সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানার্থে এই পর্দা মুবারক পাওয়া গেল এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানার্থে এই বিষয়টা জানা গেল। উনাদের কাউকে গ্রহণ করা জায়িয নেই এবং কল্পনা করাটাও জায়িয নেই। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এবং সমষ্টিগতভাবে উনাদের সকলের উছীলা মুবারকে জানা গেল যে, উনাদের কাছে কিছু চাইতে গেলে সেটা পর্দার আড়াল থেকে চাইতে হবে এবং শুধু পর্দার আড়াল থেকে চাইতে হবে তা নয়, অন্তরে কোন চু-চেরা কীল-কাল য বাকি অংশ পড়ুন...
কিন্তু মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিতো-
وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوٰى إِنْ هُوَ إِلاَّ وَحْيٌ يُّوحٰى
ওহী মুবারক ছাড়া তিনি কোন কথা মুবারক বলেন না, কোন কাজ মুবারক করেন না এবং কোন সম্মতি মুবারকও প্রকাশ করেন না। তিনি বিষয়টা চিন্তা করেছেন যে, একজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে দেখেছিলেন। যেহেতু উনার দুনিয়াবী দৃষ্টিতে বয়স মুবারক অল্প ছিলেন। তিনি মনে মনে চিন্তা করেছিলেন যে, পরবর্তী সময় তিনি উনাকে গ্রহণ করবেন। নাউযুবিল্লাহ! ন বাকি অংশ পড়ুন...
অর্থাৎ এখানে হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু যিনি খাদিমে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি বলেন, আমি এখানে উপস্থিত ছিলাম। সকলের খাবার শেষ হয়ে গেল, কয়েকজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বসে আলোচনা করতেছিলেন। আর তখনও পর্দার আয়াত শরীফ নাযিল হয়নি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি বিপরীত পাশে সেই মহাসম্মানিত হুজরা শরীফ উনার দিকে চেহারা মুবারক করে বসে ছিলেন। কিন্তু কয়েকজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এখানে বসে আলোচনা করতেছিলেন। মহাসম্মানিত মহ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, বিশেষ করে পর্দার যে বিষয়টা।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَدْخُلُوا بُيُوتَ النَّبِيِّ إِلَّا أَنْ يُّؤْذَنَ لَكُمْ إِلٰى طَعَامٍ غَيْرَ نَاظِرِينَ إِنَاهُ وَلٰكِنْ إِذَا دُعِيتُمْ فَادْخُلُوا فَإِذَا طَعِمْتُمْ فَانتَشِرُوا وَلَا مُسْتَأْنِسِينَ لِحَدِيثٍ
পর্দার জন্য মোট সরাসরি সাতখানা পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করেছেন যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ তিনি। তারমধ্যে তিনখানা হচ্ছেন পবিত্র সূরা নূর শরীফে, চারখানা পবিত্র সূরা আহযাব শরীফে। এসব পর্দার মূল পবিত্র আয়াত শরীফ। এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার শানে নুযূলে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَلَاٰمُرَنَّهُمْ فَلَيُغَيِّرُنَّ خَلْقَ اللهِ وَمَنْ يَّتَّخِذِ الشَّيْطَانَ وَلِيًّا مِّنْ دُوْنِ اللهِ فَقَدْ خَسِرَ خُسْرَانًا مُّبِيْنًا
অর্থ: (ইবলিস শয়তানের অঙ্গীকার) আর আমি তাদের (মানুষদের) মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টিকৃত আকৃতি পরিবর্তন বা বিকৃত করার আদেশ করবো। (মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন এ ব্যাপারে) যারা মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে, তারা প্রকাশ্য ক্ষতিগ্রস্তের অন্তর্ভুক্ত।” (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ১১৯)
দাড়ি মু-ন করা আকৃতি-বিকৃতি করার নামান্তর। যা সম্মানিত শরীয়তে হারাম।
বাকি অংশ পড়ুন...
একজন শাসক তার অধীনস্তদের উপর কি রকম আচরণ করবে, কি রকম ইনসাফ বজায় রাখবে তার বেমেছাল দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক তথা জীবনী মুবারকে।
বর্ণিত আছে, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার হায়াত মুবারকের শেষ দিকে দুর্বল হয়ে গেলেন। এর কারণ ছিলো, সেসময় একটু দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিলো। তিনি সংবাদ নিতে বললেন যে, সাধারণ মানুষ এ দুর্ভিক্ষে কি ধরণের খাবার খেয়ে থাকে। উনাকে জানানো হলো জয়তুনের তেল আর রুটি খাওয়ার কথা। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম তি বাকি অংশ পড়ুন...












