وَآيَةً مِّنْكَ
এবং আপনার তরফ থেকে একটা বিশেষ নিদর্শন মুবারক হিসাবে এটা সাব্যস্ত হবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَارْزُقْنَا
আপনি আমাদেরকে রিযিক দান করেন
وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ
আপনি উত্তম রিযিক দাতা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
তাহলে দেখা যাচ্ছে, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেই দিয়েছেন,
وَمَا مِنْ دَآبَّةٍ فِي الأَرْضِ إِلاَّ عَلَى اللهِ رِزْقُهَا
যমীনে যত প্রাণী আছে সকলের রিযিকের জিম্মাদার যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই। তারপরও ব বাকি অংশ পড়ুন...
১) পবিত্র হারাম মাসসমূহ উনাদেরকে।
২) পবিত্র কুরবানী উনার পশুগুলোকে।
৩) পবিত্র হজ্জ সম্পাদনকারীগণ উনাদেরকে।
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا لِيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَى مَا رَزَقَهُمْ مِنْ بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ
অর্থ: আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য পবিত্র কুরবানী নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ করার সময় মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নাম মুবারক উচ্চারণ করে। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা হজ্জ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৪)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের সুন্নতসমূহ
মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতিটি ফরযকে সুন্নত মুবারক দ্বারা সৌন্দর্যম-িত করেছেন এবং সুন্নতসমূহ ফরযের পরিপূরকও। এমন কোনো ইবাদত নেই, যা সুন্নত দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নয়। তাই এখানে নামাযের সুন্নতসমূহ সবিস্তারে আলোচনা করা হলো।
ক্বিয়াম বা দাঁড়ানোর সুন্নতসমূহ:
১. নামায আদায়ের জন্য সোজা হয়ে দাঁড়ানো।
২. নামায আদায়ার্থে দাঁড়ানোর সময় পাদ্বয়ের মাঝখানে চার অঙ্গুলি হতে এক বিঘত পরিমাণ ফাঁক রেখে দাঁড়ানো। স্বাস্থ্যের কারণে এক বিঘত ব্যবধানের মধ্যে দাঁড়ানো সম্ভব না হলে যেভাবে দাঁড়ালে আসান বা সহজ হয়, সেভাবে দাঁড়াবে।
৩. বাকি অংশ পড়ুন...
সমস্ত কায়িনাত একমাত্র যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, যিনি ইমামুল মুরসালীন, যিনি খ¦তামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থেই সর্বপ্রকার নিয়ামত মুবারক পেয়েছে, পাচ্ছে এবং অনন্তকাল ধরে পেতেই থাকবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
সেই অসংখ্য অগণিত নিয়ামত মুবারকের মধ্যে বিশেষ নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর উনাদের মধ্যে বিশেষ ব্যক্তিত্ব মুবারক হচ্ছেন মহাসম্মানিত হযরত উম্মাহ বাকি অংশ পড়ুন...
(১) সম্মানিত দ্বীন ইসলাম।
(২) সম্মানিত হিজরত।
(৩) সম্মানিত হজ্জ।
বাকি অংশ পড়ুন...
গরুর গোশত খাওয়া সুন্নত কি-না?
তাছাড়া হযরত মুহম্মদ ইবনে ইউসুফ ছালেহী শামী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্ববিখ্যাত সীরাতগ্রন্থ ‘সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ’ উনার মধ্যে উপরোক্ত হাদীছ শরীফখানা উল্লেখ করেছেন। আর সেই বাবের নাম দিয়েছেন-
فيما أكله صلى الله عليه وسلم من لحوم الحيوانات
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে সমস্ত প্রাণীর গোশত খেয়েছেন। (সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ ৭/১৮৬)
এখান থেকেও প্রমাণিত হয়, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি গরুর গোশত খেয়েছেন।
নূরে বাকি অংশ পড়ুন...
আর এ সম্পর্কে আমরা সামনে আলোচনা করবো যাতে বিষয়গুলি মানুষ উপলদ্ধি করতে পারে।
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক অনেক মহান একটা বিষয়।
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ
নিশ্চয়ই আপনার (ও আপনাদের) আলোচনা মুবারক বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করা হয়েছে। সেই মহান আলোচনা মুবারক, সেই মহান শান মুবারক উনাদের। কাজেই সেটা ফিকির করতে হবে।
ফিকির করে সেভাবে বলতে হবে। এটা কিন্তু কঠিন বিষয়। এখানে কারো কোন রুখছতের সুযোগ নেই, কারো কোন ইখতিয়ার নাই। যে ইখাতিয়ার খাটাবে সে নিজে জাহান্নামী হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ! বিনা চূ-চেরা, বাকি অংশ পড়ুন...
(১) ধনী ব্যক্তিরা হজ্জ করবে আনন্দ ভ্রমনের জন্য।
(২) মধ্যবিত্ত ব্যক্তিরা হজ্জ করবে ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য।
(৩) আলিম নামধারীরা হজ্জ করবে সুনাম অর্জন ও লোক দেখানোর জন্য।
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَـلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللهَ خَنَسَ وَإِذا غَفَلَ وَسْوَسَ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান মানুষের ক্বলবের মধ্যে বসে, যিকির করলে সে পালিয়ে যায় আর যিকির থেকে গাফিল হলে সে ওয়াসওয়াসা দেয়। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...












