নামধারী আলিম, দুনিয়াদার আলিম এরা কেন হারাম নাজায়িয কাজ করে?
, ০১ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১০ ছানী, ১৩৯২ শামসী সন , ০৮ জুলাই, ২০২৪ খ্রি:, ২৪ আষাঢ়, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) আপনাদের মতামত
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা সকলেই আল্লাহওয়ালা হও। ’
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ইলিম হচ্ছে দু’প্রকার। প্রথমতঃ ক্বলবী ইলিম, যা উপকারী ইলিম। দ্বিতীয়তঃ জবানী ইলিম, যা আদম সন্তানের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে দলীল স্বরূপ। ” (দারিমী শরীফ, মিশকাত শরীফ, কানযুল উম্মাল)
ক্বল্ব্ অর্থ হচ্ছে অন্তর। ক্বলবী ইলিম হচ্ছে অন্তর বা ক্বল্ব্ পরিশুদ্ধ করার ইলিম। যে ইলিম অর্জন করলে অন্তরের বদখাছলত দূর হয়ে নেক খাছলত বা নেক স্বভাব পয়দা হয়।
জবানী ইলিম হচ্ছে, ইলমে ফিক্বাহ বা ইলমে শরীয়ত। ইলমে ফিক্বাহ মাদরাসায় পড়ে শিখতে পারে। কিন্তু ক্বলবী ইলিম মাদরাসায় পড়ে শিখা যায় না। এই ইলিম শিখতে হয় হক্কানী রব্বানী আলিম তথা ওলীআল্লাহ উনাদের কাছে গিয়ে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ক্বলবী ইলিম উনাকে উপকারী বা ফায়দা দানকারী ইলিম বলা হয়েছে। এই ইলিম অর্জন করলে অন্তরের বদ স্বভাব দূর হয়ে নেক স্বভাব পয়দা হয়। শয়তান অন্তরে বসে ওয়াছওয়াছা দেয়, ওয়াছওয়াছা দিয়ে মুসলমানের নেক আমলগুলি নষ্ট করে দেয়। যেমন, শয়তান ওয়াছওয়াছ দিয়ে কারো অন্তরে হিংসা পয়দা করে দিলো, বা অহংকার গর্ব পয়দা করে দিলো। কারো অন্তরে যদি হিংসা থাকে বা অহংকার থাকে, তাহলে তার কোনো নেক আমল কবুল হবে না। নাউযুবিল্লাহ!
হক্কানী রব্বানী আলিম তথা ওলীআল্লাহ উনাদের কাছে এসে বাইয়াত হয়ে, ছোহবত মুবারকে সর্বদা আসতে হয়, উনাদের আদেশ, নিষেধ মুবারক অনুযায়ী যিকির-ফিকির, আমল করতে হয়। তাহলে তার জন্য অন্তর পরিশুদ্ধ করা, শয়তান ও নফসের ওয়াছওয়াছা থেকে বাঁচা এবং আল্লাহওয়ালা হওয়া সহজ ও সম্ভব হয়। দুনিয়াদার আলিম তারা মাদরাসায় পড়ে ইলমে ফিক্বাহ অর্জন করে, কিন্তু হক্কানী রব্বানী আলিম তথা ওলীআল্লাহ উনাদের কাছে গিয়ে ক্বলবী ইলিম অর্জন করে না। যার জন্য তাদের বদস্বভাব দূর হয় না, শয়তানও নফসের ওয়াছওয়াছাও দূর হয়না। তারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ শিখে এবং অন্যদেরকে শিখিয়েও থাকে। তথাপি তারা হারাম নাজায়িয কাজ বা আমল থেকে বাঁচতে পারে না। নাউযুবিল্লাহ!
-আহমদ ফাতেমা আক্তার।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
জিএমও-কাফিরদের নীরব বিষ, মুসলিম উম্মাহর জন্য সতর্কতা অবলম্বন করা ফরজ
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রসঙ্গ: কুড়িগ্রামে গরু জবাই:
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
গৃহসম্পদ ও গৃহসম্পদের বৈশিষ্ট
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ঈমানি চেতনা ও জাতীয় ঐতিহ্যের ওপর বিভৎস আঘাত
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নারিকেল গাছই ‘শেষ ভরসা’ বিলুপ্তপ্রায় বাবুই পাখির
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশের বুকে বিদেশি গোয়েন্দার ছায়া আর নয় শৈথিল্য, এখনই চাই কঠোর পদক্ষেপ
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সত্যের কণ্ঠরোধ ও নিম আহমেদ: হঠকারী অভিযানের পরিনাম শুভ হতে পারে না
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুসলিম তরুণীদের জীবন নিয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদী ‘লাভ ট্র্যাপ’: ঘাতক চক্রের বিষদাঁত এখনই উপড়ে ফেলতে হবে
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ও অপপ্রচারের নিকৃষ্ট কার্যক্রম: মুশরিকদের আস্ফালন কি চলতেই থাকবে?
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। এর মাধ্যমে পাহাড়কে উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, ‘একদেশে দুই আইন’ ও পাহাড়ে রাজা-প্রজা প্রথা বহাল, বাঙ্গালী ও রাষ্ট্রের ভূমি অধিকার হরণ এবং সেনা প্রত্যাহার সহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্নের গভীর ষড়যন্ত্র চলমান। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (১)
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
একাত্তর-পরবর্তী লুণ্ঠন: বন্ধুত্বের আড়ালে ইতিহাসের এক ট্র্যাজিক অধ্যায়
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ে দ্বীনি অধিকারে হস্তক্ষেপ: অর্ধেক বেলা মসজিদ বন্ধ রাখা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












