আর এই খুশি প্রকাশ করা কতটুকু ফযীলতপূর্ণ সেটাও তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
هُوَ خَيْرٌ مِّمَّا يَجْمَعُونَ
এই খুশি মুবারক প্রকাশ করা হচ্ছে, সকলের যিন্দেগীর সমস্ত ইবাদত-বন্দেগী থেকেও সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বোত্তম ইবাদত। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! অর্থাৎ সমস্ত সৃষ্টি একমাত্র যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, যিনি ইমামুল মুরসালীন, যিনি খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থেই সর্বপ্রকার নিয়ামত মুবারক পেয়েছে, পাচ্ছে এবং অনন্তকাল ধরে পেতেই থাকবে। সু বাকি অংশ পড়ুন...
الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا
অর্থ: “আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম, আর তোমাদের উপর আমার নিয়ামতকে পূর্ণ করলাম, তোমাদের জন্যে ইসলামকে দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।” (সূরা আল মায়েদা : আয়াত শরীফ ৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
হানাফী মাযহাবের ইমাম, ইমামুল মুহাদ্দিসীন, ইমাম মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার কিতাব মুতালায়াহ করার সময় পিপাসিত হয়ে যান। উনার হুজরা শরীফের পাশেই এক ব্যক্তি শরবত বিক্রি করতো। তিনি পানি পিপাসা নিবারনের জন্য শরবত ওয়ালাকে গিয়ে বললেন- ভাই শরবত ওয়ালা, তুমি আমাকে এক গ্লাস শরবত পান করাও, এর বিনিময়ে আমি তোমাকে একটি জরুরী মাসয়ালা শিক্ষা দিব। শরবত ওয়ালা বললো- মাসয়ালার বিনিময়ে আমার শরবত বিক্রি হয়না, আমার শরবত পান করতে হলে পয়সা লাগবে। হযরত ইমাম মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট যেহেতু কোন পয়সা ছিলনা, সেহেতু তিনি শরবত পান না করেই বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র যিকিরকারী উনাদের ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِىْ مُوْسٰى رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَثَلُ الَّذِيْ يَذْكُرُ رَبَّهٗ وَالَّذِيْ لَا يَذْكُرُ مَثَلُ الْحَىِّ وَالْمَيِّتِ.
অর্থ : হযরত আবূ মূসা আশয়ারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি তার রব উনার পবিত্র যিকির করে আর যে পবিত্র যিকির করেনা, তাদের মেছাল বা উদাহরণ হলো, জীবিত ও মৃত ব্যক্তির ন্যায়।
(ব বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
৪র্থ দলীল:
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
اِنَّمَا لَا تَدْخُلُ الْمَلَائِكَةُ بَيْتًا فِيْهِ كَلْبٌ اَوْ صُوْرَةٌ مِمَّا يُحَرَّمُ اِقْتِنَاؤُهٗ مِنَ الْكِلَابِ وَالصُّوَرِ وَاَمَّا مَا لَيْسَ بِحَرامٍ مِّنْ كَلْبِ الصَّيْدِ وَالزَّرْعِ وَالْمَاشِيَةِ
অর্থ : (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,) রহমত উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা ঐ ঘরে প্রবেশ করেন না, যেখানে কুকুর অথবা মূর্তি-ছবি রয়েছে। যা থেকে কুকুর লালন-পালন করা এবং ছবি-মূর্তি রাখা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। আর শিকারের এবং ক্ষেত-খামার, শস্যাদি ও উট, ভেড়া, মেষ-দুম বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম মুবারক বুঝতে হবে। পবিত্র হাদীছ শরীফ মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কালাম মুবারক বুঝতে হবে। তখন বুঝতে সহজ। নিজের মতো বুঝলে
اَلْمَرْءُ يَقِيْسُ عَلٰي نَفْسِهٖ
যে যে রকম সে সে রকম মনে করে থাকে তখন সে গোমরাহ হয়ে যায়। নাউযুবিল্লাহ! কাজেই এখানে পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের যে ছানা-ছিফত মুবারক, মর্যাদা মুবারক সেটাই বর্ণনা করা হয়েছে।
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা
مُسْلِمَاتٍ مُّؤْمِنَاتٍ قَانِتَاتٍ تَائِبَاتٍ বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি: নাম ‘আইয, পিতার নাম ‘আমর ইবনে হিলাল, উপনাম আবূ হুবায়রা, মুযায়না গোত্রের অর্ন্তভুক্ত, তিনি বছরাতে বসবাস করেন এবং সেখানে তিনি একটি বাড়ী নির্মাণ করেছিলেন, হযরত রাফি‘ বিন ‘আমর আল-মুযানী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ভাই। তিনি বাইয়াতুর রিদ্বওয়ানে শরীক ছিলেন (ইছাবা)।
বিছাল শরীফ: ইয়াযিদ লানাতুল্লাহি আলাইহির শাসনামলে তিনি বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন। কুফার তদানিন্তন গভর্ণর উবায়দুল্লাহ বিন যিয়াদ পদাধিকার বলে যেন উনার জানাযার নামাযে ইমামতি করতে না পারে সেজন্য তিনি ওছীয়ত করেছিলেন। তদস্থলে হযরত আবু বারজা আল-আসলামী রদ্বিয়াল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
যেটা আমি বলেছিলাম, সুলত্বানুল আরিফীন হযরত খাজা গরীব নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একটা স্বপ্ন দেখলেন। কি স্বপ্ন দেখলেন? সুলত্বান মাহমূদকে। গজনীর সুলত্বান মাহমূদ অনেক বড় বুযূর্গ, আল্লাহওয়ালা। উনাকে স্বপ্নে দেখলেন, দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, হে সুলত্বান মাহমূদ! তোমার অবস্থা কি? তিনি বললেন যে, আমাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি নাজাত দিয়েছেন। অনেক কারণে, তারমধ্যে একটা বিশেষ কারণ রয়েছে, সেটা কি? কি বিশেষ কারণ? আমি একবার সফরে ছিলাম একটা শহরে। ছোট একটা শহর সেখানে আমাকে এক জায়গায় থাকতে দেয়া হলো। যিনি সুলত্বান উনার তা’যীম-তাকরীম ঐ রক বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنَّمَا حَرَّمَ رَبِّيَ الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَالإِثْمَ وَالْبَغْيَ بِغَيْرِ الْحَقِّ وَأَن تُشْرِكُواْ بِاللّهِ مَا لَمْ يُنَزِّلْ بِهِ سُلْطَانًا وَأَن تَقُولُواْ عَلَى اللّهِ مَا لاَ تَعْلَمُونَ
অর্থ: আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, আমার রব তায়ালা তিনি সমস্ত প্রকার অশ্লীল বিষয়সমূহ হারাম করেছেন সেটা প্রকাশ্য হোক এবং অপ্রকাশ্য হোক। আর হারাম করেছেন সমস্ত গুনাহের কাজ, অন্যায়-অত্যাচার। মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে এমন বস্তুকে শরীক করা, তিনি যার কোন সনদ বা দলীল নাযিল করেননি। আর মহান আল্লাহ পাক বাকি অংশ পড়ুন...












