কারণ অনেক পবিত্র আয়াত শরীফ একাধিকবার নাযিল হয়েছেন, অনেক পবিত্র সূরা শরীফ একাধিকবার নাযিল হয়েছেন। যেমন সূরা আল কাউছার শরীফ, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ছোট সূরা শরীফ। এই সূরা আল কাউছার শরীফ মক্কা শরীফে নাযিল হয়েছেন, মদীনা শরীফেও নাযিল হয়েছেন একাধিকবার, অনেকবার নাযিল হয়েছেন।
পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ খুব বড় সূরা শরীফ নয়, বারো খানা আয়াত শরীফ, দু’খানা রুকূ শরীফ। এখানে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র আয়াত শরীফের মধ্যে হারাম করা। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে উনার মহাসম্ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إذَا رَأَيْتُمُ الَّذِيْنَ يَسُبُّوْنَ أصْحَابِىْ فَقُوْلُوْا لَعْنَةُ اللهِ عَلَى شَرِّكُمْ.
অর্থ: যখন তোমরা কাউকে আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে গালি দিতে দেখবে, তখন তোমরা বলো, এ নিকৃষ্ট কাজের জন্য তোমাদের প্রতি আল্লাহ পাক উনার লা’নত বর্ষিত হোক। (তিরমিযী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ নাযিল হয়েছে এখানে ১১৪ খানা পবিত্র সূরা শরীফ রয়েছেন। পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ এটা নাযিল হয়েছে ১০৭ নম্বর। নাযিলের তারতীব অনুযায়ী ১০৭। আর এর আগে পবিত্র সূরা নূর শরীফ নাযিল করা হয়েছে, সেটা হচ্ছে ১০২ নম্বর সূরা শরীফ, তারতীব অনুযায়ী। আর এর আগে নাযিল হয়েছে পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ ৯০তম সূরা। প্রত্যেকটা সূরা শরীফ মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার মধ্যে নাযিল করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
পবিত্র সূরাগুলোর তারতীব ৯০, ১০২, ১০৭ থাকার পরও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ব্যতিক্রম রয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...
(১) আদেশ মুবারক শুনতে হবে।
(২) ইতায়াত মুবারক করতে হবে।
(৩) খরচ মুবারক করতে হবে।
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে তিনটা শ্রেণী। প্রথম শ্রেণীতে রয়েছেন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম এবং মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আম্মা আলাইহাস সালাম উনারা দু’জন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর দ্বিতীয় স্তরে রয়েছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর তৃতীয় স্তরে হযরত আবনাউ রস বাকি অংশ পড়ুন...
عَجِّلُوْا بِالتَّوْبَةِ قَبْلَ الْمَوْتِ عَجِّلُوْا بِاِسْتِعْدَادِ الْمَوْتِ قَبْلَ نُزُولِ الْمَلَكِ الْمَوْتِ.
অর্থ: “তোমরা তাড়াতাড়ি মৃত্যুর পূর্বে তওবা করে নাও। মালাকুল মউত নাযিল হওয়ার পূর্বে তাড়াতাড়ি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করো। অর্থাৎ তওবা করে ঈমানদার হয়ে যাও।
বাকি অংশ পড়ুন...
হাফিযে হাদীছ হযরত ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
لَا يَلْزِمُ مِنْ نَفِىِ الثُّبُوْتِ ثُبُوْتَ الضَّعْفِ لِاِحْتِمَالٍ اَنْ يُّرَادَ بِالثُّبُوْتِ الصِّحَةَ فَلَا يَنْتَفِى الْـحَسَنَ
অর্থ: “পবিত্র হাদীছ শরীফ সাবিত নয় বা দৃঢ় নয় দ্বারা দ্বয়ীফ হওয়া আবশ্যক নয়। হাদীছ শরীফখানা সাবিত নয় দ্বারা ছহীহ নয় বুঝানো হয়েছে। তাই বলে হাসান হওয়াকে নিষেধ করা হয়নি।” (তুহফাতুল আবরার ১/৪)
এছাড়া হযরত জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘তা’কিবাত আলাল মওদ্বয়াত’ কিতাবে, হযরত তাহের ফাত্তানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার রচিত ‘তাযকিরাতুল মাওদ্বুয়াত’ কিতাবে, আব্দুল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
غَيْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّيْنَ
“(তোমরা দোয়া করো। আয় আল্লাহ পাক!) আমাদেরকে তাদের পথ দিবেন না যারা গযবপ্রাপ্ত ও বিভ্রান্ত (খাছভাবে মাগদ্বুব অর্থ ইহুদী এবং দোয়াল্লীন অর্থ নাছারা। আর আমভাবে সমস্ত কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীন, বাতিল ফিরক্বার অনুসারী সবাই এর অন্তর্ভুক্ত)। (পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ: ৭)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রোযার প্রকারভেদ :
পবিত্র রোযা মোট ছয় প্রকার। যথা- ১.ফরয, ২. ওয়াজিব, ৩. সুন্নত, ৪. মুস্তাহাব, ৫. মাকরূহ, ৬. হারাম।
ফরয রোযা :
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ২৯ দিন অথবা ৩০ দিনের রোযা হচ্ছে ফরয রোযা।
ওয়াজিব রোযা :
মানত-এর রোযা।
নফল রোযার ক্বাযা, যা শুরু করার পর ফাসিদ (ভঙ্গ) হয়ে গিয়েছিলো।
বিভিন্ন কাফফারার রোযা।
সুন্নত রোযা :
পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম (১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ) উপলক্ষে দুটি রোযা রাখা। অর্থাৎ ৯ ও ১০ অথবা ১০ ও ১১ তারিখে রোযা রাখা।
প্রতি মাসে তিনটি রোযা রাখা।
পহেলা রজব উনার দিনে রোযা রাখা।
পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার দিনে অর্থাৎ বাকি অংশ পড়ুন...












