পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ بُرَيْدَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعَلِىٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ يَا عَلِىُّ عَلَيْهِ السَّلَامُ لاَ تُتْبِعِ النَّظْرَةَ النَّظْرَةَ فَإِنَّ لَكَ الأُولَى وَلَيْسَتْ لَكَ الآخِرَةُ
অর্থ: হযরত বুরাইদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হে হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম! দ বাকি অংশ পড়ুন...
এখন চিন্তা-ফিকির করেন, ওয়াজ মাহফিল, দর্স-তাদরীসের মাহফিল, তা’লীম-তালকী¡নের মাহফিল আর বিশেষ করে এই মাহফিল যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য, তা শুধু সাধারণ ওয়াজ মাহফিল নয়। কেননা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য এই ওয়াজ মাহফিলের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। উনার আলোচনা করা হচ্ছে, আর মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-শওকত, মর্যাদা-মর্তবা য বাকি অংশ পড়ুন...
“মুগনী” কিতাবে উল্লেখ আছে- لَهْوَ الْحَدِيْثِ ‘লাহ্ওয়াল হাদীছ’ হচ্ছে- গান-বাজনা, সঙ্গীত। এ আয়াত শরীফ দ্বারা তা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। যে ব্যক্তি এটাকে হালাল জানবে সে কাফের হবে।
وَفِىْ جَامِعِ الْفَتَاوَى اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا وَضَرْبُ الْمَزَامِيْرِ وَالرَّقْصُ كُلُّهَا حَرَامٌ وَمُسْتَحِلُّهَا كَاِفرٌ.
অর্থ: “জামিউল ফতওয়াতে” উল্লেখ আছে, গান-বাজনা শ্রবন করা, গান-বাজনার মজলিসে বসা, বাদ্য-যন্ত্র বাজানো, নর্তন-কুর্দন করা সবই হারাম। যে ব্যক্তি এগুলোকে হালাল মনে করবে সে ব্যক্তি কাফের।
বাকি অংশ পড়ুন...
ইমামুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদিন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দরস বা তা’লীম দিচ্ছিলেন। তিনি সবসময়ই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে, গভীর মনোযোগ সহকারে তা’লীম বা পাঠদান করে থাকেন। কিন্তু সেদিন একটি ব্যতিক্রম ঘটনা সংঘটিত হলো। তিনি তা’লীম দেয়ার সময় হঠাৎ দাঁড়ালেন। কিছুক্ষণ দাঁড়ানো থেকে আবার বসে গেলেন। কয়েকবারই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করলেন। উনার দাঁড়ানোর সাথে সাথে উপস্থিত শিক্ষার্থীরাও উনার সম্মানার্থে দাঁড়ালেন আর বসলেন।
তা’লীম শেষ হলো। উনার একান্ত নৈকট্যধন্য একজন শিক্ষার্থী সবিনয়ে জানতে চাইলে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কা’বা শরীফের একটি বরকতময় নিদর্শন হলো- পবিত্র মাক্বামে ইবরাহীম। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে এটাকে প্রকৃষ্ট নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একটি পাথরের নাম মাক্বামে ইবরাহীম। হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি এই পাথরের উপরে দাঁড়িয়েই কা’বা শরীফ উনার সম্মানিত ঘর মুবারক নির্মাণ করেছিলেন। নির্মাণের সময় প্রয়োজনমত পাথরটি হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনিসহ উপরে অথবা নীচে উঠা-নামা করতো। হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পদচিহ্ন সেই পাথরে এখনো বিদ্যমান আছে।
তাফসীরে ইবনে কাছীরে হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
حُبُّ الصَّحَابَةِ إيْمَانٌ وَ بُغْضُهُمْ كُفْرٌ -
অর্থ : হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি মুহব্বত ঈমান, আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ কুফরী। (কানযুল উম্মাল)
বাকি অংশ পড়ুন...
৯. বার্ষিক বিচ্যুতি:
আত-তাক্বউয়ীমুশ শামসী : ০.২ সেকেন্ডেরও কম।
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি : প্রায় ২৭ সেকেন্ড।
ফসলী সন : ২৭ সেকেন্ডের বেশি।
১০. অধিবর্ষ পদ্ধতি:
আত-তাক্বউয়ীমুশ শামসী : অতিরিক্ত একদিন বছর শেষে যোগ হওয়ায় পরিবর্তন লক্ষণীয় নয় (যা চার বছর পর পর করা হয়)। কেননা নতুন বছর শুরু হয়ে যায়।
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি : ফেব্রুয়ারী মাস ২৮ দিনে, অধিবর্ষে ২৯ দিনে। বছরের দ্বিতীয় মাসে অতিরিক্ত একদিন যোগ হওয়াতে বাকী ১০ মাসই ১ দিন পিছিয়ে যায়।
ফসলী সন : ফাল্গুুন মাস ৩০ দিনে, অধিবর্ষে ৩১ দিনে। বছরের ১১তম মাসে অতিরিক্ত একদিন যোগ হওয়াতে এতে কোন ছন্দ নে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা ইখলাছ শরীফ
পবিত্র আয়াত শরীফ : ৪, পবিত্র রুকূ মুবারক : ১
পবিত্র মক্কা শরীফ উনার বরকতময় স্থানে নাযিল করেছেন।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে এই পবিত্র সূরা মুবারক ১১২তম নম্বরে উল্লেখ করা হয়েছে।
নাযিলের ধারাবাহিকতায় এই পবিত্র সূরা মুবারক ২২তম ।
ছহীহ তরজমা
اَعُـوْذُ بِـاللهِ مِـنَ الشَّـيْطَانِ الـرَّجِـيْمِ
খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি বিতাড়িত শয়তান থেকে।
بِسْمِ اللهِ الرَّحْـمٰنِ الرَّحِيْمِ.
খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারক স্মরণ করে শুরু করছি, যিনি পরম দয়ালু, করুণাময়।
(১) বলুন, খালিক্ব মা বাকি অংশ পড়ুন...












