দেওয়ানি প্রকৃতির মামলা:
কোন বিষয়ে অধিকারের দাবি বা সম্পত্তি দাবি বা কোন ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবির ক্ষেত্রে যে মামলা করা হয় তাকে দেওয়ানি মামলা বলে। সম্পত্তির ওপর স্বত্ব ও দখলের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হলে যে মামলার মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করা হয় তাকে দেওয়ানি মামলা বলে। দেওয়ানি মামলাকেই আদালতের ভাষায় ‘মোকদ্দমা’ বলা হয়ে থাকে। এই ধরনের মামলা হলো ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির, প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রতিষ্ঠানের বা ব্যক্তির সাথে প্রতিষ্ঠানের বিরোধ সংক্রান্ত মামলা। যার নিস্পত্তি হয় সাধারণত ক্ষতিপূরণ আদায়ের মাধ্যমে বা অধিকার ফিরিয় বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ সম্পর্কে নাযিলকৃত মহাসম্মানিত সূরা আহযাব শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ ৯ থেকে ২৭ পর্যন্ত উনাদের সরল অর্থ মুবারক:
قُل لَّن يَنفَعَكُمُ الْفِرَارُ إِن فَرَرْتُم مِّنَ الْمَوْتِ أَوِ الْقَتْلِ وَإِذًا لَّا تُمَتَّعُونَ إِلَّا قَلِيلًا ﴿١٦﴾
(আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি তাদেরকে বলুন, ‘তোমাদের কোন লাভ হবে না যদি তোমরা মৃত্যু অথবা হত্যার ভয়ে পলায়ন কর, তবে সেই ক্ষেত্রে তোমাদেরকে দুনিয়ার স্বাদ সামান্যই ভোগ করতে দেয়া হবে।’ (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ-১৬)
قُلْ مَن ذَا الَّذِي يَعْصِمُكُم مِّنَ اللَّهِ إِنْ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রসিদ্ধ তারিখ ও ইতিহাস গ্রন্থসমূহে আরো উল্লেখ রয়েছে-
يَا كَذَّابُ أَيْنَ تَفِرُّ فَحَمَلَ عَلَيْهِ فَطَعَنَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي جَيْبِ الدِّرْعِ فَجُرِحَ جَرْحًا خَفِيفًا فَوَقَعَ يَخُورُ خُوَارَ الثَّوْرِ فَاحْتَمَلُوهُ وَقَالُوا لَيْسَ بِكَ جِرَاحَةٌ فَمَا يُجْزِعُكَ؟ قَالَ: أَلَيْسَ قَالَ لَأَقْتُلَنَّكَ لَو كَانَت تَجْتَمِع ربيعَة وَمُضر لقتلهم. فَلَمْ يَلْبَثْ إِلَّا يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍ حَتَّى مَاتَ مِنْ ذَلِكَ الْجُرْحِ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন,‘হে মিথ্যুক! তুই এখন কোথায় যাবি? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُوْدٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ كَأَنـِّي أَنْظُرُ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَـحْكِي نَبِيًّا مِنَ الْأَنْبِيَاءِ ضَرَبَهُ قَوْمُهُ، وَهُوَ يَـمْسَحُ الدَّمَ عَنْ وَجْهِهِ، وَيَقُولُ ্রرَبِّ اغْفِرْ لِقَوْمِي فَإِنّـَهُمْ لَا يَعْلَمُونَগ্ধ،
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যেন আমি এখনও চাক্ষুষ দেখতে পাচ্ছি যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন এক নবীর ঘটনা বর্ণনা করছেন, উনার ক্বওম উনাকে বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের প্রতিটি আদালতের বিচারিক ক্ষমতা সংবিধান অথবা রাষ্ট্রকর্তৃক পাশকৃত আইন দ্বারা সীমাবদ্ধ। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং তৎক্রম নিম্নভাবে জেলা পর্যায়ে দেওয়ানি আদালত এবং ফৌজদারি আদালত রয়েছে। এছাড়াও বিশেষ মামলাসমূহের জন্য রয়েছে বিশেষ আদালত ও ট্রাইব্যুনাল। বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালতের বিচারিক ক্ষমতা নিম্নে আলোচনা করা হলো-
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট-
বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত হবে সুপ্রীম কোর্ট যা দুটি ভাগে বিভক্ত-
ক) আপীল বিভাগ, এবং
খ) হাইকোর্ট বিভাগ বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ সম্পর্কে নাযিলকৃত মহাসম্মানিত সূরা আহযাব শরীফ উনার ৯ থেকে ২৭ পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের সরল অর্থ মুবারক:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اذْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ جَاءَتْكُمْ جُنُودٌ فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا وَجُنُودًا لَّمْ تَرَوْهَا ۚ وَكَانَ اللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرًا ﴿٩﴾
“হে ঈমানদারগণ! আপনাদের উপর মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহকে স্মরণ করুন, যখন আপনাদের নিকট এসেছিল সেনাদলসমূহ। অতঃপর আমরা তাদের উপর প্রেরণ করলাম তীব্র ঝঞ্ঝাবায়ু এবং এমন সেনাবাহিনী যাদেরকে আপনারা দেখেননি। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনারা যা করেন তা দ বাকি অংশ পড়ুন...
অতঃপর হযরত আবূ উবাইদাহ্ ইবনে জাররাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘এমন কে আছেন যিনি শত্রু ছাওনির ভিতরে গিয়ে আমাদের জন্য হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের সংবাদ মুবারক নিয়ে আসবেন? যিনি এই কাজ করবেন, উনার প্রতিদান স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনিই দিবেন।’ হযরত আবূ উবাইদাহ্ ইবনে জাররাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার এই সম্মানিত আহ্বান মুবারক-এ সবার আগে সাড়া দেন হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি। হযরত আবূ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হিজরত মুবারক উনার পর অনেক জিহাদ সংঘটিত হয়। সেগুলোকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে, গাযওয়া ও সারিয়াহ। যেসমস্ত সম্মানিত জিহাদসমূহে স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সরাসরি অংশগ্রহণ বা তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেছিলেন তার নাম গাযওয়া। আর যে সমস্ত জিহাদে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সরাসরি অংশগ্রহণ করেননি বরং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সরাসরি অংশগ্রহণ করে বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, গাযওয়ায়ে আশীরা থেকে প্রত্যাবর্তন করে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে মাত্র কয়েকদিন অবস্থান করেন, যা ১০ দিনও হয়নি।
এসময় কুরয ইবনে জাবির আল ফিহরী সে পবিত্র মদীনা শরীফ-এ হামলা চালায় (পরবর্তীতে তিনি মুসলমান হন)। তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তার তালাশে বের হন এবং বদর-এর উপকণ্ঠে অবস্থিত সাফওয়ান নামক স্থানে তাশরীফ মুবারক রাখেন। আর এটাই হলো গাযওয়ায়ে বদরুল উলা বা প্রথ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত উহুদ জিহাদের প্রথম ভাগে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশক্রমে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কাফির মুশরিকদের নয় জন পতাকাবাহী সৈন্যকে হত্যা করেন। পরবর্তীতে শত্রুদের বিপরীত দিক থেকে আক্রমণের ফলে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু এই পরিস্থিতিতে চিন্তিত হয়ে পড়েন। এ সময় ইবলিস শয়তান চীৎকার দিয়ে মিথ্যা ঘোষণা দিচ্ছিল, ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত শাহদাতী শান মুবারক গ্রহণ করেছেন’। নাউযুবিল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي حَازِمٍ رحمة الله عليه، أَنَّهُ سَمِعَ حَضْرَتْ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، وَهُوَ يُسْأَلُ عَنْ جُرْحِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ" أَمَا وَاللَّهِ إِنِّي لَأَعْرِفُ مَنْ كَانَ يَغْسِلُ جُرْحَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَمَنْ كَانَ يَسْكُبُ المَاءَ، وَبِمَا دُووِيَ، قَالَ كَانَتْ حَضْرَتْ فَاطِمَةُ عَلَيْهَا السَّلاَمُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَغْسِلُهُ، وَ حَضْرَتْ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ عَلَيْهِ السَّلاَمُ يَسْكُبُ المَاءَ بِالْمِجَنِّ، فَلَمَّا رَأَتْ حَضْرَتْ فَاطِمَةُ عَلَيْهَا السَّلاَمُ أَنَّ المَاءَ لاَ يَزِيدُ الدَّمَ إِلَّا كَثْر বাকি অংশ পড়ুন...
২০০৫ সালের ১ জুলাই থেকে জমির যেকোনো হস্তান্তরযোগ্য দলিল রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, যে দলিল রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক অথচ রেজিস্ট্রেশন করা হয়নি, তখন সেই দলিল নিয়ে আপনি কোনো দাবি করতে পারবেন না। সাব-কবলা দলিল, হেবা বা দানপত্র, বন্ধকি দলিল, বায়না দলিল, বণ্টননামা দলিলসহ বিভিন্ন হস্তান্তর দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে। দলিলের বিষয়বস্তু যে এলাকার এখতিয়ারের মধ্যে রয়েছে, সেই এলাকার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রি করতে হবে।
দলিল রেজিস্ট্রি করার সময় সুর্কতা:
কোনো দলিল আইনগণ ও যথাযথ পদ্ধতিতে সম্পাদনে বাকি অংশ পড়ুন...












