এখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম যারা আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাতো মহাসম্মানিত ও মহপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মাধ্যম দিয়ে যমীনে তাশরীফ মুবারক এনেছেন। বিষয়টা ফিকির করতে হবে। তাহলে উনাদের খুছূছীয়াত মুবারক কতটুকু? কাফির মুশরিকগুলো চায় উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক যদি কিছু ব্যতিক্রম করা যায়, এটা ঘুরিয়ে তারা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শান মুবারকে করতে চায়। নাউযুবিল্ বাকি অংশ পড়ুন...
(১২) মুরীদের মনে কোন সন্দেহের উদ্রেক হলে তা স্বীয় শায়েখ উনার নিকট আরজ করবে। তিনি বুঝিয়ে দেয়া সত্ত্বেও যদি না বুঝে আসে, তবে নিজেরই ত্রুটি মনে করবে। কারণ উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী। তিনি উনাদেরকে ইলমে লাদুন্নী মুবারক বা বিশেষ জ্ঞানের দ্বারা ভুষিত করেছেন। যা সম্পর্কে সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা জাহিরী ইলিমের অধিকারী বা নামধারী মাওলানারাই ওয়াকিফহাল নয়। কেননা পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে-
اِتَّقُوا فِرَاسَةَ الْمُؤْمِنِ فَإِنَّهُ يَنْظُرُ بِنُورِ اللهِ
অর্থ: আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুয বাকি অংশ পড়ুন...
সিলেবাস রচনার কার্যক্রম
পনেরো শতকের মহান মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি ৯০ দশকেই শিশু শ্রেণী থেকে সর্বোচ্চ শ্রেণী এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সকল পাঠক্রমে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র কিয়াস শরীফ থেকে ৩৩ শতাংশ বাধ্যতামূলকভাবে রেখে সম্পূর্ণ ইসলামী ভাবধারা অনুযায়ী সিলেবাস রচনার উদ্যোগ গ্রহন করেছিলেন। সে সময় অনেকের পক্ষেই সেই সিলেবাস রচনার উদ্যোগের নিগুঢ় রহস্য অনুধাবন করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে কাফির মুশরিকদের প্ররোচনায় আমাদের দেশের বিভ্রান্ত শাসক গোষ্ঠী যেখানে সকল বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক বদরের জিহাদে হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আবূ বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পুত্র কাফিরদের পক্ষে যুদ্ধ করেছিলেন। অবশ্য পরবর্তীতে তিনি মুসলমান হয়ে বিশিষ্ট ছাহাবীর মর্যাদা লাভ করেন। ইসলাম গ্রহণের পর কোন একদিন তিনি কথা প্রসঙ্গে উনার মহামান্য পিতা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নিকট বললেন- আব্বাজান! বদরের জিহাদের সময় রনাঙ্গনে আমি কয়েকবার আপনাকে হাতের মুঠোর নাগালে পেয়েও কতল করিনি; যেহেতু আপনি হলেন আমার সম্মানিত পিতা তাই তা থেকে আমি বিরত থেকেছিলাম। অতঃপর হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর রদ্বিয়াল্ বাকি অংশ পড়ুন...
আর সেই অংশ মুবারকের হক্বদার হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাও। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে বিষয়টা ফিকির করতে হবে। উনাদের খুছূছীয়াত মুবারক, বৈশিষ্ট্য মুবারক, ফযীলত- সম্মান মুবারক ফিকির করতে হবে। এটা কিন্তু কঠিন বিষয়, আমি অনেকবার বলেছি। অনেক দিন বলেছি, আমরা বলতেই থাকবো অনন্তকাল ধরে। উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক যাতে মানুষ বুঝতে পারে। এখানে কিন্তু বিন্দু থেকে বিন্দুমাত্র চূ-চেরা কিল ও কাল করলে তার ঈমানটা নষ্ট হয়ে যাবে। বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ফযীলত বা মর্যাদা সম্পর্কে পবিত্র কাল্লামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اَلَا اِنَّ اَوْلِيَاءَ اللهِ لَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَـحْزَنُوْنَ اَلَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَكَانُوْا يَتَّقُوْنَ لَـهُمُ الْبُشْرٰى فِي الْـحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِـي الْاٰخِرَةِ ۚ لَا تَبْدِيْلَ لِكَلِمَاتِ اللهِ ۚ ذٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيْمُ
অর্থ: “সাবধান! জেনে রাখ, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার যারা ওলী উনাদের কোন ভয় নেই এবং কোন চিন্তা বা পেরেশানীও নেই। উনারাই হচ্ছেন প্রকৃত ঈমানদার এবং প্রকৃত মুত্তাক্বী। উনাদের জন্যেই রয়েছে সুসংবাদ পার্থিব জীবনে এ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার চারটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য মুবারক উনার চারিত্রিক সৌন্দর্যকে আরো শোভা দান করেছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অনুপম মুহব্বত মুবারক, সুন্নত মুবারকের অনুসরণ, আমর বিল মা‘রূফ (সৎ কাজে আদেশ) ও হক্ব কথা বলা।
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি উনার কিরূপ গভীর মুহব্বত মুবারক ছিল তা এই বর্ণনা থেকে বুঝা যায়। তিনি যখন মাত্র দশ বছর বাকি অংশ পড়ুন...
যেমন পোশাক বা লেবাসের ক্ষেত্রে পবিত্র হাদীছ শরীফে উল্লেখ আছে-
اِيَّاكُمْ وَلُبُوْسَ الرُّهْبَانِ فَاِنَّهُ مَنْ تَزَيَّا بِهِمْ اَوْ تَشَبَّهَ فَلَيْسَ مِنِّىْ أَخْرَجَهُ الطَّبَرَانِيُّ فِي الْأَوْسَطِ.
অর্থ: “ইমাম তবারানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “আওসাত’ কিতাবে বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “সাবধান” তোমরা খৃষ্টান সন্নাসীদের পোশাক হতে বেঁচে থাক। নিশ্চয়ই যারা খৃষ্টানী পোশাক দ্বারা নিজেদের সুসজ্জিত করে অথবা তাদের সাথে সাদৃশ্য রাখে, তারা আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত ন বাকি অংশ পড়ুন...












