SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আইনজীবি%' OR titleBn LIKE '%আইনজীবি%' OR descriptionEn LIKE '%আইনজীবি%' OR descriptionBn LIKE '%আইনজীবি%' OR slug LIKE '%আইনজীবি%' OR metaTag LIKE '%আইনজীবি%' OR metaDescription LIKE '%আইনজীবি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
কথক, সমালোচক, বিশ্লেষক, সাংবাদিক, সম্পাদক, রাজনীতিক, আইনজীবি, সাবেক সচিব, আমলা, সুশীল-কুশীল সবাই কথা বলছেন। সমালোচিত হচ্ছেন অথবা অভিনন্দিত হচ্ছেন। কমপক্ষে বহু আলোচিত হচ্ছেন। পরিচিত হচ্ছেন।
কিন্তু কঠিনভাবে যদি প্রশ্ন করা হয়?
সুক্ষ্মভাবে যদি বিচার করা হয়, কেন তারা কথকতা করছেন?
কি উদ্দেশ্যে করছেন?
তাদের বক্তব্যে যুক্তি আছে।
প্রমাণ আছে!
তথ্য আছে
ব্যাখ্যা আছে
ভাষ্য আছে
বিশ্লেষণ আছে
প্রতিক্রিয়া আছে। বাকী সবই আছে
কিন্তু সব কিছুর মূলে নিখাদ দেশ প্রেম, কী আছে?
দেশের স্বার্থে, দেশ রক্ষার্থে তারা কথা বলছেন কী?
যে কথকতা, যে টকশো-পডকাস্ট বাকি অংশ পড়ুন...
আমি যদি বলি, প্রকৃত দ্বীনি জ্ঞান নেয়ার জন্য আমি একজন শায়েখ বা মুর্শিদ বা পীর সাহেবের কাছে মুরিদ (ছাত্র) হয়েছি, আমি সেই পীর সাহেবের দরবার শরীফে যাই, উনার সোহবত (সাহচার্য) ইখতিয়ার করি, আদেশ নির্দেশ অনুসারে চলার চেষ্টা করি, উনার খিদমত করার কোশেষ করি, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং আখেরী নবী হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মারিফত, মুহব্বত অর্জনের কোশেষ করি। তাহলে এ কথা শুনে হয়ত কেউ কেউ বলতে পারেন, পীর সাহেবের কাছে বাইয়াত হওয়ার কি দরকার? উনার দরবার শরীফে যাওয়ার কি দরকার? পবিত্র কুরআন হাদীসেই তো সব জ্ঞান আছে। আর মাদ্ বাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল জুমুয়াবার বাদ জুমা বন্দর নগরী চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লা জামে মসজিদের সামনে ‘চট্টগ্রাম ইনসাফ কায়েমকারী জনতা’ ৩ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।
উক্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম। চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করেই চট্টগ্রাম থেকে ফেনী, কুমিল্লা হয়ে ন্যাশনাল হাইওয়ে-১ রাস্তা চলে গেছে ঢাকায়। বাংলাদেশের প্রধান সাপ্লাই রুট চট্টগ্রাম মহাসড়কট। এছাড়াও এই মহাসড়কটিকে বলা হয় ‘প্রধান পরিবহন ধমনী’। এই প্রধান পরিবহন ধমনী কোন কারণে যদি কেটে দেয়া হয় বা বন্ধ হয়ে যায় পুরো দেশ অচল হয়ে যাবে। আমাদের সশস্ত্র বাকি অংশ পড়ুন...
(ঘটনা-১)
সালমা বেগম (ছদ্মনাম) একজন পর্দানশীন নারী। কুরআন-সুন্নাহ মেনে পর্দা করেন বিধায় তিনি কখনও গাইরে মাহরাম পুরুষকে চেহারা দেখাননি। শুধু তাই নয়, মুখম-লের ছবি তুললে সেটাও গাইরে মাহরামের কাছে যাবে বিধায় তিনি ছবি তুলেননি। আর ছবি না তোলার কারণে তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডিও করতে পারেননি। কিন্তু এনআইডি না থাকায় তিনি প্রতিনিয়ত নানাবিধ সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। যেমন-
- দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে তিনি টিসিবি থেকে পণ্য নিতে চান। কিন্তু এনআইডি না থাকায় তিনি টিসিবি থেকে পণ্য নিতে পারছেন না।
- বাসা ভাড়া নিতে গেলে বাড়িওয়ালাকে এনআইডি ক বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় মন্দির নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি বরাদ্দ কমিটি অবিলম্বে বাতিলের দাবিতে আইনী নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি মেসবাহ উদ্দিন সুমনের পক্ষ থেকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এই আইনী নোটিশ পাঠানো হয়।
নোটিশে সচিব বরাবর বলা হয় যে, খিলক্ষেত এলাকায় বাংলাদেশ রেলওয়ের মালিকানাধীন জমি মন্দির নির্মাণের জন্য নির্বাচন করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি- ।
প্রামাণ্য তথ্য অনুযায়ী, ০৭/০৭/২০২৫ তারিখে খিলক্ষেত সর্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সাধারণ সম্ বাকি অংশ পড়ুন...
চোরে চোরে মাসতুতো ভাই।
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্রকারী। আন্তর্জাতিক দুটি সংবাদ মাধ্যম এবং দেশের রাজাকার ঘরানার মুখপত্রের খবর শিরোনাম একই।
শুধু তাই নয় খবর বা প্রতিবেদনে যার বিবৃতিকে সংযুক্ত করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী এবং রাজধানীতে বিমানঘাটির বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়েছে যে একজন নামধারী মুসলমান। কিন্তু মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু ‘ইহুদীর’ স্ত্রী।
ইসলাম বিদ্বেষী কর্মকান্ড এবং মুসলমান ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিরোধী বিবৃতির জন্য তিনি বিশেষভাবে চিহ্নিত এবং নিন্দিতও বটে।
তিনি প্রখ্যাত এক আইনবিদের কন্যা- আইনজীব বাকি অংশ পড়ুন...
বেশ কয়েক বছর আগে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র’ নিয়ে আমাদের দেশে একটি বই বেরিয়েছিলো। বইটির মাধ্যমে না জানা অনেক চাঞল্যকর তথ্য সেসময় আমরা পেয়েছিলাম। বইটির নাম “বাংলাদেশে র”। এর লেখক সাবেক সেনাসদস্য ও বাংলাদেশ ডিফেন্স জারনাল-এর সম্পাদক লে. জে. (অব) আবু রুশদ।
বইটির কিছু তথ্য লেখকের ভাষায় হুবহু উপস্থাপন করা হলো। তিনি লিখেছেন:
বাংলাদেশ সরকারের ভেতরে-বাহিরে ৩০ হাজার র’-এর এজেন্ট তৎপর শিরোনামে তিনি লিখেছেন, “মন্ত্রী, এমপি, আমলা, রাজনীতিবিদ, শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, বুদ্ধিজীবী, লেখক, কবি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, শিল্পী, প্রকাশক, অফিসার, কর্মচারী বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্তম বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...












