মু’মিন অর্থ বিশ্বাসী। যে ব্যক্তি হাক্বীক্বী ঈমানদার অর্থাৎ হাক্বীক্বী মুসলমান তাকেই মু’মিন বলে। আর এক মু’মিনের উচিত অপর মু’মিনের সাথে মিল-মুহাব্বত রাখা। কারণ: পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
اَلْمُؤْمِنُ اَخُوْا الْمؤْمِنُ
অর্থ: “এক মু’মিন অপর মু’মিনের ভাই।”
অন্য এক হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اَلْمُؤْمِنُ مِرْأَةُ الْمؤْمِنُ
অর্থ: “এক মু’মিন অপর মু’মিনের আয়ন বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্বের পর্বগুলোতে অকাট্য দলীলের ভিত্তিতে প্রমাণ করা হয়েছে, সামর্থ্যবান প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য পবিত্র কুরবানী দেয়া ওয়াজিব।
যারা বলে, “পবিত্র কুরবানী করা একটি সাধারণ ইবাদত, যতো সম্পদশালী হউক না কেন পবিত্র কুরবানী করলে ছাওয়াব আছে আর না করলে কোনো গুনাহ হবেনা। না‘উযুবিল্লাহ! এখানে পবিত্র কুরবানী সম্পর্কে তাদের গুরু ইবনে তাইমিয়ার মত উল্লেখ করা হলো।
তথাকথিত আহলে হাদীছ ওরফে আহলে হদছ, ওহাবী, সালাফী, লা-মাযহাবীদের গুরু ইবনে তাইমিয়ার মতেও কুরবানী করা ওয়াজিব:
وَأَمَّا الْأُضْحِيَّةُ فَالْأَظْهَرُ وُجُوبُهَا أَيْضًا فَإِنَّهَا مِنْ أَعْظَمِ شَعَائِرِ الْإِسْل বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
লোক দেখানোর জন্য অথবা এলাকায় সুনাম অর্জনের উদ্দেশ্যে বড় গরু পবিত্র কুরবানী দেয়া জায়িয হবে কি? পবিত্র কুরবানী দেয়ার ক্ষেত্রে কি নিয়ত রাখা উচিত?
জাওয়াব:
কোন আমলই লোক দেখানোর জন্য কিংবা এলাকায় সুনাম-সুখ্যাতি অর্জনের জন্য করা জায়িয নেই।
কাজেই, পবিত্র কুরবানী হোক অথবা অন্য যে কোন নেক আমলই হোক তা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারকের উদ্দেশ্যেই করতে হবে। যেমন এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وما امروا الا ليعبدوا الله مخلصين له الدين
অর্থ: বান্দাদের প্রতি নির্দেশ মুবারক হলো তারা যেনো খালি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
اِنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُوْلُ نَحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ طَهَّرَهُمُ اللهُ مِنْ شَجَرَة النَّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَةِ وَمُخْتَلِفِ الْمَلَائِكَةِ وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدِنِ الْعِلْمِ.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবসময় ইরশাদ মুবারক করতেন, আমরা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে (আমাদেরকে) সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার বৃক্ষ, সম্মানিত রিসালাত মু বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনা মতে মহাসম্মানিত ঐতিহাসিক গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ:
তখন হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি তাকে বললেন, তুমি লাত দেবীর ঝুলন্ত চামড়া চেটে খাও। তুমি কি মনে করেছো, আমরা কি উনাকে ছেড়ে যাবো? উরওয়া বললো, তিনি কে? লোকজন বললো, তিনি হচ্ছেন আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম। উরওয়া বললো, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, আমি উনার কসম করে বলছি, আমার উপর যদি আপনার ইহসান না থাকতো, যার প্রতিদান আমি দিতে পারিনি, তাহলে নিশ্চয়ই আপনার কথার জবাব দিতাম।
রাবী বলেন, উরওয়া পুনরায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হু বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْعَاقِلُ تَكْفِيهِ الْإِشَارَةُ
জ্ঞানী লোকের জন্য ইশারাই যথেষ্ট। যারা ভাত পাক করে তারাতো সব ভাতগুলো একবারে হাতায় না। একটা দু’টা ভাত টিপ দেয়, টিপলে বুঝা যায়। তাহলে এ পবিত্র আয়াত শরীফই যথেষ্ট। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব, নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি মু’মিনদের জান থেকে প্রিয়।
وَهُوَ أَبٌ لَّهُمْ
সমস্ত সৃষ্টির মহাসম্মানিত পিতা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তিনি পিতা আর উনারা বান্দি বাকি অংশ পড়ুন...
১. নেককার ব্যক্তিগণের অন্তরে উনাদের মুহব্বত সৃষ্টি করে দেয়া হয়।
২. সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিশ্বস্ত ব্যক্তি হিসেবে উনাদেরকে গণ্য করা হয়।
৩. উনাদের জন্য রিযিক প্রশস্ত করে দেয়া হয়।
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অশ্রু মুবারক نُوْرُ الْـمَحَبَّةِ مُبَارَكٌ নূরুল মুহব্বত মুবারক
২৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চুল মুবার বাকি অংশ পড়ুন...












