিকভাবে তুচ্ছ।
যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ও ফ্রান্স ইতিমধ্যে ইসরাইলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, যদিও ইউক্রেন যুদ্ধের সময় তারা রাশিয়াকে আন্তর্জাতিক আইন ভাঙার জন্য দায়ী করেছিল। মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর উচিত ছিল এই দ্বিচারিতা তুলে ধরা এবং সম্মিলিতভাবে বিশ্ব ফোরামে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া- কিন্তু তারা তা করেনি।
এই প্রশ্নটি বারবার উঠে আসছে: মুসলিম উম্মাহ কি আদৌ কোনো বাস্তব কাঠামো? ওআইসি কি আজ সত্যিকার অর্থে কোনো কার্যকর সংগঠন? যদি ইরাক, সিরিয়া, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন, আফগানিস্তান ও ইরান- সবখানে মুসলিমের রক্ত ঝরে, আর মুসলিম রাষ্ট্রনেতারা চুপ থাকেন- তবে এই উম্মাহ কি কেবল ধর্মীয় রোমান্টিকতাবাদে আবদ্ধ? সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে হয়তো একধরনের সহমর্মিতা রয়েছে, তারা বিক্ষোভ করেন, দোয়া করেন, তহবিল পাঠান। কিন্তু রাষ্ট্রীয় নীতিতে তার প্রতিফলন নেই।
মুসলিম বিশ্বের উচিত এখনই নতুন করে চিন্তা করা- কিভাবে একটি বাস্তব ও কার্যকর মুসলিম জোট গড়ে তোলা যায়। ওআইসিকে ঢেলে সাজাতে হবে, শুধুমাত্র বিবৃতিমুখী নয়, বরং সিদ্ধান্ত কার্যকর করার ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সংগঠনে রূপান্তর করতে হবে। তুরস্ক, ইরান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও কাতার- এই দেশগুলো মিলে একটি বিকল্প কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট গঠন করতে পারে, যেখানে যুদ্ধ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত অবস্থান নেওয়া হবে।
মুসলিম বিশ্ব আজ অকার্যকর, নীতিহীন ও নিরুপায় এক অবস্থায় দাঁড়িয়ে। এই দুর্বলতা শুধু বাহ্যিক নয়, এটি রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, ঐক্যবোধ ও কৌশলগত দিশাহীনতার ফল। এখনই সময়- এই অনৈক্য, নির্লিপ্ততা ও আত্মঘাতী নীরবতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার, মুসলিম উম্মাহকে একটি কার্যকর রাজনৈতিক বাস্তবতায় রূপ দেওয়ার। না হলে ভবিষ্যতে আরও অনেক তেহরান, গাজা, বাগদাদ, বা দামেস্ক ধ্বংস হবে- আর আমরা শুধু শোক বার্তা দিয়ে দায়িত্ব শেষ করব।
যদি এ মুহূর্তে মুসলিম রাষ্ট্রগুলো ইরানের পাশে না দাঁড়ায়, আর ইরান এই যুদ্ধে পরাজিত হয়, তখন অবশ্যই ইসরায়েলের মুসলিম রাষ্ট্র ধ্বংসের পথ আরও সুগম হয়ে যাবে, এবং তারা নতুন মুসলিম রাষ্ট্রে আগ্রাসনের ঝাঁপিয়ে পড়বে। ফিলিস্তিনকে ধ্বংসের পর তারা যেভাবে লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেনকে টার্গেট করেছে, তার ধারাবাহিকতায় একসময় দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোও তাদের রাডারে আসবে। আর এই পরিকল্পনায় ইসরায়েলের পাশে যে দেশটি শতভাগ নিশ্চিতভাবে থাকবে, সে দেশটি হলো উগ্র হি’ন্দু’ত্ব’বাদের দেশ ভারত, যারা কথায় কথায় বাংলাদেশকে নিজেদের পূর্বপুরুষের ভূমি হিসেবে দাবি করে।
প্রসঙ্গত, ভারত ও ইসরায়েলের কৌশলগত সম্পর্ক এখন বহু পুরোনো। সামরিক চুক্তি, গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, সবকিছুতেই তারা একে অপরের ঘনিষ্ঠ মিত্র। ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দীর্ঘদিন ধরে একটি দাবিকে মনেপ্রাণে লালন করে আসছে, যে “বাংলাদেশ তাদের পূর্বপুরুষদের ভূমি।” উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির র’ক্ত’পি’পাসু নেতারা এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, বাংলাদেশ নাকি অখ- ভারতের একটি অংশ ছিল এবং ভবিষ্যতে সেই অংশ তারা ফিরিয়ে আনার ঘোষণাও দিয়ে রেখেছে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ভারতকে সুযোগ করে দিচ্ছে। যখন বিশ্বমিডিয়া ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে ব্যস্ত থাকবে, তখন ভারত ইসরায়েলের সামরিক প্রযুক্তির সহায়তায় বাংলাদেশের পূর্ব সীমান্তে সামরিক চক্রান্ত বাস্তবায়নে নেমে পড়তে পারে।
ইতিহাস বলে, মুসলিম উম্মাহ যখন বিভক্ত থাকে, তখন তাদের পতন অবশ্যম্ভাবী হয়। আজ যদি আমরা ইরানকে দূরে ঠেলে দিই, কাল সেই আগুন আমাদের ঘরেও আসবে। পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরব, যারা মুসলিম নেতৃত্ব দাবি করে, তারা যদি আজ কূটনৈতিক এবং সামরিকভাবে ইরানের পাশে না দাঁড়ায়, তাহলে আগামীর ই’সরাইলি বাহিনীর নৃ’শং’স আগ্রাসনের নিশানা হতে পারে তারাও, এমনকি বাংলাদেশও।
কারণ বাংলাদেশ একটি কৌশলগত ভূখ-। চীন ও ভারত উভয়ের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু যদি মুসলিম বিশ্বের ঐক্য না থাকে, তাহলে ভারত-ইসরায়েল জোট খুব সহজেই এ অঞ্চলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারে। তখন আর প্রতিরোধের সুযোগ সহজ থাকবে না।
মুসলিম বিশ্বকে স্মরণ রাখতে হবে, ফিলিস্তিনে জাতিগত নিধন প্রায় সম্পন্ন। এবার ইরানের পালা! অথচ পাশে নেই মুসলিম বিশ্ব! বিশ্বের অশান্তিকামী রাষ্ট্রটি ইরানেও কথিত পরিবর্তনে আরব বসন্তের সূচনা করার ষড়যন্ত্র করছে। ইরাক সে কবেই হারিয়েছে তার সম্ভ্রান্ত জাতিসত্তার গৌরব। লিবিয়ার গাদ্দাফি সরব হয়েছিলেন আফ্রিকার দেশে দেশে পশ্চিমাদের সাম্রাজ্যবাদের নখর উপরে দিতে। আফ্রিকান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোকে নিয়ে অভিন্ন মুদ্রা “স্বর্ণ দিনার” চালুর কথা জোরে-শোরে ঘোষণা দিয়ে মাঠেও নামেন তিনি। যার পরিণতি তাকে ভোগ করতে হয়েছে মুসলিম বিশ্বের অসহযোগিতার কারণে। সিরিয়ার ভাগ্যেও ব্যতিক্রম হয় নি। কথিত আরব বসন্তের নামে বাশার আল আসাদের ক্ষমতাচ্যুতি নিকট অতিতের ঘটনা। বাশার আল আসাদ প্রাণে বেঁচেছেন বটে। তবে সিরিয়া আজ ক্ষুধা, দারিদ্র্য আর গৃহযুদ্ধ কবলিত এক জনপদে পরিণত হয়েছে। এবার মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিধর ইরানকেও মুছে দেবার চেষ্টা চলছে। তবুও যদি মুসলিম বিশ্বের টনক না নড়ে তাহলে বিশ্বের মুসলমানদের করুণ পরিণতি ভোগ করতে হবে। (নাউজুবিল্লাহ)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
১৯৯০ সালে কাঁচা চামড়া রফতানীর নিষিদ্ধ করণের প্রেক্ষাপট বর্তমানে নেই। এ মুহুর্তে কাঁচা চামড়া রফতানীর অনুমোদন বর্তমান সংকটকে অনেকটাই কমাতে পারে।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কুরবানী আসে-যায় মৌসুমী কসাইরা অরক্ষা আর অবহেলাতেই থেকে যায়। তাদের অনেকে আহত হয়, পঙ্গু হয়, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়- মৌসুমী কসাইদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি ঈদুল আদ্বহায় বিশেষ স্বাস্থসেবা চালু করা দরকার।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ ও নমরুদী মশার প্রতিশোধের এক চরম ইহুদী-নাসারায়ী নীলনকশা!
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিদ্যুতের বিল বার বার বাড়ানো শোষক জমিদারি কায়দায় চক্র বৃদ্ধি হারে খাজনার চাবুক মারা অথচ বিদ্যুতে শুধু চুরি নয়, সব দিক থেকে সাগর চুরি হচ্ছে। সে চুরির ক্ষত পোষাতে জনগণের উপর খাজনা বৃদ্ধি করে চোরদের উৎসাহ ও প্রনোদনা এবং নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সে যুগেও হুসাইন আহমদকে ইহুদীদের দালাল, হিন্দুদের কংগ্রেসের পা চাটা- গোলাম প্রচারণা করা হলেও থানভী গংরা তা বুঝতে পারলো কৈ? আজকে পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার মসজিদ ভাঙ্গা ও লাখ লাখ মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ধ্বংস, হিন্দুত্ববাদ গ্রহণে বাধ্য করার মত মহা জুলুমের মূলে হোসেন আহমদের সর্ব ভারতীয় জাতীয়বাদ।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আকাশের অতন্দ্র প্রহরী: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও আবহাওয়া রাডার অবকাঠামোর মহাপরিকল্পনা কেন জরুরি? (১ম পর্ব)
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর ২০২৫) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কিন্তু গতকাল গুগল, ফেইসবুকে অসংখ্য আইডি থেকে প্রচারিত- ‘তারেক রমমান নারিকেল দ্বীপ (সেন্টমার্টিন দ্বীপ) আমেরিকাকে দিয়ে দিয়েছেন নারিকেল দ্বীপ এখন মার্কিন ঘাটি হবে’- ইত্যকার প্রচারণা দেশবাসীকে হতভম্ব করছে। সর্বপোরি সরকারের দলীয় বা প্রশাসনের তরফ থেকে এটাকে গুজব না বলায়- হতাশা চরম আকার ধারণ করেছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বর্বর আম্রিকা আর সন্ত্রাসী ইসরাইলের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কিন্তু মুসলিম দেশ ইয়েমেন থেকে শুরু করে সোমালিয়া-লিবিয়া হতে সুদানে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ চালিয়ে রাখছে আরব-আমিরাত ভয়াবহ মানবেতর সংকটে সুদান, সহিংসতা-রোগ-দুর্ভিক্ষে দিশাহারা মানুষ সুদানের রক্তপাত বন্ধে মুসলিম বিশ্বকে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে এক্ষুনি
২১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে এক শতাংশ ছাড়! এ কেমন কালোচুক্তি? প্রকৃতপক্ষে গোলামীর চুক্তি
২০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
৭১ এ তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধীতার নামে। তবে তারা ২০২৬- এ আমেরিকার আধিপত্যবাদী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় নামছে না কেন? ভারত বাংলাদেশ চুক্তিকে তারা গোলামীর চুক্তি বলে কঠিন আওয়াজ তুলেছিলো!
১৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানদের পবিত্র কুরবানী আয়োজনে নগর ব্যবস্থাপনা সমন্বয়ের অভাব কোথায়? পশু কুরবানির হাট বসানোর অবৈধ তকমার আড়ালে এক নীরব সংকট!
১৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












