নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করার নির্দেশ স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَه يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا اَيُّهَا الَّذِينَ امَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে পবিত্র ছলাত বা পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করেন। হে ঈমানদার ব বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইরাক ও সিরিয়া বিজিত হওয়ার খবর দান:
(১) হযরত সুফিয়ান ইবনে আবূ যুহাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি। ইয়ামান বিজয় করা হবে। তখন এমন এক সম্প্রদায় আসবে, যারা গবাদি-পশুকে হাঁকাবার সময় “বস্, বস্” বলবে। উনারা আপন তাদের পরিজন ও আনুগত্যকারীদেরকে নিয়ে চলে যাবে। হায়, উনারা যদি জানতো যে, পবিত্র মদীনা শরীফ অত্যন্ত ভাল আবাসস্থল! অর্থাৎ উনারা জানে না যে, বাকি অংশ পড়ুন...
(১৩ পর্ব)
তিনি তিনটি রূপ দান করেছেন, আমরা তো একটা বলেছিলাম, অনন্তকাল। আসলে এখানে তিনটা রূপ মামদূহ মুর্শিদ কিবলা বলছেন, খুব খেয়াল করতে হবে। সহজ করে দিয়েছেন। খুব সহজ। একটা হচ্ছে অনন্তকাল সময়ব্যাপী। হ্যা; অনন্তকাল। আমার কথা বুঝা যায়? না কঠিন লাগে? হ্যা, অনন্তকাল। লম্বা সময়, অনন্তকাল, কালের কোন শেষ নাই। এখন পনেরশত বছর পূর্তি হচ্ছে। তাইনা? হ্যা, পনেরশত বছর পূর্তি কীভাবে?
যে, পনেরশত বছর হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে নূরুত তাশরীফ মুবারক রেখেছেন পনেরশত বছর। বিভিন্ন ইতিহাস, বিভিন্ন ওয়াকেয়া, বিভিন্ন কিছু ঘটছে। তাইলে সেখাà বাকি অংশ পড়ুন...
(১ম পর্ব)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার যেমন অসংখ্য ফযীলত মুবারক বর্ণনা করা হয়েছে। ঠিক বাস্তবেও পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার বিস্ময়কর অনেক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। নিম্নে সেখান থেকে কতিপয় ঘটনা বর্ণনা করা হলো-
১. বিকৃত চেহারাকে জোৎস্নার চাঁদের মতো উজ্জ্বল করে দিলেন:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
حكى الشيخ أبو حفص عمر بن الحسن السمرقندي رحمة الله عليه فيما روي عن بعض استاذيه عن أبيه قال سمعت رجلاً في الحرم وهو كثير الصلاة على النبي صلى الله عليه وسلم حيث كان من الحرم والبيت وعرفة ومنى فقلت أيها الرجل إن لكل مقام مقالاً فما بالك لا تشتغل بالدعاء ولا بالتطوع بالصلاة سوى إنك تصلي على النبي صلى الله عليÙ বাকি অংশ পড়ুন...
(১২ পর্ব)
হ্যাঁ, দ্বিতীয় যে বিষয়: যদি কেউ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ ঠিকমত পালন করে, মুহব্বতের সাথে যদি পালন করেন। হ্যা, খরচ করেন। সে যা, যা করতো غَسَلَ ثِيَابَهٗ، تَعَطَّرَ، تَـجَمَّلَ হ্যা, عَمِلَ وَلِيْمَةً তারপর কী ছিলো? اسْتَقَرَّا হ্যা,مَوْلِدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছানা-ছিফত। এই মাসজুড়ে আপনি এই কাজগুলা করেন। আপনার সময়টা এইভাবে ঠিক করেন। হ্যা, তাহলে কিন্তু আপনি পার পেয়ে যাবেন।
দ্বিতীয় বিষয় কী ছিলো? মাল-সম্পদ, আয়-রোজগার। সেতো আমরা বললাম, আমাদের কী করতে হবে? সুন্নতী সামগ্রী উনার ব্যবসা করতে হবে। এবং যখনই ব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামায ভঙ্গের কারণসমূহ
১. নামাযের মধ্যে স্বেচ্ছায় বা ভুলবশতঃ কিংবা নিদ্রাবস্থায় কোনো কথা বললে।
২. ইচ্ছাপূর্বক সালাম দিলে (ভুলে নয়)।
৩. স্বেচ্ছায় বা ভুলে সালামের জবাব দিলে।
৪. বিনা ওজরে গলা খাকারি দিলে। তবে আওয়াজকে পরিষ্কার করার উদ্দেশ্যে অথবা ইমামের ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে বা সে নিজে নামাযের মধ্যে আছে, তা অবগত করানোর উদ্দেশ্যে গলা খাকরালে নামায ফাসিদ হবে না।
৫. নামাযের মধ্যে যেকোনো কারণে (পীড়িত ব্যক্তির অসহ্যের কারণ ব্যতীত) আহ! উহ! ইস! ইত্যাদি বললে অথবা উচ্চস্বরে কাঁদলে নামায ভঙ্গ হবে। অবশ্য জান্নাত, জাহান্নামের কথা মনে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا عَدْوٰى وَلَا طِيَرَةَ وَلَا هَامَةَ وَلَا صَفَرَ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই, অশুভ বলতে কিছু নেই, পেঁচার মধ্যে কোন কুলক্ষণ নেই এবং সম্মানিত ছফর শরীফ মাসে কোন খারাপী নেই। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, হাদীছ শরীফ নং ৫৭৫৭, ৫৩১৬, এবং ৫৪২৫, উমদাতুল ক্বারী ৩১/৩৮à বাকি অংশ পড়ুন...












