উনারা প্রত্যেকেই ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন:
আহলে সুন্নত ওয়াল জামা‘আত উনার আক্বীদাহ হচ্ছে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা প্রত্যেকেই ন্যায়পরায়ণ ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত বিদায় হজ্জ মুবারক উনার সম্মানিত খুৎবা মুবারকে দীর্ঘ নছীহত মুবারক করার পর সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে নির্দেশ মুবারক দিলেন-
فَلْيُبَلِّغِ الشَّاهِدُ الْغَائِبَ
‘আপনারা যারা এখানে উপস্থিত আছেন, যারা উপস্থিত নেই বাকি অংশ পড়ুন...
উনারা প্রত্যেকেই ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন:
আহলে সুন্নত ওয়াল জামা‘আত উনার আক্বীদাহ হচ্ছে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা প্রত্যেকেই ন্যায়পরায়ণ ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত বিদায় হজ্জ মুবারক উনার সম্মানিত খুৎবা মুবারকে দীর্ঘ নছীহত মুবারক করার পর সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে নির্দেশ মুবারক দিলেন-
فَلْيُبَلِّغِ الشَّاهِدُ الْغَائِبَ
‘আপনারা যারা এখানে উপস্থিত আছেন, যারা উপস্থিত নেই বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا عَدْوٰى وَلَا طِيَرَةَ وَلَا هَامَةَ وَلَا صَفَرَ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই, অশুভ বলতে কিছু নেই, পেঁচার মধ্যে কোন কুলক্ষণ নেই এবং সম্মানিত ছফর শরীফ মাসে কোন খারাপী নেই। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, হাদীছ শরীফ নং ৫৭৫৭, ৫৩১৬, এবং ৫৪২৫, উমদাতুল ক্বারী ৩১/৩৮ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক ফরমান, “শীঘ্রই এমন এক সময় আসবে, যখন পৃথিবীর বিভিন্ন জাতিরা একে অপরকে মুসলমানদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য পরস্পরকে আহবান করবে, যেভাবে ক্ষুধার্ত নেকড়ে তাদের খাবারের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ”
একজন জিজ্ঞেস করলেন, “সেই সময় কি আমরা সংখ্যায় কম থাকবো?”
উত্তরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, “না, সে সময় সংখ্যায় তোমরা হবে অগণিত। কিন্তু তোমরা হবে বন্যার পানিতে ভেসে আসা খড়কুটোর মতো (অর্থাৎ শক্তিহীন)। শত্রুদের অন্ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হিজরত মুবারকের পূর্বেই হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উতাইক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন। বদরের জিহাদ ব্যতীত সকল জিহাদে তিনি অংশগ্রহণ করেন। হিজরী ৬ষ্ঠ সনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে চার ব্যক্তির আমীর নিযুক্ত করে আবু রাফে’ ইয়াহুদীকে হত্যা করার দায়িত্ব অর্পন করেন। আবু রাফে’ মুসলমানদের বিরূদ্ধে সবসময় ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...












