সম্পাদকীয়-২
আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশ প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৭ লাখ টন গম আমদানি করবে। প্রথম চালানে ৫৬ হাজার ৯৫৯ টন গম এসেছে চট্টগ্রাম বন্দরে। আমাদের প্রশ্ন, গম আমদানি কেন?
উৎপাদন বাড়ানোর পদক্ষেপ নিলে বাংলাদেশ গম রপ্তানীও করতে পারবে ইনশাআল্লাহ!
, ০৩ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৭ খমীছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৬ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি:, ১০ কার্তিক, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আলোকে বাংলাদেশ সরকার প্রথমবারের মতো সরকার থেকে সরকার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি কার্যক্রম শুরু করছে।
প্রথম চালান হিসেবে ৫৬ হাজার ৯৫৯ মেট্রিক টন গম নিয়ে এমভি নর্স স্ট্রাইড নামক জাহাজটি গতকাল চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে পৌঁছেছে।
সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি (এইউএসটিআর) ব্রেন্ডান লিঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি পণ্য আমদানি করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।
অভিজ্ঞমহল মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রকে তথা ট্রাম্পকে খুশী করতেই ইউনুস সরকারের এসব তৎপরতা।
উল্লেখ্য আমাদের খাদ্যশস্যের তালিকায় চালের পরের অবস্থানে অর্থাৎ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে গম। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভে (হায়েস) ২০২২ অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে মাথাপিছু দৈনিক গমের ব্যবহার দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ৯ গ্রামে। ২০০৫ সালের হায়েসে এ পরিমাণ ছিল ১২ দশমিক ১ গ্রাম।
গমের চাহিদা বেড়ে চললেও পণ্যটির উৎপাদন নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকের তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। সরকারি তথ্য মোতাবেক, ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে দেশে গমের উৎপাদন হয়েছিল ১৯ লাখ ৮ হাজার টন। এটি এ পর্যন্ত বাংলাদেশে গমের সর্বোচ্চ উৎপাদন। এর পর থেকে গমের উৎপাদন কমতে থাকে।
২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে গমের উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৭১ হাজার টনে, (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৪)।
আমাদের দেশে আবাদি জমির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি একর বা ৬ কোটি বিঘা (প্রতি বিঘা ৩৩ শতাংশ হিসেবে)। এই জমিতে মৌসুম, জাত, পরিচর্যা ইত্যাদির ভিত্তিতে প্রতি বিঘায় গড়ে ৮ থেকে ৩০ মণ ধান ও ৯ মণ গম উৎপাদিত হয়। গম উৎপাদন বৃদ্ধির ক্রাশ প্রোগ্রাম হিসেবে যদি মোট আবাদি জমির শতকরা দুই ভাগ জমিতে বিঘা প্রতি শতকরা ১০ শতাংশ ফলন বৃদ্ধি করা যায় তাহলেও আপাতত গম আমদানি না করলেও হয়। সারা দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তা রয়েছেন।
তাদের মাধ্যমে দেশের অর্ধেক উপজেলার প্রতিটিতে কমপক্ষে ১০০ কৃষক নির্বাচন করে, প্রতিটি কৃষকের ১ থেকে ১.৫ বিঘা জমিতে রবি মৌসুমে ১ মণ অতিরিক্ত গম উৎপাদন করতে পারলে গম আমদানির প্রয়োজন হবেনা।
পাশাপাশি উল্লেখ্য, চীনে হেক্টরপ্রতি গম উৎপাদনের হার আমাদের দেশের চেয়ে বেশি। চীনে এ হার ৫ দশমিক ৪ টন। আমাদের দেশে তা তিন টনের সামান্য বেশি।
তাই সাধারণ প্রক্রিয়ায় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে গম উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। এজন্য উষ্ণ আবহাওয়া-সহনশীল জাতের গম উদ্ভাবনের ওপর জোর দিতে হবে। গম উৎপাদন অঞ্চল চিহ্নিত করে নিবিড় গম চাষ অঞ্চল গড়ে তুলতে হবে। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এজন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হতে পারে। নিবিড় গম চাষ অঞ্চলের চাষীদের হ্রাসকৃত মূল্যে উন্নতমানের গমবীজ, সার ও কীটনাশক সরবরাহসহ বিনা সুদে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। ব্লাস্ট ও অন্যান্য রোগে গমের উৎপাদন যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। সরকার থেকে গমচাষীদের অতি স্বল্প মূল্যে উন্নতমানের গমবীজ, সার ও কীটনাশক সরবরাহ করা হলে, গমের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেলে এবং গমচাষীরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পেলে তারা গমের জমি অন্য ফসল উৎপাদনে আগ্রহী হবেন না। তখন গম উৎপাদনের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
এমনকী গম উৎপাদন কোটি টন ছাড়িয়ে যাবে। তাতে আমদানির বিপরীতে বরং রপ্তানীর সুযোগ আসবে ইনশাআল্লাহ। এজন্য সরকারের সদিচ্ছা আরো সক্রিয় পৃষ্ঠপোষকতাই জরুরী।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
“সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসই হবে রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্যাবলীর মূল ভিত্তি- এই অনুচ্ছেদ পূনর্বহালের প্রতিশ্রুতির সাথে চতুর্থ শ্রেণী থেকে খেলাধূলা এবং সংস্কৃতির নামে হারাম নাচ-গান বাজনার ইত্যাদি বাধ্য করার ঘোষণা চরম সাংঘর্ষিক।
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৮৭ হাজার থেকে শিক্ষা খাতে বাজেট বেড়ে ১ লাখ সাড়ে ৩৬ হাজার কোটি টাকা কিন্তু গবেষণায় বরাদ্দ কতটুকু?
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আত তাসিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আম্রিকা, ইসরাইল আর ফ্রান্সের ষড়যন্ত্রে- মুসলিম দেশ ইথিওপিয়ায় চলছে মর্মান্তিক গৃহযুদ্ধ আর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার এবং লখতে জিগারে সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম, কুতুবুল আলম, সাইয়্যিদাতুন নিসা, আহলে বাইতে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ ক্বায়িম-মাক্বামে সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম, সাইয়্যিদুনা হযরত শাহ নাওয়াদা আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ গ্রহণের সপ্তম দিন। তথা মহিমান্বিত আক্বীক্বা শরীফ।
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
লাখো অভিনব অর্জন, কর্মদক্ষতা তথা সাফল্যের মাঝে বিজিবির খুব কম কাজের খবরই গণমাধ্যমে আসে।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নীরব ঘাতক ‘প্যারাকোয়াট’ সহ ১৭ রকমেরঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক অবাধে ব্যবহার হচ্ছে।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ঈদে আকবর মুবারক! ঈদে আ’যম মুবারক!! মহা ঈদ মুবারক!!! ক্বায়িম মাক্বামে সাইয়্যিদা শাবাবি আহলিল জান্নাহ। সুবহানাল্লাহ! ক্বায়িম-মাক্বামে সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম, সাইয়্যিদুনা হযরত শাহ নাওয়াদা আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যা গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের সুমহান দিবস।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সালাফী ধর্মপ্রতিমন্ত্রী, ধর্মমন্ত্রী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্টরা। দায় এড়াতে পারেনা জুলাই সনদের এল.জি.বি.টি.কিউর সমর্থনকারী ধারা এবং সমর্থনকারী জামাতীরা।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












