সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, মুজাদ্দিদুয যামান, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ
সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চীশতী আজমিরী সাঞ্জারী রহমতুল্লাহি আলাইহি (২১)
(বিলাদত শরীফ ৫৩৬ হিজরী, বিছাল শরীফ ৬৩৩ হিজরী)
, ২৬ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০৫ ছানী, ১৩৯২ শামসী সন , ০৩ জুলাই, ২০২৪ খ্রি:, ১৯ আষাঢ়, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
শাম বা সিরিয়া সফর:
পবিত্র হারূন শহর হতে বাগদাদ শরীফে পৌঁছার পর সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সেখানে কয়েকদিন অবস্থান করেন। অতঃপর শাম বা সিরিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন।
তিনি নিজেই বলেন, “আমি শাম দেশের নিকটবর্তী একটি শহরে পৌঁছলাম। হযরত আহাদ মাহমুদুল ওয়াহিদ গজনবী রহমতুল্লাহি আলাইহি নামের একজন বুযূর্গ ব্যক্তি একটি পাহাড়ের গুহায় অবস্থান করছিলেন। সেই গুহার অনতিদূরে দুটি বাঘ বসা ছিল। আমাকে দেখামাত্র তিনি হাতের ইশারায় আমাকে উনার নিকটে যেতে বললেন। আমি প্রথমত ইতস্ত করছিলাম। পরক্ষণে চিন্তা করলাম, ওরা তো বুযূর্গ ব্যক্তি উনার খাদিম।
তিনি বললেন, নিকটে আসুন। ভয় পাবেন না। আপনি যদি কখনো কারো ক্ষতি না করেন, তাহলে কেউই কখনো আপনার ক্ষতি করতে পারবে না। আমি নিকটবর্তী হলাম। তিনি আমাকে বললেন, আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে আপনি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পবিত্র মা’রিফাত ও মুহব্বত মুবারক তালাশ করছেন। তবে আমার দুটি নছীহত মুবারক স্মরণ রাখবেন। জীবন চলার পথে তা আপনার পাথেয় হবে।
প্রথম: মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَلَا تَخْشَوْهُمْ وَاخْشَوْنِي وَلِأُتِمَّ نِعْمَتِي عَلَيْكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ
অর্থ: “তোমরা তাদেরকে ভয় করো না। আমাকেই ভয় করো, আমিই তোমাদেরকে সমস্ত নিয়ামতরাজী দান করবো আর অবশ্যই তোমরা হিদায়েত লাভ করবে। ” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৫০)
আর দ্বিতীয়টি মনে রাখবেন: মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَنُلْزِمُكُمُوهَا وَأَنتُمْ لَهَا كَارِهُونَ
অর্থ: “তোমরা চাইবে না, অপছন্দ করবে, আর আমি কি তোমাদেরকে তা জোর করে চাপিয়ে দিবো?” (সূরা হুদ : আয়াত শরীফ ২৮)
তা কখনোই নয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন কিছু চাপিয়ে দেন না। কাজেই, মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে অধির আগ্রহের সাথে কাকুতি-মিনতি করে চাইতে হবে। আর নিয়ামত পাওয়ার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা-কোশেশ করতে হবে। তাহলে তিনি তা দিয়ে দিবেন। সুবহানাল্লাহ! (চলবে)
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত আশূরা শরীফ উনাকে যারা সম্মান করবে তাদের জন্য-
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী (১)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিষয় কেবল তিনটি অবস্থায়ই জানা যায়।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












