আমেরিকা থেকে বোয়িং কিনতে বাংলাদেশের বাজেট ৫০ হাজার কোটি টাকা চীন থেকে যুদ্ধ বিমান কিনতে বাংলাদেশের বাজেট ৩০ হাজার কোটি টাকা
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
ইরানের ২০ হাজার ডলারের ড্রোন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ৪০ লাখ ডলার ইরানের ড্রোন কৌশল থেকে শিক্ষা নিতে হবে বাংলাদেশকেও (২য় পর্ব)
, ২৫ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১০ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
স্টেলথ ড্রোন আধুনিক স্টেলথ জঙ্গি বিমানের চাইতে অনেক কম খরচে বানানো ও চালানো যায়, কিন্তু একটি কমব্যাট এয়ারক্র্যাফটের প্রায়-সব কাজই একে দিয়ে করানো যায়। ফলে যেসব দেশের হাতে অনেক টাকা নেই তারাও তাদের আকাশসীমা রক্ষা এবং আকাশে আধিপত্য বজায় রাখার লড়াইয়ে স্টেলথি ইউক্যাভ ব্যবহার করতে পারে। এর ফলে ওসব দেশ তাদের ব্যয়বহুল জঙ্গি বিমানের সংখ্যাও কমিয়ে ফেলতে পারে। কোন কোন দেশ চালকবিহীন জঙ্গি বিমান নিয়ে কাজ করছে।
চীনের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এ উপলক্ষে আয়োজিত সামরিক প্যারেডে দেশটি প্রথমবারের মতো তাদের শার্প সোর্ড জিজে-১১ লিচিয়ান স্টিলথ কমব্যাট ড্রোন প্রদর্শন করে। এর আগে দেশটি পরীক্ষামূলকভাবে নির্মিত যেসব ড্রোন দেখিয়েছিল, অক্টোবর প্যারেডে প্রদর্শিত ড্রোনটি সেগুলোর চাইতে একেবারেই আলাদা।
এবার দেখা যাক রাশিয়া কী করছে ড্রোন নিয়ে। গত জুলাই মাসে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি ফুটেজ প্রকাশ করে। এতে তাদের নির্মিত সু-৭০ অখোনিক (হান্টার) নামের স্টিলথ কমব্যাট ড্রোনের পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন দেখানো হয়। চীনের জি জে-১১ এর চাইতে এটি অনেক বড়। এর ওজন প্রায় ২০ টন। এর পাখার দৈর্ঘ্য ২০ মিটার এবং এটি ঘণ্টায় এক হাজার কিলোমিটার গতিতে উড়তে পারে। এটিও সু-২৭ জঙ্গি বিমানের মতোই এআই-৩১ টারবোফ্যান ইঞ্জিন দিয়েই চলে। তবে তফাৎ হলো সু-২৭ জঙ্গি জেটে ইঞ্জিন লাগে দু’টো আর নতুন উদ্ভাবিত ড্রোনে একটি ইঞ্জিনেই কাজ চলে।
চলমান ইরান যুদ্ধে উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে অত্যাধুনিক সব যুদ্ধবিমান। তবে এগুলো এমন এক শত্রুর মোকাবিলা করছে, যার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য এই যুদ্ধবিমানগুলো তৈরি করা হয়নি। মূলত ইরান থেকে ধেয়ে আসা নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া ধীরগতির অসংখ্য ড্রোন বা ড্রোনের ঝাঁক ধ্বংস করতেই এসব যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ড্রোন প্রতিহত করার ক্ষেত্রে উপসাগরীয় দেশগুলোর এখন প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে যুদ্ধবিমান। যদিও এগুলো বেশ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে, তবে দিনরাত যুদ্ধবিমান দিয়ে এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বজায় রাখা আর্থিক দিক থেকে যেমন ব্যয়বহুল, তেমনি পাইলট ও যুদ্ধবিমানের ওপরও অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।
‘সেন্টার ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড ইমার্জিং টেকনোলজিস’-এর গবেষক ও পেন্টাগনের সাবেক উপদেষ্টা বলে, ‘যুদ্ধ বিমান কোনোভাবেই দীর্ঘ মেয়াদে চালিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।’
উপসাগরীয় দেশ ও তাদের মিত্ররা এখন এক কঠিন সমস্যার মুখোমুখি। ইরানের ড্রোনগুলো বেশ সস্তা; কিন্তু সেগুলো ধ্বংস করতে যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
মশা মারতে কামান দাগানো পরিস্থিতি
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস) তথ্য অনুযায়ী, ইরানের অস্ত্রাগারের প্রধান শক্তি ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোনের একেকটির দাম ২০ থেকে ৫০ হাজার ডলার। অথচ মাত্র একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান এক ঘণ্টা আকাশে ওড়াতেই খরচ হয় ২৫ হাজার ডলারের বেশি।
যুদ্ধবিমান আপনার প্রতিরক্ষাব্যবস্থার অংশ হতে পারে; কিন্তু ভিত্তি নয়। শত্রু যদি শত শত সস্তা ড্রোন ছোড়ে আর সেগুলো লাখ লাখ ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ধ্বংস করা হয়, তবে দীর্ঘ মেয়াদে এই কৌশলে কাজ করবে না।
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
তবে কি সাবেক সরকারের অসমাপ্ত ষড়যন্ত্রের সমাপনীর পথেই হাঁটতে চাইছে বর্তমান সরকার?
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলিম দেশগুলোর উচিৎ মক্কা চুক্তিকে আরো বিশুদ্ধ ও বিস্তৃত করা যাতে ভারতের গোস্বা এত বাড়ে যে তাদের গোস্বার অনলেই তারা জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সুবিশাল এই বাজারে প্রবেশে অনেকটাই ব্যর্থ বাংলাদেশ।
৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যুদ্ধাস্ত্রের স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও নিরবচ্ছিন্ন গোলাবারুদ উৎপাদন
২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত পবিত্র কুরআন শরীফ উনার আলোকে- সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ উনাদের বেমেছাল ফযীলত মুবারক বর্ণনা।
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
“পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ”, “পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ”, “পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ” “পবিত্র ঈদে নূরুত তাশরীফে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম”
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
‘সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ’, ‘সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম’, ‘সাইয়্যিদে ঈদে আকবর’ ‘পবিত্র ঈদে নূরুত তাশরীফে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’।
২২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরে বাধ্য করতে। ভারতীয় নীল নকশা বুঝে নিতে। ভারত ছাড়া বাংলাদেশের চলবে। কিন্তু ভারতের বাঁচতে হলে বাংলাদেশকে লাগবে।
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ন্যাটোর ধারা ৫ এ বলা হয়েছে- যদি ন্যাটোভুক্ত কোনো সদস্য দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হয়, তবে সকল সদস্য দেশ এটিকে নিজেদের উপর হামলা হিসেবে গণ্য করবে এবং আক্রান্ত দেশকে সাহায্য করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, যার মধ্যে সশস্ত্র শক্তি প্রয়োগও অন্তর্ভুক্ত। অথচ শক্তিশালী মুসলিম দেশগুলো ন্যাটোর বিপরীতে মহা অধিকতর সামরিক জোট কঠিন করে কাফির বিশ্বে নিজেদের শক্তিমত্তা সর্ম্পকে জানান দেয়না। নাউযুবিল্লাহ! প্রসঙ্গত অধিকাংশ মুসলিম শাসকগুলো প্রবৃত্তির দাস সাম্রাজ্যবাদীদের ক্রীড়ানক। কিছু মুসলিম শাসক মুসলিম বিশ্বের সামরিক জোটের কথা বলা শুরু করেছে। তবে এটি আন্তরিক বা জোরদার নয়। এবং সব মুসলিম শাসকেরও বক্তব্য নয়।
১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












