আমেরিকা থেকে বোয়িং কিনতে বাংলাদেশের বাজেট ৫০ হাজার কোটি টাকা, চীন থেকে যুদ্ধ বিমান কিনতে বাংলাদেশের বাজেট ৩০ হাজার কোটি টাকা
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
ইরানের ২০ হাজার ডলারের ড্রোন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ৪০ লাখ ডলার ইরানের ড্রোন কৌশল থেকে শিক্ষা নিতে হবে বাংলাদেশকেও
, ২৪ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৯ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ২৩ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
নগরনো-কারাবাখের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে বৈরী প্রতিবেশী আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে আজারবাইজান। এ যুদ্ধে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান না থাকা আজারবাইজানের মূল হাতিয়ারই ছিল তুরস্ক থেকে কেনা অত্যাধুনিক সব ড্রোন; যার সাহায্যে আর্মেনিয়ার আকাশ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধবংস করে দিয়ে আকাশপথে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ নেয় দেশটি। আজেরি ড্রোনের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমায় বিদ্ধস্ত হয় আর্মেনিয় সেনাবাহিনীর অসংখ্য সাঁজোয়া যান, ট্যাঙ্ক ও গোলন্দাজ ইউনিট।
তাছাড়া, ড্রোন শুধু আঘাতই হানে না, নজরদারির মাধ্যমে দেয় শত্রুর অবস্থান ও গতিবিধি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য। এসব কিছুই কারাবাখ যুদ্ধে আজারবাইজানের জয় ছিনিয়ে আনে। যুদ্ধে ড্রোনের ব্যবহার নতুন কিছু না হলেও, এই যুদ্ধের ফলাফল সামরিক পর্যবেক্ষকদের বিস্মিত করেছিল। সবচেয়ে খ্যাতি পায় তুরস্কের তৈরি বাইরাক্তার টিবি-২ এর মতো ড্রোনগুলো। বলাই বাহুল্য, কারাবাখের পর ব্যয়বহুল যুদ্ধবিমানে সহসাই কিনতে পারবে না বিশ্বের এমন অনেক দেশ ড্রোনটি কেনার আগ্রহ দেখাচ্ছে। ক্রয় চুক্তির প্রস্তাবে ভাসছে আঙ্কারা।
উড়ন্ত ড্রোনকে সামরিক পরিভাষায় বলা হয়, আনক্রিউড/আনম্যানড এরিয়াল ভিহাইকেল বা ইউএভি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ, স্যাটেলাইট সংযোগ আর দূর-নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তির উৎকর্ষে ইউএভি হয়ে উঠছে রণাঙ্গনের গেমচেঞ্জার। এজন্য ড্রোন ব্যবহারের সুবিধাগুলোর দিকেও আলোকপাত করা প্রয়োজন।
যেমন- একজন পাইলট বা বিমানচালককে প্রশিক্ষণ দিতে ব্যয় হয় হাজারো ফ্লাইট আওয়ার, বা উড্ডয়ন ঘণ্টা। শুধু তাই নয়, দরকার উন্নত ও খরচসাধ্য যুদ্ধবিমান ক্রয়ের। সেই প্রয়োজন আজো ফুরায়নি, অচিরেই ফুরাবে এমনও নয়- তবে ধীরে ধীরে ইউএভি ড্রোন সে জায়গা দখল করে নেওয়ার সক্ষমতা প্রমাণ করছে।
ইরানের শাহেদ সিরিজের ‘কামিকাজে’ ড্রোন এখন যুদ্ধক্ষেত্রে এক ভয়ংকর আতঙ্ক হয়ে উঠেছে। এর রয়েছে জ্বালানিসাশ্রয়ী ইঞ্জিন, রাডার এড়িয়ে যাওয়ার সক্ষমতা এবং ৪০ থেকে ৫০ কেজি বিস্ফোরক বহনের ক্ষমতা। মাত্র ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার খরচে একেকটি শাহেদ ড্রোন তৈরি করা যায়।
বিপুল পরিমাণে উৎপাদন করা সম্ভব বলে এসব ড্রোন দিয়ে যেকোনো দেশের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে সহজেই দিশেহারা করে দেওয়া সম্ভব।
শাহেদ-১৩১ ও ১৩৬ সিরিজের এসব ড্রোন মূলত সাধারণ মানের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতে ইরান এগুলোকেই প্রতিরোধের প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। শত শত মাইল পথ পাড়ি দিয়ে ড্রোনগুলো সামরিক ঘাঁটি, তেল শোধনাগার ও বেসামরিক স্থাপনায় নিখুঁতভাবে আঘাত হানছে।
হাইপারসনিক গতি বা অত্যাধুনিক স্টিলথ প্রযুক্তির নয়, বরং এ ড্রোনের মূল শক্তি হলো এর বিপুল সংখ্যা। যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়টের মতো উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ব্যস্ত রাখতে ইরান শত শত ড্রোনের ‘ঢেউ’ পাঠায়।
সংক্ষেপে বললে, ইরানের কৌশল হলো এই ‘উড়ন্ত ক্ষেপণাস্ত্র’ দিয়ে প্রথমে প্রতিপক্ষের রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে অকেজো করে দেওয়া। এরপর বড় ও শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো, যেন এগুলো অনায়াসেই লক্ষ্যভেদে সফল হয়।
নিউইয়র্ক টাইমসসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান এ পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি ড্রোন ছুড়েছে। তবে মার্কিন প্রযুক্তির প্যাট্রিয়ট বা থাড ব্যবস্থার কার্যকারিতাও উল্লেখ করার মতো। সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এসব ড্রোনের ৯০ শতাংশের বেশি রুখে দিতে পেরেছে। অন্য কিছু দেশ এই সাফল্যের হার ৯৬ শতাংশ পর্যন্ত বলে দাবি করেছে।
আশ্চরে্যর বিষয় হলো এসব ড্রোনের বেশির ভাগ ভূপাতিত করা হলেও ইরানের জন্য তা একধরনের জয়। কারণ, মাত্র ২০ হাজার ডলারের একটি ড্রোন ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রায় ৪০ লাখ (৪ মিলিয়ন) ডলার মূল্যের শক্তিশালী রকেট খরচ করতে হয়।
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
কোনো সমালোচনা আলোচনা অথবা আন্দোলনের প্রশয় না দিয়ে সরকারের উচিৎ জিয়ার নীতি অনুসরণ করে পাহাড়ে কমপক্ষে ১ হাজার সেনা ছাউনি তৈরী করা।
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুসলমানদের উপর নিপীড়ন, নির্যাতন, উচ্ছেদ, বৈষম্য আর মসজিদ-মাদ্রাসা ধ্বংসের উৎসব করে রাষ্ট্রয়ী সন্ত্রাস করে ব্যার্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। তাহলে তারা ‘আসাম’ বাংলাদেশের কাছে প্রত্যার্পন করুক। আর আসামের মুসলমান তো সব মরছেই। তাহলে তারা বিদায় হজ্জের ভাষণ অনুযায়ী তাদের জান-মাল রক্ষায় জিহাদে অবতীর্ন হোক।
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ। লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ। লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুধু ভারতেই আধিপত্যবাদী হিন্দুত্ববাদী নয়। বাংলাদেশে অবস্থানকারী ভারতীয় হাইকমিশনার সহ হিন্দুত্ববাদীরা সবাই আধিপত্যবাদী। এদেশের হিন্দুত্ববাদীরা তাদের আধিপত্য বৃদ্ধি জন্য সরকারকে গভীর চাপ তৈরী করছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র, ভারতে- মুসলমানদের উপর সহিংসতাও গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা অভিহিত করে তার বিপরীতে বাংলাদেশে হিন্দু স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত হতে বলেছে।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জামাতের গুরু মওদুদী, গো’আযম, সাইদীর ফতওয়া মোতাবেক যদি তাদের আমীর, সেক্রেটারী, এমপি মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে কাফের সাব্যস্ত হয় তবে অন্যদের কী করার আছে?
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শরাব ও পতিতালয়ের পয়সায় লালিত-পালিত রবীন্দ্র কখনো ভারত তথা বাংলার স্বাধীনতা চায়নি, সে বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা চায়নি। তার লেখা ‘সোনার বাংলা’ কবিতায় রয়েছে পূজার আরতি। কবিতার শেষ অংশে রয়েছে- ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে- / দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে। / ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে-
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।একইভাবে মূর্তি পূজা স্থলে অবস্থানকারী, সহযোগিতাকারী, পৃষ্ঠপোষকতাকারী, উৎসাহ দানকারী, প্রসাদ গ্রহণকারী সবাই মূর্তি পূজার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে মুশরিক হবে
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সব নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রধান কঠোরতা ছিলো মূর্তি ও পূজার বিরুদ্ধে। মূর্তি পূজা তথা শিরকের গুনাহ মহান আল্লাহ পাক কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












