(গত পর্বের পর)
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার উক্ত কিতাবের ৬০৪নং বাব যার নাম হচ্ছে-
بَابُ الدُّعَاءِ فِي الْوِلَادَةِ- (সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর জন্য দোয়া করা) এখানে আরো একটি ছহীহ হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন।
আর এই পবিত্র হাদীছ শরীফ হতে জানা যায় যে, এক দুইজন নয়, বরং একদল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বিলাদত বা জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত দাওয়াতে এসে খাওয়া দাওয়া করেছেন এবং শিশুর জন্য দোয়া করেছেন-
عَنْ حَضْرَتْ مُعَاوِيَةَ بْنَ قُرَّةَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ يَقُوْلُ لَمَّا وُلِدَ لِـي اِيَاسٌ دَعَوْتُ نَفَرًا مِنْ اَصْحَابِ النَّبِيّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ف বাকি অংশ পড়ুন...
তাক্বওয়া শব্দটি সাধারণত দু’টি অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। একটি অর্থ হলো- ডর বা ভয় পাওয়া বা ভয় করা যা মাজাযী তাক্বওয়া। আর একটি হলো- হাক্বীক্বী তাক্বওয়া। সেটা হলো পরহেযগারী ইখতিয়ার করা, অর্থাৎ মূল পরহেযগারী কোনটা?
মহান আল্লাহ পাক তিনি ছাড়া সমস্ত গায়রুল্লাহ্ থেকে পরহেয করা। সেটা হলো মূল হাক্বীক্বী তাক্বওয়া। হাক্বীক্বী পরহেযগারী।
এ সম্বন্ধে বলা হয়ে থাকে, একটা পবিত্র হাদীছ শরীফ উল্লেখ করা হয়েছে। হযরত মুআয ইবনে জাবাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। এক তাবেয়ী এসে হযরত মুআয ইবনে জাবাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে ব বাকি অংশ পড়ুন...
মুবারক শানে গোস্তাখী করার পরিণতি:
পবিত্র বদরের জিহাদে আব্দুল উজ্জা নামক এক মুনাফিক ধরা পড়লো। এই মুনাফিকের কাজ ছিলো সার্বক্ষণিক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে কুৎসা রটনা করা এবং সেগুলো দিয়ে গান-বাজনা বানিয়ে প্রচার করা। নাউযুবিল্লাহ! মুনাফিক আব্দুল উজ্জাকে যখন গ্রেফতার করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে নিয়ে আসা হলো, তখন সে ক্ষমা চেয়ে খুব কাকুতি-মিনতি করে পায়ে পড়ে কান্নাকাটি শুরু করলো এবং বলতে লাগলো, সে জীবনে আর ক বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبَا لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبَا ۗ وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا ۚ فَمَن جَاءَهُ مَوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّهِ فَانتَهَىٰ فَلَهُ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُ إِلَى اللَّهِ ۖ وَمَنْ عَادَ فَأُولَٰئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
অর্থ: যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতের দিন ঐভাবে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান স্পর্শ করে মোহগ্রস্ত করে দিয়েছে। কারণ তারা বলে যে, ক্রয়-বিক্রয়ও তো সুদ নেয়ারই মত। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্ বাকি অংশ পড়ুন...
চতুর্থ সনদ:
চতুর্থ সনদ ও হাদীছটা হযরত ইমাম আবু নু‘আইম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘তিব্বুন নববী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ নামক বিখ্যাত কিতাব এর ১ম খ-ের ৩৮৩ নং পৃষ্ঠায় তিনি লিখেন,
حَدَّثَنا حضرت امام محمد بن جرير رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ، حَدَّثَنا حضرت امام أحمد بن الحسن الترمذي رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ، عَن موسى بن محمد، حَدَّثَنا دفاع بن دغفل السدوسي، عَن عَبد الحميد بن صيفي بن صهيب، عَن أبيه، عَن جَدِّه صهيب الخير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم عليكم بألبان البقر فإنها شفاء وسمنها دواء ولحومها داء
অর্থ: “হযরত ইমাম মুহম্মদ ইবনে জারীর রহমতুল্লাহি আলাইহি আমাদের বলেন, আহমদ ইবনুল হাসান আত তিরমিজী রহমতুল্লাহি আলাই বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত গাউছুল আ’যম শায়েখ সাইয়্যিদ মুহীউদ্দিন আবদুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি প্রথমে বললেন, দেখ চিকিৎসা করে কি হবে, যিনি সমস্ত চিকিৎসকের চিকিৎসক, সমস্ত হাকীমগণের হাকীম সেই মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি আমাকে অসুখ মুবারক দিয়েছেন। কাজেই আমার এই অসুখ মুবারক সারা দুরূহ ব্যাপার। আমার হায়াত শেষ হয়ে গিয়েছে, আমি থাকতে পারব না এখানে।
তথাপিও মুরীদদের আশা উনারা বললেন, হুযূর! আপনি যদি অনুমতি দেন তাহলে আমরা চিকিৎসা করি। তিনি চিন্তা করলেন, সত্যিই চিকিৎসা করাতো সুন্নত মুবারক, অসুবিধা নেই ঠিক আছে নিয়ে যাও আমার ইস্তিঞ্জা মুবা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত যুন নুন মিছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি বড় বুজুর্গ মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী। তিনি একদিন গিয়েছেন পবিত্র কা’বা শরীফ-এ হজ্জ করতে। হজ্জ শেষে তিনি বসে রয়েছেন পবিত্র কা’বা শরীফ উনার সীমানার মধ্যে পবিত্র কা’বা শরীফ উনার পাশে। হঠাৎ দেখলেন, একটা মেয়েলোক একটা বাচ্চাসহ সেখানে এসেছে। সে এসে বলছে, “মহান আল্লাহ পাক! সেই গোপন ওয়াদা। ” বার বার সেই মেয়েলোকটা একই কথা বলছে। যখন সে এই কথা বার বার বলছে, হযরত যুন নুন মিছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি, যেখানে বসা ছিলেন সেখান থেকে উঠে গিয়ে সেই মহিলার নিকটে গিয়ে বললেন, হে মহিলা কিসের গোপন ওয়াদা? কোন গোপন ওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّـى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَه
অর্থ: আমরা যখন মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আগমন করতাম, তখন তাড়াতাড়ি করে নিজেদের সওয়ারী থেকে নেমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে (পবিত্র হাত মুবারকে) এবং নূরুদ দারাজাত মুবারকে (পবিত্র ক্বদম মুবারকে) বুছা দিতাম। সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুছ ছাহাবাহ্, আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, শরহুস সুন্নাহ্, শু‘আবুল ঈমান বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত খলীফা হারুনুর রশীদ মোটামুটি তার ইলম কালাম ছিলো, কিছু আমলও তার ছিলো। আর তার স্ত্রী জোবায়দা বেগম, সেও নেককার মহিলা ছিলো। একদিন খলীফা হারুনুর রশীদের সাথে তার স্ত্রীর কিছু কথা কাটাকাটি হয়। স্ত্রী সবসময় চাইতো হারুনুর রশীদ যেন সৎমত সৎপথে চলে, কিন্তু হারুনুর রশীদের একজন সভাসদ ছিলো। সে তাকে ওয়াসওয়াসা দিতো।
একবার কথিত খলীফা হারুনুর রশীদ কোন একটা কাজের কথা বললো। বলার পরে তার স্ত্রী জোবায়দা বেগম বললো যে- আপনি যদি এই কাজ করেন, তাহলে আপনি জাহান্নামী হবেন। এই আমল যদি আপনি করেন, এটা জাহান্নামীর লক্ষণ আপনি জাহান্নামী হবেন। যখন স্ত্রী বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত মুফাস্সির আল্লামা ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার “তাফসীরে ইবনে কাছীরের” ৮ম খ-, ৩-৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন-
قَالَ اِبْنُ مَسْعُوْدٍ فِى قَوْلِهٖ تَعَالٰى وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ....... قَالَ هُوَ وَاللهِ اَلْغِنَاءُ ....... وَكَذَا قَالَ اِبْنُ عَبَّاسٍ وَجَابِرٍ وَعِكْرَمَةَ وَسَعِيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ وَمُجَاهِدٍ وَمَكْحُوْلٍ وَعَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ وَعَلِىِّ بْنِ بُذَيْمَةَ وَقَالَ حَسَنُ الْبَصْرِىِّ نَزَلَتْ هٰذِهِ الْاٰيَةُ فِى الْغِنَاءِ وَالْمَزَامِيْرِ.
অর্থ: বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি لَهْوَ الْحَدِيثِ -এর ব্যখ্যায় বলেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! لَهْ বাকি অংশ পড়ুন...












