বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরে স্বীকৃত হিসেবেই ৫০ লাখ লোক দারিদ্রসীমার নীচে নেমে গেছে। প্রকৃত হিসাব অনেক বেশি।
দেশে শুধু নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে না প্রায় ১০ কোটি জনসংখ্যার জন্য সরব দুর্ভিক্ষ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। এখনি সমন্বিত প্রচেষ্টা দরকার
, ২৪ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৭ সাদিস, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৫ নভেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সম্পাদকীয়
দৈনিক আল ইহসানের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি কমে আসার সঙ্গে সঙ্গে দুর্বল হয়ে পড়ছে বেসরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি। শিল্প খাতে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট উৎপাদন ব্যাহত করছে। অন্যদিকে ব্যাংক খাতে বাড়ছে খেলাপি ঋণ ও মূলধন ঘাটতি। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতাও কমছে। এসব সংকটের সম্মিলিত প্রভাব পড়ছে নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রায়।
কর্মসংস্থান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশেষ করে শ্রমিকরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অর্থনৈতিক কর্মকা-ে অংশগ্রহণ ও আয় কমে যাওয়ায় অনেক পরিবার দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। একই সময়ে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং সারসহ বিভিন্ন খাতে সরকার যে অর্থ ব্যয় করছে। তার উল্লেখযোগ্য অংশ দরিদ্র মানুষের কাছে কার্যকরভাবে পৌঁছাচ্ছে না। অনেক তুলনামূলক সচ্ছল পরিবার সরকারি সুবিধা পাচ্ছে, অথচ সবচেয়ে দরিদ্র ও ঝুঁকিতে থাকা বহু পরিবার সামাজিক সুরক্ষার আওতার বাইরে থেকে যাচ্ছে।
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কার্যকারিতা প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংক-এর হিসাবে, দরিদ্র পরিবারের মাত্র ৫৪ দশমিক ৪ শতাংশ সরাসরি সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা পায়। তাদের বার্ষিক গড় সুবিধার পরিমাণ ৭ হাজার ১৪০ টাকা। বিপরীতে ৩১ শতাংশ ধনী পরিবারও এসব সুবিধার আওতায় রয়েছে এবং তাদের বার্ষিক গড় সুবিধার পরিমাণ ১০ হাজার ৪৭২ টাকা।
প্রধান দারিদ্র্যবান্ধব কর্মসূচি থেকেও ৬১ শতাংশ দরিদ্র মানুষ পুরোপুরি বঞ্চিত রয়েছে। বর্তমান ব্যবস্থায় সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্য কমানোর হার মাত্র ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট, যা অন্যান্য নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশের তুলনায় কম।
দারিদ্র্য বৃদ্ধির পেছনে অর্থনীতির সামগ্রিক দুর্বলতাও বড় ভূমিকা রাখছে। বিশ্বব্যাংক চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে আসার পূর্বাভাস দিয়েছে। এর অন্যতম কারণ বিনিয়োগের সংকোচন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেসরকারি বিনিয়োগ দশমিক ৫ শতাংশ এবং সরকারি বিনিয়োগ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে পণ্য ও সেবার প্রকৃত রফতানি কমেছে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ।
বিশ্বব্যাংকের মতে, দীর্ঘস্থায়ী কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার মধ্যে রয়েছে জ্বালানি খাতের গভীর সংকট, আর্থিক খাতের দুর্বলতা এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণে দুর্বলতা। এর সঙ্গে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তাও বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকা-ের ওপর চাপ তৈরি করছে।
ব্যাংক খাতের ঝুঁকিও বাড়ছে। খেলাপি ঋণের অনুপাত ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৬ সালের জুনে ৩৩ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে রাজস্ব আহরণ জিডিপির মাত্র ৮ দশমিক ৩ শতাংশ। ২০২৬ অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি জিডিপির ৩ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২৫ অর্থবছরে ছিল ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।
বিবিএসের শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে মোট কর্মসংস্থানে শিল্পের অংশ ২০ দশমিক ৪২ থেকে কমে ১৭ দশমিক ৩৬ শতাংশে নেমেছে। একই সময়ে সেবা খাতেও কর্মসংস্থানের অংশ কমেছে।
গতকাল প্রকাশিত ‘পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার’ (পিপিআরসি)-এর নতুন প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২২ সালে যেখানে মোট জনসংখ্যার ১৮.৭ শতাংশ দরিদ্র ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ২৮ শতাংশে পৌঁছেছে।
চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের হারও আগের ৫.৬ শতাংশ থেকে বেড়ে এ বছর ৯.৩৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর অর্থ হলো, বর্তমানে প্রতি চারজনের একজন দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন এবং প্রতি ১০ জনের একজন চরম দারিদর্্েযর জালে আটকা পড়েছেন।
এছাড়া আরও ১৮ শতাংশ মানুষ ‘ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু দরিদ্র নয়’ (াঁষহবৎধনষব হড়হ-ঢ়ড়ড়ৎ) এমন জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত; যারা যেকোনো সময় দারিদ্রতার কবলে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
প্রয়োজনীয় আয় হারিয়ে লক্ষ লক্ষ পরিবার নতুন করে দারিদ্রসীমানর নীচে নেমে অতি দরিদ্র হচ্ছে।
বাজারে খাবার আছে ঠিকই কিন্তু প্রায় এক পঞ্চমাংশ প্রায় লোকের ক্রয় ক্ষমতা নেই। অপরদিকে বর্তমানে বাংলাদেশে ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ, অর্থাৎ প্রায় ২০ কোটি মানুষের স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেনার সামর্থ্য নেই।
শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হারও উদ্বেগজনক। অধিকাংশ শিশুই প্রয়োজনীয় সব খাদ্যশ্রেণির খাবার পাচ্ছে না।
অর্থাৎ নীরব দুর্ভিক্ষ চলার পাশাপাশি অতি দরিদ্র বা নতুন অতি দরিদ্রদের জন্য সরব দুর্ভিক্ষ শুরুই হয়ে গেছে।
সঙ্গত কারণেই নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এক হয়ে এই সংকট উত্তরণে যথাযথ প্রচারনা চালানো এবং কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা এই মুহূর্তেই চরম জরুরী।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সব পক্ষের সহনশীলতার মধ্যেই সমাধান সম্ভব।
০৪ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুবারক হো- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আফদ্বালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত আযীমুশ্ শান পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস।
০৩ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রবীবাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ছহিবাতুল ইয্যাহ্- সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক আরও গভীর করতে ‘সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপের’ প্রস্তাব উভয় দেশের বাণিজ্যিক, মানবিক সম্পর্কের উপরে মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধের অনুপ্রেরণা উজ্জীবিত হোক।
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মেট্রোরেলে মৃত্যুপথযাত্রীকে একটু বসতে না দেয়ার মত নির্মম, নিষ্ঠুর কাজকে রাষ্ট্র অপরাধ বলতে পারছে না অপরাধী হিসেবে কাউকে সাব্যস্ত করতে পারছে না আবার সহমর্মীতার মূল্যবোধের উজ্জীবনও ঘটাতে পারছে না।
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ভরা পর্যটন মৌসুমে (নভেম্বর-জানুয়ারি) বারবার অবরোধ ও সহিংসতার ঘটনা নারিকেল দ্বীপের মতই পার্বত্য এলাকার উদীয়মান অর্থনীতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র এবং পার্বত্য এলাকা দখলের নীল নকশা।
২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পরিবেশের তথাকথিত যুক্তিতেই বরং সেপ্টেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত নারিকেল দ্বীপ খোলা রাখলে জীবন-জীবিকা, পরিবেশ এবং সার্বভৌমত্ব সমুন্নত থাকে। নারিকেল দ্বীপ জনযোগাযোগ মুক্ত থাকায় আরাকান আর্মি নারিকেল দ্বীপ দখলের দুঃস্বপ্ন দেখে, এদেশের জেলেদের আটক করে।
২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
স্কুল শিক্ষায় নতুন ৪ বই অনুমোদন হারাম খেলাধুলা, মেয়েদের খেলাধূলায় অগ্রনী হওয়া, নাচ-গান ইত্যাদি অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে পাঠ্যপুস্তকে।
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জল
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত মহাসম্মানিত ১২ই জুমাদাল ঊলা শরীফ আজ।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ সুমহান মহাপবিত্র ১১ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। যা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি ইয়াওমিল ক্বিয়ামাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহাব্বুন নাসি ইলান নাবিয়্যি, সাইয়্যিদাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়িবাহ, যাকিয়্যাহ, রদ্বিয়্যাহ, মারদ্বিয়্যাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাবুল ইলম, কুতুবুল আলম, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












