মন্তব্য কলাম
দেশে মজুদ খনিজ সম্পদের অর্থমূল্য প্রায় ৫০ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি কিন্তু উত্তোলনে বিনিয়োগ নাই বললেই চলে অথচ দেশ থেকে অর্থ পাচারের পরিমাণ ২০ লাখ কোটি টাকা সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
এসব টাকা খনিজ সম্পদ উত্তোলনে ব্যয় করলে ৫০ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির সুফল দেশবাসীকে দেয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
, ১৮ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১১ সাবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ২৫ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
বাংলাদেশে মজুদ খনিজ সম্পদের বাজারমূল্য নিরূপণ করেছে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রাকৃতিকভাবে মজুদ খনিজ সম্পদের মূল্য ২ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন (২ লাখ ২৬ হাজার কোটি) ডলারের বেশি। বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৪১ দশমিক ৯৭ ট্রিলিয়ন (২ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার ৩০০ কোটি) টাকা। তবে জিএসবির এ হিসাবে দেশে মজুদ প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যকে ধরা হয়নি। এছাড়া আরো অনেক সম্পদ ধরা হয়নি। এবং সব সম্পদের প্রতি হিসাবও ধরা হয়নি। জিএসবির হিসাবের সঙ্গে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যকে বিবেচনায় নেয়া হলে দেশে মজুদ খনিজ সম্পদের নিরূপিত মূল্য ট্রিলিয়ন ডলার হবে বলে অভিজ্ঞমহল মনে করেন।
মহামূল্যবান এ খনিজ সম্পদ উত্তোলনে সরকারি বিনিয়োগ খুবই যৎসামান্য। দেশের অভ্যন্তরে খনিজ সম্পদের প্রকৃত মজুদ, প্রমাণিত মজুদ ও রিজার্ভের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো পরীক্ষা করা হয়নি বলে জানিয়েছে জিএসবি। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরাও বলছেন, দেশে বিপুল পরিমাণ খনিজ সম্পদ মজুদ থাকলেও এগুলো নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সরকারের তেমন কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। যে কারণে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণও বছরের পর বছর ধরে সামান্যই থেকে গেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও উত্তোলনে উদ্যোগী হলে তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় উৎস হতে পারে। আবার এগুলো দিয়ে চলমান জ্বালানি সংকটের সমাধান এমনকি নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা সম্ভব হতো।
‘দেশে মজুদ খনিজ সম্পদের মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসই বড় পরিসরে উত্তোলন করা হচ্ছে। এখন এ গ্যাসের প্রমাণিত মজুদ নিঃশেষ হয়ে আসছে। আমরা মনে করি, দেশে আরো গ্যাস আছে এবং তা উত্তোলন করা যাবে। যদিও এ বিষয়ে সরকারের যথাযথ উদ্যোগ ও বিনিয়োগ সন্তোষজনক নয়। কয়লা উত্তোলনের বিষয়ে বড় ধরনের উদ্যোগ নিতে সরকারকে দেখি না। উত্তরবঙ্গে পাঁচটি খনি আছে। এছাড়া জয়পুরহাটে মাটির নিচে বিশাল আকারে চুনাপাথর আছে, এটাও উত্তোলন করা হয় না।’
দেশের কক্সবাজার, ব্রহ্মপুত্র নদে খনিজ বালি আছে। বড় নদীগুলোয়ও আছে মূল্যবান খনিজ বালি। এটিও উত্তোলনে পর্যাপ্ত উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। তবে সাদামাটি স্থানীয়ভাবে কিছুটা উত্তোলন হচ্ছে। সঙ্গে কিছু কাচবালিও উত্তোলন হচ্ছে। তবে সেটিও সামান্য পরিসরে।
পেট্রোবাংলার এক সাবেক জ্বালানি বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘বাংলাদেশের সমুদ্র ও স্থলভাগে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ মজুদ রয়েছে। বিশেষত গ্যাস ও কয়লার মজুদের বিষয়টি প্রমাণিত। এসব সম্পদ উত্তোলনে যথাযথ অনুসন্ধান ও বিনিয়োগ হয়নি। যে কারণে বছরের পর বছর গ্যাসের সরবরাহ কমার বিপরীতে আমদানিনির্ভরতা বাড়ানো হয়েছে।’
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতের এ বিশেষজ্ঞের ভাষ্যমতে, ‘অন্য সম্পদের বিষয় বাদ দিলেও শুধু দেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলেই গ্যাস ও জ্বালানি তেল মজুদের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের অনুসন্ধানের সুপারিশ থাকলেও সে ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। দুঃখের বিষয় হলো জ্বালানি বিভাগ ৪৬টি কূপ খননের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। সেখানে চট্টগ্রামে অনুসন্ধানের ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নেই। সরকারের উচিত প্রাকৃতিক সম্পদের সম্ভাব্য এলাকায় যথাযথ বিনিয়োগ করে আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসা। নতুবা জ্বালানি খাত অনিশ্চয়তার মধ্যেই থেকে যাবে।’
জিএসবিও বলছে, দেশে আবিষ্কৃত খনিজ সম্পদের যে আর্থিক মূল্যমান নিরূপণ করা হয়েছে, তা মূলত মজুদ থেকে পাওয়া ধারণাগত একটি সংখ্যা। সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা সম্ভব হলে খনিজ সম্পদের পরিমাণ যেমন বাড়বে, তেমনি এ সম্পদের যথাযথ আকার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি বাজারমূল্য অনুযায়ী সম্পদের প্রকৃত আর্থিক মূল্যমান নিরূপণ করা সম্ভব হবে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জিএসবি দেশে আবিষ্কৃত আট ধরনের খনিজ সম্পদের আর্থিক বাজারমূল্য নিরূপণ করেছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৪০ কোটি ডলার। এর মধ্যে কয়লা রয়েছে ৭২৫ কোটি টনের বেশি। বাজারমূল্য টনপ্রতি ১৭৫ ডলার হিসাব করলে এ পরিমাণ কয়লার দাম দাঁড়ায় ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৯০ কোটি ডলারে। এছাড়া পিট কয়লার সম্ভাব্য মজুদ রয়েছে প্রায় ৬০ কোটি টন। প্রতি টন ৬০ ডলার হিসেবে এর মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৩ হাজার ৫৯০ কোটি ডলারে (৩৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন)।
এছাড়া চুনাপাথর রয়েছে ২ হাজার ৫২৭ কোটি টন। টনপ্রতি ৩০ ডলার হিসেবে এ অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ৭৫ হাজার ৮১০ কোটি ডলার। কঠিন শিলা আছে ২০ কোটি ১০ লাখ টন, যার আর্থিক মূল্যমান ৫৪২ কোটি ডলার। ২৩ কোটি টন সাদামাটির মূল্য ২ হাজার ৯৯০ কোটি ডলার। কাচবালি আছে ৫১১ কোটি ৭০ লাখ টন, যার মূল্য ৬ হাজার ১৪০ কোটি ডলার। ২২০ কোটি টন নুড়িপাথরের মূল্যমান ৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। এবং সাড়ে ৬২ কোটি টন লৌহের মূল্য ৬ হাজার ৮৮০ কোটি ডলার।
জিএসবির মহাপরিচালক বলেন, ‘জিএসবির প্রধান কাজই খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান করা। যেসব খনিজ সম্পদ আবিষ্কৃত হয়েছে তার অনেকগুলোই এখনো অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে। আমরা এসব সম্পদের একটি আনুমানিক মূল্য নির্ধারণ করেছি। এসব খনিজ সম্পদের ল্যান্ড সার্ভে বা ফিজিবিলিটি স্টাডি হলে পরিপূর্ণ ধারণা পাওয়া যাবে। তখন অর্থের পরিমাণ আরো অনেক বাড়বে।’
জিএসবির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত খনিজ সম্পদ মজুদ সম্পর্কে দেয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে ১০৫ কোটি ৩০ লাখ টন, দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ায় ১০ কোটি ২০ লাখ, রংপুরের খালাসপীরে ১৪ কোটি ৩০ লাখ এবং দিনাজপুরের দীঘিপাড়ায় ৪০ কোটি ২০ লাখ টন কয়লার মজুদ রয়েছে। এছাড়া পিট কয়লা মজুদ রয়েছে মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওরে ২৮ কোটি ২০ লাখ টন, গোপালগঞ্জের বাঘিয়া-চান্দা বিলে ১৫ কোটি, সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সাড়ে ৭ কোটি, শাল্লায় ৫ কোটি ২০ লাখ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ৩ কোটি ২০ লাখ ও খুলনার কলামৌজায় ৮০ খাল টন।
চুনাপাথর মজুদের বিষয়ে জিএসবি বলছে, দেশে সবচেয়ে বেশি চুনাপাথর মজুদ রয়েছে উত্তরের জেলা নওগাঁয়। জেলায় তাজপুর, বদলগাছি, ভগবানপুরে আড়াই হাজার কোটি টনের বেশি চুনাপাথর মজুদ রয়েছে। এছাড়া জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাট সদরে ১০, পাঁচবিবি উপজেলায় ৫ কোটি ৯০ লাখ এবং সুনামগঞ্জের বাঘালীবাজারে ১ কোটি ৭০ লাখ, টেকেরঘাটে ১ কোটি ২৯ লাখ ও লালঘাটে ১ কোটি ২৯ লাখ টন চুনাপাথরের মজুদ রয়েছে।
খনিজ সম্পদ হিসেবে মূল্যবান সাদামাটি রয়েছে টাঙ্গাইলের মধুপুরে সাড়ে ১২ কোটি টন, হবিগঞ্জের মাধবপুরে ৬ কোটি ৮০ লাখ টন, নেত্রকোনার বিজয়পুরে আড়াই কোটি টন। এছাড়া দেশের আরো কয়েকটি জেলায় সাদামাটির মজুদ চিহ্নিত হলেও এর পরিমাণ নিয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেনি জিএসবি।
দেশের ছয় জেলায় বিপুল পরিমাণ নুড়িপাথর মজুদের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। এসব জেলায় নুড়িপাথরের মোট মজুদের পরিমাণ ২২০ কোটি টন। দিনাজপুরের হাকিমপুরে আকরিক লৌহ মজুদ রয়েছে ৬৫ কোটি টন। এছাড়া কাচবালির মজুদ রয়েছে ৩ হাজার ২০০ কোটি টনের বেশি।
কিছুদিন আগে সরকারের উর্ধ্বতন মহল থেকে বলা হয়েছে- ‘মূল্যবান খনিজ সম্পদ দ্রুত আহরণের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না করতে পারলে তা বেহাত হয়ে যাবে’। আমরা সরকারের উর্ধ্বতন মহলের এই শঙ্কা প্রকাশের সাথে একমত হয়ে বলতে চাই, বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সরকারি অনুসন্ধানী সংস্থাগুলো নিষ্ক্রিয় রয়েছে। আর এই সুযোগে বিভিন্ন লুটেরা কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে এসে এইসব সমুদ্র সম্পদের ব্যাপারে নানা জরিপ পরিচালনা করছে। যার মধ্যে বেশিরভাগ সম্পর্কেই সরকার বেখবর। ফলে এই সম্পদগুলো চুরি হয়ে যাওয়ার শঙ্কা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
বিশ্বের অনেক দেশ রয়েছে যারা তাদের এসব খনিজ সম্পদ সঠিক উপায়ে উত্তোলন করে সেটাই তাদের দেশের অর্থনীতির প্রধান পরিপূরক হিসেবে তৈরি করে নিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের এসব খনিজ সম্পদের তুলনায় তাদের সাগরগুলোতে তেমন কিছুই নেই। কিন্তু তারপরও তারা তাদের এসব খনিজ নিয়ে সক্রিয় ও সচেতন।
সঙ্গতকারণেই আমরা বলতে চাই, জনস্বার্থে বাংলাদেশ সরকারের উচিত- দেশকে সর্বোচ্চ উন্নততর করতে এসব খনিজ সম্পদগুলো উত্তোলনের ব্যবস্থা করা। সম্পদ আহরণের জন্যে দেশের স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, পর্যটন, নৌ, মৎস্য, পরিবেশ, শিক্ষা, জ্বালানি, খনিজসম্পদসহ আরো অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কর্মকা-ের সমন্বয় সাধন করা। খনিজ সম্পদের উত্তোলন ও আরো অনুসন্ধানের জন্য আলাদা সেল গঠন করা। সমুদ্রে খনিজ সম্পদের জরিপ, অনুসন্ধান, খনন ও আহরণের সুবিশাল কর্মকান্ডটি পরিচালনা করতে প্রশাসনিক জটিলতা থেকে মুক্ত রাখা।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মাদক পাচারের কলঙ্কিত ইতিহাস নিয়ে মেডলগ-এর হাতে পানগাঁও বন্দর তুলে দেয়া কি সঠিক?
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সৌদি জনগণের চরম বিরোধীতা এবং আতঙ্ক প্রকাশের পরও মার্কিন ঘাটি স্থাপন হয়। ৬০০ বিলিয়ন সামরিক চুক্তি এবং ১ ট্রিলিয়ন বিনিয়োগ চুক্তির পরও ড্রাম্প সৌদি যুবরাজকে অপমান করেছে। আর ভ্রাতৃপ্রতীম পাকিস্তান ঠিকই চুক্তি অনুযায়ী সৌদিকে সহায়তায় এগিয়ে আসছে।
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলার ঈমানি জমিনে গেরুয়াধারী বিষাক্ত থাবা: উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাস ও রাষ্ট্রদ্রোহী ষড়যন্ত্রের শিকড় উপড়ে ফেলা এখন সময়ের দাবি
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
লৌহকপাটের অন্তরালে রূহানী আর্তনাদ : কারাবন্দীদের দ্বীনি তালিম ও সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি ও ঈমানি ফরয
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
অভিযোগ উঠেছে নতুন করে দলীয় চাদাবাজির আওতায় আনতেই হকার উচ্ছেদ। বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা ও অন্যায়ের কারণে হকারের সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ পূণর্বাসন না করে এদের উচ্ছেদ অমানবিক, সংবিধানের ১২টিরও বেশী অনুচ্ছেদের সাথে চরম সাংঘর্ষিক এবং ভয়াবহ অনৈসলামিক ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ড এর কথা শোনা গেলেও হকার কার্ডের আওয়াজ নেই কেন?
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না। যানজট নিরসনের মূল কারণ চিহ্নিত ও পদক্ষেপ নিতে না পারাই ঢাকায় যানজটের প্রধান কারণ। (৩য় পর্ব)
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দ্বীনি উসকানি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা; কুশল লা’নতুল্লাহি আলাইহির বিতর্কিত অপতৎপরতা
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের সংস্কৃতি যে অমুসলিমের উপলব্ধির কাছে নিরাপদ নয় তারই প্রমাণ দিলো বর্তমান সংস্কৃতি মন্ত্রী। অমঙ্গল যাত্রাসহ বিভিন্ন কাট্টা হারাম সংস্কৃতি চালুর উৎসাহে যে বিভোর। ইসলামী পর্যবেক্ষকমহল ও সংবাদ মাধ্যম তাকে আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক এজেন্ডার ধারাবাহিকতা পালনকারী হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এবার ঘরের দিকে তাকানোর সময় হয়েছে বাংলাদেশের: দেশীয় সব কাজ ভার্তৃপ্রতীম মুসলিমদেশদেরকেই শুধুমাত্র সুযোগ দেয়া উচিত
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
গত দেড় দশকে জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধি অতিরঞ্জিত করে ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে অনেক বেশি ঋণ সুবিধা নিয়েছে আওয়ামীলীগ জালেমশাহী সরকার।
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বাল্যবিয়ে বন্ধ করা কাফিরদের ষড়যন্ত্র
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কৃষিতে ডিজেল সংকট হুমকিতে ইরি-বোরো ও পাট উৎপাদন ডিজেল সংকটে সৌরবিদ্যুতের নলকূপই এখন কৃষকের জন্য খোদায়ী রহমত।
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












