ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৪০)
, ৩০ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৯ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ০৬ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
অসংখ্য অগণিত নিয়ামত মুবারকের মধ্যে বিশেষ নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। উনাদের মধ্যে বিশেষ হচ্ছেন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এখন মহাসম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ, পূর্ববর্তী তিনখানা কিতাব, একশ’খানা ছহীফাহ এবং মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে যা কিছু বর্ণিত রয়েছেন তার থেকে উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী- সম্মান লক্ষ কোটিগুণ বেশি রয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেটা বর্ণনা করা হয়নি। এখন সেই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে আমরা ইতিপূর্বে আলোচনা করেছিলাম। তারপরেও আজকে আলোচনা করবো। ইনশাআল্লাহ! পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার যে গুরুত্ব ফযীলত এটা উপলদ্ধি করতে হবে। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قَالَ إِنَّمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللهِ وَأُبَلِّغُكُم مَّا أُرْسِلْتُ بِهٖ وَلٰكِنِّي أَرَاكُمْ قَوْمًا تَجْهَلُونَ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে পাঠিয়েছেন। সেটা বলা হচ্ছে-
قَالَ إِنَّمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللهِ
নিশ্চয়ই ইলিম যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছেই রয়েছেন। তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমস্ত ইলিম মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তিনি যমীনে তাশরীফ মুবারক এনেছেন। তিনি বলেছেন-
وَأُبَلِّغُكُم مَّا أُرْسِلْتُ بِهٖ
আমিও তোমাদের কাছে সেটাই বলবো যে বিষয় আমাকে পাঠানো হয়েছে, আমাকে যা বলতে বলা হবে সেটাই শুধু তোমাদেরকে বলবো-
وَلٰكِنِّي أَرَاكُمْ قَوْمًا تَجْهَلُونَ
বরং আমি দেখতে পাচ্ছি তোমরা প্রত্যেকে কঠিন গ-মূর্খ। নাউযুবিল্লাহ! এখন তোমাদের যতটুকু প্রয়োজন সেটাই বলা হবে। সেটাই বলা হচ্ছে-
وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوٰى. إِنْ هُوَ إِلاَّ وَحْيٌ يُّوحٰى
যে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ওহী মুবারক ব্যতীত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন কথা মুবারক বলেন না, কোন কাজ মুবারক করেন না, কোন সম্মতি মুবারক প্রকাশ করেন না। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেই মহাসম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ উনার গুরুত্ব উপলদ্ধি করতে হবে। এজন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বলা হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جُنْدُبٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ قَالَ فِى الْقُرْاٰنِ بِرَأْيِهٖ فَأَصَابَ فَقَدْ أَخْطَأَ.
হযরত জুনদুব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহাসম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ উনার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ কেউ করে নিজ থেকে মনগড়া সেটা শুদ্ধ হলেও সে ভুল করলো। নাউযুবিল্লাহ!
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ قَالَ فِي الْقُرْآنِ بِغَيْرِ عِلْمٍ فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهٗ مِنَ النَّارِ.
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার ব্যাখ্যা করলো, তাফসীর করলো মনগড়া অথবা না জেনে. সে যেন তার স্থান দুনিয়ায় থাকতেই জাহান্নামে নির্ধারণ করে নেয়। নাউযুবিল্লাহ!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইবলীসের ধোঁকা হচ্ছে-
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশে দেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসমূহের পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী কার্যক্রমের ইতিহাস (৩য় পর্ব)
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাজায়িজ
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ভোট, নির্বাচন, পদপ্রার্থী হওয়া ইত্যাদি কোনটিই জায়িয নেই
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যারা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি’য়ার তথা নিদর্শন মুবারক উনাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে তারা কিয়ামতের দিন তারা অন্ধ হয়ে উঠবে
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রত্যেক মু’মিন মুসলমানকে কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ থেকে দূরে থাকতে হবে
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (১৮)
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পর্দা পালন করা পুরুষ-মহিলা সবার জন্য ফরজ
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির থেকে গাফিল ব্যক্তির জন্য তিনটি শাস্তি-
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












