মন্তব্য কলাম
ঢাকা আর কত মারাত্মক দূষিত হলে ও বসবাসের অযোগ্য হলে এবং জনজীবন বিপর্যস্থ হলে বিকেন্দ্রীকরণ করার কথা উঠবে? কাজ শুরু হবে? সেন্টমার্টিন নিয়ে এত হৈচৈ আর ৩ কোটি লোকের জনপদ ঢাকা নিয়ে রহস্যজনক নীরবতা!
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদিচ্ছা এবং সক্রিয়তা নিয়ে সন্দেহ গভীর হতে শুরু করছে
, ২১ ই জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৭ সাদিস, ১৩৯২ শামসী সন , ২৪ নভেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ০৯ অগ্রহায়ণ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
দূষণে মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে শুধু ঢাকায় বছরে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।
ঢাকার বায়ুদূষণের কয়েকটি উৎসের মধ্যে আছে যানবাহন ও কলকারখানার দূষিত ধোঁয়া। ছুটির দিন রাজধানীর রাস্তায় যানবাহন অনেক কম। আবার অনেক কলকারখানাও বন্ধ থাকে, তবু দূষণ কমেনি।
গত পরশু ছুটির দিন শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে আইকিউএয়ারের বাতাসের মানসূচকে ঢাকার স্কোর ১৯৫। একে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু হিসেবে গণ্য করা হয়। আর বিশ্বের ১২০টি শহরের মধ্যে দূষণে ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। ইদানিং প্রায়ই বায়ুদূষণে ঢাকা প্রথমও হচ্ছে।
কয়েক বছর ধরেই রাজধানীতে বায়ুদূষণ মাত্রাতিরিক্ত বেড়েছে। বর্তমানে এটি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, শরীরের পাশাপাশি মানসিক অবস্থাকেও বিপর্যস্ত করে তুলছে। এ জন্য বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় প্রতি বছর অবনমন হচ্ছে ঢাকার অবস্থান।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) প্রতি বছরের মতো চলতি বছরও ‘বৈশ্বিক বসবাসযোগ্যতা শীর্ষক জরিপ’ প্রকাশ করেছে। যথারীতি এ তালিকায় বসবাসযোগ্যতার দিক দিয়ে ঢাকার অবস্থান ১৪০টি শহরের মধ্যে ১৩৯তম। কোনো রকম জরিপ ছাড়াই রাজধানীবাসী প্রতিদিন হাড়ে হাড়ে এই সত্য উপলব্ধি করছে!
রাজধানী ঢাকার জনসংখ্যা কত? কিংবা রাজধানীর আয়তন কত? এ নিয়ে যত বিতর্কই থাকুক, ঢাকা শহর জনসংখ্যার চাপে পিষ্ট। প্রতিনিয়ত বাড়ছে এই শহরের জনসংখ্যা। এটি নিয়ন্ত্রণে নানা সময় বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ফল মিলেছে কম।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সব ধরনের সেবা রাজধানীকেন্দ্রিক হওয়ায় সবাই ভিড় জমাচ্ছে এখানে। সরকারি অফিস আদালত, ব্যাংকের হেড অফিসসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা কেন্দ্রীভূত হওয়ায় মানুষের সামনে বিকল্পও নেই। এছাড়া শিল্প-কলকারখানার অধিকাংশই রাজধানী এবং এর আশপাশে হওয়ার কারণে বিশাল জনগোষ্ঠীর বাস এখানে। শিল্প-কারখানা সরিয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু কাজের কাজ তেমন হয়নি। জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকার বিভিন্ন সেবার বিকেন্দ্রীকরণ না করলে অচিরেই বসবাসযোগ্যতা হারাবে ঢাকা।
মফস্বলের কোনো ব্যক্তি যদি তার সন্তানকে ভালো একটি স্কুলে পড়াতে চায় তাহলে প্রথমেই তার চোখ পড়ে ঢাকাতে। শুধু স্কুলই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশই ঢাকাতে। এদের সবার ধারণা, মফস্বলে ভালো সেবা মিলছে না। বিভিন্ন-অফিস আদালতের অবস্থাও তাই। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, করপোরেশন সবগুলোর অবস্থান ঢাকাতেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম বলেন, আমাদের সবকিছু ঢাকামুখী। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। সারা দেশ থেকে রোগী আসে এখানে। অথচ বিভিন্ন জেলা শহরে যদি ভালো মানের হাসপাতাল থাকে তাহলে এখানে এত ভিড় হতো না।
অনেকে ভালো কাজের সন্ধানে ঢাকায় আসছে। তাদের ধারণা, এখানে আসলে ভালো কাজ পাওয়া যাবে। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা যদি মফস্বলে করা যায় তাহলে রাজধানীতে মানুষের চাপ কমবে। তৈরি পোশাক শিল্পের প্রায় সবই ছিল একসময় রাজধানীকেন্দ্রিক। কিন্তু সরকার এসব কারখানা বিশেষ করে গার্মেন্টস কারখানা রাজধানী থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। অনেকে তাদের কারখানা সরিয়ে নিলেও এখনো বেশকিছু কারখানা রাজধানীর বুকে রয়েছে। এ বিষয়ে পোশাক শিল্পমালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি এ বি এম সামছুদ্দিন বলেন, এখন যে কারখানাগুলো রয়েছে সেগুলো সাধারণত সাব-কন্ট্রাক্ট করে। এসব কারখানা কমপ্লায়েন্স না। বড় বড় কারখানাগুলো অন্যত্র সরানো হয়েছে। তবে তাদের অফিস এবং স্যাম্পলিং সেকশন এখানে রাখা হয়েছে। ড. মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম বলেন, রাজধানীতে কারখানা থাকার কারণে মানুষের চাপ বাড়ছে। এসব কারখানা শ্রমঘন শিল্প।
রাজধানী ঢাকাতে প্রতি একরে ১০০০ থেকে ১২০০ মানুষ বাস করে। কিন্তু এই শহরের চারটি এলাকা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ। এ চারটি হচ্ছে-লালবাগ, বংশাল, গেন্ডারিয়া এবং সবুজবাগ। এসব এলাকায় প্রতি একর আয়তনে বাস করে প্রায় ১৫০০ মানুষ। তবে মহানগর বা মেগাসিটির মানদ- অনুযায়ী প্রতি একর আয়তনে জনসংখ্যা থাকার কথা ১২০ জন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানার্স (বিআইপি) এর তথ্যমতে, রাজধানীর ৬৩ শতাংশ এলাকাতে প্রতি একরে ৫০০ লোক বসবাস করে। ৪০ শতাংশ এলাকায় বাস করে ৬০০ লোকের বেশি। ঢাকার বাইরে জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে দুবাইয়ের আয়াল নাসির এলাকা। সেখানে প্রতি একরে ৬০০ লোকের বাস। তৃতীয় অবস্থানে কেনিয়ার নাইরোবি। সেখানে প্রতি একরে বাস করে ৪৬০ জন। চতুর্থ অবস্থানে মুম্বাইয়ের জাভেরি এলাকা। বিআইপি বলেছে, ঢাকাকে বসবাস অযোগ্যতার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে জনসংখ্যা ও জনঘনত্ব নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নেই। এজন্য ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ করতে হবে।
বাসযোগ্য শহরের একটি তালিকা করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা ইআইইউ। ২০২১ সালে তারা বাসযোগ্য শহরের ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করে। এতে ১৪০টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান দেখানো হয় ১৩৭ নম্বরে। বাংলাদেশের নিচের অবস্থানে রয়েছে পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মোরসবি, নাইজেরিয়ার লেগোস সিরিয়ার দামেস্ক। কিন্তু ঢাকার অবস্থান এত নীচে কেন? ইনস্টিটিউট অব প্লানার্স বছরখানেক আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একটি চিঠি দেয়। সেখানে তারা বলেছে, বসবাসের সূচকে ঢাকার তলানিতে থাকার অন্যতম কারণ হচ্ছে অতিরিক্ত জনসংখ্যা ও অধিক জনঘনত্ব। উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনঘনত্ব এবং অবকাঠোমো ও নাগরিক সুযোগ সুবিধার আলোকে নগরের ভার বহন ক্ষমতা বিবেচনা করা না হলে সেই নগর বাসযোগ্যতা হারায়। ঢাকা শহর এর অন্যতম উদাহরণ।
১৯৫০ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী তৎকালীন ঢাকার জনসংখ্যা ছিল মাত্র ৩ লাখ ৩৬ হাজার। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এই জনসংখ্যা এসে দাঁড়ায় প্রায় ৩ কোটিতে। অবশ্য এটি সরকারি হিসাব। কিন্তু ঢাকার জনসংখ্যা কত? ঢাকার আয়তনও বা কত? এ নিয়ে ব্যাপক মতভেদ রয়েছে। জনসংখ্যার ক্রমবৃদ্ধির চিত্রটি এ রকম। ১৯৬১ সালে ৫ লাখ ৪৪ হাজার, ১৯৭১ সালে ১৫ লাখ ২৩ হাজার, ১৯৮১ সালে ৩৫ লাখ ১৯ হাজার, ১৯৯১ সালে ৭০ লাখ ৪১ হাজার, ২০০১ সালে এক কোটি ৭০ লাখ, ২০১১ সালে ২ কোটি ১৫ লাখ ২৬ হাজার এবং ২০২৪ সালে এটি প্রায় ৩ কোটিতে উন্নীত হয়।
গত প্রায় কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন জরিপে বসবাস অযোগ্য দেশি-বিদেশি বিভিন্ন শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান প্রথম সারির দিকে! ঢাকা শহরের মানুষকে প্রতিদিন নানা সমস্যার মধ্যে জীবনযাপন করতে হচ্ছে। বাতাসে সিসা, খাদ্যে ভেজাল, গ্যাস ও পানির সমস্যা বহুদিন ধরে চলে আসছে। গণপরিবহন বলতে যা বুঝায় তা কি ঢাকায় আছে! উচ্চ খরচে চিকিৎসাসেবা পাওয়া গেলেও তার মান নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। একটু বৃষ্টি হলেই পানিবদ্ধতায় পড়তে হয় নগরবাসীকে। লাখ লাখ টাকা খরচ করে শহরের রাস্তার ফুটপাতের ড্রেনগুলো প্রতি বছর নতুন করে তৈরি ও খনন করা হচ্ছে। কিন্তু যথাযথ পরিকল্পনা ও নগরবাসীর সচেতনতার অভাবে তা আবার অকেজো হয়ে পড়ছে।
ঢাকায় প্রতিদিন যুক্ত হচ্ছে প্রায় ২ হাজার জন। পৃথিবীর মেগাসিটিগুলোর মধ্যে জনঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকায়। প্রতি বর্গকিলোমিটারে এখানে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বাস করে। নগরবাসীকে উন্নতমানের সেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভক্ত করা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের সেবার মান কতটুকুু বেড়েছে? ক’দিন আগে ডেঙ্গু মশা নিয়ে তুলকালাম ঘটে গেল। গত প্রায় দুই মাস ধরে শহরবাসীকে রীতিমতো ডেঙ্গু আতঙ্কের মধ্য দিয়ে দিন কাটাতে হয়েছে। এতসব সমস্যার দায় সরকার ও দুই সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারে না। কত-শত প্রতিষ্ঠান ঢাকার উন্নয়নে কাজ করলেও ঢাকাকে দেখার আসলে কেউ নেই! বুয়েটের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ঢাকার ৬৫ শতাংশ ভূখন্ড সবসময় তপ্ত থাকে। প্রচন্ড দাবদাহের এ অবস্থার মূলে রয়েছে পরিবর্তনশীল আবহাওয়া ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ। ঢাকার প্রাণ বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু- এ চারটি নদীই আজ দুর্বিষহ দূষণের শিকার। খালগুলো তো বহু আগেই দখল হয়ে আছে। আবার যে খালগুলো টিকে আছে সেগুলোও আবার মারাত্মক দখল-দূষণের শিকার। ঢাকায় সুউচ্চ অট্টালিকার সংখ্যা বাড়ছে। উড়াল সড়কও হয়েছে এবং হচ্ছে। কিন্তু ঢাকার জীবনযাপন সুগম ও সুন্দর হয়েছে বলে মনে হয় না। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের জন্যই এই শহর নরক যন্ত্রণার সমান। এ নগরীতে পানিদূষণ ও বায়ুদূষণের ফলে নতুন নতুন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে। ক্ষতিকর বায়ু গ্রহণ করেই এ শহরে জীবনযাপন করতে হচ্ছে! ভারী ধাতুর দূষণ মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে। অতি মাত্রায় শব্দদূষণ নগরবাসীকে মারাত্মকভাবে ভোগাচ্ছে। বিল্ডিং কোড না মেনে ও অপরিকল্পিতভাবে ভবন গড়ে তোলার ফলে ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপক ঝুঁকিতে রয়েছে রাজধানী ঢাকা।
বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে সমন্বয়ের অভাবের দরুন মাঝেমাঝেই নগরবাসীর বিরক্তির সীমা অতিক্রম করে। রাজধানী ঢাকা যেন শত সমস্যার নগরী! কোনো রাজধানী শহর এভাবে চলতে পারে না। এটা বুঝতে কষ্ট হচ্ছে যে, পরিস্থিতি আর কত খারাপ হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের টনক নড়বে?
রাজধানীর বেশিরভাগ পয়ঃনালা ভেঙে অকেজো হয়ে পড়েছে। এ কারণে শোধনাগারে বর্জ্য যায় না। তাতে মাত্র দুই ভাগ বর্জ্য শোধন হয়। বাকি ৯৮ ভাগ কোনো না কোনোভাবে নদী বা পুকুর ও ডোবায় চলে যাচ্ছে। নগরবাসীর অভিযোগ, খাল ও ড্রেন নিয়ে কোনো কাজই করছে না ঢাকা ওয়াসা। সংস্থাটি শুধু পানি সরবরাহের নামে শত কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে ব্যস্ত। এগুলোর ঋণের বোঝা বিভিন্ন সময় চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে নগরবাসীর ওপর। এর অংশ হিসেবে আইন ভেঙে দফায় দফায় পানির দাম বেড়েছে। আর প্রকল্পগুলোর বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।
রাজধানীর বায়ুদূষণের লাগাম টানা যাচ্ছে না কিছুতেই। গত বছর লকডাউনের সময় দূষণ কিছুটা কমেছিল। পরে সেটা এখন ফিরে গেছে আগের অবস্থায়। একটি নগরীতে সবুজ এলাকা থাকার কথা ২৫ ভাগ, ঢাকায় আছে মাত্র ১০ ভাগ। অথচ উন্নয়ন প্রকল্পের নামে রাজধানীর উদ্যান, পার্কগুলোর গাছপালা, পরিবেশ-প্রতিবেশ ধ্বংস করা হচ্ছে। উদ্যান, পার্কগুলোর গাছ কেটে কংক্রিটের স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে। এর সর্বশেষ উদাহরণ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গাছ কেটে রেস্টুরেন্ট ও পার্কিং নির্মাণ, যা দেশের বিদ্যমান আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নগর-পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, যেসব অনিয়ম-অব্যবস্থাপনার কারণে রাজধানী বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে সেগুলো যদি বন্ধ করা না হয় তাহলে পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটবে না। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া না হলে ভবিষ্যতের গবেষণাতেও ঢাকার অবস্থান তলানিতেই থাকবে। বসবাসযোগ্যতার সূচকে উন্নতি ঘটাতে হলে পরিবেশ দূষণ রোধ করতে হবে, অবকাঠামোর উন্নয়ন ঘটাতে হবে, বন্ধ করতে হবে অপরিকল্পিত নগরায়ণ। এখানে জমির তুলনায় বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ঢের বেশি। ঢাকার ওপর থেকে মানুষের বিপুল চাপ কমাতে বিকেন্দ্রীকরণের বিকল্প নেই।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১১)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বর্তমান জ্বালানী সংকটে অনেক দেশই এখন কয়লার দিকে ঝুকছে। কয়লার উপর নির্ভরতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। দেশে বিপুল পরিমাণ কয়লার মজুদ থাকার পরও রহস্যজনকভাবে তা উত্তোলনে আগ্রহ নেই সরকারের। ৭ হাজার ৮০০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুদের দেশে কয়লার ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ কেন?
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা: ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১০)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৯)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, পুষ্টিগুণেও ভরপুর
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (১ম পর্ব)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শুধু একটি মৃত্যুর খবর, নাকি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সস্তা জনপ্রিয়তার বিপরীতে সস্তা জনরোষের পথেই কী হাটতে চায় সরকার? মাত্র ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার জন্য ওয়াদা খেলাফ করে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আগুনে আরো ঘি ঢালছে সরকার। জনভোগান্তির জুলুম থেকে সরে আসতে হবে সরকারকে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৮)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












