হযরত হাতেম আসেম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একটা ঘটনা বলা হয় যে, উনি মহান আল্লাহ পাক উনার উপর কতটুকু ভরসা করতেন। উনার আর্থিক অবস্থা তত স্বচ্ছল ছিলোনা।
একবার হজ্জের সময় যখন হলো, তখন উনার সঙ্গী-সাথীরা বললো, হে হাতেম আসেম রহমতুল্লাহি আলাইহি! আপনি কি হজ্জ্বে যাবেন?
উনি বললেন, দেখ আমি হজ্জ্বে যাব কি করে? আমার তো আর্থিক সামর্থ নেই। আমার ছেলে-মেয়ে রয়েছে, তাদের ভরন-পোষণ দিতে হবে আমি হজ্জ্বে থাকাকালীন অবস্থায়। আর আমার তো যাতায়াত খরচ দরকার, কোথা থেকে পাব?
তারা বললো, দেখেন আপনি যদি যেতে চান আমাদের সাথে যেতে পারেন। উনি সকালে উনার ছেলে-মেয়েদের সা বাকি অংশ পড়ুন...
‘আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলতে ছফর মাসের শেষ বুধবারকে বলা হয়। ছফর মাস ব্যতীত আর কোনো মাসের শেষ আরবিয়া (বুধবার)কে ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলা হয় না। যেমন ‘আশূরা’ শব্দটি আরবী ‘আশারাতুন’ শব্দ হতে এসেছে; যার অর্থ দশ বা দশম। কিন্তু ইছতিলাহী বা পারিভাষিক অর্থে ‘আশূরা’ শরীফ বলতে শুধুমাত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার ১০ তারিখ দিনটিকেই বুঝানো হয়ে থাকে। অন্য কোনো মাসের ১০ তারিখকে পবিত্র আশূরা শরীফ বলা হয় না। সুবহানাল্লাহ!
মূলত মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার ১০ তারিখ দিনটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদাম-িত হওয়ার কারণে যেমনিভাবে উক্ত বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَلَا تُقَاتِلُونَ قَوْمًا نَكَثُوا أَيْمَانَهُمْ وَهَمُّوا بِإِخْرَاجِ الرَّسُولِ وَهُمْ بَدَءُوكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍ أَتَخْشَوْنَهُمْ فَاللَّهُ أَحَقُّ أَنْ تَخْشَوْهُ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ
অর্থ: “আপনারা কি সেই জাতির বিরুদ্ধে জিহাদ করবেন না, যারা তাদের শপথ ভঙ্গ করেছে এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত ও পবিত্র মক্কা শরীফ-এ সম্মানিত অবস্থান মুবারক করার বিষয়ে বিরোধিতা করেছে এবং তিনি যেন সেখান থেকে সম্মানিত ও পবিত্র মদীনা শরীফ-এ সম্মানিত হিজরত মুবারক করেন এ বিষয়ে তারা ষড়যন্ত্র করেছে? আ বাকি অংশ পড়ুন...
ঢেলা-কুলুখ ও পানি ব্যবহারের নিয়ম:
বড় ইস্তিন্জা (পায়খানা) করা শেষ হলে পাথর, অথবা মাটির ঢেলা অথবা কপড়ের টুকরা অথবা টিস্যু হাতে নিয়ে اُسْكُتْ عَنْ ذِكْرِ اللهِ (উস্কুত্ আন্ যিক্রিল্লাহ্্=) বলে শাহাদাত আঙ্গুল দিয়ে তিনটি টোকা দিয়ে প্রথম ঢিলা, সামন থেকে মুছে পিছনে নিবে। দ্বিতীয় ঢিলা পিছন থেকে মুছে সামনে আনবে। তৃতীয় ঢিলা সামন থেকে মুছে পিছনে নিবে। (এখানে সহজটাই বলা হলো) বেজোড় সংখ্যক ৩/৫/৭ ঢেলা ব্যবহার করবে। ঢেলা ব্যবহার শেষ হলে তিনবার হাত ধৌত করবে, সন্দেহ দূর করার জন্য। এরপর ছোট ইস্তিন্জার পুরুষলিঙ্গের মাথায় কুলুখ ধরে ইস্তিব্রা করবে। ইস্তিব বাকি অংশ পড়ুন...
আমি শুধু ছোট একটা কাজ করেছি, আর কিছুই করিনি। কাজটা হলো এই, যে দুই বাড়ীতে মারামারি হচ্ছে সে দুই বাড়ীর সীমানার মধ্যে এক ফোঁটা মিষ্টির রস ফেলে দিয়েছিলাম। যার কারণে সেখানে পিঁপড়া আসল, পোকা-মাকড় আসল। তা দেখে ইঁদুর আসল, ইঁদুর দেখে বিড়াল আসল। বিড়াল দেখে প্রতিবেশীর কুকুরটা আসল। কুকুর বিড়ালকে কামড় দিল, আর বিড়ালওয়ালা কুকুরের মাথায় বারি দিল। তখন সে কুকুরওয়ালা উত্তেজিত হয়ে বিড়ালওয়ালার মাথায় বারি দিয়ে তাকে হত্যা করে ফেললো। মূলতঃ আমি শুধু এক ফোঁটা রস ফেলেছিলাম। কিন্তু বিরাট একটা ফিতনা পয়দা হয়ে গেল।
ঠিক ইবলীসের কাজগুলি এরকমই হয়ে থাকে। বাকি অংশ পড়ুন...
৪) সূর্যাস্ত ও চন্দ্রাস্তের পার্থক্য:
সূর্যাস্তের পর চাঁদ দেখার উৎকৃষ্ট সময় নির্ণয় : সূর্যাস্তের পর চাঁদ দেখার উৎকৃষ্ট সময় নিচের দুইটি পদ্ধতিতে নির্ণয় করা যায়।
ক) প্রথম পদ্ধতি : ধরা যাক, সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টায় এবং চন্দ্রাস্ত ৬টা ৪৫ মিনিটে। তাহলে সূর্যাস্ত এবং চন্দ্রাস্তের পার্থক্য ৪৫ মিনিট।
সুতরাং চাঁদ দেখার উৎকৃষ্ট সময় = সূর্যাস্ত + ৪/৯ী (সূর্যাস্ত এবং চন্দ্রাস্তের পার্থক্য)
= ৬ + (৪ী৪৫)/৯
= ৬ + ২০
= ৬টা ২০ মিনিট
খ) দ্বিতীয় পদ্ধতি : ধরা যাক, সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টায় এবং চন্দ্রাস্ত ৬টা ৪৪ মিনিটে। তাহলে সূর্যাস্ত এবং চন্দ্রাস্তের পার্ বাকি অংশ পড়ুন...












