উলামায়ে ‘সূ’দের কতগুলো খুছূছিয়াত এখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইবলীসের মাধ্যমে প্রকাশ করে দিয়েছেন। উলামায়ে ‘সূ’দের যে কতগুলো বৈশিষ্ট রয়েছে সেটা মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রকাশ করে দিয়েছেন।
এক নাম্বার হচ্ছে উলামায়ে ‘সূ’ এরা অহঙ্কারী হবে।
দুই নাম্বার তারা মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র আয়াত শরীফ বা নিদর্শনসমূহ আসলেই অস্বীকার করবে। অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের আদেশ নিষেধগুলোকে অস্বীকার করবে, অহঙ্কারী সে হবে।
হক্বকে সে কখনই গ্রহণ করবে না। হাজারো গোমরাহ হয়ে গেলে, বিভ্রান্তিতে পড়ে গেলেও, গযবে-আযাবে গ্রেফতার হও বাকি অংশ পড়ুন...
উলামায়ে ‘সূ’দের কতগুলো খুছূছিয়াত এখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইবলীসের মাধ্যমে প্রকাশ করে দিয়েছেন। উলামায়ে ‘সূ’দের যে কতগুলো বৈশিষ্ট রয়েছে সেটা মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রকাশ করে দিয়েছেন।
এক নাম্বার হচ্ছে উলামায়ে ‘সূ’ এরা অহঙ্কারী হবে।
দুই নাম্বার তারা মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র আয়াত শরীফ বা নিদর্শনসমূহ আসলেই অস্বীকার করবে। অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের আদেশ নিষেধগুলোকে অস্বীকার করবে, অহঙ্কারী সে হবে।
হক্বকে সে কখনই গ্রহণ করবে না। হাজারো গোমরাহ হয়ে গেলে, বিভ্রান্তিতে পড়ে গেলেও, গযবে-আযাবে গ্রেফতার হও বাকি অংশ পড়ুন...
ইসলামের দৃষ্টিতে ও ইসলামের নামে ভোট, নির্বাচন, পদপ্রার্থী হওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয় সে প্রসঙ্গে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللهِ لاَ نُوَلِّى عَلٰى هٰذَا الْعَمَلِ أَحَدًا سَأَلَهٗ وَلاَ أَحَدًا حَرَصَ عَلَيْهِ
অর্থ: এই কাজে (শাসক পদে) যারা পদপ্রার্থী হয় বা পদের আকাঙ্খা করে আমরা তাদের পদ দেই না। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
যেখানে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্বাচন পদ্ধতি শুধু অপছন্দই করেননি সাথে সাথে নিষেধও করেছেন। তাহলে নির্ব বাকি অংশ পড়ুন...
ইসলামের দৃষ্টিতে ও ইসলামের নামে ভোট, নির্বাচন, পদপ্রার্থী হওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয় সে প্রসঙ্গে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللهِ لاَ نُوَلِّى عَلٰى هٰذَا الْعَمَلِ أَحَدًا سَأَلَهٗ وَلاَ أَحَدًا حَرَصَ عَلَيْهِ
অর্থ: এই কাজে (শাসক পদে) যারা পদপ্রার্থী হয় বা পদের আকাঙ্খা করে আমরা তাদের পদ দেই না। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
যেখানে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্বাচন পদ্ধতি শুধু অপছন্দই করেননি সাথে সাথে নিষেধও করেছেন। তাহলে নির্ব বাকি অংশ পড়ুন...
لَا تَسُبُّوْا اَصْحَابِىْ فَلَوْ أَنَّ اَحَدَكُمْ أَنْفَقَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا مَا بَلَغَ مُدَّ أَحَدِهِمْ وَلَا نَصِيْفَهُ
অর্থ: তোমরা আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে গালমন্দ করো না। কেননা যদি তোমাদের কেউ উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় দান করে, তবুও ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের এক মুদ (১৪ ছটাক) বা অর্ধ মুদ (৭ ছটাক) গম দান করার ফযীলতের সমপরিমাণ ফযীলতও অর্জন করতে পারবে না। (বুখারী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষ যে হাঁচি দেয় হাঁচির মধ্যে অনেক রোগ-জীবাণু বেরিয়ে যায়। এজন্য একটা রুমাল বা কাপড়ের মধ্যে হাঁচি দেয়া উচিত। আর শুকরিয়া স্বরূপ আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামীন বলা উচিত।
চিশতীয়া খান্দানের বিশিষ্ট বুযূর্গ হযরত খাজা উছমান হারুনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আনিসুল আরওয়াহ নামক কিতাবে সপ্তদশ মজলিসে মু’মিন বান্দার হাঁচি সম্পর্কে বলেন, “যখন কোন মু’মিন বান্দা হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলেন তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি তার সমস্ত গুনাহখতা মাফ করে দেন এবং ঐ বান্দার জন্য জান্নাতে একটা প্রাসাদ তৈরী করেন, যার মধ্যে একটা গাছ থাকবে এবং সে গাছের বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ اِنْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهٗ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهٖ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهٗ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “মানুষ যখন ইন্তিকাল করে, তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায় তিনটি ব্যত বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
মুসরিফ ইবনে উক্ববা লা’নাতুল্লাহি
আলাইহির উক্তি:
মুসরিফ ইবনে উক্ববা লা’নাতুল্লাহি আলাইহি বলে-
اَللّٰهُمَّ اِنْ عَذَّبْتَنِىْ بَعْدَ طَاعَتِىْ لِخَلِيْفَتِكَ يَزِيْدَ (لَعْنَةُ اللهِ عَلَيْهِ) وَقَتْلِ اَهْلِ الْحَرَّةِ فَاِنِّىْ اِذًا لَشَقِىٌّ
অর্থ: “আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! আপনার খলীফা ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহির পরিপূর্ণ ইতায়াত এবং পবিত্র মদীনা শরীফবাসী উনাদেরকে শহীদ করার পরও যদি আপনি আমাকে শাস্তি দেন, তাহলে নিশ্চয়ই আমি অত্যন্ত হতভাগা।” না‘ঊযুবিল্লাহ! (ইক্বদুল ফরীদ ৫/১৩৯)
সম্মানিত শহীদ উনাদের মাথা মুবারক দেখে ইয়াযীদ লা’নাতুল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
এক মুনাফিক কিছু বাতিল ও মনগড়া দলীল জোগাড় করে মূর্তিকে জায়িয প্রমাণ করার অপচেষ্টা করেছে। তার মূল বক্তব্য হচ্ছে, যে মূর্তিকে পূজা, আরাধনা, ইবাদত করা হয়, যেটা মানুষকে মুশরিক বানায়; সেটা নিষেধ। কিন্তু যে মূর্তিকে আরাধনা ইবাদত করা হয় না বরং যে মূর্তি সৌন্দর্য বাড়ায়, সুসজ্জিত করে সেটা নিষেধ নয়।
অতএব, উক্ত ব্যক্তির এ ধরণের যুক্তি কতটুকু ইসলামসম্মত? দলীলসহ জাওয়াব দিয়ে বিভ্রান্তি নিরসন করবেন।
জাওয়াব:
অথচ মূর্তি, ছবি বা ভাস্কর্যকে জায়িয প্রমাণ করতে গিয়ে সে দলীল হিসেবে যে পবিত্র হাদীছ শরীফ উল্লেখ করেছে, উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফখা বাকি অংশ পড়ুন...
সে এতবড় অহংকার করলো, অস্বীকার করলো। মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে সে তর্ক শুরু করে দিলো। নাউযুবিল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
فَاهْبِطْ مِنْهَا فَمَا يَكُونُ لَكَ اَنْ تَتَكَبَّرَ فِيهَا
ইবলীস এখান থেকে নেমে যাও। তোমার এতো ক্ষমতা নেই যে তুমি এখানে বসে অহংকার করো।
فَاخْرُجْ اِنَّكَ مِنَ الصَّاغِرِينَ
বের হয়ে যা এখান থেকে। নিশ্চয়ই তুই লাঞ্ছিত, জাহান্নামী। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইবলীসকে বের করে দিলেন।
এছাড়াও মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অনেক আয়াত শরীফ ও সূরা শরীফ উনার মধ্যে ইবলীস সম্পর্কে বললেন। ইবলীস এতো বড় বেয়াদব। সেই হচ্ছে প্রথম উলামায়ে বাকি অংশ পড়ুন...












